এইচপির নতুন মনিটর বাজারে, এক মনিটরে ৩ টি পোর্ট ও এইচডি

সময়ের সাথে সাথে পাল্টে যাচ্ছে মনিটরের ধরন,ব্যবহার এবং যুক্ত হচ্ছে নতুন নতুন প্রযুক্তি। বাংলাদেশে এই প্রথম HP ব্র্যান্ডের P204 মডেলের ১৯.৫ ইঞ্চি মনিটরটিতে পাচ্ছেন একসাথে ৩টি পোর্টের সুবিধা, এই ধরনের সুবিধা আগে কোন মনিটিরে ছিল না। VGA,HDMI পোর্ট সহ থাকছে Display Port। এছাড়াও মনিটরটিতে ব্যবহৃত হয়েছে ১৬০০*৯০০ পিক্সেলের HD+ রেজুলেশন, এলইডি ব্যাকলিট এবং 250cd/m² ব্রাইটনেস, যদি আপনি উজ্জ্বল আলোতে বা দিনের বেলায় দীর্ঘ সময় মনিটর ব্যবহার করে থাকেন তাহলে আপনার জন্য আদর্শ হবে এই HP মনিটরটি। ৩ বছরের বিক্রয়োত্তর সেবা সহ সাশ্রয়ী মূল্যের এই মনিটরটি পাছেন আপনার নিকটস্থ হ্যালো কম্পিউটারে। বিস্তারিত জানতে বা অর্ডার করতে ফোন করুনঃ ০১৭১৯৩২২৫৩৩

অনলাইনে আপনার জন্ম নিবন্ধন বা Birth Certificate ভেরিফাই করে নিন মাত্র ১ মিনিটে।

ইদানিং অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে টাকার বিনিময়ে অনেকেই ভুয়া জন্ম নিবন্ধন বা Birth Certificate প্রদান করে থাকেন, ভুয়া জন্ম নিবন্ধন বা Birth Certificate নিয়ে সরকারি বেসরকারি কোন কাজে গেলে হয়তো আপনার বিভিন্ন বিপদ বা অপমানের সম্ভবনা থেকে যায়,  তাই আজ আমি আপনাদের শিখাবো কিভাবে অনলাইনে জন্ম নিবন্ধন বা Birth Certificate ভেরিফাই করে নিতে পারেন অথবা কিভাবে অনলাইনে জন্মনিবন্ধনের জন্য আবেদন করা যায়  জন্মনিবন্ধনের আবেদনপত্র ফরম সংগ্রহ করা যায়।

তারপর নিচের মত পেইজ ওপেন হলে Birth Registration Number এর জায়গাতে আপনার বার্থ সার্টিফিকেট এর জন্ম নিবন্ধন নম্বর প্রবেশ করুন এবং Date Of Birth এর জায়গাতে আপনার জন্ম তারিখ প্রবেশ করুন এভাবে DATE-Month-Year

এবার Verify বাটনে ক্লিক করুন,  দেখুন মত নিচে আপনার সকল তথ্য দেখাচ্ছে

আর যদি নিচের ছবির মত Matching birth records not found এমন দেখায় তবে বুঝবেন ভুয়া জন্ম নিবন্ধন পেয়েছেন।

অনলাইনে জন্মনিবন্ধনের জন্য আবেদন করা বা জন্ম নিবন্ধন এর আবেদনপত্র ফরম সংগ্রহঅনলাইনে জন্ম নিবন্ধন এর আবেদন করতে,  আবেদনপত্র ফরম সংগ্রহ  বা আপনার জমা দেয়া আবেদন কোন পর্যায়ে আছে জানতে এখানে ক্লিক করুন

জন্ম নিবন্ধন হলো জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন আইন,  ২০০৪ (২০০৪ সনের ২৯ নং আইন) এর আওতায় একজন মানুষের নাম,  লিঙ্গ,  জন্মের তারিখ ও স্থান,  বাবা-মায়ের নাম,  তাদের জাতীয়তা এবং স্থায়ী ঠিকানা নির্ধারিত নিবন্ধক কর্তৃক রেজিস্টারে লেখা বা কম্পিউটারে এন্ট্রি প্রদান এবং জন্ম সনদ প্রদান করা।  জন্ম নিবন্ধন আইনে বলা হয়েছে,  বয়স,  জাতি-গোষ্ঠি,  ধর্ম-কিংবা জাতীয়তা সকল নির্বিশেষে বাংলাদেশে জন্ম গ্রহণকারী প্রত্যেকটি মানুষের জন্য জন্ম নিবন্ধন করা বাধ্যতামূলক।  জন্ম নিবন্ধন প্রক্রিয়া শেষে জন্ম নিবন্ধন কর্তৃপক্ষ নিবন্ধনকারীকে একটি সার্টিফিকেট প্রদান করেন।

তৃতীয় সাবমেরিনে ১০ টেরাবিট ব্যান্ডউইথ পাবে বাংলাদেশ

সিঙ্গাপুর এবং শ্রীলঙ্কার মধ্যবর্তী স্থানে যুক্ত হবে সি-মি-উই ৬ কনসোর্টিয়ামে যুক্ত হবে বাংলাদেশে তৃতীয় সাবমেরিন ক্যাবলে। এই কনসোর্টিয়ামের মাধ্যমে কক্সবাজার হতে সিঙ্গাপুরের দিকে এবং কক্সবাজার হতে ফ্রান্সে দিকে ৫ টেরাবিট করে মোট ১০ টেরাবিট ব্যান্ডউইথ ইন্টারনেট পাবে বাংলাদেশ।

এতে যুক্ত হতে কক্সবাজার ল্যান্ডিং স্টেশন হতে গভীর সমুদ্রের মূল লাইনের এর দূরত্ব হবে ১৮৫০ কিলোমিটার। আর এই সংযোগের জন্য প্রাক্কলিত ব্যয় ধরা হয়েছে ৬৯০ কোটি টাকা। এর ৮৯ শতাংশ ব্যয়ই হবে শুধু ক্যাবল বাবদ।

শনিবার (৪ জানুয়ারি) ডিজিবাংলা-কে এমনটাই জানিয়েছেন সাবমেরিন ক্যাবল কোম্পানির (বিএসসিসিএল) ব্যবস্থাপনা পরিচালক মশিউর রহমান।

তিনি জানান, সি-মি-উই ৬ কনসোর্টিয়ামে সিঙ্গাপুর-ফ্রান্স সংযোগের ক্যাবল দূরত্ব ২০ হাজার কিলোমিটারের মতো। এই ক্যাবলটিতে বাংলাদেশ ছাড়াও ১৬টি দেশ সংযুক্ত হবে। এরমধ্যে চীন থেকেই যুক্ত হবে ৩ টি কোম্পানি। ল্যান্ডিং স্টেশন থাকবে ২০টি।

মশিউর রহমান বলেন, গত বছর ১৪ সেপ্টেম্বর এই কনসোর্টিয়ামে যোগ দিয়েছে বাংলাদেশ। সিঙ্গাপুর-ফ্রান্স পর্যন্ত সি-মি-উই ৬ এর যে মূল রুট হবে সেটি বাংলাদেশ হতে এই ১৮৫০ কিলোমিটার দূর দিয়ে যাবে। মূলতঃ বঙ্গপসাগরের নিচে সিঙ্গাপুর-শ্রীলঙ্কার মধ্যবর্তী কোনো একটি স্থানে বাংলাদেশের নিজেদের ব্রাঞ্চ স্থাপন করা হবে। আর এ কাজটি করবে  কনসোর্টিয়ামের কাজ পাওয়া কোম্পানি। আগামী এপ্রিলে ওই কোম্পানির সঙ্গে চূড়ান্ত চুক্তি সই হবে।

বিএসসিসিএল ব্যবস্থাপনা পরিচালক বলেন, খরচ ও চুক্তি নিয়ে আগামী ১৭ জানুয়ারি একটি উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক হবে। সেখানেই খরচ ও অন্যান্য বিষয় চূড়ান্ত করা হবে। এখন পর্যন্ত আমাদের প্রাক্কলিত ব্যয় ধরা হয়েছে ৬৯০ কোটি টাকার মতো।

সূত্রমতে, সোমবার ( ৬ জানুয়ারি) হতে সিঙ্গাপুরে কনসোর্টিয়ামের দরপত্র মূল্যায়ন ও চূড়ান্তকরণ কার্যক্রমে যে কোম্পানি সি-মি-উই ৬ এর কাজ পাবে তারা প্রি-লে সার্ভে করবে তারপর এটি চূড়ান্ত হবে। তখন এটি ১৮১০ হতে ১৮৯০ এর মধ্যে কোনো একটা হতে পারে। এই দূরুত্বে ক্যাবল বসানোর খরচ পুরোটাই বাংলাদেশকে একা বহন করতে হবে। এদিকে কনসোর্টিয়ামের দরপত্র মূল্যায়ন বৈঠকে যোগ দিতে দেশের সোমবার ৩ সদস্যদের একটি প্রতিনিধি দল সিঙ্গাপুরে যাওয়া প্রস্তুতি নিচ্ছে।

কম্পিউটারের ভুলে যাওয়া পাসওয়ার্ড খুব সহজে পাল্টে ফেলুন /উদ্ধার করুন

আমাদের ভিতর কিছু মানুষ মাঝেমাঝেই নিজের মোবাইল ফোন, ইমেইল বা কম্পিউটার সহ বিভিন্ন প্রয়োজনীয় একাউন্টের পাসওয়ার্ড ভুলে যাই। ধরুন কম্পিউটারের সি ড্রাইভে প্রয়োজনীয় বেশ কিছু ফাইল আছে এমন সময় কম্পিউটার অন করে পাসওয়ার্ড দিতে গিয়ে দেখলেন পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন। অনেক চেষ্টা করেও আর পাসওয়ার্ড মনে করতে পারছেন না। কি করবেন এমন অবস্থায়। নতুন করে উইন্ডোজ দিলে সি ড্রাইভের সব প্রয়োজনীয় ফাইল হারিয়ে ফেলবেন।

আসুন এবার দেখে নিই কিভাবে আপনি খুব সহজে  Windows 10 / 8 / 7 এর password reset দিবেন।

PCUnlocker মত বুটেবল ডিস্ক থাকলে এটি করা খুব সহজ। এই টিউটোরিয়ালটির মাধ্যমে আপনাকে PCUnlocker লাইভ সিডি তৈরির প্রক্রিয়া এবং সিডি থেকে আপনার ভুলে যাওয়া উইন্ডোজ 10/8/7 পাসওয়ার্ডটি পুনরায় সেট করা দেখানো হবে।

PCUnlocker ডাউনলোড করতে পারেন এখানে।

Making Bootable PCUnlocker CD

প্রথমে PCUnlocker ডাউনলোড করতে হবে যাতে অন্য কম্পিউটার দিয়ে আপনার কম্পিউটারে এক্সেস করতে পারেন। পরবর্তী, আপনার হার্ড ডিস্কের একটি ফোল্ডারে জিপ ফাইলটি এক্সট্রাক করে নিন। উইন্ডোজ এক্সপ্লোরারে এক্সট্র্যাক্ট ফোল্ডার খুলুন, এখানে PCUnlocker  নামে একটা ISO ফাইল পাবেন এটা আপনার পেন্ড্রাইভ বা সিডিতে বার্ন করতে হবে।

ISO ফাইল থেকে বুটাবল সিডি বা পেন্ড্রাইভ করার জন্য আমি ISO2Disc ব্যাবহার করব। একটি ফাকা সিডি বা পেন্ড্রাইভ ISO2Disc এর মাধ্যমে ওপেন করুন। এবার ISO ফাইল নেভিগেট করুন। সিডি / ডিভিডিতে বা পেন্ড্রাইভে বার্ন করতে স্টার্ট বার্ন ক্লিক করুন।

Making Bootable PCUnlocker CD

এটি কয়েক মিনিটের মধ্যে একটি বুটযোগ্য PCUnlocker সিডি বা পেন্ড্রাইভ তৈরি হয়ে যাবে।

Boot Your PC from CD

আপনার যদি একটি বুটযোগ্য PCUnlocker সিডি বা পেন্ড্রাইভ থাকে তাহলে কম্পিউটারের পাসওয়ার্ড ভুলে গেলেও তা খুব সহজে রিকভার করতে পারবেন।

প্রথমে কম্পিউটার রিস্টার্ট দিন। তারপর, BIOS অ্যাক্সেস করতে একটি সিস্টেম সংজ্ঞায়িত কী (যেমন F12, ESC, DEL, F2) চাপুন।  BOOT মেনুতে যান এবং সিডি / ডিভিডি প্রথম বুট হিসাবে সিলেক্ট করুন।

Boot Your PC from CD

বুট priority পরিবর্তন করার পরে, BIOS সেটিংস সেভ করুন এবং আপনার পিসি রিস্টার্ট করুন। এটি এখন PCUnlocker সিডি মধ্যে বুট করুন।

PCUnlocker ডাউনলোড করতে পারেন এখানে।

Reset Forgotten Windows Password

আপনি যখন সিডি বুট করবেন, তখন আপনার হার্ড ড্রাইভে ইনস্টল করা উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমগুলি পিসি আনলকারে পাবেন। আপনার কম্পিউটারের ব্যবহারকারী অ্যাকাউন্টগুলির মধ্যে একটি সিলেক্ট করুন এবং Reset Password বাটনে ক্লিক করুন।

Reset Forgotten Windows Password

এখন একটি পাসওয়ার্ড পরিবর্তন ডায়ালগটি খুলবে, আপনাকে একটি নতুন পাসওয়ার্ড দিতে বলবে বা পাসওয়ার্ড সরানোর জন্য এটি ফাঁকা রেখে দেবে। যদি আপনি কোনও Microsoft অ্যাকাউন্টের সাথে যুক্ত একটি লোকাল অ্যাকাউন্ট সিলেক্ট করেন তবে আপনি সতর্কতা বার্তা পাবেন, প্রোগ্রামটি আপনার Microsoft অ্যাকাউন্টকে লোকাল ব্যবহারকারীতে রূপান্তর করবে।

Reset Forgotten Windows Password

Ok বাটনে ক্লিক করার সাথে সাথে আপনার উইন্ডোজ পাসওয়ার্ড চেঞ্জ হয়ে যাবে। আপনার কম্পিউটার রিস্টার্ট করুন এবং BIOS এ আপনি যে পরিবর্তনগুলি করেছেন তা পুনরায় পরিবর্তন করুন। তারপর আপনি নতুন পাসওয়ার্ড দিয়ে উইন্ডোজ এ লগ ইন করতে পারেন!

PCUnlocker এর তিনটি ভার্শন পাওয়া যায়, Standard, Pro and Enterprise । আপনি যদি UEFI নিরাপদ বুট চালু কম্পিউটারে ভুলে যাওয়া উইন্ডোজ পাসওয়ার্ড পুনরায় সেট করতে চান তবে আপনাকে PCUnlocker Enterprise ব্যবহার করতে হবে।

PCUnlocker ব্যাবহার করা অভিজ্ঞদের জন্য যথেষ্ট সহজ তেমনি প্রথমবারের মতো ব্যবহারকারীর পক্ষেও সহজ। যদি আপনার পাসওয়ার্ড ভুলে যাওয়ার অভ্যাস থাকে, তবে আমি আপনাকে একটি বুটযোগ্য PCUnlocker সিডি তৈরি করার প্রস্তাব দিব যা আপনি জরুরি অবস্থায় ব্যবহার করতে পারেন।

HDD/SSHD/SSD এর বৈশিষ্ট্য এবং কোনটি ভাল? কোনটি কোন ক্ষেত্রে কিনবেন?

কম্পিউটারের স্টোরেজ কেনার ক্ষেত্রে ব্যবহার এবং কাজ এর উপর ভিত্তি করে নির্বাচন করা উচিত কোনটা কেনা ভাল হবে । হার্ডডিস্ক, এসএসডি এবং এসএসএইচডি এর মধ্যে কিছু পার্থক্য এবং সুবিধা নিচে দেয়া হল ।

১। গতিঃ

হার্ডডিস্ক (HDD) এর ফাইল রিড-রাইট টাইম গড়ে ৫০ থেকে ১২০ মেগাবাইট পার সেকেন্ড।

এসএসএইচডি (SSHD) এর অ্যাভারেজ ফাইল রিড-রাইট টাইম ১৯০ মেগাবাইট পার সেকেন্ড।

এসএসডি (SSD) এর রিড-রাইট টাইম প্রতি সেকেন্ডে গড়ে ২০০ থেকে ৫৫০ মেগাবাইট পার সেকেন্ড।

২। শব্দ এবং কম্পনঃ

হার্ডডিস্কের / এসএসএইচডির (SSD / SSHD) প্লেটার ঘুরার কারণে কিছু শব্দ হয়।

এসএসডিতে (SSD) কোন গতিশীল যন্ত্র নেই বলে শব্দ হয় না।

৩। স্থায়িত্বঃ

হার্ডডিস্ক (HDD) এর স্থায়িত্ব এসএসডি এর থেকে কম।
এসএসএইচডি (SSHD) এর স্থায়িত্ব খুব ভালো কারন এসএসএইচডি তে এসএসডি এবং এসডিডি এর কম্বিনেশন থাকে ।
এসএসডি (SSD) এর স্থায়িত্ব সব থেকে বেশি বলে মনে করা হয় ।

৪। নির্ভরশীলতাঃ

হার্ডডিস্ক (HDD), এসএসডি (SSD) এবং এসএসএইচডি (SSHD) এর মধ্যে এসএসডি (SSD) কে সব থেকে নির্ভরশীল হিসেবে ধরা হয় । কারন হার্ডডিস্ক অথবা এসএসএইচডি তে স্টোরেজ বা ডেটা নষ্ট হওয়ার একটা সম্ভবনা থাকে। কিন্তু এসএসডিতে সংরক্ষিত ডেটা নষ্ট হওয়ার সম্ভবনা খুবই কম ।

৫। ধারণক্ষমতাঃ

হার্ডডিস্ক (HDD)  এর  ধারণক্ষমতা ১০ টেরাবাইট পর্যন্ত।
এসএসএইচডি (SSHD) এর ধারণক্ষমতা সর্বোচ্চ ৮ জিবি পর্যন্ত।
এসএসডি (SSD) এর ধারণক্ষমতা সর্বোচ্চ ৪ টেরাবাইট পর্যন্ত।
HDD/SSHD/SSD এর দাম জানতে ভিসিট করতে পারেন

www.hellocomputer.com.bd

রক্তদান সম্পর্কিত কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্যাবলী

রক্তের প্রয়োজন যাদের:
১. দূঘর্টনাজনিত রক্তক্ষরণ –
দূঘর্টনায় আহত রোগীর জন্য দূঘর্টনার ধরণ অনুযায়ী রক্তের প্রয়োজন হয়।
২. দগ্ধতা –
আগুন পুড়া বা এসিডে ঝলসানো রোগীর জন্য পাজমা/রক্তরস প্রয়োজন। এজন্য ৩-৪ ব্যাগ রক্তের প্রয়োজন।
৩. অ্যানিমিয়া –
রক্তে R.B.C. এর পরিমাণ কমে গেলে রক্তে পযার্প্ত পরিমাণ হিমোগোবিনের অভাবে অ্যানিমিয়া রোগ হয়। হিমোলাইটিক অ্যানিমিয়াতে R.B.C. এর ভাঙ্গন ঘটে ফলে
৪. থ্যালাসেমিয়া –
এক ধরনের হিমোগোবিনের অভাবজনিত বংশগত রোগ। রোগীকে প্রতিমাসে ১-২ ব্যাগ রক্ত দিতে হয়।
৫. হৃদরোগ –
ভয়াবহ Heart Surgery এবং Bypass Surgery এর জন্য ৬-১০ ব্যাগ রক্তের প্রয়োজন।
৬. হিমোফিলিয়া –
এক ধরনের বংশগত রোগ। রক্তক্ষরণ হয় যা সহজে বন্ধ হয় না, তাই রোগীকে রক্ত জমাট বাধার উপাদান সমৃদ্ধ Platelete দেয়া হয়।
৭. প্রসবকালীন রক্তক্ষরণ –
সাধারণত প্রয়োজন হয় না তবে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ হলে ১-২ বা ততোধিক ব্যাগ রক্তের প্রয়োজন হয়।
৮. ব্লাড ক্যান্সার-
রক্তের উপাদানসূমহের অভাবে ক্যান্সার হয়। প্রয়োজন অনুসারে রক্ত দেয়া হয়।
৯. কিডনী ডায়ালাইসিস –
প্রতিবার ডায়ালাইসিস-এ ১ ব্যাগ রক্তের প্রয়োজন।
১০. রক্ত বমি –
এ রোগে ১-২ ব্যাগ রক্তের প্রয়োজন হয়।
১১. ডেঙ্গু জ্বর –
এ রোগে ৪ ব্যাগ রক্ত হতে ১ ব্যাগ Platelete পৃথক করে রোগীর শরীরে দেয়া হয়।
১২. অস্ত্রপচার –
অস্ত্রপচারের ধরণ বুঝে রক্তের চাহিদা বিভিন্ন।

রক্তদানের যোগ্যতা :
সাধারনত একজন সুস্থ ব্যাক্তি চার মাস অন্তর অন্তর রক্তদান করতে পারেন। এবার দেখে নেয়া যাক রক্তদানের যোগ্যতাসমূহ-
বয়স – ১৮-৫৭ বছর।
ওজন – ১০০ পাউন্ড বা ৪৭ কেজির উর্ধ্বে।
তবে বিশেষ কিছু ক্ষেত্রে ( অনুচক্রিকা , রক্তরস ) ওজন ৫৫ কেজি বা তার উর্ধ্বে। রক্তচাপ স্বাভাবিক থাকলে।
রক্তে হিমোগ্লোবিনের পরিমাণ ৭৫% বা তার উর্ধ্বে থাকলে। সম্প্রতি ( ৬-মাস ) কোন দূঘর্টনা বা বড় ধরনের অপারেশন না হলে।
রক্তবাহিত জটিল রোগ যেমন-ম্যালেরিয়া, সিফিলিস , গনোরিয়া, হেপাটাইটিস , এইডস, চর্মরোগ , হৃদরোগ , ডায়াবেটিস , টাইফয়েড এবং বাতজ্বর না থাকলে।
কোন বিশেষ ধরনের ঔষধ ব্যবহার না করলে।
চার মাসের মধ্যে যিনি কোথাও রক্ত দেননি।
মহিলাদের মধ্যে যারা গর্ভবতী নন এবং যাদের মাসিক চলছে না।

রক্তদান ও রক্ত দানের পর-
রক্তদানের আগে প্রতিটি রক্তদাতাকে তার স্বাস্থ্য সম্পর্কিত কিছু ব্যক্তিগত ও গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নের জিজ্ঞাসা করা হয়। সেগুলোর সঠিক উত্তর দিতে হবে। রক্তদাতার শারীরিক তাপমাত্রা, রক্তচাপ, নাড়ীর গতি পরীক্ষা করা হয় এবং রক্তদাতার রক্ত জীবানুমুক্ত কি না তা জানার জন্য সামান্য রক্ত নেয়া হয়। এছাড়া এই রক্তের মাধ্যমে রোগী রক্তদাতার রক্তের মধ্যে কোন জমাটবদ্ধতা সুষ্টি হয় কি না তাও পরীক্ষা করা হয় (ক্রসম্যাচিং)। রক্ত পরীক্ষার পর কারও রক্তে এইডস, হেপাটাইটিস-বি, হেপাটাইটিস -সি, সিফিলিস বা অন্য কোন জীবানুর উপস্থিতি ধরা পরলে তাকে (রক্তদাতা) প্রয়োজেনীয় ব্যবস্থা গ্রহনের পরামর্শ দেয়া হয়।সূঁচের অনুভূতি পাওয়ার মাধ্যমে রক্তদান প্রক্রিয়া শুরু হয়। এতে সময় লাগে সবোর্চ্চ ১০ মিনিট। রক্তদানের পূর্বে অবশ্যই খেয়াল রাখতে হবে- যথেষ্ট বাতাস চলাচলের ব্যবস্থা।রক্তদাতা প্রয়োজন মনে করলে বিশুদ্ধ পানি পান করতে পারে।রক্তদানের সময় মাথা- শরীর সমান্তরাল থাকতে হবে। দূর হতে রক্ত দিতে এলে কিছুক্ষণ বিশ্রাম নিতে হবে। রক্ত দান করার পরে অবশ্যই নুন্যতম ৫ মিনিট শুয়ে থাকতে হবে। [রক্তের প্রবাহ সমগ্র শরীরে স্বাভাবিক হবার জন্য এটা অতীব জরুরী]। সাধারণত রক্তদান করার পর অতিরিক্ত দামী খাবার গ্রহনের প্রয়োজন নেই। তবে রক্তদানের পর সপ্তাহ খানেক স্বাভাবিক খাবারের পাশাপাশি অন্যান্য সময়ের দ্বি-গুণ পানি পান করতে হবে। কেননা একজন রক্তদাতা যেটুকু রক্ত দান করেন [সাধারণত ১ পাউন্ড] তার প্রায় ৬০ ভাগ ঐ সময়ের মধ্যে পূরণ হয়। শুধু লোহিত রক্ত কণিকা পূরণ হতে ১২০ দিন বা ৪ মাস সময় নেয়। রক্তদানের পর অবশ্যই তারিখ মনে রাখতে হবে। [প্রায় সব প্রতিষ্ঠানেই কার্ড সরবরাহ করে]।
বেশিরভাগ রক্ত দাতাই রক্তদানের পর কোন সমস্যা অনুভব করেন না। তবে কিছু কিছু ক্ষেত্রে রক্তদাতা তলপেটে ব্যাথা, দূবর্লতা, মাথা ঘোরা, সূঁচ প্রবেশের স্থানে ক্ষত লালচে দাগ এবং ব্যাথা অনুভব করতে পারেন। সামান্য কিছু ক্ষেত্রে রক্তদাতা জ্ঞান হারাতে পারে বা মাংসপেশীতে খিচুনি ধরতে পারে। তবে বেশির ভাগ ক্ষেত্রে এসব সমস্যা ৪৮ ঘন্টার মধ্যে ঠিক হয়ে যায়, কোন ঔষধের প্রয়োজন হয়না।

রক্তদানের সুবিধা:
প্রতি ৪ মাস অন্তর রক্ত দিলে দেহে নতুন BLOOD CELL সৃষ্টির প্রবণতা বৃদ্ধি পায়।
দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা অনেকগুন বেড়ে যায়।
নিয়মিত রক্তদানে হৃদরোগের ঝুঁকি কমে বলে হৃদপিন্ড বিশেজ্ঞরা মনে করেন।
স্বেচ্ছায় রক্তদানের মাধ্যমে আপনি জানতে পারেন আপনার শরীর রক্তবাহিত মারাত্মক রোগ যেমন-হেপাটাইটিস-বি, এইডস, সিফিলিস ইত্যাদির জীবাণু বহন করছে কিনা।
স্বেচ্ছায় রক্তদানে মানসিক প্রশান্তি আসে।
রক্তদানের মাধ্যমে একটি জীবন বাঁচানো পৃথিবীর সবোর্চ্চ সেবার অর্ন্তভুক্ত।

বিভিন্ন কাজের জন্য বিকল্প মুক্ত সফটওয্যারের তালিকা

ওপেন সোর্সের খনি: Sourceforge.net

অফিসের কাজ:

  • Microsoft Word —> OpenOffice.org Word Processor (Windows, Linux, Mac)
  • Microsoft Excel —> OpenOffice.org Calc (Windows, Linux, Mac), Gnumeric (Linux)
  • Microsoft Power Point —> OpenOffice.org Impress (Windows, Linux, Mac)
  • Microsoft Project, Primavera –> Planner (Linux)

পাবলিশিং:

  • Page Maker, Publisher, Quark Express —-> Scribus (Linux), OpenOffice.org oodraw (Windows, Linux, Mac)

ইন্টারনেট:

  • Internet Explorer –> Mozilla Firefox (Windows, Linux, Mac), Opera (Windows, Linux), Google Chrome (Windows)
  • Outlook, Outlook Express –> Mozilla Thunderbird (Windows, Linux), Evolution (Linux)

ওয়েব ডেভেলপমেন্ট:

  • Dreamweaver –> Kompozer (Linux), NVU (Linux)

গ্রাফিক্স:

  • Adobe Photoshop –> GIMP (Windows, Linux)
  • Adobe Illustrator –> Inkscape (Linux, Mac, Windows)

মাল্টিমিডিয়া:

  • Winamp, MediaPlayer, Cyberlink PowerDVD –> VLC (Windows, Linux), Xmms (Linux)
  • Nero –> Brasero (Linux)
  • iTunes –> Banshee (Linux)
  • AutoCAD –> QCAD (Linux, Windows, Solaris, FreeBSD), LinxuCAD, Cycas

ইউটিলিটি সফটওয়্যার:

  • Partition Magic –> Gparted (OS independent)

প্রোগ্রামিং:

  • Visual C++ —> Qt Environmnet (Linux)