উইন্ডোজ ১১ এর লকস্ক্রিন বাদ দেওয়ার নিয়ম

উইন্ডোজ ১১ এর লকস্ক্রিন দেখতে বেশ সুন্দর, এটি মূলত সিস্টেম এর গেটওয়ে হিসেবে কাজ করে। লকস্ক্রিনের পর আসে লগইন স্ক্রিন যেখানে পাসওয়ার্ড/পিন প্রদান করতে হয়। অনেকের এই উইন্ডোজ ১১ এর লকস্ক্রিন পছন্দ নয়, তারা চাইলে বেশ সহজে এই লক স্ক্রিন ডিসেবল করতে পারেন।

উইন্ডোজ ১১ এর লকস্ক্রিন কেনো ডিসেবল করবেন?

উইন্ডোজ কম্পিউটারে লগিন এর ক্ষেত্রে সর্বপ্রথম লকস্ক্রিন চলে আসে। লকস্ক্রিনে একটি ব্যাকগ্রাউন্ড ইমেজ, তারিখ, সময় ও অ্যাপ নোটিফিকেশন দেখানো হয়। এই লক স্ক্রিন ক্লিক করে তারপর যেতে হয় লগিন স্ক্রিনে। এটা কিছুটা সময় নিয়ে নেয়। তাই এই লকস্ক্রিন যদি আপনার কাছে বেদরকারি মনে হয়, তবে এটি বেশ সহজে ডিসেবল করতে পারবেন। লকস্ক্রিন ডিসেবল করে দিলে সরাসরি পিন/পাসওয়ার্ড স্ক্রিন দেখতে পাবেন। আবার পাবলিক কম্পিউটার এর ক্ষেত্রে লকস্ক্রিন-মুক্ত কম্পিউটার সেটাপ করতে পারবেন এই প্রক্রিয়া অনুসরণ করে।

লকস্ক্রিন রিমুভ করলে কিন্তু লগ-অন স্ক্রিন চলে যায়না। অর্থাৎ সিস্টেমে প্রবেশ করতে অবশ্যই পিন/পাসওয়ার্ড এর প্রয়োজন হবে। আপনি চাইলে দ্রুত অ্যাকসেস এর জন্য পিন/পাসওয়ার্ড বন্ধ করে দিতে পারেন, তবে এতে নিরাপত্তা বিঘ্নিত হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

উইন্ডোজ ১১ এর লকস্ক্রিন ডিসেবল করার নিয়ম

উইন্ডোজ ১১ এর লকস্ক্রিন ডিসেবল করার সুবিধা ও অসুবিধা সম্পর্কে তো জানা গেলো, এবার জানি চলুন উইন্ডোজ ১১ এর লকস্ক্রিন ডিসেবল করার সহজ কিছু নিয়ম।

গ্রুপ পলিসি এডিটর

উইন্ডোজ এডমিনিস্ট্রেশন টুল এর মধ্যে গ্রুপ পলিসি এডিটর একটি গুরুত্বপূর্ণ টুল। পাসওয়ার্ড রিকোয়ারমেন্টস, স্টার্টআপ প্রোগ্রামস ও অন্যান্য ফিচার এডজাস্ট করা যাবে এই টুল ব্যবহার করে। শুধুমাত্র উইন্ডোজ এর প্রফেশনাল, আল্টিমেট ও এন্টারপ্রাইজ এডিশনে এই টুল রয়েছে।

গ্রুপ পলিসি ব্যবহার করে উইন্ডোজ ১১ এর লকস্ক্রিন ডিসেবল করতেঃ

  • Windows Key + R Key একসাথে প্রেস করে Run কমান্ড বক্স ওপেন করুন
  • gpedit.msc টাইপ করুন ও এন্টার প্রেস করে গ্রুপ পলিসি এডিটরে প্রবেশ করুন
  • এবার বামদিকের সাইড প্যানেল থেকে Computer Configuration > Administrative Templates > Control Panel > Personalization সিলেক্ট করুন
  • এবার Do not display the lock screen অপশনে ডাবল ক্লিক করুন
  • নতুন উইন্ডোতে উক্ত অপশন ডিফল্টভাবে চালু দেখতে পাবেন, যার মানে হলো লকস্ক্রিন চালু রয়েছে
  • এবার Disabled বাটনে ক্লিক করে লকস্ক্রিন ডিসেবল করুন
  • Apply বাটনে ক্লিক করে OK সিলেক্ট করে সেটিংস সেভ করুন 

এবার আপনার কম্পিউটার রিস্টার্ট করলে আর কোনো লকস্ক্রিন দেখতে পাবেন না। পাসওয়ার্ড থাকলে সোজা লগিন স্ক্রিন দেখতে পাবেন।

বিকাশ নাকি নগদ, কোনটি সেরা হতে পারে?

বাংলাদেশের জনপ্রিয় দুইটি মোবাইল ফিনান্সিয়াল সার্ভিস (MFS) হলো বিকাশ ও নগদ। উভয় সেবার অসংখ্য গ্রাহক থাকলেও অধিকাংশ গ্রাহক উভয় প্ল্যাটফর্মের মধ্যে পার্থক্যসমূহ জানেন না। উভয় মোবাইল ব্যাংকিং প্ল্যাটফর্ম এর মাধ্যমে প্রায় একই ধরনের সেবা পাওয়া যায়। এই পোস্টে আমরা উভয় প্ল্যাটফর্ম এর সেবাগুলোর পার্থক্য জানবো, যা থেকে কোনটি আপনার জন্য সেরা হবে তা বুঝতে পারবেন।

সেন্ড মানি

নগদ টু নগদ সেন্ড মানি এর হিসাব বেশ সহজ। একটি নগদ একাউন্ট থেকে অন্য নগদ একাউন্টে অ্যাপ এর মাধ্যমে সেন্ড মানি করা যাবে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে। অর্থাৎ বাড়তি কোনো খরচ ছাড়া। কিন্তু নগদ মোবাইল ব্যাংকিং মেন্যু *167# ডায়াল করে সেন্ড মানি করলে সেক্ষেত্রে ৫টাকা ফি প্রযোজ্য হবে।

অন্যদিকে বিকাশে সেন্ড মানি করার একাধিক সুবিধা রয়েছে যার ফলে সেন্ড মানি ফি একেক ক্ষেত্রে একেক ধরনের হয়ে থাকে। ৫টি বিকাশ প্রিয় নাম্বারে ২৫হাজার টাকা পর্যন্ত কোনো বাড়তি ফি ছাড়া সেন্ড মানি করা যাবে। এরপর ওই সকল প্রিয় নম্বরে ৫০হাজার টাকা পর্যন্ত সেন্ড মানি এর ক্ষেত্রে ৫টাকা ও ৫০হাজার টাকার বেশি সেন্ড মানিতে ১০টাকা চার্জ প্রযোজ্য হবে।

প্রতি ক্যালেন্ডার মাসে এই পরিমাণ হিসেব করা হয়। এছাড়া ১০০টাকা বা তার কম সেন্ড মানি করা যাবে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে। প্রিয় নম্বর ছাড়া অন্য বিকাশ নম্বরে ১০০.০১ থেকে ২৫ হাজার টাকা পর্যন্ত ৫ টাকা চার্জ হবে। ২৫০০০ টাকার বেশি পাঠালে ১০ টাকা চার্জ প্রযোজ্য হবে। প্রতি মাসে এই লিমিট রিসিট হবে।

মোবাইল রিচার্জ

বিকাশ ও নগদ, উভয় সার্ভিস একই ধরনের মোবাইল রিচার্জ এর সকল সুবিধা প্রদান করে। বিকাশ ও নগদ থেকে দেশের সকল অপারেটরে রিচার্জ করা যায়। নিজের নাম্বারের পাশাপাশি যেকোনো নাম্বারে মোবাইল রিচার্জ করার সুবিধা প্রধান করে উভয় সেবা।

ক্যাশ আউট

বিকাশ ক্যাশ আউট এর একাধিক অপশন রয়েছে। প্রথমত প্রিয় এজেন্ট নাম্বারে প্রতি মাসে ২৫হাজার টাকা পর্যন্ত ১.৪৯% চার্জ কাটে। ২৫হাজার লিমিট ক্রস করলে ১.৮৫% হারে ক্যাশ আউট চার্জ প্রযোজ্য হবে।

প্রিয় এজেন্ট নাম্বার ছাড়া যেকোনো বিকাশ এজেন্টের কাছ থেকে ক্যাশ আউট করলে ১.৮৫% হারে চার্জ প্রযোজ্য হবে। অর্থাৎ প্রতি হাজারে ১৮.৫টাকা ক্যাশ আউট চার্জ কাটবে। এই ফি অ্যাপ ও ইউএসএসডি কোড *167# উভয় এর মাধ্যমে ক্যাশ আউট এর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।

নগদ অ্যাপে দেশের সবচেয়ে কম ক্যাশ আউট ফি উপভোগ করা যায়। নগদ অ্যাপ থেকে ক্যাশ আউট এর ক্ষেত্রে প্রতি হাজারে ১১.৪৮টাকা ক্যাশ আউট চার্জ কাটে। নগদ ইসলামিক অ্যাপ এর মাধ্যমে ক্যাশ আউট ফি প্রতি হাজারে ১৫টাকা। অন্যদিকে সকল নগদ একাউন্টে ইউএসএসডি কোড *167# ডায়াল করে ক্যাশ আউট করা যাবে ১৫টাকা ফি এর বিনিময়ে।

বন্ধ হয়ে যাবে অতিরিক্ত সিম – সমস্যা এড়াতে করণীয় জানুন এখানে

একজন ব্যক্তি তার এনআইডি কার্ড / স্মার্ট কার্ড দ্বারা কয়টি সিম কিনতে পারবেন তার একটি নির্দিষ্ট সীমা ঠিক করে দিয়েছে বিটিআরসি। একজন ব্যক্তি তার এনআউডি কার্ড দ্বারা সর্বোচ্চ ১৫টি সিম রেজিস্টার করতে পারবেন। আমাদের দেশে সিম অনেক সুলভ মূল্যে পাওয়া যায়। যার ফলে অনেকে খুব একটা চিন্তা না করেও সিম কিনে থাকেন।

বেশ অনেক দিন ধরেই একজন ব্যক্তির নামে কয়টি সিম রেজিস্টার করা আছে সে নিয়ে তেমন ভাবতে হয়নি। তবে সম্প্রতি জানা গেছে এই বছরের অক্টোবর/নভেম্বরের মধ্যে ১৫টির অধিক সিম থাকলে বাড়তি সিমগুলো বন্ধ হয়ে যাবে। তবে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো কোন সিমগুলো চালু থাকবে ও কোনগুলো বন্ধ হয়ে যাবে, তা চেক করার কোনো নির্দিষ্ট তথ্য জানা সম্ভব হয়নি। যার কারণে একই আইডি কার্ডে বাড়তি সিম থাকলে কোন সিমগুলো বন্ধ হবে ও কোনগুলো চালু থাকবে সে সম্পর্কে নিশ্চিত করা যাচ্ছেনা।

এমন অবস্থায় উল্লেখিত তারিখের মধ্যে বাড়তি সিম বন্ধ না করলে ব্যবহারের প্রয়োজনীয় সিমও বন্ধ হয়ে যেতে পারে। এই কারণে ১৫টির অধিক সিম একই ব্যক্তির নামে রেজিস্টার করা থাকলে সেক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে৷ আপনার নামে যদি ১৫টির অধিক সিম থাকে, তাহলে বাড়তি সিমগুলো নিয়ে কি করা যেতে পারে সে সম্পর্কে বিস্তারিত জানবেন এই পোস্টে। 

সমাধান ১

একই এনআইডি কার্ড বা স্মার্ট কার্ড দ্বারা যদি ১৫টির অধিক সিম কার্ড থাকে, তাহলে অপ্রয়োজনীয় বা ব্যবহার না করা সিম ডিরেজিস্টার করতে পারেন। অর্থাৎ আমরা যেভাবে সিম রেজিস্টার করে আমাদের নামে মালিকানায় অন্তর্ভুক্ত করি, একইভাবে সিম ডিরেজিস্টার করে মালিকানা মুছে ফেলার সুযোগ রয়েছে।

সকল অপারেটরের সিম ডিরেজিস্টার এর প্রক্রিয়া প্রায় একই ধরনের। অপারেটর এর কাস্টমার কেয়ার সেন্টারে স্বশরীরে গিয়ে সিম ডিরেজিস্টার করতে হবে। সিম ডিরেজিস্টার করলে উক্ত সিমের মালিকানা আপনার নাম এর সাথে আর সংযুক্ত থাকবেনা। অর্থাৎ ডিরেজিস্টার করার পর আপনি আর উক্ত সিম এর মালিক থাকবেন না।

যেকোনো অপারেটরের সিম ডিরেজিস্টার করতে উক্ত অপারেটরের নিকটস্থ কাস্টমার কেয়ার সেন্টারে যোগাযোগ করুন। কাস্টমার কেয়ারে যাওয়ার সময় অবশ্যই আপনার সিম ও এনআইডি কার্ড / স্মার্ট কার্ড সাথে নিয়ে যান। সিম ডিরেজিস্টার করতে অর্থাৎ সিম এর মালিকানা বাতিল করতে অবশ্যই সিম এর মালিকের উক্ত স্থানে উপস্থিত থাকতে হবে। ১৫টির অধিক সিম থাকলে সেক্ষেত্রে সিম ডিরেজিস্টার করে বাড়তি সিমের মালিকানা মুছে ফেলে কাজের সিমগুলোর মালিকানা রাখতে পারেন।

ইউটিউব ভিডিও এডিটিংয়ে সেরা কিছু সফটওয়্যার

বিনোদনের জন্য কিংবা কোনো তথ্য জানার ক্ষেত্রে ভিজুয়াল মাধ্যম বর্তমানে বেশ প্রভাব বিস্তার করছে। বিভিন্ন প্লাটফর্মের মধ্যে ইউটিউব এদিক থেকে অনেক এগিয়ে ও প্রচলিত। তবে শেয়ারিং ও স্ট্রিমিংয়ের ক্ষেত্রে ভিউয়ারদের আকর্ষণের জন্য ভিডিও এডিট এবং বিভিন্ন ভিজুয়াল কনটেন্ট যুক্ত করতে হয়। এজন্য সফটওয়্যারের সহায়তা প্রয়োজন। অ্যান্ড্রয়েড, আইওএস স্মার্টফোন থেকে শুরু করে উইন্ডোজ কম্পিউটার ও ম্যাকবুকের জন্যও নির্দিষ্ট কিছু এডিটিং সফটওয়্যার রয়েছে। যারা এসব প্লাটফর্মে কাজ করে তারা কিছু সফটওয়্যারের বিষয়ে জানলেও সবাই এ বিষয়ে অবগত নয়। তাই যারা বর্তমানে বা ভবিষ্যতে ইউটিউব প্লাটফর্মে কনটেন্ট নিয়ে কাজ করতে চাইছে বা করছে তাদের এডিটিংয়ের সফটওয়্যারগুলো সম্পর্কে জেনে নেয়া ভালো।

উইন্ডোজের ভিডিও এডিটিং সফটওয়্যার

বাসায় বা কর্মস্থলে ব্যবহারের দিক থেকে উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমের প্রচলন বেশি। পেশাদার কাজে অপারেটিং সিস্টেম হিসেবে ব্যবহারকারী পছন্দের সফটওয়্যার নির্বাচন করে। পাশাপাশি এডিটিংয়ের সময় তারা বেশি ফিচারকে প্রাধান্য দেয়।

ওয়ান্ডারশেয়ার ফিলমোরা: ফিচার, বৈশিষ্ট্য, সুবিধার দিক থেকে প্রথমেই রয়েছে ওয়ান্ডারশেয়ার ফিলমোরা। পেশাদার পর্যায়ে ভিডিও এডিটিংয়ের ক্ষেত্রে এটি বেশ জনপ্রিয়। অ্যাপটিতে ড্র্যাগ অ্যান্ড ড্রপ ফিচার রয়েছে। এ কারণে এডিটিং প্যানেলে সহজেই একাধিক ফাইল যুক্ত করা যাবে। এতে ভিডিওর বিভিন্ন অংশ কাটা, ছবি, সাউন্ড ইফেক্ট, মাস্কিং, কিফ্রেমিংয়ের সুবিধা রয়েছে। এতে স্পিড র্যাম্পিং রয়েছে, যার মাধ্যমে ভিডিও প্লেব্যাকের পাশাপাশি চরিত্রের চলাফেরা নিয়ন্ত্রণ করা যায়। তবে এর নেতিবাচক দিক হলো ম্যাক ব্যবহারকারীদের জন্য ইনস্ট্যান্ট মোডটি নেই। ট্রায়াল ভার্সনে অ্যাডভান্সড ফিচারও সীমিত।

সনি ভেগাস প্রো: ইউটিউবকেন্দ্রিক ভিডিও এডিটরদের কনটেন্ট নির্মাণ ও প্রচারণার জন্য সনি ভেগাস প্রো অন্যতম একটি সফটওয়্যার। এতে সাধারণ সফটওয়্যারের মতো ক্রপ, ট্রিম, মার্জসহ বিভিন্ন ফিচার রয়েছে। সফটওয়্যারটি অডিও ফাইলকে সহজে অপটিমাইজ করতে সক্ষম। তবে এ সফটওয়্যার সহজে ব্যবহার করা যায় না এবং এতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাযুক্ত পোর্ট্রেইট অল্টারনেটিভ নেই। এ কারণে দ্রুত এডিট করা সম্ভব হয় না।

অ্যাডোবি প্রিমিয়ার প্রো: ভিডিও এডিটিংয়ে সবচেয়ে বেশি সুবিধা বা ফিচার অ্যাডোবি প্রিমিয়ার প্রোতে রয়েছে। ক্রিয়েটিভ ক্লাউডের সহায়তায় ব্যবহারকারীরা প্রিমিয়ার প্রো ব্যবহারের মাধ্যমে নতুন নতুন ভিডিও প্রজেক্ট ও উচ্চমানের ফুটেজ তৈরি করতে পারবে। এতে ১০০ জিবি ক্লাউড স্টোরেজ সুবিধাও রয়েছে। সফটওয়্যারটিতে শুধু অ্যাডোবি পণ্য ও টুল ব্যবহার করা যাবে। সেই সঙ্গে ক্রিয়েটিভ ক্লাউডের টুলস ব্যবহারের জন্য আলাদা অর্থ দিতে হবে।

সুত্র- টেকজুম.টিভি

আইওএস ১৬ এ পাবেন নতুন এই ফিচার, কোন কোন মডেলে পাওয়া যাবে আপডেট ?

প্রতীক্ষার প্রহর শেষ হলো। আইওএস ১৬ অপারেটিং সিস্টেম উন্মুক্ত করেছে মার্কিন প্রযুক্তিপণ্য নির্মাতা প্রতিষ্ঠান অ্যাপল। সোমবার থেকে উন্মুক্ত হওয়া এই নতুন অপারেটিং সিস্টেম ইতিমধ্যেই ব্যবহারকারীদের কাছে পৌছে যেতে শুরু করেছে।

আইওএস ১৬ আপডেটের বৈশিষ্ট্য

আইফোন ব্যবহারকারীরা এখন তাদের গ্যালারি থেকে ফটো ব্যবহার করে তাদের লক স্ক্রিন কাস্টমাইজ করতে পারবেন।
নতুন আপডেটের পর উইজেটগুলিতে স্ক্রিনে আবহাওয়া, সময়, তারিখ, ব্যাটারি, আসন্ন ক্যালেন্ডার ইভেন্ট ও আরও অনেক কিছু রাখতে পারবেন।
আইফোন ব্যবহারকারীরা তাদের প্রিয় ইমোজির উপর ভিত্তি করে একটি প্যাটার্নযুক্ত লক স্ক্রিনও তৈরি করতে পারেন এখানে।

নতুন আপডেটের পর বার্তা পাঠানোর পরে এটি ১৫ মিনিটের মধ্যে ফের এডিট করা যেতে পারে।

ব্যবহারকারীরা যেকোনও বার্তা পাঠানোর দুই মিনিটের মধ্যে আনসেন্ড করতে পারবেন।

ইউজার এই আপডেটে একটি নির্দিষ্ট সময়ে পাঠানো ইমেল শিডিউল করার সুবিধা পাবেন।

এতে পাস-কি রয়েছে যা পাসওয়ার্ড সহজ ও নিরাপদ সাইন-ইন করে।

বিশেষ বিষয় হল iPhone 14 মডেলে ছাড়াও, iOS 16 আজ থেকে পুরনো iPhone মডেলগুলিতেও পাওয়া যাবে। এখানে আমরা সেই সমস্ত আইফোন মডেলগুলির একটি তালিকা দিয়েছি, যা আজ থেকে এই iOS 16 আপডেট পেতে চলেছে।

এই আইফোন মডেলগুলি আইওএস ১৬ আপডেট পাবে
– আইফোন 14

– আইফোন 14 প্লাস

– আইফোন 14 প্রো

– আইফোন 14 প্রো ম্যাক্স

– আইফোন 13

– আইফোন 13 মিনি

– আইফোন 13 প্রো

– আইফোন 13 প্রো ম্যাক্স

– আইফোন 12

– আইফোন 12 মিনি

– আইফোন 12 প্রো

– আইফোন 12 প্রো ম্যাক্স

– আইফোন 11

– আইফোন 11 প্রো

– আইফোন 11 প্রো ম্যাক্স

– আইফোন এক্সএস

– আইফোন এক্সএস ম্যাক্স

– আইফোন এক্সআর

– আইফোন এক্স

– আইফোন 8

– আইফোন 8 প্লাস

– দ্বিতীয় প্রজন্মের আইফোন এসই

আপনি আইওএস ১৬ আপডেট পেয়েছেন কিনা তা কীভাবে জানবেন
আপনি আপনার আইফোনে আইওএস ১৬ আপডেট পেয়েছেন কিনা তা পরীক্ষা করতে এখানে আপনাকে অনুসরণ করতে হবে এই পদক্ষেপগুলি।

প্রথমে আপনার আইফোনে সেটিংস অ্যাপ খুলুন

নিচে স্ক্রোল করুন ও সাধারণ বিকল্পে প্রেস করুন
তারপর Software Update অপশনে ট্যাপ করুন

যদি আপনার iPhone মডেলটি iOS 16 আপডেট পেয়ে থাকে, তাহলে আপনি এটি আপনার iPhone এ ইনস্টল করার বিকল্প পাবেন

আইফোনে আইওএস ১৬ কীভাবে ইনস্টল করবেন ?
আপনি যদি আপনার আইফোনে আইওএস ১৬ আপডেট পেয়ে থাকেন, তাহলে নিচে উল্লেখিত ধাপগুলি অনুসরণ করে আপনি আইফোনে আইওএস ১৬ আপডেট ইনস্টল করতে পারেন।

আপনার আইফোনে সেটিংস অ্যাপ খুলুন

নিচে স্ক্রোল করুন ও সাধারণ বিকল্পে ক্লিক করুন।

সফ্টওয়্যার আপডেট বিকল্পে প্রেস করুন।
এবার ডাউনলোড ও ইনস্টল বিকল্পে ক্লিক করুন।

প্রক্রিয়াটি সম্পূর্ণ করতে অন-স্ক্রিন নির্দেশাবলী অনুসরণ করুন।

—- সুত্র- টেকজুম.টিভি

HDD/SSHD/SSD এর বৈশিষ্ট্য এবং কোনটি ভাল? কোনটি কোন ক্ষেত্রে কিনবেন?

কম্পিউটারের স্টোরেজ কেনার ক্ষেত্রে ব্যবহার এবং কাজ এর উপর ভিত্তি করে নির্বাচন করা উচিত কোনটা কেনা ভাল হবে । হার্ডডিস্ক, এসএসডি এবং এসএসএইচডি এর মধ্যে কিছু পার্থক্য এবং সুবিধা নিচে দেয়া হল ।

১। গতিঃ

হার্ডডিস্ক (HDD) এর ফাইল রিড-রাইট টাইম গড়ে ৫০ থেকে ১২০ মেগাবাইট পার সেকেন্ড।

এসএসএইচডি (SSHD) এর অ্যাভারেজ ফাইল রিড-রাইট টাইম ১৯০ মেগাবাইট পার সেকেন্ড।

এসএসডি (SSD) এর রিড-রাইট টাইম প্রতি সেকেন্ডে গড়ে ২০০ থেকে ৫৫০ মেগাবাইট পার সেকেন্ড।

২। শব্দ এবং কম্পনঃ

হার্ডডিস্কের / এসএসএইচডির (SSD / SSHD) প্লেটার ঘুরার কারণে কিছু শব্দ হয়।

এসএসডিতে (SSD) কোন গতিশীল যন্ত্র নেই বলে শব্দ হয় না।

৩। স্থায়িত্বঃ

হার্ডডিস্ক (HDD) এর স্থায়িত্ব এসএসডি এর থেকে কম।
এসএসএইচডি (SSHD) এর স্থায়িত্ব খুব ভালো কারন এসএসএইচডি তে এসএসডি এবং এসডিডি এর কম্বিনেশন থাকে ।
এসএসডি (SSD) এর স্থায়িত্ব সব থেকে বেশি বলে মনে করা হয় ।

৪। নির্ভরশীলতাঃ

হার্ডডিস্ক (HDD), এসএসডি (SSD) এবং এসএসএইচডি (SSHD) এর মধ্যে এসএসডি (SSD) কে সব থেকে নির্ভরশীল হিসেবে ধরা হয় । কারন হার্ডডিস্ক অথবা এসএসএইচডি তে স্টোরেজ বা ডেটা নষ্ট হওয়ার একটা সম্ভবনা থাকে। কিন্তু এসএসডিতে সংরক্ষিত ডেটা নষ্ট হওয়ার সম্ভবনা খুবই কম ।

৫। ধারণক্ষমতাঃ

হার্ডডিস্ক (HDD)  এর  ধারণক্ষমতা ১০ টেরাবাইট পর্যন্ত।
এসএসএইচডি (SSHD) এর ধারণক্ষমতা সর্বোচ্চ ৮ জিবি পর্যন্ত।
এসএসডি (SSD) এর ধারণক্ষমতা সর্বোচ্চ ৪ টেরাবাইট পর্যন্ত।