আইপি ক্যামেরা নেটওয়ার্কিং বা সেটআপ করার অজানা পদ্ধতি গুলো চলুন জেনে নেয়া যাক

আইপি ক্যামেরা (IP Camera ‍setup) সেটআপ বা নেটওয়ার্কিং করতে প্রয়োজনীয় উপকরনঃ

১. ক্যামেরা

২. এনভিআর

৩. হার্ডডিস্ক

৪. অ্যাডাপ্টার

৫.  আরজে৪৫ কানেক্টর

৬. ক্যাবল

৭. মনিটর

cctv and ip camera networking

ক্যামেরাঃ এটি আইপি ক্যামেরার একটি মূল উপাদান। ক্যামেরা দিয়ে সাধারনত যে সকল জায়গায় নজরদারী করতে হবে ঐ সকল স্থানের ভিডিও ধারন করা হয়। একটি আইপি ক্যামেরা সেটআপে ক্যামেরার সংখ্যা নির্ভর করে আমরা কতগুলো স্থানে নজরদারী করতে চাই তার উপর। অনেকে ক্যামেরার নিরাপত্তা চিন্তা করে বেশি পরিমান ক্যামেরা ব্যবহার করে থাকে। ডিজাইন ও ব্যবহারভেদে ক্যামেরা বিভিন্ন ধরনের হয়ে থাকে। যেমন: বুলেট, ডুম, আইপি ক্যামেরা, মুভঅ্যাবল ক্যামেরা, ৩৬০ ডিগ্রি ক্যামেরা ইত্যাদি।

dvr nvr for cctv and ip camera networking

 এনভিআরঃ এনভিআর বা নেটওয়ার্ক ভিডিও রের্কডার আইপি ক্যামেরার আরেকটি গুরুত্বপূর্ন উপাদান। এর মাধ্যমে ক্যামেরায় ধারনকৃত ভিডিও যেকোন ধরনের স্টোরেজ ডিভাইস যেমন হার্ডডিস্ক, মেমোরি, ফ্লাস ড্রাইভ ইত্যাদিতে সেভ করা যায়। এনভিআর বিভিন্ন ধরনের হয়ে থাকে যেমন ৪ পোর্ট, ৮ পোর্ট, ১৬ পোর্ট, ৩২ পোর্ট বা তারও বেশি । সেটআপে কোন ধরনের  এনভিআর ব্যবহার হবে তা নির্ভর করে ক্যামেরার সংখ্যার উপর । এনভিআর এর পোর্ট সংখ্যা সেটিতে কতগুলো ক্যামেরা যুক্ত করা যাবে তা নির্দেশ করে ।

হার্ডডিস্কঃ আইপি ক্যামেরা সাধারনত ব্যবহার করা হয় নিরাপত্তার কথা চিন্তা করে । অতএব, ভবিষ্যত প্রমান হিসেবে ভিডিও সেইভ করে রাখা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আর সে কারনেই এনভিআর এ হার্ডডিস্ক ব্যবহার জরুরি। একটি ৪ পোর্ট এর এনভিআর এর জন্য কমপক্ষে ১ টেরা  হার্ডডিস্ক জরুরি। তবে আপনি চাইলে আরও বড় হার্ডডিস্কও কিনতে পারেন। কেননা হার্ডডিস্ক যত বড় হবে আপনার রেকর্ড তত বেশি সময় সেইভ থাকবে। ১টি ক্যামেরা দৈনিক সাধারনত  ১০ থেকে ১৫ মেগাবাইট রেকর্ড করে থাকে।

hard disk for IP camera networking
adapter for cctv and ip camera networking

অ্যাডাপটারঃ ক্যামেরায় যে বিদ্যুৎ সংযোগ দেয়া হয় তা অ্যাডাপটার থেকে আসে । ক্যামেরা সাধারনত ১২ ভোল্ট ডিসি তে কাজ করে তাই ২২০ ভোল্ট এসিকে ১২ ভোল্ট ডিসিতে রুপান্তর করার জন্য অ্যাডাপটার ব্যবহার করা হয় । অ্যাডাপটার সংখ্যা ক্যামেরার সংখ্যার সমান হবে ।

আরজে৪৫ঃ আইপি ক্যামেরা সেটআপে আরজে৪৫ কানেক্টর একটি গুরুত্বপূর্ন উপাদান । এর মাধ্যমে ক্যামেরার সাথে ক্যাবলকে এবং ক্যাবলের সাথে এনভিআরকে যুক্ত করা হয় । অরজে৪৫ কানেক্টর এর সংখ্যা ক্যামেরা সংখ্যার দ্বিগুন হবে অর্থাৎ যতগুলো ক্যামেরা তত জোড়া আরজে৪৫ কানেক্টর  লাগবে ।

rj45 connector for ip camera networking

ক্যাবলঃ ক্যাবল এর কাজ হল সংযোগ প্রদান করা । ক্যামেরার সাথে এনভিআরকে সংযুক্ত করার জন্য সাধারনত ক্যাট-৬ ক্যাবল ব্যবহার করা হয়। এছাড়া ক্যামেরা ও এনভিআর এ বিদ্যুৎ সংযোগ দিতে বৈদ্যুতিক ক্যাবল প্রয়োজন। সেটআপে কি পরিমান ক্যাবল লাগবে তা নির্ভর করে এনভিআর থেকে ক্যামেরাগুলোর দূরত্বের উপর ।

cat6 cable for cctv camer networking

মনিটরঃ এটি একটি আউটপুট ডিভাইস। এর মাধ্যমে ক্যামেরাগুলোর ভিডিও আউটপুট দেখা যায় । মনিটর বিভিন্ন কোম্পানি কিংবা বিভিন্ন সাইজের হতে পারে । অনেকে আবার মোবাইল এর মাধ্যমে সরাসরি অনলাইনে মনিটরিং করে থাকে। এতে মনিটর প্রয়োজন না হলেও এনভিআর এবং মোবাইল অর্থাৎ দু্ই প্রান্তেই ইন্টারনেট কানেকশন প্রয়োজন।

monitor for cctv camer setup

আইপি ক্যামেরা (IP Camera Networking) সেটআপ বা নেটওয়ার্কিং পদ্ধতিঃ

১. প্রথমে আমাদের প্রয়োজনীয় সকল সামগ্রী আছে কিনা তা নিশ্চিত হতে হবে ।

২. এরপর ক্যামেরাগুলোর অবস্থান নিশ্চিত করতে হবে এবং ক্যামেরাগুলো স্থাপন করতে হবে ।

৩. ক্যামেরাগুলোতে বিদ্যুৎ এবং ভিডিও প্রবাহ নিশ্চিত করার জন্য নিরাপদ ওয়ারিং, অ্যাডাপটার এবং আরজে৪৫ কানেক্টর সংযোগ করতে হবে ।

৪. এনভিআর এর মধ্যে হার্ডডিস্ক সেট করতে হবে এবং নিদিষ্ট স্থানে এনভিআরটি রাখতে হবে।

৫. এনভিআর এ বিদ্যুৎ সরবরাহের জন্য অ্যাডাপ্টার এবং ক্যামেরা থেকে আসা আরজে৪৫ কানেক্টরগুলো সঠিকভাবে সংযোগ করতে হবে।

৬. সবশেষে ক্যামেরার ভিডিও দেখার জন্য এনভিআর এর সাথে মনিটর সংযোগ দিতে হবে ।

৭. যদি সবকিছু ঠিক থাকে তবে আপনি অবশ্যই মনিটরে এনভিআর এর ইন্টারফেস দেখতে পাবেন। আর এখন সময় এনভিআর পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় সেটিংস সম্পন্ন করা। মোবাইলের মাধ্যমে অনলাইন মনিটরিং করতে চাইলে সেটির জন্য এনভিআর এ আইপি সেটিংস করে দিতে হবে।

আশা করি  পুরো বিষয়টি এখন আপনার কাছে পরিস্কার। আপনি চাইলে নিজেও ট্রাই করেত পারেন। আর আমাদেরও সিসিটিভি ক্যামেরা বা আইপি ক্যামেরা বিক্রয় এবং নেটওয়ার্কিং দুটো সার্ভিসই চালু আছে। সুলভ মূল্যে ভালো মানের পন্য এবং সঠিকভাবে নেটওয়ার্কিং সুবিধা পেতে চাইলে যোগাযোগ করুন আমাদের সাথে।

মোবাইলঃ 01751678855 , 01919322533 , 01551322533

সিসিটিভি ক্যামেরা & IP ক্যামেরা ক্রয়ের ক্ষেত্রে বিবেচ্য বিষয়সমূহ

বর্তমানে নিরাপত্তার বিষয়টি বিবেচনা করে অফিস, ফ্যাক্টরি, বাসাবাড়িসহ ছোট বড় প্রায় সকল প্রতিষ্ঠানেই সিসিটিভি ক্যামেরা বা আইপি ক্যামেরা ব্যবহারের চাহিদা দিনদিন বেড়েই চলেছে। এক্ষেত্রে অনেকেই সকল বিষয় বিবেচনা না করেই সিদ্ধান্ত গ্রহন করে থাকেন এবং পরবর্তিতে হয়তো বিভিন্ন সমস্যার সম্মুখিন হচ্ছেন। যার ফলে নষ্ট হচ্ছে সময় শ্রম এবং গুনতে হচ্ছে বাড়তি অর্থ। একজন ক্রেতা হিসেবে আপনি কখনই এমনটি কামনা করছেন না। অতএব সিদ্ধান্ত গ্রহনের পূর্বে অবশ্যই আপনার কিছু গুরুত্বপূর্ণ  বিষয় বিবেচনা করতে হবে।

বিবেচ্য বিষয়সমূহঃ
১. আপনি কতটুকু জায়গা ক্যামেরার আওতায় নিতে চান তার জন্য কতগুলো ক্যামেরা প্রয়োজন সেটি ভালেভাবে গননা করুন। যদিও যারা নেটওয়ার্কিং এর কাজ করে তারা ক্যামেরা প্রতি বিল করবে কিন্তু আপনার স্থানটি যদি বিক্রেতার থেকে বেশি দূরে বা রিমোট অঞ্চল হয় তবে সে পরবর্তিতে হয়তো দু একটি ক্যামেরার জন্য যেতে রাজি নাও হতে পারে।

২. যেহেতু নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে ক্যামেরা ব্যবহার করবেন অতএব আপনার ক্যামেরা নিরাপদে আছে কিনা সে দিকটি বিবেচনা করুন। প্রয়োজনে ক্যামেরাকে নিরাপত্তা দিতে আরও কিছু ক্যামেরা ব্যবহার করুন।

৩. আপনি যে রুম বা খোলা এরিয়ায় নজরদারী করতে চান তার সিমানা  বিবেচনা করুন। কেউ ভালো বলছে বিধায় ছোট জায়গায় বেশি দামের ক্যামেরা ব্যবহার যেমন মূল্যহীন তেমনি বড় জায়গায় কমদামের ক্যামেরা ব্যবহার করাও ঠিক হবে না। এক্ষেত্রে ক্যামেরার আইআর এবং ডিগ্রি নিশ্চিত হয়ে নিন।

৪. ক্যামেরার লেন্স কত মেগাপিক্সেল, নাইট ভিশন আছে কিনা, এসি না ডিসি দিয়ে চালাতে হবে, সকল ধরনের ডিভিআর বা এনভিআর সাপোর্ট করে কিনা এবং ওয়্যারেন্টির বিষয়টিও নিশ্চিত হয়ে নেয়া ক্রেতা বিক্রেতা উভয়ের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।

৫. ডিভিআর বা এনভিআর এর বিভিন্ন কোয়ালিটি বাজারে থাকতে পারে সেক্ষেত্রে বিক্রেতার সাথে আলাপ করে দাম একটু বেশি গেলেও ভালো মানেরটি ক্রয় করাই ক্রেতার জন্য ভালো। কখনো কখনো এমন হয়, আমরা লাইভ ভিডিও যেমন দেখি, সেইভ করা ভিডিও কোয়ালিটি তেমন আসছে না।

৬. ক্যামেরা সেট করার জায়গায় বৃষ্টির সম্ভাবনা আছে কিনা সেটি অবশ্যই বিবেচনা করতে হবে কারন ডুম ক্যামেরা দেখতে সুন্দর হলেও বাহিরে ব্যবহারের উপযোগী না। সেক্ষেত্রে অবশ্যই ওয়াটার প্রুফ বুলেট ক্যামেরা ব্যবহার করতে হবে।

৭. ক্যামেরাগুলো কি স্থির থাকবে নাকি মুভ করবে তাও বিবেচনা করতে হবে। কারন মুভিং মটর দিয়ে যেমন মুভ করা যায় আবার এখন কিছু আইপি ক্যামেরা আছে যা দ্বারা সহজেই মুভ করানো যায়। আবার কিছু ৩৬০ ডিগ্রি ক্যামেরা আছে যার একটি ক্যামেরা রুমের মাঝে সেট করলে পুরো রুম দেখা যায়।

৮. দূরবর্তী স্থান থেকে লাইভ ভিউ করতে চাইলে ক্যামেরা এবং মোবাইল বা কম্পিউটার দুটোতেই ইন্টারনেট থাকতে হবে এবং ডিভিআর, এনভিআর মেশিনে সঠিকভাবে আইপি কনফিগার করতে হবে। কিছু আইপি ক্যামেরা আছে যার জন্য এনভিআর মেশিন না থাকলেও শুধুমাত্র সফটওয়্যার দিয়েও মনিটরিং করা যায়।

৯. ভবিষ্যত প্রমান হিসেবে ভিডিও সেইভ রাখতে চাইলে অবশ্যই আপনাকে হার্ডডিস্ক ব্যবহার করতে হবে। বিবেচনা করতে হবে আপনার ক্যামেরার সংখ্যা  এবং  কতদিন ডাটা সংরক্ষন করতে চান। কেননা এর উপর নির্ভর করছে আপনার কত পরিমাপের হার্ডডিস্ক প্রয়োজন।

১০. ক্যামেরা, ডিভিআর বা এনভিআর ইত্যাদি বিভিন্ন দামের হয়ে থাকে। অতএব পুরো প্রজেক্ট সুন্দরভাবে বাস্তবায়ন করতে আপনার বাজেট কত লাগতে পারে এটিও বিবেচ্য বিষয়। এক্ষেত্রে কয়েকটি প্লান তৈরি করে আপনার জন্য সঠিক সিদ্ধান্তটি গ্রহন করুন।

সিসিটিভি ক্যামেরা প্যাকেজ ক্রয়ের সময় উপরোক্ত বিষয়সমূহ বিবেচনা করলে আশা করি আপনি সময়, শ্রম এবং অর্থ সবদিক থেকে লাভবান হতে পারবেন। আমাদেরও ক্যামেরা বিক্রয় এবং সেটআপ দুটো সার্ভিসই চালু আছে। বিশ্বস্থতার সাথে পুরো প্রক্রিয়া সঠিকভাবে বাস্তবায়ন করতে চাইলে যোগাযোগ করুন আমাদের সাথে।

মোবাইলঃ  01751678855 , 01551322533 , 01919322533
একটি ভালো পরামর্শ বাঁচাতে পারে সময় শ্রম এবং অর্থ আর দিতে পারে ক্রয়ের পরে সন্তুষ্টি।

পুরনো মেশিন ? ঠিকই ইনস্টল করা যাবে Windows 11; জেনে নিন কী ভাবে

#কলকাতা:  অক্টোবরের ৫ তারিখে লঞ্চ করা হয়েছে Windows 11। কিন্তু অনেকেই নতুন এই আপডেটেড ভার্সন নিয়ে তেমন উৎসাহী নয়। কারণ অনেকের কম্পিউটারেই সাপোর্ট করছে না মাইক্রোসফটের (Microsoft) নতুন অপারেটিং সিস্টেম Windows 11। কারণ মাইক্রোসফটের নতুন অপারেটিং সিস্টেমের জন্য প্রয়োজন উন্নত কিছু ফিচার। এর ফলে পুরনো সিস্টেমে সেই সকল ফিচার না থাকার জন্য ইনস্টল করা যাচ্ছে না Windows 11। নতুন অপারেটিং সিস্টেম Windows 11 এর জন্য দরকার হল ট্রাস্টেড প্ল্যাটফর্ম মডিউল ২.০ ক্রিপ্টো প্রসেসর (Trusted Platform Module 2.0 Crypto Processor), যা সিস্টেমের হার্ডওয়্যার লেভেলকে সুরক্ষিত রাখতে সহায়তা করে। যাদের সিস্টেমে এই ট্রাস্টেড প্ল্যাটফর্ম মডিউল ২.০ ক্রিপ্টো প্রসেসর নেই, তারাও কয়েকটি উপায়ে ব্যবহার করতে পারবে Windows 11।

এক নজরে দেখে নেওয়া যাক পুরনো সিস্টেমে Windows 11 ইনস্টল করার উপায়।

স্টেপ ১ – প্রথমেই ডাউনলোড করতে হবে Windows 11 আইএসও ফাইল (ISO File)। এটি ডাউনলোড করার জন্য অফিসিয়াল Windows 11 এর ডাউনলোড পেজে গিয়ে ক্লিক করতে হবে এই লিঙ্কটিতে- https://www.microsoft.com/en-us/software-download/windows11

স্টেপ ২ – এর পর ডাউনলোড Windows 11 ডিস্ক ইমেজ (Download Windows 11 Disk Image ISO) সেকশনে গিয়ে সিলেক্ট করতে হবে Windows 11

স্টেপ ৩ – এর পর নীল রঙের ডাউনলোড বাটনে ক্লিক করতে হবে। এর আগে অবশ্যই দেখে নিতে হবে যে নিজেদের সিস্টেমে অনেকটা ডেটার জায়গা আছে কি না এবং নেটের স্পিড ঠিকঠাক কি না। কারণ Windows 11 আইএসও ফাইলের সাইজ ৫.১ জিবি। এই Windows 11 আইএসও ফাইল ডাউনলোড হওয়ার পরেই পরবর্তী স্টেপে যাওয়া যাবে।

স্টেপ ৪ – এর পর স্টার্ট আইকন (Start Icon) ক্লিক করতে হবে এবং টাইপ করতে হবে রিগিডিট (Regedit)।

স্টেপ ৫ – এর পর যখন রেজিস্ট্রি এডিটর স্টার্ট মেনু দেখাবে তখন এন্টার প্রেস করে সেই অ্যাপ লঞ্চ করতে হবে।

স্টেপ ৬ – এর পর সেই অ্যাপটি অ্যাডমিনিস্ট্রেটরের সম্মতি চাইবে। তখন ইয়েস (Yes) বাটনে ক্লিক করতে হবে।

স্টেপ ৭ – বাঁদিকের প্যানেলে ফোল্ডার এক্সপেন্ডেবেল করার অপশন দেখা যাবে। সেটি সিলেক্ট করলে অনেকগুলো লেভেল দেখা যাবে। তার মধ্যে থেকে এটি নেভিগেট করতে হবে- Computer > HKEY_LOCAL_MACHINE > SYSTEM > Setup > MoSetup

স্টেপ ৮ – এছাড়াও ওপরেরটি অ্যাড্রেস বারে কপি পেস্ট করা যাবে।

স্টেপ ৯ – ডানদিকের প্যানেলের ডানদিকে ক্লিক করে সিলেক্ট করতে হবে New > DWORD (32-bit) Value।

স্টেপ ১০ – এর পর ভ্যালু নেম (Value Name) ফিল্ডে সেটি লিখতে হবে অথবা কপি পেস্ট করতে হবে।

স্টেপ ১১ – এর পর ওকে (OK) অপশন ক্লিক করে অপেক্ষা করতে হবে সেটি ডাউনলোড হওয়ার।

স্টেপ ১২ – এর পর সেই আইএসও ডাউনলোড হওয়ার পর সেটিতে ডবল ক্লিক করে ওপেন করতে হবে।

স্টেপ ১৩ – এর পর সেট আপ ফাইলে ডবল ক্লিক করলে ইনস্টলেশনের প্রক্রিয়া শুরু হবে।

ল্যাপটপ বা কম্পিউটারে কিভাবে ইন্টারনেট ব্যবহার করব ?

আমরা সবাই খুব সহজেই মোবাইল ফোনে ইন্টারনেট ব্যবহার করি। তবে আপনি কি জানেন কিভাবে আপনি আপনার ল্যাপটপ বা কম্পিউটারে ইন্টারনেট ব্যবহার করবেন?

আজ এই পোস্টের মাধ্যমে আমি আপনাদের শেখাব কিভাবে আপনি খুব সহজে আপনার ল্যাপটপ বা কম্পিউটারে ইন্টারনেট ব্যবহার করতে পারেন

বর্তমান সময়ে প্রযুক্তির ব্যপক বিস্তৃতির ফলে ইন্টারনেটের ব্যবহার খুবই স্বাভাবিক হয়ে দাড়িয়েছে। এই সময়ে এসে আপনি এমন কোনো ব্যাক্তিকে খুঁজে পাবেন না, যে জীবনে কখনো ইন্টারনেট ব্যবহার করেনি।আমরা বেশিরভাগ লোকই মোবাইল ফোনের মাধ্যমে ইন্টারনেট ব্যবহার করি। যা খুবই সহজ।শুধুমাত্র একটি বাটন অন করলেই আমাদের মোবাইলের ইন্টারনেট কানেকশন চালু হয়ে যাবে এবং আমরা খুব সহজেই আমাদের মোবাইলে ইন্টারনেট চালাতে পারব।কিন্তু সমস্যা শুরু হয় তখনই যখন কোনো নতুন কম্পিউটার ব্যবহারকারী, আবার কোনো কোনো ক্ষেত্রে পুরাতন ব্যবহারকারীও জানেন না কিভাবে তারা তাদের কম্পিউটার বা ল্যাপটপে ইন্টারনেট ব্যবহার করবেন?

কারণ এখনে শুধুমাত্র একটি বাটন টিপলেই ইন্টারনেট চালু হয়না। কম্পিউটারে ইন্টারনেট চালু করতে হলে আপনাকে কিছু সেটিংস করতে হবে।

এই কারণে অনেকেই মনে করেন কম্পিউটারে ইন্টারনেট ব্যবহার করা খুবই জটিল কাজ। কিন্তু আসলে বিষয়টা এমন নয়

আপনি যদি কম্পিউটারে ইন্টারনেট ব্যবহার করার সঠিক পদ্ধতি জানেন তবে কম্পিউটারে ইন্টারনেট ব্যবহার করা পানির মতো সহজ মনে হবে।

অনেক কথা হলো, চলুন এবার জানা যাক কিভাবে আপনি আপনার ল্যাপটপ বা কম্পিউটারে ইন্টারনেট ব্যবহার করবেন?

কিভাবে ল্যাপটপ বা কম্পিউটারে ইন্টারনেট ব্যবহার করব

কম্পিউটারে ইন্টারনেট ব্যবহার করার অনেকগুলো উপায় রয়েছে। আজ আমরা এর মধ্যে সবচেয়ে সহজ দুটি উপায় সম্পর্কে আলোচনা করব।

  1. ব্রডব্যান্ড ব্যবহার করে
  2. মোবাইল ডাটা ব্যবহার করে

ব্রডব্যান্ডের সাহায্যে কম্পিউটারে ইন্টারনেট ব্যবহার

সর্বপ্রথম দেখা যাক কিভাবে আপনি ব্রডব্যান্ডের সাহায্যে কম্পিউটারে ইন্টারনেট ব্যবহার করবেন

ব্রডব্যান্ডের সাহায্যে কম্পিউটারে ইন্টারনেট ব্যবহার করা খুবই সহজ এবং জনপ্রিয় উপায়। এর জন্য আপনার কাছেঃ-

  • ব্রডব্যান্ড কানেকশন
  • রাউটার
  • ইন্টারনেট ক্যাবল থাকা লাগবে।

যদি এসব কিছু আপনার কাছে বিদ্যমান থাকে তবে আপনি নিম্নোক্ত পদ্ধতিতে আপনার ল্যাপটপ বা কম্পিউটারে ইন্টারনেট ব্যবহার করতে পারবেন।

  1. সর্বপ্রথম আপনি আপনার রাউটারের আউটপোট পোর্টে আপনার ইন্টারনেট ক্যাবলের একটি অংশ কানেক্ট করুন।
  2. এবার আপনি আপনার ইন্টারনেট ক্যাবলের আরেক অংশ আপনার কম্পিউটারের CPU -এর Ethernet পোর্টে যুক্ত করুন।

    যুক্ত করলেই Ethernet পোর্টে লাইট জ্বলা শুরু হবে। এর অর্থ আপনার কম্পিউটারের সাথে ইন্টারনেট ক্যাবল যক্ত হয়ে গেছে।
  3. এবার আপনাকে আপনার কম্পিউটার স্ক্রিনে এসে কম্পিউটারে রাউটার সেটআপ দিতে হবে।
  4. এর জন্য আপনাকে আপনার কম্পিউটারের নিচে ডানপাশে টাস্কবারে ক্লিক করতে হবে।
  5. কয়েকটি অপশন আসবে, এরমধ্যে “Network Internet Access” অপশনে ক্লিক করতে হবে।
  6. এতে আপনার রাউটারের সাথে আপনার কম্পিউটার কানেক্ট হয়ে যাবে। যদি না হয় তবে যে নতুন উইন্ডো ওপেন হবে তার নিচে লেখা “Open Network & Sharing Center” এ ক্লিক করতে হবে। (নতুন উইন্ডো ওপেন হবে)
  7. অনেকগুলো অপশন আসবে। বামপাশে লেখা দেখবেন “Change Adapter Settings” এতে ক্লিক করুন।

    এখানে আপনি আপনার Local Area Connection এর সেটিংস্ দেখতে পাবেন। যা ডিসেবল অবস্থায় থাকবে। আপনাকে রাইট ক্লিক করে তা ইনেবল করতে হবে।
  8. আপনার কম্পিউটার রাউটারের সাথে কানেক্ট হয়ে যাবে।

এভাবে আপনি রাউটার দিয়ে আপনার ল্যাপটপ বা কম্পিউটারে ইন্টারনেট চালাতে পারবেন।
এবার চলুন দ্বিতীয় পদ্ধতি সম্পর্কে জানা যাক।

মোবাইল ডাটা ব্যবহার করে ল্যাপটপে ইন্টারনেট ব্যবহার

ল্যাপটপে মোবাইল ডেটা ব্যবহার করে ইন্টারনেট চালানোর সবচেয়ে সহজ ও কার্যকর উপায় হলো “Wifi Tethering” এর ব্যবহার।
Wifi Tethering এর সাহায্যে আপনি খুব সহজেই আপনার ল্যাপটপে ইন্টারনেট ব্যবহার করতে পারেন।
Wifi Tethering এর সাহায্যে ল্যাপটপে ইন্টারনেট ব্যবহার করার জন্য নিচের পদ্ধতিগুলো অনুসরণ করুনঃ-

  1. সর্বপ্রথম আপনি আপনার মোবাইল ফোনের ইন্টারনেট অন করুন।
  2. এবার আপনি আপনার মোবাইলের সেটিংসে গিয়ে Portable hotspot খুঁজুন এবং তা ওপেন করুন।
  3. এবার আপনি আপনার ফোনের Portable hotspot অন করুন।
  4. এবার আপনার ল্যাপটপে নিচে wifi icon এ ক্লিক করুন।
  5. ল্যাপটপের wifi অন করার পর আশেপাশে যতগুলো hotspot অন আছে তার লিস্ট পেয়ে যাবেন।

    এখান থেকে আপনি আপনার মোবাইল hotspot এ ক্লিক করুন।
  6. এবার আপনার ল্যাপটপে ইন্টারনেট চালু হয়ে যাবে।
বন্ধুরা, আশা করি আপনারা বুঝতে পেরেছেন |||

ছাত্রছাত্রীদের জন্য বিনা মূল্যে ও স্বল্পমূল্যে ল্যাপটপ!

কাজটি করার পরিকল্পনা ছিল আরো কয়েক বছর পরে, আরেকটু গুছিয়ে নিয়ে। কিন্তু অসংখ্য ছাত্রছাত্রীর কান্না দেখে কাজটি এখনই হাতে নিতে হলো। অন্তত কাজটা শুরু হোক। যতটা সাহায্য তাদের করা যায়!

শিরোনাম দেখে নিশ্চয়ই বুঝতে পারছেন, আমি কী নিয়ে কথা বলছি। জি, বাংলাদেশের ছাত্রছাত্রীদের হাতে কীভাবে বিনা মূল্যে বা স্বল্পমূল্যে ল্যাপটপ তুলে দেয়া যায়, সেটা নিয়েই লিখতে বসেছি। বিষয়টি অনেক দিন ধরেই মাথায় ছিল। কয়েক বছর আগে একটু শুরু করেছিলাম। কিছু মানুষকে তখন সাহায্য করা গিয়েছিল। এখন আরেকটু ধাক্কা দেয়া যেতে পারে বলেই বিষয়টির অবতারণা করছি।

ছাত্রছাত্রীদের ল্যাপটপ দরকার কেন?

সারা বিশ্বে শিক্ষাব্যবস্থা যেভাবে পাল্টে গেছে, তাতে শিক্ষার্থীদের ডিজিটাল পদ্ধতি ছাড়া আর উপায় নেই। কেউ কি বর্তমান সময়ে ছাত্রছাত্রীদের লেখাপড়ার অবস্থা দেখেছেন? বেশিভাগই বই কেনে না- বই হয়তো বাজারে পাওয়া যায় না, কিংবা কেনার সামর্থ্য থাকে না। তারা ফটোকপি করে। কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর আশপাশে যে ফটোকপির দোকান, সেগুলোর দিকে তাকালেই দেখতে পাবেন আমাদের পরের প্রজন্ম কীভাবে ফটোকপি করে তাদের শিক্ষা কার্যক্রম চালাচ্ছে।

বই, ক্লাসনোট, প্রশ্নপত্র, সাজেশন- সবকিছুই ফটোকপি। এবং একটা বর্ষ শেষ, সেই ফটোকপি চলে যাচ্ছে ঝাল-মুড়ি বিক্রেতার কাছে। তাদের কাছে বই থাকছে না। (কলেজ এবং বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার বইগুলো আমার এখনো আছে। স্কুলের বইও খুঁজলে পাওয়া যেতে পারে।) আমি বর্তমান সময়ের ছাত্রছাত্রীদের জিজ্ঞেস করেছি, তাদের সংগ্রহে বই নেই। বই নাকি তাদের লাগেও না। হবে হয়তো। যেহেতু আমি এখন পড়ছি না, তাই এটা নিয়ে আমার মতামত ঠিক হবে না। বই ছাড়াও যদি বিষয়টি শিখে ফেলা যায়, তাহলে হয়তো বই না-ও লাগতে পারে।

বর্তমান সময়ে বই না লাগলেও একটা ডিভাইস যে লাগবে, সেটা আমি নিশ্চিত। শিক্ষার অসংখ্য ম্যাটেরিয়াল এখন সে চাইলেই ইন্টারনেট থেকে ডাউনলোড করে নিতে পারে, যা আমাদের সময় সম্ভব ছিল না। আমাদের সম্বল ছিল লাইব্রেরি। কিন্তু সেই লাইব্রেরির আবেদন এখন কমে এসেছে। তাই বর্তমান সময়ের ছাত্রছাত্রীদের একটি ডিভাইস হলে তার শিক্ষা কার্যক্রম আরো উন্নত হতে পারে।

সব শিক্ষার্থী কি ডিভাইস এফোর্ড করতে পারবে?

বাংলাদেশ এখনো ধনী দেশ হয়ে ওঠেনি। বাংলাদেশ এইমাত্র উন্নয়নশীল দেশের কাতারে নাম লেখাল। তাই এ দেশের অসংখ্য শিক্ষার্থী ডিজিটাল ডিভাইস পেয়ে যাবে, সেটা সম্ভব নয়। এটা সরকারের পক্ষে দেয়া যেমন সম্ভব নয়, তেমনি ছাত্রছাত্রীদের পক্ষেও কেনা সম্ভব নয়। বেশিভাগ পরিবার তাদের সন্তানদের ট্যাবলেট বা ল্যাপটপ কিনে দিতে পারবে না। এটাই বাস্তবতা। আমি যদি আমার স্কুল/কলেজের কথা মনে করি, আমার মা-বাবা আমাকে একটি ল্যাপটপ কিনে দেয়ার মতো সামর্থ্য রাখতেন না। এমন লাখ লাখ পরিবার পাওয়া যাবে, যাদের পরিবার এটা এফোর্ড করতে পারবে না।

তাহলে উপায়! এই বিশাল জনসংখ্যা তাহলে ডিজিটাল ডিভাইস পাবে না বলে শিক্ষা থেকে পিছিয়ে পড়বে? আসলেই কিন্তু পিছিয়ে পড়বে। এই গ্রহের অন্য দেশের ছেলেমেয়েরা যা শিখবে, আমাদের ছেলেমেয়েরা সেটা পাবে না। যারা বিশ্ববিদ্যালয় পর্যন্ত যেতে পারবে, শুধু তারাই কিছুটা পাবে। কিন্তু সবাই তো আর বিশ্ববিদ্যালয়ে যেতে পারবে না। আবার বিশ্ববিদ্যালয়ে যেতে পারলেই তার যে একটা ল্যাপটপ থাকবে, সেটা না হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি। আমাদের পরিবারগুলোর তো সেই সক্ষমতা এখনো তৈরি হয়নি। এটা মেনে নিয়েই আমাদের এগোতে হবে।

যেভাবে ল্যাপটপ দেয়া হবে

আমরা একটা ফাউন্ডেশন (নন-প্রফিট) করতে যাচ্ছি, যার মাধ্যমে ছাত্রছাত্রীদের ল্যাপটপ দেয়া হবে। কারা এই ল্যাপটপগুলো পাবে, সেটা ধীরে ধীরে ঠিক করব। তবে কীভাবে ল্যাপটপগুলো জোগাড় হবে, সেটা একটু বলা যেতে পারে।

১. আমাদের চারপাশে বিপুল মানুষ আছে, যাদের একাধিক ল্যাপটপ আছে। কিংবা কিছুটা পুরোনো ল্যাপটপ আছে। সেগুলোকে একটু ঠিক করে নিলেই অন্য একজন ব্যবহার করতে পারে। আমরা সেই ল্যাপটপগুলো সংগ্রহ করে, ঠিক করে তারপর ছাত্রছাত্রীদের মাঝে বিতরণ করতে পারি। তাতে রিসাইক্লিন হবে।

২. বিদেশে অনেক ফ্যাক্টরি রিফারবিশড ল্যাপটপ পাওয়া যায়, যেগুলোর মূল্য খুবই কম; কিন্তু গুণগত মান যথেষ্ট ভালো। সেই ল্যাপটপগুলো আমরা বিদেশ থেকে নিয়ে আসতে পারি। সেগুলো পরীক্ষা করে, তারপর ছাত্রছাত্রীদের হাতে তুলে দেয়া যেতে পারে।

৩. যারা কিছু টাকা দিয়ে ল্যাপটপ কেনার সামর্থ্য রাখেন, তাদের একত্র করে বাল্ক ল্যাপটপ অর্ডার করলে খরচ অনেক কম পড়বে। আমরা কিছু কিছু ল্যাপটপ কম মূল্যে তাদের দেব। সে জন্য পুরো প্রোগ্রামটি বিনা মূল্যে ট্যাপটপ নয়, স্বল্পমূল্যেও কেউ কেউ পাবেন।

এভাবে বেশ কিছু ল্যাপটপ জোগাড় করে ফেলা যাবে, যেগুলো ছাত্রছাত্রীদের কাজে লাগতে পারে।

যাদের ল্যাপটপ প্রয়োজন

আমরা একটি ওয়েবসাইট চালু করছি, যার ঠিকানা হলো https://priyo.org (প্রিয়.অর্গ)। যাদের ল্যাপটপ প্রয়োজন, তারা এই ঠিকানায় গিয়ে আবেদন করতে পারেন। এতে তাদের চাহিদা এবং সক্ষমতা জানা যাবে। আবেদন করলেই যে ল্যাপটপ পেয়ে যাবেন, তা কিন্তু নয়। একটি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে যাচাই-বাছাই করেই ল্যাপটপগুলো দেয়া হবে। কতগুলো ল্যাপটপ কোথা থেকে পাওয়া গেছে এবং কাকে দেয়া হয়েছে, সবকিছুই ওই ওয়েবসাইটে পাওয়া যাবে। ওয়েবসাইটটি কেবলই তৈরি করা হচ্ছে। এখন মাত্র আবেদনটা করা যাবে। শীঘ্রই অন্যান্য তথ্য যুক্ত করা হবে।

তবে আবেদনকারীদের মনে করার কোনো কারণ নেই যে, সবাইকেই পুরোনো ল্যাপটপ ধরিয়ে দেয়া হবে। ল্যাপটপগুলো ব্যবহারযোগ্য হলেই আমরা সেগুলো বিতরণ করব। পাশাপাশি আমরা নতুন ল্যাপটপও দেব, যা কেবল ছাত্রছাত্রীদের জন্য।

যাদের ল্যাপটপ প্রয়োজন, তারা এই ওয়েবসাইটে গিয়ে আগামী ২৬ মার্চের ভেতর আবেদন করতে পারেন।

যারা ল্যাপটপ দান করতে চান

আপনার কাছে যদি পুরোনো ল্যাপটপ থাকে, যা আপনি ‌ব্যবহার করছেন না, তাহলে তার ডেটা মুছে ফেলে ল্যাপটপটি আমাদের ল্যাপটপ ব্যাংকে দান করতে পারেন। আমরা সেই ল্যাপটপটি যদি ব্যবহারের উপযোগী করতে পারি, তাহলে সেটা ঠিক করে কোনো শিক্ষার্থীর হাতে তুলে দিতে পারি। আমাদের ওয়েবসাইটে যোগাযোগের ঠিকানা পেয়ে যাবেন। কুরিয়ারে ল্যাপটপটি পাঠিয়ে দিতে পারেন। নয়তো আমাদের টিমের কেউ একজন গিয়ে আপনার কাছ থেকে ল্যাপটপটি সংগ্রহ করে আনতে পারে।

তবে আপনাদের প্রতি অনুরোধ থাকবে, ঘরে কিংবা অফিসে একটু চোখ বুলিয়ে দেখুন। অনেক ল্যাপটপ হয়তো আশপাশে রয়েছে, যেগুলো বছরের পর বছর এমনিতেই পড়ে থাকবে। কিছুদিন পর ব্যাটারি নষ্ট হয়ে যাবে। আপনি আর ব্যবহার করতেই পারবেন না। অনেক অফিস আছে, যারা নতুন ল্যাপটপ কিনেছে, পুরোনোগুলো কী করবে বুঝতে পারছে না। সেগুলো কিন্তু আমাদের ল্যাপটপ ব্যাংকে দিয়ে দিতে পারেন।

শর্তসমূহ:

এখানে যারা ল্যাপটপ পাবেন, তাদের জন্য একটি শর্ত আছে। আর যারা আমাদের মাধ্যমে অন্যকে ল্যাপটপ দান করতে চান, তাদের জন্য একটি শর্ত রয়েছে।

ক. ছাত্রছাত্রীদের জন্য শর্ত: মিথ্যা তথ্য দেয়া যাবে না। এই একটাই শর্ত। যে মুহূর্তে কেউ মিথ্যা তথ্য দেবে, তাকে সিস্টেম থেকে ব্যান করা হবে। তার কোনো কথাই শোনা হবে না, সে যত ভালো শিক্ষার্থীই হোক না কেন।

খ. ল্যাপটপদানকারীদের জন্য শর্ত: আমরা সবেমাত্র ফাউন্ডেশনের কাজে হাত দিয়েছি। এখনো সবকিছু গোছানো হয়নি। তাই এখনই আপনাদের সব হিসাব-নিকাশ হাতে তুলে দিতে পারছি না। যদি আমাদের বিশ্বাস করেন, তবেই আপনার পুরোনো ল্যাপটপটি আমাদের দিতে পারেন। মনে কোনো রকম সন্দেহ নিয়ে আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ না করার পরামর্শ থাকল।

যা দিয়ে শুরু করেছিলাম, সেই প্রসঙ্গটা দিয়ে শেষ করি।

এই প্রকল্পটা আমাদের হাতে ছিল। কিন্তু এখন সামনে নিয়ে এসেছি এ জন্য যে এই করোনাকালে আমাদের অনেক ছাত্রছাত্রী ডিভাইসের জন্য লেখাপড়া করতে পারছে না। স্মার্টফোন দিয়ে হয়তো তাদের কাজ চলছে, কিন্তু স্মার্টফোন আসলে শিক্ষা-উপকরণ নয়। ওই ছোট স্ক্রিনে তার শেখাটা হয় না। তাদের কথা মাথায় রেখেই আমরা আমাদের কিছুটা সময় ওই দিকে দিচ্ছি। যদি আপনারা কেউ আমাদের সঙ্গে স্বেচ্ছাসেবক হতে চান, তাহলে আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেন। সবাই চেষ্টা করলে অনেক শিক্ষার্থীর জীবনই পাল্টে দেয়া যেতে পারে। প্রয়োজন শুধু সামান্য চেষ্টা।

এ বছর বাংলাদেশ তার পঞ্চাশে পা দিল। দেখি, বাংলাদেশের এই বছরে কতগুলো ছাত্রছাত্রীর হাতে ল্যাপটপ তুলে দিতে পারি!

রাইজেন প্রো প্রসেসর নিয়ে এসারের নতুন দুই ল্যাপটপ

এএমডির রাইজেন প্রো প্রসেসরসহ বাজারে ট্রাভেলমেট পি২ সিরিজে নতুন দুটি ল্যাপটপ নিয়ে এসেছে তাইওয়ানের বহুজাতিক প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান এসার। ১৪ ও ১৫ দশমিক ৬ ইঞ্চি ডিসপ্লে নিয়ে এ দুটি মডেল বাজারে উন্মুক্ত করেছে প্রতিষ্ঠানটি। প্রসেসর ছাড়াও ডিজাইন ও বৈশিষ্ট্যের দিক থেকেও দুটি ল্যাপটপ প্রায় একই।

এসার ট্রাভেলমেট পি২১৪৪১জি২ ১৪ ইঞ্চির ল্যাপটপে এএমডি রাইজেন ৫ প্রো ৫৬৫০ইউ চিপসেট ব্যবহার করা হয়েছে। অন্যদিকে ১৫ দশমিক ৬ ইঞ্চির ট্রাভেলমেট পি ২১৫৪১জি২ ল্যাপটপটি এএমডি রাইজেন ৫ প্রো ৫৬৫০ইউ অথবা রাইজেন ৭ প্রো ৫৮৫০ইউ চিপসেট পাওয়া যাবে।

১৫ দশমিক ৬ ইঞ্চির ট্রাভেলমেট পি২ ল্যাপটপে ১২৯০–১০৮০ পিক্সেলের ফুল এইচডি আইপিএস ডিসপ্লে দেয়া হয়েছে। এর ফিল্ড অব ভিউ ১৭০ ডিগ্রি এবং আসপেক্ট রেশিও ১৬:৯। ১৪ ইঞ্চি ল্যাপটপের ডিসপ্লে সম্পর্কিত কোনো তথ্য জানা যায়নি।

দুটি ল্যাপটপেই ৮ জিবি ডিডিআরফোর র‌্যাম ও ২৫৬ জিবি এসএসডি স্টোরেজ দেয়া হয়েছে। ল্যাপটপগুলোতে ইউএসবি টাইপ এ পোর্টস, একটি ইউএসবি টাইপ সি পোর্ট, একটি এইচডিএমআই পোর্ট, ভিজিএ পোর্ট ও ইথারনেট পোর্ট রয়েছে। ল্যাপটপের সঙ্গে ব্যবহারকারীরা এসডি কার্ড রিডার, ৩ দশমিক ৫ মিলিমিটারের হেডফোন জ্যাকের পাশাপাশি ব্লুটুথ ভার্সন ৫, ওয়াই-ফাই ৮০২.১১ এ/বি/জি/এন/এসি/এএক্স সংযোগ পাবেন।

ট্রাভেলমেট ল্যাপটপগুলোতে ৭২০ পিক্সেলের ভিডিও ক্যামেরা দেয়া হয়েছে। ব্যক্তিগত নিরাপত্তার জন্য ক্যামেরার সঙ্গে ম্যানুয়াল শাটার দেয়া হয়েছে। উইন্ডোজ হ্যালোর জন্য ল্যাপটপে আইআর ক্যামেরা ও দুটি মাইক্রোফোন দেয়া হয়েছে।

এসারের দাবি একবারের চার্জে ল্যাপটপগুলো ১২ ঘণ্টা পর্যন্ত ব্যাকআপ দিতে সক্ষম। ৬৫ ওয়াটের চার্জারের মাধ্যমে তাদের থ্রিসেল লিথিয়াম আয়ন ব্যাটারি চার্জ দেয়া যাবে বলেও জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। ১৫ দশমিক ৬ ইঞ্চি ডিসপ্লের ল্যাপটপটির ওজন ১ কেজি ৮০০ গ্রাম।

বাজারে শুধু কালো রঙেই ল্যাপটপগুলো পাওয়া যাবে। এএমডি রাইজেন ৫ প্রো প্রসেসরসহ ট্রাভেলমেট পি২ ১৫ দশমিক ৬ ইঞ্চি ল্যাপটপের দাম ৬৩ হাজার থেকে ৭০ হাজার টাকার মধ্যে এবং রাইজেন ৭ প্রো প্রসেসর সংবলিত ল্যাপটপের দাম ৭২ হাজার থেকে ৮০ হাজার টাকার মধ্যে হতে পারে

মিডিয়াটেক প্রসেসরসহ রিয়েলমির প্রথম প্যাড উন্মোচন

স্লিম ডিজাইন, কোয়াড স্পিকার ও মিডিয়াটেকের হেলিও প্রসেসর নিয়ে বাজারে নিজেদের প্রথম প্যাড উন্মোচন করল চীনের অন্যতম প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান রিয়েলমি। রিয়েলমি প্যাডে অপারেটিং সিস্টেম হিসেবে অ্যান্ড্রয়েড ১১ দেয়া হয়েছে। সেই সঙ্গে ইউজার ইন্টারফেসে প্যাড স্কিনসহ রিয়েলমি ইউআই দেয়া হয়েছে। এ ট্যাবে ১০ দশমিক ৪ ইঞ্চির ডব্লিউইউএক্সজিএ+২০০০X১২০০ পিক্সেলের ডিসপ্লে দেয়া হয়েছে। যার স্ক্রিন টু বডি রেশিও ৮২ দশমিক ৫ শতাংশ। অন্ধকারে চোখের ওপর চাপ কমাতে এ প্যাডে প্রিলোডেড নাইট মোড রয়েছে।

রিয়েলমি প্যাডে মিডিয়াটেকের হেলিও জি৮০ প্রসেসর ব্যবহার করা হয়েছে। মাল্টি টাস্কিং সুবিধার জন্য এতে ৪ জিবি র‍্যাম ও ৬৪ জিবি ইন্টারনাল স্টোরেজ দেয়া হয়েছে। এ প্যাডে ৮ মেগাপিক্সেলের আল্ট্রা ওয়াইড ফ্রন্ট ও রিয়ার ক্যামেরা রয়েছে। প্যাডের ওজন ৪৪০ গ্রাম।

রিয়েলমি প্যাডে চারটি স্পিকার যুক্ত করা হয়েছে। এগুলো ডলবি অ্যাটমস ও হাই রেস অডিও প্রযুক্তি সংকলিত। প্যাডে ৭ হাজার ১০০ মিলি অ্যাম্পিয়ার আওয়ারের ব্যাটারি দেয়া হয়েছে। বাজারে ৩/৩২ জিবি স্টোরেজের ওয়াই-ফাই অনলি ট্যাবের মূল্য ১৬ হাজার থেকে ২০ হাজার টাকার মধ্যে। ৩/৩২ জিবি ওয়াই-ফাই ও ফোরজি ভ্যারিয়েন্টের মূল্য ১৮ হাজার থেকে ২৩ হাজার টাকার মধ্যে এবং ৪/৬৪ জিবি ওয়াই-ফাই ও ফোরজি ভ্যারিয়েন্টের মূল্য ২০ হাজার থেকে ২৫ হাজার টাকার মধ্যে।

বিশ্বে মোবাইল ইন্টারনেটের গতি বেড়েছে ৬০ শতাংশ, বাংলাদেশে ১৫ শতাংশ

গত এক বছরে বাংলাদেশে মোবাইল ইন্টারনেটের গতি বেড়েছে ১৫ দশমিক ৩৮ শতাংশ। তবে, একই সময়ে বিশ্বব্যাপী মোবাইল ইন্টারনেটের গড় গতি গড়ে বেড়েছে ৫৯ দশমিক ৫ শতাংশ। এ হিসেবে বাংলাদেশে মোবাইল ইন্টারনেটের গতি বৃদ্ধির হার বৈশ্বিক গড়ের প্রায় এক-চতুর্থাংশ।

মোবাইল ইন্টারনেটে বৈশ্বিক গড়ের চেয়ে বাংলাদেশের গড় খারাপ হলেও এগিয়ে আছে ব্রডব্যান্ড সংযোগের গতি। গত বছরের জুলাইয়ের তুলনায় চলতি বছরের জুলাইয়ে বিশ্বে ব্রডব্যান্ডের সংযোগের গতি বেড়েছে গড়ে ৩১ দশমিক ৮৭ শতাংশ।

সম্প্রতি প্রকাশিত ইন্টারনেটের গতি পরীক্ষা ও বিশ্লেষণের প্রতিষ্ঠান ‘ওকলা’র তথ্য বিশ্লেষণ করে এই তথ্য পাওয়া গেছে। প্রতিষ্ঠানটির ওয়েবসাইটে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, গত এক বছরে বাংলাদেশে মোবাইল ইন্টারনেটের গতি বাড়ার হার ১৫ দশমিক ৩৮ শতাংশ। অথচ এ সময়ে বিশ্বব্যাপী মোবাইল ইন্টারনেটের গতি গড়ে বেড়েছে ৫৯ দশমিক ৫ শতাংশ।

প্রতিষ্ঠানটি জানায়, ২০২০ সালের জুলাইয়ে বিশ্বে মোবাইল ইন্টারনেটের ডাউনলোডের গড় গতি ছিল সেকেন্ডে ৩৪ দশমিক ৫২ মেগাবাইট (এমবিপিএস)। চলতি বছরের জুলাইয়ে এসে তা বেড়ে হয়েছে ৫৫ দশমিক শূন্য ৭ এমবিপিএস। আর বাংলাদেশে গত বছরের জুলাইয়ে মোবাইল ইন্টারনেটের ডাউনলোডের গড় গতি ছিল ১০ দশমিক ৯২ এমবিপিএস। এক বছরের ব্যবধানে তা হয়েছে ১২ দশমিক ৬ এমবিপিএস।

প্রতিষ্ঠানটির মতে, ২০২১ সালে মোবাইল ইন্টারনেটের গতিতে শীর্ষ ১০ দেশটি দেশ হলো: সংযুক্ত আরব আমিরাত, দক্ষিণ কোরিয়া, কাতার, চীন, সাইপ্রাস, নরওয়ে, সৌদি আরব, কুয়েত, অস্ট্রেলিয়া ও বুলগেরিয়া।

ওকলার মোবাইল ইন্টারনেটের গতির সূচকে বাংলাদেশের অবস্থান বরাবরই শেষের দিকে। জুনের মতো জুলাইয়েও বাংলাদেশ ছিল ১৩৫ নম্বরে। তবে জুনের প্রতিবেদনে তালিকায় ছিল ১৩৭ দেশ আর জুলাইয়ে ছিল ১৩৯ দেশ।