দুই ডিসপ্লের আসুসের নতুন ল্যাপটপ

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : দেশে আসুস জেনবুক ডুয়ো সিরিজের ফ্ল্যাগশিপ ল্যাপটপ আনলো আসুস।

আসুস জেনবুক ডুয়ো এবং জেনবুক প্রো ডুয়ো সংস্করণের ল্যাপটপ দুটি দেশের বাজারে বিক্রি করবে আসুসের অনুমোদিত পরিবেশক গ্লোবাল ব্র্যান্ড প্রাইভেট লিমিটেড।

ফ্ল্যাগশিপ ল্যাপটপটির অন্যতম প্রধান বৈশিষ্ট্য হচ্ছে প্রিমিয়াম ফিনিশিং এবং ডুয়েল ডিসপ্লে।

সেকেন্ডারি টাচস্ক্রিন ডিসপ্লেটিকে আসুস বলছে, স্ক্রিনপ্যাড প্লাস। সম্পূর্ণ ডিসপ্লেটিই টাচ।  এর যে দ্বিতীয় ডিসপ্লে সেটি রয়েছে ল্যাপটপের কি বোর্ডের উপরের অংশে।

আগামী দিনের ল্যাপটপ স্লোগান দিয়ে আসুস তাদের ডুয়েল ডিসপ্লের ল্যাপটপ বুধবার এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে উন্মোচন করে।

উন্মোচন অনুষ্ঠানে প্রতিষ্ঠানটি তাদের জানায়, তাদের এই ফ্ল্যাগশিপ মানের ল্যাপটপটি কনটেন্ট ক্রিয়েটর, ডিজিটাল আর্টিস্ট, মিউজিক মিক্সার, মাল্টিটাস্কিং, বিভিন্ন ধরনের লাইভ করার করার ক্ষেত্রে আগের ধারণা বদলে দেবে।

টাচ ডিসপ্লে এবং স্টাইলাস পেন থাকায় মাল্টিটাস্কিং, ছবি আকা কিংবা ডিজিটাল আর্ট করা যাবে ল্যাপটপেই।

আসুস জেনবুক প্রো ডুয়ো এবং জেনবুক ডুয়ো দুটি ল্যাপটপের চার ধরনের সংস্করণ রয়েছে।

সর্বোচ্চ মানের জেনবুক প্রো ডুয়ো সংস্করণটিতে আছে ইন্টেল কোর আই নাইন প্রসেসর।

এছাড়া আসুস জেনবুক ডুয়োতে আছে দশম প্রজন্মের ইন্টেল কোর আই সেভেন এবং কোর আই ফাইভ প্রসেসর।

সর্বোচ্চ ৩২ জিবি র‍্যাম ধারণক্ষমতা সমর্থিত ল্যাপটপে অতিরিক্ত জিপিইউ হিসেবে রয়েছে এনভিডিয়া আরটিএক্স ২০৬০ এবং আর সবচেয়ে কমদামী মডেলে আছে এমএক্স২৫০ গ্রাফিক্স প্রসেসিং ইউনিট।

এছাড়া স্টোরেজ হিসেবে রয়েছে এক টেরাবাইট হাই স্পিড পিসিআইই এসএসডি সুবিধা।

১৫.৬ ইঞ্চির ফোর-কে ওএলইডি টাচস্ক্রিন ডিসপ্লে দেওয়া হয়েছে এতে। রয়েছে সর্বোচ্চ পর্যায়ের কুলিং সুবিধা।

অন্যদিকে ১৪ ইঞ্চি এলইডি ফুলএইচডি টাচস্ক্রিন সমর্থিত জেনবুক ডুয়োতে দেয়া হয়েছে অপেক্ষাকৃত কিছুটা পাতলা গড়ন।

আসুসের নতুন এই ল্যাপটপে কানেক্টিভিটির জন্য ইউএসবি টাইপ-সি থান্ডারবোল্ট থ্রি রয়েছে।

সর্বোচ্চ কনফিগারেশনসহ আসুস জেনবুক প্রো ডুয়ো মডেলটির দাম  দুই লাখ ৮০ হাজার টাকা। এছাড়াও আসুসের জেনবুক ডুয়ো সিরিজ শুরু হবে  এক লাখ পাঁচ হাজার টাকা থেকে।

ল্যাপটপের উন্মোচন অনুষ্ঠানে আসুস দক্ষিণ এশিয়া রিজিওনের প্রধান লিওন উ, আসুস বাংলাদেশের বিজনেস ডেভেলপমেন্ট ম্যানেজার আল ফুয়াদ, বাংলাদেশের কান্ট্রি প্রোডাক্ট ম্যানেজার আশিকুজ্জামানসহ গ্লোবাল ব্র্যান্ডের কর্মকর্তারা।

ইউটিউবে যেভাবে বাফারিং এড়াবেন

অনলাইনে ভিডিও দেখার জনপ্রিয় প্ল‍্যাটফর্ম ইউটিউব।

বিনোদনের জন্য অনেকেই প্ল্যাটফর্মটিতে ঘণ্টার পর ঘণ্টা কাটিয়ে দেন।  তবে ভিডিওগুলো ধীরগতিতে চললে তা উল্টো বিরক্তির সৃষ্টি করে।

কিছু পদক্ষেপ নিয়ে এই সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। চলুন তাহলে জেনে নেওয়া যাক বাফারিং এড়ানোর উপায়।

রেজুলেশন কমানো
এইচডি (৭২০ পি) ও ফুল এইচডি (১০৮০ পি) মানের ভিডিও স্ট্রিমিংয়ের জন্য দ্রুত গতির ইন্টারনেট থাকতে হবে। কিন্তু অনেকের ইন্টারনেটের গতি কম থাকে। এক্ষেত্রে ইউটিউব ভিডিওর রেজুলেশন কমিয়ে বাফারিং এড়ানো সম্ভব। গতি অনুযায়ী এই রেজুলেশন নির্বাচন করতে হবে।
এজন্য ব্রাউজার কিংবা অ্যাপ হতে ভিডিও দেখার সময় ভিডিওর সেটিংস আইকনে ক্লিক করে রেজুলেশন কমিয়ে নিতে হবে।

ব্রাউজার যাচাই
পিসিতে ব্রাউজার ব্যবহার করে ইউটিউব দেখার সময় ইন্টারনেটের গতি ঠিক থাকা সত্ত্বেও অনেক সময় বাফারিং হয়। এটি সমাধানে ব্রাউজারের ডেটা ও ক্যাশ ফাইল ক্লিয়ার করতে হবে। অপশনটি ব্রাউজারের সেটিংসে পাওয়া যাবে।
এছাড়া, ইন্টারনেট ব্রাউজারটিকে সবসময় হালনাগাদ সংস্করণে ব্যবহার করতে হবে।

মোবাইল অ্যাপের ডেটা মুছে ফেলা
অ্যান্ড্রয়েডে ইউটিউব অ্যাপ দীর্ঘদিন ব্যবহারের ফলে সেটি অনেক ডেটা জমা করে ফেলে। এর দরুন ইউটিউব ভিডিও চলতে ধীরগতি হতে পারে। এই সমস্যা সমাধানে ইউটিউব অ্যাপের ডেটা মুছে ফেলতে হবে কিংবা অ্যাপটিকে একবার আন-ইন্সটল করে পুনরায় নতুন  করে ইন্সটল করে নিলে সমস্যা সমাধান হবে।

ইন্টারনেটের গতি যাচাই
বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই ধীরগতির ইন্টারনেটের কারণে ইউটিউব ভিডিও ঠিকঠাক চলে না কিংবা চলতে চলতে থেমে যায় (বাফারিং)। সেক্ষেত্রে ইন্টারনেটের গতি বাড়িয়ে সমস্যাটি সমাধান করা যেতে পারে। এ জন্য উচ্চগতির ইন্টারনেট সার্ভিস নিতে হবে। গতি ঠিক থাকা সত্ত্বেও ওয়াইফাইতে স্পিড কমে গেলে তা সমাধান করে নিতে হবে।

উইন্ডোজ-১০ ফ্যাক্টরি রিসেট করার পদ্ধতি

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : সফটওয়্যার জনিত নানা সমস্যার কারণে হুট করে কম্পিউটার স্লো হয়ে গেলে আমরা নতুন করে উইন্ডোজ ইনস্টল করে থাকি।

এই ঝামেলা এড়াতে  উইন্ডোজ-১০ অপারেটিং সিস্টেমে ফ্যাক্টরি রিসেট ফিচার যুক্ত করেছে মাইক্রোসফট।

স্মার্টফোনের মতো ফ্যাক্টরি রিসেট করেই স্লো কিংবা হ্যাং হয়ে যাবার মত সমস্যার সমাধান মিলবে উইন্ডোজ-১০ অপারেটিং সিস্টেম চালিত পিসিতেও।

চলুন দেখে নেয়া যাক কীভাবে এই কাজটি করা যায়।

এই প্রক্রিয়ায় কম্পিউটারের যে ড্রাইভে উইন্ডোজ ইনস্টল থাকে সেটির সকল ডেটা মুছে যেতে পারে। তাই গুরুত্বপূর্ণ ফাইল অন্য জায়গায় কপি করে রাখতে হবে।

এরপর প্রথমেই উইন্ডোজের সেটিংস পেইজে যেতে হবে। সেখান থেকে ‘আপডেট অ্যান্ড সিকিউরিটি’ সেটিংস এ যেতে হবে। সেখানে বাম দিকে থাকা ‘রিকোভারি’ নামক অপশনে ক্লিক করলে নতুন একটি উইন্ডো আসবে। সেখানে ‘Reset This PC’ নামে অপশন প্রদর্শিত হবে।

সেখানে ‘Get Started’ এ ক্লিক করলে আরেকটি উইন্ডো আসবে। সেখানে ‘Keep My Files’ ও ‘Remove Everything’ নামে দুটি আলাদা অপশন দেখাবে। প্রথমটি নির্বাচন করলে শুধুমাত্র অ্যাপ ও সেটিংস মুছে যাবে আর দ্বিতীয়টি  নির্বাচন করলে সি ড্রাইভের সবকিছু মুছে যাবে।

প্রয়োজন অনুযায়ী যেকোনটি নির্বাচন করতে হবে। তবে ভালো ফল পেতে ‘Remove Everything’ নির্বাচন করতে হবে।

এরপর পরবর্তী ধাপে গেলে সতর্কতা বার্তা প্রদর্শিত হবে। সম্মতি দিলে পিসি রিসেট প্রক্রিয়া শুরু হবে এবং এরপর কোনো নির্দেশনা প্রদর্শিত হলে প্রয়োজন মোতাবেক তাতে সম্মতি দিতে হবে।

এই প্রক্রিয়া পুরোপুরি শেষ হতে বেশ খানিকটা সময় প্রয়োজন হবে। এই প্রক্তিয়া চলাকালীন নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সংযোগ কিংবা ল্যাপটপের ক্ষেত্রে পর্যাপ্ত চার্জ নিশ্চিত করতে হবে যাতে রিসেট প্রক্রিয়া চলাকালীন পিসি বন্ধ না হয়। সব প্রক্রিয়া ঠিকমত হলে রিসেট শেষে পুনরায় কম্পিউটার চালু হবে।

উইন্ডোজ-১০ এ আপডেট বন্ধ করবেন যেভাবে

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : অপারেটিং সিস্টেমগুলো নিয়মিত আপডেট প্রদান করে থাকে। নানান ধরনের ত্রুটি কাটাতে কিংবা ব্যবহারকারীদেরকে ম্যালওয়্যার কিংবা ভাইরাসের আক্রমণ হতে সুরক্ষা দিতে নির্মাতা প্রতিষ্ঠানগুলো বিভিন্ন সময়ে আপডেট অবমুক্ত করে। তাই নিয়মিত অপারেটিং সিস্টেম হালনাগাদ রাখা ভালো।

অন্যান্য অপারেটিং সিস্টেমের মত উইন্ডোজ-১০ ও নিয়মিত হালনাগাদ হয়।
কিন্তু এই আপডেট প্রক্রিয়া অনেক সময় বিরক্তির কারন হয়ে দাঁড়ায়। যেমন, ধরুন কোনো পিসিতে কোনো গুরুত্বপূর্ণ কাজ করছেন বা এই মুহূর্তে আপনার ব্রন্ডব্যান্ড ইন্টারনেটের সংযোগ নেই!

কেননা আপডেট প্রক্রিয়ায় বেশ খানিকটা ইন্টারনেট ডেটা ব্যবহার হয়, এছাড়া আপডেট চলাকালীন কম্পিউটারের গতিও কমে যায় খানিকটা। এমন পরিস্থিতে আপডেট বন্ধ রাখতে পারাটাই ব্যবহারকারীর জন্য ভালো। এটি দুইটি প্রক্রিয়ায় করা যেতে পারে।

• নির্দিষ্ট ইন্টারনেট সংযোগে আপডেট বন্ধ রাখা
অনেক ব্যবহারকারীই সীমাবদ্ধ ইন্টারনেট প্যাকেজ ব্যবহার করেন। ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেটের মত তাদের সীমাহীন ইন্টারনেট থাকে না। তাই তারা আপডেট প্রক্রিয়ার ইন্টারনেট খরচ করতে চান না। তাদের ক্ষেত্রে আপডেট বন্ধ করতে চাইলে পিসির নেটওয়ার্ক সেটিংস এ যেতে হবে। সেখানে সংযুক্ত ইন্টারনেট সংযোগের নাম প্রদর্শিত হবে। কাঙ্খিত নামের উপর ক্লিক করে ‘Properties’ এ যেতে হবে। সেখান থেকে ‘Set as Metered Connection’ নির্বাচন করে দিলে উক্ত ইন্টারনেট চলাকালীন আপডেট প্রক্রিয়া স্থগত থাকবে।

• সাময়িক সময়ের জন্য আপডেট প্রক্রিয়া স্থগিত রাখা


এজন্য কম্পিউটারের সেটিংস থেকে ‘Updates & Security’ এ গিয়ে ‘Windows Update’ এ ক্লিক করতে হবে। সেখানে একটি নতুন উইন্ডো প্রদর্শিত হবে। সেখানে Pause Updates for 7 Days নির্বাচন করলে পরবর্তী ৭ দিন আপডেট প্রক্রিয়া স্থগিত থাকবে।

উইন্ডোজ ১০ ওএস পেনড্রাইভে বুটেবল করবেন যেভাবে

pendrive_techshohor

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : কম্পিউটারে উইন্ডোজ ১০ ইন্সটল করতে পারবেন নিজেই। এ জন্য অন্য কারও কাছে যেতে হবে না। কিভাবে কাজটি করা হবে তা থাকছে টেকশহরডটকমের তিন পর্বের ধারাবাহিকে।

এটি দ্বিতীয় পর্ব। প্রথম পর্বে তুলে ধরা হয়েছিল যেভাবে উইন্ডোজ ১০-এর আইওএস ফাইলটি ডাউনলোড করতে হয়। এখানে থাকছে বুটেবল পেনড্রাইভ তৈরির কৌশল।

প্রথমে এ ঠিকানা থেকে ‘rufus’ সফটওয়্যারটি ডাউনলোড করতে হবে।

এরপর যে পেনড্রাইভে ওএস বুটেবল করবেন সেটি কম্পিউটারে যুক্ত করতে হবে। এ ক্ষেত্রে পেনড্রাইভের স্টোরেজ মিনিমাম ৮ গিগাবাইট হতে হবে।

পেনড্রাইভে কোনো গুরুত্বপূর্ণ ফাইল থাকলে তা ব্যাকআপ রাখুন। কেননা বুটেবল করার সময় পেনড্রাইভটি ফরম্যাট দিতে হবে। এতে আগের তথ্য হারিয়ে যাওয়ার আশংকা শতভাগ।

এরপর ‘ ‘rufus’ সফটওয়্যারটি চালু করে ‘device’ অপশন থেকে পেনড্রাইভটি নির্বাচন করে দিতে হবে।

তারপর ‘Boot selection’ অপশন থেকে উইন্ডোজ ১০ অপারেটিং সিস্টেমের আইওএস ফাইলটি নির্বাচন করতে হবে।

পরের ধাপে ‘Start’ বাটনে ক্লিক করলে পপআপে একটা সর্তক বার্তা আসবে সেখান থেকে ‘ok’ বাটনে ক্লিক করতে হবে। এরপর ৪-৫ মিনিট সময় লাগবে পেনড্রাইভটি বুটেবল হতে। প্রক্রিয়াতে শেষ হলে ‘rufus’ সফটওয়্যারের নিচে ‘DONE’ লেখা দেখা যাবে।

এভাবে উইন্ডোজ ১০ অপারেটিং সিস্টেম সেটআপ দেয়ার জন্য বুটেবল পেনড্রাইভ তৈরি করা যায়। এ পেনড্রাইভ থেকে পরে উইন্ডােজ সেটআপ দেওয়া যায়।

আগামী পর্বে তুলে ধরা হবে যেভাবে বুটবেল পেনড্রাইভ ব্যবহার করে কম্পিউটারে উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেম সেটআপ করবেন।

উইন্ডোজ-১০ এ টাস্কবার সাজিয়ে নিন পছন্দমত

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : ল্যাপটপ কিংবা ডেস্কটপ, কম্পিউটারের অপারেটিং সিস্টেম হিসেবে এখন অনেকেই উইন্ডোজ ১০ ব্যবহার করি।

টেকশহরডটকমের পাঠকদের জন্য উইন্ডোজ ১০ এর নানা টিপস নিয়ে আয়োজিত ধারাবাহিকের এই পর্বে টাস্কবারকে নিজের মত করে সাজানোর বিভিন্ন উপায় তুলে ধরা হলো।

উইন্ডোজ ১০ এ সাধারণত নিচের দিকে টাস্কবার থাকে যেখানে স্টার্ট ও সার্চ মেনু, চলমান অ্যাপগুলোর আইকন ও নানা নোটিফিকেশন দেখায়।

টাস্কবারে বেশি আইকন চাইলে 

উইন্ডোজ-১০ এ নিচের দিকে যে টাস্কবার থাকে সেখানে চলমান অ্যাপ কিংবা পিন করে রাখা অ্যাপগুলোর আইকন থাকে। কিন্তু এই আইকনগুলোর সাইজ বড় থাকার কারণে এতে একসঙ্গে খুব বেশি অ্যাপ দেখা যায় না। তবে আইকনগুলোর আকার কমিয়ে অধিক পরিমাণ অ্যাপ এক সঙ্গে রাখা যায়।

এজন্য টাস্কবারের মাউস পয়েন্টার রেখে রাইট ক্লিক করতে হবে। এরপর সেখান থেকে Taskbar Settings এ যেতে হবে। সেখান  থেকে Use Small Task Bar অপশনটি চালু করে নিতে হবে।

টাস্কবারের রঙ পরিবর্তন 

টাস্কবারের রঙ পরিবর্তন করলে চাইলে আগের মতই টাস্কবার সেটিংসে যেতে হবে। সেখানে Colors নামক মেনুতে পছন্দসই রঙ নির্বাচন করে দেয়া যাবে।

টাস্কবারের অবস্থান পরিবর্তন

এমনিতে টাস্কবার নিচের দিকে থাকে। তবে চাইলে ডিসপ্লের যে কোনো দিকে সেটিকে সরিয়ে নেয়া সম্ভব। এজন্য পূর্বে দেখানো পদ্ধতিতে টাস্কবার সেটিংস এ যেতে হবে। সেখানে Taskbar Location on Screen নামে একটি অপশন পাওয়া যাবে। এর ভেতরে Left, Top, Right, Bottom নামে চারটি আলাদা অপশন রয়েছে। সেখান থেকে প্রয়োজন মাফিক নির্বাচক করে নিলে টাস্কবারের অবস্থান পরিবর্তন হয়ে যাবে।

সার্চ বক্স লুকিয়ে রাখা 

টাস্কবারে সার্চ করার জন্য একটি বক্স থাকে, যেটি বেশ খানিকটা জায়গা জুড়ে থাকে। প্রয়োজন না হলে এটিকে লুকিয়ে রাখা যায়। এজন্য টাস্কবারের উপর রাইট ক্লিক করে পাওয়া অপশন থেকে Search এ যেতে হবে। সেখান থেকে সেটিকে Hide করে দিলে সার্চ অপশনটি আর দেখাবে না।

Windows Install করুন খুব কম সময়ে

আমরা যারা পিসি চালাই তারা সবাই জানি Windows কি। কারন আমরা যারা পিসি চালাই তাদেরকে কমবেশি হলেও পিসিতে Windows Install দিতে হয়। আর এই Windows Install দিতে অনেক সমই লাগে।আজ আমি এ বিষয়ে একটু কথা বলব। কি করে এই Windows Install এর সমই কমান যাই অর্থাৎ কি করে তারাতারি পিসিতে Windows Install দেয়া যাই। তো বন্ধরা কাজের কথাই আসি।

প্রথমে জেতা করতে হবে সেটা হল Windows এর CD/DVD পিসির CD/DVD ROM এ ঢুকিয়ে Boot করে নিতে হবে। যখন ফাইল কপি করা সুরু করবে তখন Key Board  থেকে  Shift +F10 চাপতে হবে। একটা Box আসবে। ওখানে taskmgr লিখে Enter চাপতে হবে। নতুন একটা Box আসবে। Box টির Process Button এ চাপ দিতে হবে। এখন system.exe এর উপর মাউস এর ডান বাটন এ ক্লিক করতে হবে। Set priority > High করে দিতে হবে। এরপর একই ভাবে windows.exe কেউ High করে দিতে হবে। সবশেষে যে বক্স দুটো আছে সেগুলো Minimize করে দিতে হবে। কাজ শেষ। এবার দেখুন আপনার পিসিতে Windows কতো তারা তারি Install হই।আজ তবে এখানেই শেষ করলাম ।দেখা হবে অন্য কোন পোস্ট এ।

কম্পিউটারের দ্রুত গতি বাড়ানোর জন্য প্রতিদিন যেই কাজটি করা প্রয়োজন আমাদের !!!

ছোট ৩টি কাজের মাধ্যমে আপনার কম্পিউটারের গতি দ্রুত করতে পারবেন। টিউটোরিয়ালটি দেখে নিন।

আশা করি ভিডিওটি সবার ভাল লাগবে।

আপনাদের কোন জিজ্ঞাসা বা পরামর্শ থাকলে আমাকে জানাবেন। আমার সাধ্যমতো সমাধানের চেষ্টা করবো।

বাংলাদেশ এর সকল ব্লগ এর লিস্ট একবার দেখে নিন | All Bangla Blog Site List

অ্যানিটেক টিউন  টিউনমেলা    সামহোয়্যারইন ব্লগ    সচলায়তন    গণিত পাঠশালা

আমার ব্লগ    প্রথম আলো ব্লগ    চতুর্মাত্রিক    নাগরিকব্লগ    সোনার বাংলাদেশ

নীড়পাতা    প্রজন্ম ফোরাম    বিসর্গ    মৌমাছি    বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি

টিউটোরিয়াল বিডি    টেকটিউনস    টেকটুইটস    প্রতীক    আইটেক বাংলা

আমরা বন্ধু    আমার ঠিকানা    আমাদের কথা    আমাদের প্রযুক্তি    আমার বর্ণমালা

আড্ডা ব্লগ    ওপেস্ট    একুশে ব্লগ    এসিএম সলভার    কফি হাউজের আড্ডা

ক্যাডেট কলেজ ব্লগ    জীবনযাত্রা    টেকনোলজি টুডে ব্লগ    ত্রিভুজ নেটওয়ার্ক    নৃ

নীলঞ্চল বাংলা ব্লগ    পিস ইন ইসলাম    বকলম    বাংলা দুনিয়া    বিজ্ঞানী

বিবর্তন বাংলা    বিডিনিউজ২৪বাংলা ব্লগ    বলতে চাই স্বপ্নের কথা    মুক্তব্লগ

মুক্তমনা বাংলা ব্লগ    মুক্তাঙ্গন: নির্মাণ ব্লগ    রংমহল    লোটাকম্বল    শব্দনীড়

সবুজের কলতান ব্লগ    সদালাপ    সাহিত্য.কম    অন্যদৃষ্টি    প্রযুক্তি নিয়ে খেলা

স্বাস্থ্য বাংলা    ওপেস্ট    সিনেমা পিপলস    অনুকাব্য    অন্তরনামা

আইডি ফোরাম    আইটেক বাংলা    আমরা বন্ধু    আমার ঠিকানা

আমাদের কথা    আমাদের প্রযুক্তি    আমার বর্ণমালা   কৃষি ব্লগ    টেকনোলজি টুডে ব্লগ

টেকনোলজিবেসিক    টিউনারপেজ    ত্রিভুভ নেটওয়ার্ক    নীলাঞ্চল বাংলা ব্লগ    বকলম

ব্লগকরি    ব্লগ বাংলা    ব্লগবন্ধু    বলতে চাই স্বপ্নের কথা    বাংলা দুনিয়া    বাংলাআই ব্লগ

বিজ্ঞানী    বিবর্তন বাংলা    সবকিছু    সাতকানিয়া ব্লগ.কম    স্বপ্নবাজ ব্লগ

সরল পথ   সদালাপ    বিজ্ঞানসকুল

একটি অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল ব্যবহার করে ওয়াই ফাই (Wi-Fi) পাসওয়ার্ড হ্যাক করা যায় কি?

হ্যা, হ্যাক করা যায়। একটি অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল ব্যবহার করেই হ্যাক যায়। অনেক মানুষ আছে যাদের বাড়িতে কম্পিউটার নেই। অনেক মানুষ আছে যারা জানে না লিনাক্স কালি(Linux kali)  ব্যবহার করতে। অনেক মানুষ আছে যারা জানে না কিভাবে ওয়াই ফাই(Wi-Fi) পাসওয়ার্ড হ্যাক করতে হয়।

কিভাবে?

কিন্তু এখন প্রায় ১ বিলিয়ন মানুষ অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল ব্যবহার করে। এই লেখাটা এদের জন্য যেন তারা ফ্রি তে ওয়াই ফাই (Wi-Fi) ব্যবহার করতে পারে। ওয়াই ফাই (Wi-Fi) হ্যাক করা সহজ কোন কাজ না। কিন্তু আমি একটা সহজ হ্যাকের টিপস দেব, যেন একটা স্কুল ছাত্রও ওয়াই ফাই(Wi-Fi) পাসওয়ার্ড হ্যাক করতে পারে।
ওয়াই ফাই(Wi-Fi) পাসওয়ার্ড হ্যাক করতে হলে প্রথমে ফোনটিকে রুট করতে হবে। রুট করা তেমন কঠিন কোন কাজ না। একটা অ্যাপস ব্যবহার করেই এই কাজ করা যায়। অ্যাপসটির নাম হল (root checker basic)। এই অ্যাপসটি ব্যবহার করে অতি সহজেই মোবাইল ফোনকে রুট  করা যায়।

ফোনটিতে আরও Broadcom bcm4329 or bcm4330  সেট থাকতে হবে। এই অ্যাপসটি গুগল থেকে পাওয়া যায়। সব ধরনের ফোনে এই অ্যাপসটি ব্যবহার করা যায় না। যে সকল ফোন এর জন্য ব্যবহার করা যাবে তাদের মধ্যে কয়েকটি হল-
Nexus one
Samsung S series
Desire HD
এইসব মোবাইল ফোনের জন্য Broadcom চিপসেট ইনিস্টল করা যাবে। অ্যাপসটি ইনিস্টল হয়ে গেলে চালু করতে হবে।
এরপর রিভার অ্যাপস ডাউনলোড দিয়ে  ইনিস্টল করতে হবে। এরপর কনফার্ম বাটনে ক্লিক করতে হবে যখন এই লেখাটি আসবে “you are not using it for illegal purposes”.।
এরপর রিভার অ্যাপস স্ক্যান করা শুরু করবে। কোন অ্যাসেস পয়েন্ট পেলে শুধু ক্লিক করলেই ঐ ওয়াই ফাই পাসওয়ার্ড হ্যাক হয়ে যাবে।


Post navigation