আইপি ক্যামেরা নেটওয়ার্কিং বা সেটআপ করার অজানা পদ্ধতি গুলো চলুন জেনে নেয়া যাক

আইপি ক্যামেরা (IP Camera ‍setup) সেটআপ বা নেটওয়ার্কিং করতে প্রয়োজনীয় উপকরনঃ

১. ক্যামেরা

২. এনভিআর

৩. হার্ডডিস্ক

৪. অ্যাডাপ্টার

৫.  আরজে৪৫ কানেক্টর

৬. ক্যাবল

৭. মনিটর

cctv and ip camera networking

ক্যামেরাঃ এটি আইপি ক্যামেরার একটি মূল উপাদান। ক্যামেরা দিয়ে সাধারনত যে সকল জায়গায় নজরদারী করতে হবে ঐ সকল স্থানের ভিডিও ধারন করা হয়। একটি আইপি ক্যামেরা সেটআপে ক্যামেরার সংখ্যা নির্ভর করে আমরা কতগুলো স্থানে নজরদারী করতে চাই তার উপর। অনেকে ক্যামেরার নিরাপত্তা চিন্তা করে বেশি পরিমান ক্যামেরা ব্যবহার করে থাকে। ডিজাইন ও ব্যবহারভেদে ক্যামেরা বিভিন্ন ধরনের হয়ে থাকে। যেমন: বুলেট, ডুম, আইপি ক্যামেরা, মুভঅ্যাবল ক্যামেরা, ৩৬০ ডিগ্রি ক্যামেরা ইত্যাদি।

dvr nvr for cctv and ip camera networking

 এনভিআরঃ এনভিআর বা নেটওয়ার্ক ভিডিও রের্কডার আইপি ক্যামেরার আরেকটি গুরুত্বপূর্ন উপাদান। এর মাধ্যমে ক্যামেরায় ধারনকৃত ভিডিও যেকোন ধরনের স্টোরেজ ডিভাইস যেমন হার্ডডিস্ক, মেমোরি, ফ্লাস ড্রাইভ ইত্যাদিতে সেভ করা যায়। এনভিআর বিভিন্ন ধরনের হয়ে থাকে যেমন ৪ পোর্ট, ৮ পোর্ট, ১৬ পোর্ট, ৩২ পোর্ট বা তারও বেশি । সেটআপে কোন ধরনের  এনভিআর ব্যবহার হবে তা নির্ভর করে ক্যামেরার সংখ্যার উপর । এনভিআর এর পোর্ট সংখ্যা সেটিতে কতগুলো ক্যামেরা যুক্ত করা যাবে তা নির্দেশ করে ।

হার্ডডিস্কঃ আইপি ক্যামেরা সাধারনত ব্যবহার করা হয় নিরাপত্তার কথা চিন্তা করে । অতএব, ভবিষ্যত প্রমান হিসেবে ভিডিও সেইভ করে রাখা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আর সে কারনেই এনভিআর এ হার্ডডিস্ক ব্যবহার জরুরি। একটি ৪ পোর্ট এর এনভিআর এর জন্য কমপক্ষে ১ টেরা  হার্ডডিস্ক জরুরি। তবে আপনি চাইলে আরও বড় হার্ডডিস্কও কিনতে পারেন। কেননা হার্ডডিস্ক যত বড় হবে আপনার রেকর্ড তত বেশি সময় সেইভ থাকবে। ১টি ক্যামেরা দৈনিক সাধারনত  ১০ থেকে ১৫ মেগাবাইট রেকর্ড করে থাকে।

hard disk for IP camera networking
adapter for cctv and ip camera networking

অ্যাডাপটারঃ ক্যামেরায় যে বিদ্যুৎ সংযোগ দেয়া হয় তা অ্যাডাপটার থেকে আসে । ক্যামেরা সাধারনত ১২ ভোল্ট ডিসি তে কাজ করে তাই ২২০ ভোল্ট এসিকে ১২ ভোল্ট ডিসিতে রুপান্তর করার জন্য অ্যাডাপটার ব্যবহার করা হয় । অ্যাডাপটার সংখ্যা ক্যামেরার সংখ্যার সমান হবে ।

আরজে৪৫ঃ আইপি ক্যামেরা সেটআপে আরজে৪৫ কানেক্টর একটি গুরুত্বপূর্ন উপাদান । এর মাধ্যমে ক্যামেরার সাথে ক্যাবলকে এবং ক্যাবলের সাথে এনভিআরকে যুক্ত করা হয় । অরজে৪৫ কানেক্টর এর সংখ্যা ক্যামেরা সংখ্যার দ্বিগুন হবে অর্থাৎ যতগুলো ক্যামেরা তত জোড়া আরজে৪৫ কানেক্টর  লাগবে ।

rj45 connector for ip camera networking

ক্যাবলঃ ক্যাবল এর কাজ হল সংযোগ প্রদান করা । ক্যামেরার সাথে এনভিআরকে সংযুক্ত করার জন্য সাধারনত ক্যাট-৬ ক্যাবল ব্যবহার করা হয়। এছাড়া ক্যামেরা ও এনভিআর এ বিদ্যুৎ সংযোগ দিতে বৈদ্যুতিক ক্যাবল প্রয়োজন। সেটআপে কি পরিমান ক্যাবল লাগবে তা নির্ভর করে এনভিআর থেকে ক্যামেরাগুলোর দূরত্বের উপর ।

cat6 cable for cctv camer networking

মনিটরঃ এটি একটি আউটপুট ডিভাইস। এর মাধ্যমে ক্যামেরাগুলোর ভিডিও আউটপুট দেখা যায় । মনিটর বিভিন্ন কোম্পানি কিংবা বিভিন্ন সাইজের হতে পারে । অনেকে আবার মোবাইল এর মাধ্যমে সরাসরি অনলাইনে মনিটরিং করে থাকে। এতে মনিটর প্রয়োজন না হলেও এনভিআর এবং মোবাইল অর্থাৎ দু্ই প্রান্তেই ইন্টারনেট কানেকশন প্রয়োজন।

monitor for cctv camer setup

আইপি ক্যামেরা (IP Camera Networking) সেটআপ বা নেটওয়ার্কিং পদ্ধতিঃ

১. প্রথমে আমাদের প্রয়োজনীয় সকল সামগ্রী আছে কিনা তা নিশ্চিত হতে হবে ।

২. এরপর ক্যামেরাগুলোর অবস্থান নিশ্চিত করতে হবে এবং ক্যামেরাগুলো স্থাপন করতে হবে ।

৩. ক্যামেরাগুলোতে বিদ্যুৎ এবং ভিডিও প্রবাহ নিশ্চিত করার জন্য নিরাপদ ওয়ারিং, অ্যাডাপটার এবং আরজে৪৫ কানেক্টর সংযোগ করতে হবে ।

৪. এনভিআর এর মধ্যে হার্ডডিস্ক সেট করতে হবে এবং নিদিষ্ট স্থানে এনভিআরটি রাখতে হবে।

৫. এনভিআর এ বিদ্যুৎ সরবরাহের জন্য অ্যাডাপ্টার এবং ক্যামেরা থেকে আসা আরজে৪৫ কানেক্টরগুলো সঠিকভাবে সংযোগ করতে হবে।

৬. সবশেষে ক্যামেরার ভিডিও দেখার জন্য এনভিআর এর সাথে মনিটর সংযোগ দিতে হবে ।

৭. যদি সবকিছু ঠিক থাকে তবে আপনি অবশ্যই মনিটরে এনভিআর এর ইন্টারফেস দেখতে পাবেন। আর এখন সময় এনভিআর পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় সেটিংস সম্পন্ন করা। মোবাইলের মাধ্যমে অনলাইন মনিটরিং করতে চাইলে সেটির জন্য এনভিআর এ আইপি সেটিংস করে দিতে হবে।

আশা করি  পুরো বিষয়টি এখন আপনার কাছে পরিস্কার। আপনি চাইলে নিজেও ট্রাই করেত পারেন। আর আমাদেরও সিসিটিভি ক্যামেরা বা আইপি ক্যামেরা বিক্রয় এবং নেটওয়ার্কিং দুটো সার্ভিসই চালু আছে। সুলভ মূল্যে ভালো মানের পন্য এবং সঠিকভাবে নেটওয়ার্কিং সুবিধা পেতে চাইলে যোগাযোগ করুন আমাদের সাথে।

মোবাইলঃ 01751678855 , 01919322533 , 01551322533

সিসিটিভি ক্যামেরা & IP ক্যামেরা ক্রয়ের ক্ষেত্রে বিবেচ্য বিষয়সমূহ

বর্তমানে নিরাপত্তার বিষয়টি বিবেচনা করে অফিস, ফ্যাক্টরি, বাসাবাড়িসহ ছোট বড় প্রায় সকল প্রতিষ্ঠানেই সিসিটিভি ক্যামেরা বা আইপি ক্যামেরা ব্যবহারের চাহিদা দিনদিন বেড়েই চলেছে। এক্ষেত্রে অনেকেই সকল বিষয় বিবেচনা না করেই সিদ্ধান্ত গ্রহন করে থাকেন এবং পরবর্তিতে হয়তো বিভিন্ন সমস্যার সম্মুখিন হচ্ছেন। যার ফলে নষ্ট হচ্ছে সময় শ্রম এবং গুনতে হচ্ছে বাড়তি অর্থ। একজন ক্রেতা হিসেবে আপনি কখনই এমনটি কামনা করছেন না। অতএব সিদ্ধান্ত গ্রহনের পূর্বে অবশ্যই আপনার কিছু গুরুত্বপূর্ণ  বিষয় বিবেচনা করতে হবে।

বিবেচ্য বিষয়সমূহঃ
১. আপনি কতটুকু জায়গা ক্যামেরার আওতায় নিতে চান তার জন্য কতগুলো ক্যামেরা প্রয়োজন সেটি ভালেভাবে গননা করুন। যদিও যারা নেটওয়ার্কিং এর কাজ করে তারা ক্যামেরা প্রতি বিল করবে কিন্তু আপনার স্থানটি যদি বিক্রেতার থেকে বেশি দূরে বা রিমোট অঞ্চল হয় তবে সে পরবর্তিতে হয়তো দু একটি ক্যামেরার জন্য যেতে রাজি নাও হতে পারে।

২. যেহেতু নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে ক্যামেরা ব্যবহার করবেন অতএব আপনার ক্যামেরা নিরাপদে আছে কিনা সে দিকটি বিবেচনা করুন। প্রয়োজনে ক্যামেরাকে নিরাপত্তা দিতে আরও কিছু ক্যামেরা ব্যবহার করুন।

৩. আপনি যে রুম বা খোলা এরিয়ায় নজরদারী করতে চান তার সিমানা  বিবেচনা করুন। কেউ ভালো বলছে বিধায় ছোট জায়গায় বেশি দামের ক্যামেরা ব্যবহার যেমন মূল্যহীন তেমনি বড় জায়গায় কমদামের ক্যামেরা ব্যবহার করাও ঠিক হবে না। এক্ষেত্রে ক্যামেরার আইআর এবং ডিগ্রি নিশ্চিত হয়ে নিন।

৪. ক্যামেরার লেন্স কত মেগাপিক্সেল, নাইট ভিশন আছে কিনা, এসি না ডিসি দিয়ে চালাতে হবে, সকল ধরনের ডিভিআর বা এনভিআর সাপোর্ট করে কিনা এবং ওয়্যারেন্টির বিষয়টিও নিশ্চিত হয়ে নেয়া ক্রেতা বিক্রেতা উভয়ের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।

৫. ডিভিআর বা এনভিআর এর বিভিন্ন কোয়ালিটি বাজারে থাকতে পারে সেক্ষেত্রে বিক্রেতার সাথে আলাপ করে দাম একটু বেশি গেলেও ভালো মানেরটি ক্রয় করাই ক্রেতার জন্য ভালো। কখনো কখনো এমন হয়, আমরা লাইভ ভিডিও যেমন দেখি, সেইভ করা ভিডিও কোয়ালিটি তেমন আসছে না।

৬. ক্যামেরা সেট করার জায়গায় বৃষ্টির সম্ভাবনা আছে কিনা সেটি অবশ্যই বিবেচনা করতে হবে কারন ডুম ক্যামেরা দেখতে সুন্দর হলেও বাহিরে ব্যবহারের উপযোগী না। সেক্ষেত্রে অবশ্যই ওয়াটার প্রুফ বুলেট ক্যামেরা ব্যবহার করতে হবে।

৭. ক্যামেরাগুলো কি স্থির থাকবে নাকি মুভ করবে তাও বিবেচনা করতে হবে। কারন মুভিং মটর দিয়ে যেমন মুভ করা যায় আবার এখন কিছু আইপি ক্যামেরা আছে যা দ্বারা সহজেই মুভ করানো যায়। আবার কিছু ৩৬০ ডিগ্রি ক্যামেরা আছে যার একটি ক্যামেরা রুমের মাঝে সেট করলে পুরো রুম দেখা যায়।

৮. দূরবর্তী স্থান থেকে লাইভ ভিউ করতে চাইলে ক্যামেরা এবং মোবাইল বা কম্পিউটার দুটোতেই ইন্টারনেট থাকতে হবে এবং ডিভিআর, এনভিআর মেশিনে সঠিকভাবে আইপি কনফিগার করতে হবে। কিছু আইপি ক্যামেরা আছে যার জন্য এনভিআর মেশিন না থাকলেও শুধুমাত্র সফটওয়্যার দিয়েও মনিটরিং করা যায়।

৯. ভবিষ্যত প্রমান হিসেবে ভিডিও সেইভ রাখতে চাইলে অবশ্যই আপনাকে হার্ডডিস্ক ব্যবহার করতে হবে। বিবেচনা করতে হবে আপনার ক্যামেরার সংখ্যা  এবং  কতদিন ডাটা সংরক্ষন করতে চান। কেননা এর উপর নির্ভর করছে আপনার কত পরিমাপের হার্ডডিস্ক প্রয়োজন।

১০. ক্যামেরা, ডিভিআর বা এনভিআর ইত্যাদি বিভিন্ন দামের হয়ে থাকে। অতএব পুরো প্রজেক্ট সুন্দরভাবে বাস্তবায়ন করতে আপনার বাজেট কত লাগতে পারে এটিও বিবেচ্য বিষয়। এক্ষেত্রে কয়েকটি প্লান তৈরি করে আপনার জন্য সঠিক সিদ্ধান্তটি গ্রহন করুন।

সিসিটিভি ক্যামেরা প্যাকেজ ক্রয়ের সময় উপরোক্ত বিষয়সমূহ বিবেচনা করলে আশা করি আপনি সময়, শ্রম এবং অর্থ সবদিক থেকে লাভবান হতে পারবেন। আমাদেরও ক্যামেরা বিক্রয় এবং সেটআপ দুটো সার্ভিসই চালু আছে। বিশ্বস্থতার সাথে পুরো প্রক্রিয়া সঠিকভাবে বাস্তবায়ন করতে চাইলে যোগাযোগ করুন আমাদের সাথে।

মোবাইলঃ  01751678855 , 01551322533 , 01919322533
একটি ভালো পরামর্শ বাঁচাতে পারে সময় শ্রম এবং অর্থ আর দিতে পারে ক্রয়ের পরে সন্তুষ্টি।

সিসিটিভি ক্যামেরার সমস্যা চিহ্নিত করে সমাধানের পদ্ধতি

একটি সিসিক্যামেরা প্রজেক্টে অনেকগুলো ক্যামেরা থাকতে পারে। আমরা যেহেতু গুরুত্বপূর্ণ জায়গাগুলো বিবেচনা করে ক্যামেরা সেটআপ করি তাই কোন একটি ক্যামেরাও যেন নষ্ট হয়ে পড়ে না থাকে। কেননা ঐ নষ্ট ক্যামেরার স্থানটিও হতে পারে ক্ষতির কারন। অতএব সিসিক্যামেরা সবসময় সচল রাখাই উত্তম।অন্যান্য ইলেকট্রনিক্স পণ্যের মত যেকোন সময় সিসিক্যামেরাতেও সমস্যা হতে পারে। তখন আপনার হয়তো মনে হতে পারে একটি ক্যামেরা ঠিক করতে আবার কতগুলো টাকা লাগবে! আসলে কিন্তু তা নয়, আমাদের অভিজ্ঞতায় দেখেছি ক্যামেরা নষ্ট হয় খুব কম তার ওপর ক্যামেরায় থাকে এক বছরের ওয়ারেন্টি। তারপরেও কিছু বেসিক বিষয় জেনেই যেকোন পণ্য ব্যবহার করা উত্তম।সিসিক্যামেরা নষ্ট হওয়ার কারনসমূহঃ সিসিটিভি ক্যামেরা সাধারনত বিদ্যুৎ আপডাউন এর কারনে বেশি নষ্ট হয়ে থাকে। শুধু ক্যামেরা নয় বিদ্যুৎ আপডাউন হলে যেকোন ইলেকট্রনিক্স পণ্য নষ্ট হতে পারে। তাছাড়া অতিমাত্রায় বজ্রপাত সিসিটিভি ক্যামেরা নষ্টের আরও একটি কারন। ক্যামেরা বসানো হয় সারাক্ষনের নিরাপত্তার জন্য অতএব সবসময় চলবে এটিই স্বাভাবিক। দীর্ঘক্ষন ক্যামেরা চলার কারনেও ক্যামেরা নষ্ট হতে পারে তবে এটি ঘটে ক্যামেরায় যদি কম শক্তিসম্পন্ন সার্কিট ব্যবহার করা হয়। ওয়ারেন্টি মেয়াদ শেষ হলেও অনেক সময় ক্যামেরা নষ্ট হতে পারে তবে সাধারনত ৩ থেকে ৫ বছরে ক্যামেরা নষ্ট হয় না। আর ১ বছরের মধ্যে নষ্ট হলেতো রিটার্ন পাওয়ার সুযোগ আছে। আবার ক্যামেরাটি যদি বিদ্যুৎ আপডাউন এর কারনে সার্কিট পুড়ে যায় কিংবা ক্যামেরাটি পড়ে ভেঙে যায় তবে ওয়ারেন্টি পাওয়া যায় না। সবদিক বিবেচনা করে সতর্কতার সাথেই অন্যান্য ইলেকট্রনিক্স পণ্যের ন্যায় সিসিক্যামেরা ব্যবহার করতে হবে।সিসিক্যামেরার সমস্যাসমূহ ও সমাধানঃপ্রথম সমস্যা ও সমাধানঃ ক্যামেরার সাথে থাকে অ্যাডাপ্টার যেদি এসি বিদ্যুতকে ডিসি করে ক্যামেরায় বিদ্যুৎ সরবরাহ করে। এটি নষ্ট হয় সবচেয়ে বেশি। যার মূল্য মাত্র ১২০ টাকা থেকে ১৫০ টাকা। যদি দেখা যায় অ্যাডাপ্টার নষ্ট হয়েছে তবে দ্রুত পাল্টে নিন। দ্বিতীয় সমস্যা ও সমাধানঃ ভিডিও স্থানান্তরের কাজ করে থাকে ভিডিও বেলুন, এটি নষ্ট হতে পারে কিংবা এর কানেকশন লুজও হতে পারে। যার মূল্য ১ জোড়া ১০০ টাকা থেকে ১৫০ টাকা মাত্র। ক্যামেরার সাথে এবং ডিভিআর মেশিনের সাথে অর্থাৎ একটি ক্যামেরা সেটআপ করতে ভিডিও বেলুন প্রয়োজন ১ জোড়া। বেলুনের যেকোন পাশে সমস্যা হতে পারে। অতএব যে পাশের ভিডিও বেলুন নষ্ট হবে সেটি পাল্টে ফেলুন। তৃতীয় সমস্যা ও সমাধানঃ ভিডিও ক্যাবল কিংবা বিদ্যুৎ প্রবাহের ক্যাবল যেকোনটিতে সমস্যা হতে পারে। ক্যাবল চেক করার ক্ষেত্রে প্রথমেই দেখতে হবে কানেশন এর মাথাগুলোতে মরিচা ধরেছে কিনা? মাথাগুলো ঘষে কিংবা নতুন করে মাথা তৈরি করে দেখা যেতে পারে। আর যদি নিশ্চিত হওয়া যায় ক্যাবল নষ্ট তবে একটি ক্যামেরার জন্য যতটুকু ভিডিও বা বিদ্যুতের ক্যাবল প্রয়োজন ততটুকু পরিবর্তন করে ফেলুন। ক্যাবলের মূল্য সাধারনত ১৩ থেকে ২০ টাকা মিটার।চতুর্থ সমস্যা ও সমাধানঃ বিভিন্ন কারনে ক্যামেরাতেও সমস্যা হতে পারে একটু কষ্ট হলেও ক্যামেরাটি খুলে ভালো একটি লাইনে চেক করে দেখতে হবে। আর যদি নিশ্চিত হয় যে ক্যামেরাতে সমস্যা তবে দ্রুত বদলে ফেলুন। বর্তমানে একটি এইচডি ২ মেগাপিক্সেল এর ক্যামেরা ১৬০০ টাকা থেকে ১৭৫০ টাকায় কিনতে পারবেন। পঞ্চম সমস্যা ও সমাধানঃ সকল ক্যামেরা যে মেশিনটিতে লাগানো আছে তার নাম ডিভিআর। যদি কোন ক্যামেরাই না আসে তবে ডিভিআর চেক করা যেতে পারে। মনিটরের জন্য ভিজিএ বা টিভির জন্য ভিএ কানেকশন উভয়পাশে চেক করা যেতে পারে। আবার ডিভিআর এর দু-একটি পোর্টও খারাপ হতে পারে। তবে এমন সমস্যাগুলো খুব কম হয়। একটি ভালো মানের ৪ পোর্টের ডিভিআর এর মূল্য কোম্পানিভেদে ৩৬০০ থেকে ৪০০০ টাকা। একই ধরনের ডিভিআর আবার ৩০০০ টাকাতেও পাওয়া যায় যেটির ব্যবধান বিক্রেতা বুঝিয়ে না বললে আপনি বুঝতে পারবেন না। অন্যান্য সমস্যা ও সমাধানঃ ডিভিআর মেশিনে পাসওয়ার্ড ভুলে যাওয়া, কিট কিট শব্দ হওয়া, ভিডিও আসেনা, রেকর্ড সেইভ হয়না, অনলাইন এ ভিডিও দেখা যায় না ইত্যাদি সমস্যার সমাধানে আপনার ডিভিআর এর সেটিংস পরীক্ষা করে দেখতে হবে। এখানে কোন এলার্ম সেট করা থাকতে পারে, বিভিন্ন সেটিংস অফ থাকতে পারে, হার্ডডিস্ক অটো ফরমেট বন্ধ থাকতে পারে, কিংবা ভিতরে থাকা হার্ডডিস্ক নষ্টও হতে পারে। এক্ষেত্রে একজন এক্সপার্ট এর সহযোগিতা নিন। একনজরে সিসিক্যামেরার সমস্যা চিহ্নিত করার পদ্ধতিঃ
১. অ্যাডাপ্টার এ লাইন আছে কিনা এবং ক্যামেরায় লাইন সঠিকভাবে আসে কিনা দেখতে হবে।
২. যদি ভালো ক্যামেরা সাথে থাকে নতুন ক্যামেরায় লাইন দিয়ে সমস্যা খুঁজে দেখা যেতে পারে।
৩. পুরাতন ক্যামেরাটি খুলে ভালো ক্যামেরার লাইনে চেক করা যেতে পারে।
আশা করি উপরের তিনটি কাজ করলে সমস্যা বের হয়ে আসবে। এরপরেও না হলে ক্যামেরা ও ডিভিআর এর মাথায় থাকা ভিডিও বেলুন এর কানেকশন চেক করতে হবে।৫. প্রয়োজনে ডিভিআর এর যে পোর্ট এ ক্যামেরাটি ছিল তা থেকে পরিবর্তন করে অন্য পোর্ট এ দিয়ে দেখা যেতে পারে।আশা করি সমস্যা চিহ্নিত করে খুব সহজেই সমাধান করে নিতে পারবেন।আমাদেরও নতুন ক্যামরা সেটআপ এবং পুরাতন ক্যামেরা সমস্যার সমাধান এর সার্ভিস চালু আছে। সুলভ মূল্যে সার্ভিসগুলো পেতে এক্ষুনি যোগাযোগ করুন। মোবাইলঃ 01919322533 , 01819322533, 01551322533একটি ভালো পরামর্শ বাঁচাতে পারে সময় শ্রম এবং অর্থ আর দিতে পারে ক্রয়ের পরে সন্তুষ্টি।

চাকরি থাকবে – না যাবে? ইমেলের অপেক্ষায় আতঙ্কের প্রহর গুণছেন টুইটারের কর্মীরা

এক সপ্তাহ আগে জনপ্রিয় সোশ্যাল মিডিয়ায় সাইট টুইটার অধিগ্রহণ করেছিলেন ধনকুবের এলন মাস্ক। তারপর থেকেই কর্মী ছাঁটাইয়র প্রক্রিয়া শুরু হয়ে যায়। প্রথম দফায় পরাগ আগরওয়ালের মত প্রথম সারির অধিকর্তাদের ওপর কোপ নামে। কিন্তু এবার এলন মাস্কের ছাঁটাইয়ের খাঁড়া নামতে শুরু করছে সাধারণ কর্মীদের ওপর। শুক্রবার থেকেই টুইটারে কর্মী ছাঁটাইয়ের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। টুইটারে সব মিলিয়ে রয়েছে সাড়ে ৭ হাজার কর্মী। শোনা যাচ্ছে অর্ধেকেরও বেশি কর্মী তাদের চাকরি হারাতে পারে।

টুইটার সূত্রের খবর শুক্রবার একটি ইমেলের মাধ্যমে জানিয়ে দেওয়া হবে কোনও কর্মীদের চাকরি থাকবে আর কাজের চাকরি চলে যাবে। ইতিমধ্যেই টুইটারের অধিকাংশ অফিস বন্ধ করে দেওযা হয়েছে। কর্মীদের অ্যাক্সেসও সাময়িক বন্ধ রাখা হয়েছে। শুক্রবার সকাল ৯টার মধ্যেই প্রশান্ত মহাসাগরীয় এলাকার কর্মীদের জানিয়ে দেওয়া হবে তাদের চাকরি থাকবে না যাবে। সংবাদ সংস্থা রয়টার্সের হাতে একটি ইমেল এসেছে। তাতে লেখা রয়েছে, ‘টুইটারকে একটি সঠিক ও লাভজনক সংস্থায় পরিণত করতে হবে। আর সেই কারণে কর্মী সংখ্যা হ্রাস করার মত কঠিন প্রক্রিয়ার মধ্যে দিয়ে যেতে হবে।’ পাশাপাশি টুইটার জানিয়েছে,টুইটারে কর্মরত কর্মীদের নিরাপত্তার পাশাপাশি সেস্টিম ও গ্রাহক ডেটার নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দিকেও জোর দেওয়া হবে। সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মে বলা হয়েছে, যেসব কর্মীদের কাজ থাকবে বা যারা ছাঁটাই হবে না তাদের কোম্পানির দেওয়া ইমেলের মাধ্যমে জানিয়ে দেওয়া হবে। আর যারা কাজ হারাবে তাদের ব্যক্তিগত ইমেল আইডির মাধ্যমে জানান হবে ছাঁটাইয়ের কথা।

ছাঁটাইয়ের সঠিক সংখ্যা কী হবে তা এখনও স্পষ্ট নয়। তবে কর্মীদের মতে প্রায় ৩৭৩৮ জনকে ছাঁটাই করা হবেয তালিকার পরিবর্তনও হতে পারে। অন্যদিকে আগামী দিন থেকে টুইটারে যাদের ভেরিফায়েড অ্যাকাউন্ট থাকবে তাদের এবার থেকে প্রতিমাসে ৪ ডলার করে দিতে হবে। তেমনটাই ঘোষণা করেছেন এলন মাস্ক। তবে টুইটারের কর্মীদের ছুটি-সহ একগুচ্ছ পরিবর্তন মেনে নিতে হবে কর্মীদের।

তবে ছাঁটাই হওয়া কর্মীদের ক্ষতিপুরণ ও সুবিধেগুলি এক বছরের জন্য চালু রাখতে রাজি হয়েছে এলন মাস্ক। টুইটারের কর্মীরা সাধারণে ছাঁটাইয় হলে একসঙ্গে দুই মাসের বেতন পান। ইকুইটির নগগ মূল্যও তাদের দেওয়া হয়। যা ছাঁটাই হওয়ার তিন মাসের মধ্যে তারা হাতে পান। এক্ষেত্রেও তার অন্যথা হবে না।

বন্ধ হচ্ছে ‘ছদ্মবেশী’ টুইটার অ্যাকাউন্ট

টুইটারের ‘ছদ্মবেশী’ ও ‘ভুয়া’ অ্যাকাউন্টগুলো স্থায়ীভাবে বন্ধ করে দেওয়া হবে। আর এ জন্য ব্যবহারকারীকে আগাম কোনো বার্তা দেয়া হবে না বলে জানিয়েছেন নতুন মালিক ইলন মাস্ক।

এ বিষয়ে এক টুইটে ইলন মাস্ক লিখেছেন, এর আগে কোনো অ্যাকাউন্ট বন্ধ করার আগে ব্যবহারকারীকে সতর্ক সংকেত পাঠাতো টুইটার। কিন্তু এখন যেহেতু অ্যাকাউন্ট যাচাইকরণ চলছে, সেহেতু কাউকে কোনো আগাম বার্তা দেওয়া হবে না ও এর কোনো ব্যত্যয় ঘটবে না।

তার সাফ বক্তব্য, টুইটার ব্লুতে সাইন আপ করার শর্ত হিসেবে অবশ্যই যাচাইকরণ প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যেতে হবে। এমনকি নিজের নামে সামান্যতম পরিবর্তনও সাময়িকভাবে যাচাইকৃত চিহ্ন (ভেরিফায়েড চেকমার্ক) হারানোর কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে।

এদিকে শনিবার অ্যাপেল স্টোরে আপডেট করা হয়েছে। এর মাধ্যমে টুইটারে ভেরিফিকেশনের নীল চিহ্ন পেতে হলে ব্যবহারকারীদের গুনতে হচ্ছে আট মার্কিন ডলার, বাংলাদেশি টাকায় যা ৮০০ টাকার সামান্য বেশি (এক ডলার= ১০০.৩২ টাকা)। প্রাথমিকভাবে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড ও কানাডায় বসবাসকারী আইফোন ব্যবহারকারীরা পাচ্ছেন এই ব্লুটিক এর সুযোগ। শিগগিরই অন্যান্য দেশে এ সুবিধা পাওয়া যাবে। তবে অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেমে চলা যন্ত্রে কবে নাগাদ এ সুবিধা চালু হবে, সে বিষয়ে সুনির্দিষ্ট কোনো তথ্য জানায়নি সাইটটি।

এরইমধ্যে টেসলা প্রধান জানিয়েছেন, ভিন্ন ভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গির সমন্বয়ে টুআটরের জন্য একটি কনটেন্ট মডারেশন কাউন্সিল গঠন করা হবে। ওই কাউন্সিলের সিদ্ধান্ত ছাড়া কোনো কনটেন্টের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া বা কারও অ্যাকাউন্টের ওপর নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হবে না।

নিষিদ্ধ অ্যাকাউন্টগুলোর বিষয়ে মাস্ক গত সপ্তাহে বলেছিলেন, অ্যাকাউন্টগুলো সচল করার জন্য যথার্থ প্রক্রিয়া না পাওয়া পর্যন্ত বন্ধ করে দেওয়া অ্যাকাউন্ট ফিরিয়ে দেওয়া হবে না। এ ধরনের একটি প্রক্রিয়া তৈরি করতে কমপক্ষে আরও কয়েক সপ্তাহ সময় লাগবে।

ফেসবুক মার্কেটিং কি? ফেসবুক মার্কেটিং করে আয় করার উপায়।

ফেসবুক মার্কেটং

ফেসবুক এই নামটা সবারই কম বেশি পরিচিত। বর্তমান সময়ে এসে ফেসবুক নামটা শুনেনি এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া কষ্টকর। সময়ের সাথে সাথে সব কিছুই পরিবর্তন হয়। ব্যবসায় উন্নতির জন্য পন্যের বিজ্ঞাপন দেওয়া হয়। আগে আমরা শুধু রেডিও, টেলিভিশন কার্ডের মাধ্যমে বিজ্ঞাপন দেখে থাকতাম। আর এখন এটা ডিজিটাল পন্থায় করেন মানুষ। 

যুগের সাথে তাল মিলিয়ে যুগের চাহিদা অনুযায়ী কাজ করতে পারলে সফলতা আসবেই। আজকে আমরা আলোচনা করবো ফেসবুক মার্কেটিং কি, ফেসবুক মার্কেটিং কত প্রকার, ফ্রি ফেসবুক মার্কের্টিং, পেইড ফেসবুক মার্কেটিং, ফেসবুক মার্কেটিং করার নিয়ম, ফেসবুক মার্কেটিং টিপস, ফেসবুক মার্কেটিং করে আয় করার উপায়।

ফেসবুক মার্কেটিং কি?

ফেসবুক মার্কেটিং কি তা জানার জন্য আগে আমাদের মার্কেটিং সম্পর্কে জানতে হবে। মার্কেটিং হচ্ছে কোম্পানীর পণ্যের বিক্রয় বাড়ানোর জন্য প্রচার প্রচারণা করা হয় তাকে মার্কেটিং বলে। মার্কেটিং দুই ধরনের, এনালগ মার্কেটিং এবং ডিজিটাল মার্কেটিং। এনালগ মার্কেটিং হলো আগেকার মানুষ যেভাবে পণ্যের প্রচার প্রচারণা করতো। তখন মানুষ রেডিও, টেলিভিশন, পেপার ইত্যাদির মাধ্যমে পণ্যের প্রচার প্রচারণা করতো। সময়ের সাথে সাথে সব কিছুই পরিবর্তন হয়। আর এ পরিবর্তনের প্রভাব মার্কেটিং এর উপরেও পরেছে। এখন মানুষ পণ্যের প্রচার প্রচারণা ডিজিটাল পন্থায় করেন। ডিজিটাল মার্কেটিং হচ্ছে ইন্টারনেট ব্যবহার করে অনলাইনের মাধ্যমে মার্কেটিং। আরো সহজ করে বল্লে ইলেকট্রনিকস ডিভাইস ব্যবহার করে অনলাইনের মাধ্যমে পণ্যের প্রচার প্রচারণা করা। আজকে আমরা ফেসবুক মার্কেটিং (Facebook Marketing) সম্পর্কে জানবো।

ফেসবুক মার্কেটিং (Facebook Marketing) ডিজিটাল মার্কেটিং এর অন্তর্ভুক্ত। বর্তমান সময়ে যোগাযোগের জনপ্রিয় মাধ্যম ফেসবুক। সব বয়সের মানুষ কম বেশি ফেসবুক ব্যবহার করে থাকে। এখন ফেসবুক ব্যবহারকারীর সংখ্যা অসংখ্য। ফেসবুককে কাজে লাগিয়ে পণ্যের প্রচার প্রচারণা করাকে ফেসবুক মার্কেটিং (Facebook Marketing) বা সোসাল মিডিয়া মার্কেটিং বলে। ফেসবুক মার্কেটিং দুই ভাবে করা যায় 

১. ফ্রী ফেসবুক মার্কেটিং 

২. পেইড ফেসবুক মার্কেটিং

ফ্রি ফেসবুক মার্কের্টিং

ফ্রী ফেসবুক মার্কেটিং করার জন্য আপনাকে আপনার কোম্পানি অথবা প্রোডাক্ট সম্পর্কিত ফেসবুক পেইজ তৈরি করতে হবে। পেইজে কোম্পানির সকল সঠিক তথ্য ব্যবহার করে মানুষের বিশ্বাস অর্জন করতে হবে। নিয়মিত পণ্যের পোস্ট করতে হবে, সুন্দর ভাবে পণ্যের প্রয়োজনীয়তা এবং ভালো দিকগুলো বর্ণনা করতে হবে। পোস্ট গুলো বিভিন্ন গ্রুপে শেয়ার করতে হবে তাহলে মানুষের নজরে পরবে। পেইজে ফলোয়ার বাড়াতে হবে। 

আপনার পেইজে যতোবেশি ফলোয়ার থাকবে ততো বেশি বিক্রয় হবার সম্ভাবনা বেশি থাকে। মাঝে মধ্যে বিভিন্ন অফার ডিসকাউন্ট দিবেন এতে মানুষ আকৃষ্ট  হবে এবং বিক্রয় বৃদ্ধি পাওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যাবে। 

ফেসবুক পেইড মার্কেটিং

অর্থের বিনিময়ে ফেসবুকের মাধ্যমে যে মার্কেটিং করা হয় তাকে ফেসবুক পেইড মার্কেটিং বলা হয়।

ফেসবুক পেইড মার্কেটিং করার জন্য আপনার অবশ্যই বিজনেস বা ব্রান্ড পেইজ থাকতে হবে। না থাকলে আপনার কোম্পানির সাথে মিল রেখে একটি বিজনেস বা ব্রান্ড পেইজ তৈরি করে নিবেন। এবং পণ্যের বিজ্ঞাপন দিবেন। ফেসবুক পেইড মার্কেটিং এর মাধ্যমে এড চালিয়ে কাঙ্খিত ক্রেতার কাছে পণ্য পৌঁছে দেওয়া যায়। এবং বিক্রয় বৃদ্ধি পায়।

ফেসবুক পেইড মার্কেটিং করতে হলে আপনার ডলারের প্রয়োজন হবে। ডলারের মাধ্যমে এড রান করতে হয়। এজন্য আপনার মাস্টার কার্ড প্রোয়োজন হতে পারে। আর এখন বর্তমান সময়ে বিভিন্ন ওয়েবসাইট ও পেইজের মাধ্যমে বিকাশে টাকা দিয়ে বিজ্ঞাপন দেওয়া যায়। সেক্ষেত্র সর্তকতা অবলম্বন করতে হবে। প্রতারিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তাই চেষ্টা করবেন একটি মাস্টার কার্ড Manage করার। 

ফেসবুক মার্কেটিং টিপস

ফেসবুক পেইড মার্কেটিং কারার সময় আমাদের কিছু বিষয় মাথায় রাখতে হবে। টাকা খরচ করে এড চালিয়ে যদি কোনো কাজে না আসে তাহলে আমাদের টাকাগুলো শুধু শুধু নষ্ট হবে। 

তাই আমাদের কোনো প্রোডাক্ট বা সার্ভিস এর এড চালানোর আগেই সব ঠিক মতো দিয়ে এড চালু করতে হবে। উদাহরণ : আপনার একটি রেষ্টুরেন্ট আছে ফরিদপুর এরিয়ার মধ্যে তাহলে আপনার এড রান করার সময় এরিয়া ফরিদপুর দিবেন। কারণ আপনার রেষ্টুরেন্টে বরিশাল থেকে কেউ খাবার জন্য আসবে না। 

আপনি একটি ছেলেদের ড্রেসের এড দিতে চান ঐখানে Male সিলেক্ট করে প্রডাক্ট সম্পর্কিত সকল তথ্য সঠিক ভাবে দিয়ে এড রান করবেন। পিকচার কোয়ালিটি ভালো রাখার চেষ্টা করবেন। মনে রাখবেন আপনার পোস্ট দেখেই Order করবে।

তাই এড দেওয়ার আগে সব কিছু সুন্দর ও সঠিক ভাবে দিয়ে এড রান করবেন Targeted Area & Targeted Audience সিলেক্ট করে এড পাবলিশ করবেন। এতে করে আপনার বিক্রয় বৃদ্ধি পাবে।

ফেসবুক মার্কেটিং করে আয় করার উপায়

আপনি চাইলে ফেসবুক মার্কেটিং করে আপনার ক্যারিয়ার ডেভেলপমেন্ট করতে পারবেন। ফেসবুকে শুধু নিজের প্রোডাক্ট না অন্যের প্রোডাক্ট মার্কেটিং করে ইনকাম করা যায়।

আপনি কোনো কোম্পানির প্রোডাক্ট বা সার্ভিস মার্কেটিং করে বিক্রয় বৃদ্ধি করতে পারলে কোম্পানী আপনাকে বিক্রয়ের উপরে কমিশন অথবা ফিক্সড একটি এমাউন্ট দিবে।

বর্তমান সময়ে ফেসবুক মার্কেটিং করে সফলতা পেয়েছে অনেক মানুষ। ফেসবুককে ব্যবহার করে এখন হাজার হাজার মানুষ স্বাবলম্ভী হয়েছে। ফেসবুক শুধু আড্ডা বা বিনোদনের যায়গা না।

চাইলে ফেসবুক থেকে ইনকাম করা যায় এবং ফেসবুককে কাজে লাগিয়ে নিজের বিজনেস বড় করা যায়। 

Computer কেন এবং কিভাবে Hang হয়?

→ কম্পিউটারের প্রসেসরের মান বা কাজের তুলনায় স্পীড কম হলে ।
→ কম্পিউটার র‌্যামের তুলনায় বেশী পরিমাণ কাজ করলে।আপনার কম্পিউটার র‌্যাম এর পরিমাণ কম কিন্তু আপনি অনেক বড় বড় কয়েকটি প্রোগ্রাম চালু করলেন। তাহলে তো হবেই।
→ কম্পিউটার হার্ডডিক্স এর কানেকশন এবং প্রসেসরের কানেকশন ঠিকমত না হলে, বার বার একই সমস্যা হতে পারে→ যদি বার বার হ্যাং হয় তাহলে Cooling Fan টা check করেন এটা স্পীডে গুরছে কিনা।
→ hard diskএ Bad sector থাকলে বা অন্য কোন হার্ডওয়্যারে ত্রুটি থাকলে।
→ অপারেটং সিস্টেমে ত্রুটি থাকলে মানে…কোনো সিস্টেম ফাইল file delete হয়ে যাওয়াকে বুঝায়। যার কারণে কম্পিউটারে সমস্যা হতে পারে।
→ কম্পিউটার ভাইরাস দ্বারা আক্রান্ত হলে সাধারণত Hang হতে পারে।এই কারণেই কম্পিউটারে বেশী Hangহয়। আর এই ভাইরাস অপারেটিং সিস্টেমের কিছু ফাইলের কার্যপদ্ধতিকে বন্ধ করে দেয় যার কারণে কম্পিউটার প্রয়ই হ্যাং হয়। কম্পিউটারে অতি উচ্চ মানের এন্টি ভাইরাস ব্যবহার করুন।
→ হাই গ্রাফিক্স সম্পন্ন গেইম চালালে তখন র‌্যাম সম্পূর্ণ লোড হয়ে যায় এবং hang হওয়ার সম্ভনা থকে।
→ কম্পিউটারের ফাইলগুলো এলোমেলোভাবে সাজানো থাকলে তার জন্য hang হওয়ার সম্ভনা থকে। refresh চাপেন এবং RUN এ গিয়ে tree চাপেন।

উইন্ডোজ ১১ এর লকস্ক্রিন বাদ দেওয়ার নিয়ম

উইন্ডোজ ১১ এর লকস্ক্রিন দেখতে বেশ সুন্দর, এটি মূলত সিস্টেম এর গেটওয়ে হিসেবে কাজ করে। লকস্ক্রিনের পর আসে লগইন স্ক্রিন যেখানে পাসওয়ার্ড/পিন প্রদান করতে হয়। অনেকের এই উইন্ডোজ ১১ এর লকস্ক্রিন পছন্দ নয়, তারা চাইলে বেশ সহজে এই লক স্ক্রিন ডিসেবল করতে পারেন।

উইন্ডোজ ১১ এর লকস্ক্রিন কেনো ডিসেবল করবেন?

উইন্ডোজ কম্পিউটারে লগিন এর ক্ষেত্রে সর্বপ্রথম লকস্ক্রিন চলে আসে। লকস্ক্রিনে একটি ব্যাকগ্রাউন্ড ইমেজ, তারিখ, সময় ও অ্যাপ নোটিফিকেশন দেখানো হয়। এই লক স্ক্রিন ক্লিক করে তারপর যেতে হয় লগিন স্ক্রিনে। এটা কিছুটা সময় নিয়ে নেয়। তাই এই লকস্ক্রিন যদি আপনার কাছে বেদরকারি মনে হয়, তবে এটি বেশ সহজে ডিসেবল করতে পারবেন। লকস্ক্রিন ডিসেবল করে দিলে সরাসরি পিন/পাসওয়ার্ড স্ক্রিন দেখতে পাবেন। আবার পাবলিক কম্পিউটার এর ক্ষেত্রে লকস্ক্রিন-মুক্ত কম্পিউটার সেটাপ করতে পারবেন এই প্রক্রিয়া অনুসরণ করে।

লকস্ক্রিন রিমুভ করলে কিন্তু লগ-অন স্ক্রিন চলে যায়না। অর্থাৎ সিস্টেমে প্রবেশ করতে অবশ্যই পিন/পাসওয়ার্ড এর প্রয়োজন হবে। আপনি চাইলে দ্রুত অ্যাকসেস এর জন্য পিন/পাসওয়ার্ড বন্ধ করে দিতে পারেন, তবে এতে নিরাপত্তা বিঘ্নিত হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

উইন্ডোজ ১১ এর লকস্ক্রিন ডিসেবল করার নিয়ম

উইন্ডোজ ১১ এর লকস্ক্রিন ডিসেবল করার সুবিধা ও অসুবিধা সম্পর্কে তো জানা গেলো, এবার জানি চলুন উইন্ডোজ ১১ এর লকস্ক্রিন ডিসেবল করার সহজ কিছু নিয়ম।

গ্রুপ পলিসি এডিটর

উইন্ডোজ এডমিনিস্ট্রেশন টুল এর মধ্যে গ্রুপ পলিসি এডিটর একটি গুরুত্বপূর্ণ টুল। পাসওয়ার্ড রিকোয়ারমেন্টস, স্টার্টআপ প্রোগ্রামস ও অন্যান্য ফিচার এডজাস্ট করা যাবে এই টুল ব্যবহার করে। শুধুমাত্র উইন্ডোজ এর প্রফেশনাল, আল্টিমেট ও এন্টারপ্রাইজ এডিশনে এই টুল রয়েছে।

গ্রুপ পলিসি ব্যবহার করে উইন্ডোজ ১১ এর লকস্ক্রিন ডিসেবল করতেঃ

  • Windows Key + R Key একসাথে প্রেস করে Run কমান্ড বক্স ওপেন করুন
  • gpedit.msc টাইপ করুন ও এন্টার প্রেস করে গ্রুপ পলিসি এডিটরে প্রবেশ করুন
  • এবার বামদিকের সাইড প্যানেল থেকে Computer Configuration > Administrative Templates > Control Panel > Personalization সিলেক্ট করুন
  • এবার Do not display the lock screen অপশনে ডাবল ক্লিক করুন
  • নতুন উইন্ডোতে উক্ত অপশন ডিফল্টভাবে চালু দেখতে পাবেন, যার মানে হলো লকস্ক্রিন চালু রয়েছে
  • এবার Disabled বাটনে ক্লিক করে লকস্ক্রিন ডিসেবল করুন
  • Apply বাটনে ক্লিক করে OK সিলেক্ট করে সেটিংস সেভ করুন 

এবার আপনার কম্পিউটার রিস্টার্ট করলে আর কোনো লকস্ক্রিন দেখতে পাবেন না। পাসওয়ার্ড থাকলে সোজা লগিন স্ক্রিন দেখতে পাবেন।

বিকাশ নাকি নগদ, কোনটি সেরা হতে পারে?

বাংলাদেশের জনপ্রিয় দুইটি মোবাইল ফিনান্সিয়াল সার্ভিস (MFS) হলো বিকাশ ও নগদ। উভয় সেবার অসংখ্য গ্রাহক থাকলেও অধিকাংশ গ্রাহক উভয় প্ল্যাটফর্মের মধ্যে পার্থক্যসমূহ জানেন না। উভয় মোবাইল ব্যাংকিং প্ল্যাটফর্ম এর মাধ্যমে প্রায় একই ধরনের সেবা পাওয়া যায়। এই পোস্টে আমরা উভয় প্ল্যাটফর্ম এর সেবাগুলোর পার্থক্য জানবো, যা থেকে কোনটি আপনার জন্য সেরা হবে তা বুঝতে পারবেন।

সেন্ড মানি

নগদ টু নগদ সেন্ড মানি এর হিসাব বেশ সহজ। একটি নগদ একাউন্ট থেকে অন্য নগদ একাউন্টে অ্যাপ এর মাধ্যমে সেন্ড মানি করা যাবে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে। অর্থাৎ বাড়তি কোনো খরচ ছাড়া। কিন্তু নগদ মোবাইল ব্যাংকিং মেন্যু *167# ডায়াল করে সেন্ড মানি করলে সেক্ষেত্রে ৫টাকা ফি প্রযোজ্য হবে।

অন্যদিকে বিকাশে সেন্ড মানি করার একাধিক সুবিধা রয়েছে যার ফলে সেন্ড মানি ফি একেক ক্ষেত্রে একেক ধরনের হয়ে থাকে। ৫টি বিকাশ প্রিয় নাম্বারে ২৫হাজার টাকা পর্যন্ত কোনো বাড়তি ফি ছাড়া সেন্ড মানি করা যাবে। এরপর ওই সকল প্রিয় নম্বরে ৫০হাজার টাকা পর্যন্ত সেন্ড মানি এর ক্ষেত্রে ৫টাকা ও ৫০হাজার টাকার বেশি সেন্ড মানিতে ১০টাকা চার্জ প্রযোজ্য হবে।

প্রতি ক্যালেন্ডার মাসে এই পরিমাণ হিসেব করা হয়। এছাড়া ১০০টাকা বা তার কম সেন্ড মানি করা যাবে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে। প্রিয় নম্বর ছাড়া অন্য বিকাশ নম্বরে ১০০.০১ থেকে ২৫ হাজার টাকা পর্যন্ত ৫ টাকা চার্জ হবে। ২৫০০০ টাকার বেশি পাঠালে ১০ টাকা চার্জ প্রযোজ্য হবে। প্রতি মাসে এই লিমিট রিসিট হবে।

মোবাইল রিচার্জ

বিকাশ ও নগদ, উভয় সার্ভিস একই ধরনের মোবাইল রিচার্জ এর সকল সুবিধা প্রদান করে। বিকাশ ও নগদ থেকে দেশের সকল অপারেটরে রিচার্জ করা যায়। নিজের নাম্বারের পাশাপাশি যেকোনো নাম্বারে মোবাইল রিচার্জ করার সুবিধা প্রধান করে উভয় সেবা।

ক্যাশ আউট

বিকাশ ক্যাশ আউট এর একাধিক অপশন রয়েছে। প্রথমত প্রিয় এজেন্ট নাম্বারে প্রতি মাসে ২৫হাজার টাকা পর্যন্ত ১.৪৯% চার্জ কাটে। ২৫হাজার লিমিট ক্রস করলে ১.৮৫% হারে ক্যাশ আউট চার্জ প্রযোজ্য হবে।

প্রিয় এজেন্ট নাম্বার ছাড়া যেকোনো বিকাশ এজেন্টের কাছ থেকে ক্যাশ আউট করলে ১.৮৫% হারে চার্জ প্রযোজ্য হবে। অর্থাৎ প্রতি হাজারে ১৮.৫টাকা ক্যাশ আউট চার্জ কাটবে। এই ফি অ্যাপ ও ইউএসএসডি কোড *167# উভয় এর মাধ্যমে ক্যাশ আউট এর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।

নগদ অ্যাপে দেশের সবচেয়ে কম ক্যাশ আউট ফি উপভোগ করা যায়। নগদ অ্যাপ থেকে ক্যাশ আউট এর ক্ষেত্রে প্রতি হাজারে ১১.৪৮টাকা ক্যাশ আউট চার্জ কাটে। নগদ ইসলামিক অ্যাপ এর মাধ্যমে ক্যাশ আউট ফি প্রতি হাজারে ১৫টাকা। অন্যদিকে সকল নগদ একাউন্টে ইউএসএসডি কোড *167# ডায়াল করে ক্যাশ আউট করা যাবে ১৫টাকা ফি এর বিনিময়ে।

বন্ধ হয়ে যাবে অতিরিক্ত সিম – সমস্যা এড়াতে করণীয় জানুন এখানে

একজন ব্যক্তি তার এনআইডি কার্ড / স্মার্ট কার্ড দ্বারা কয়টি সিম কিনতে পারবেন তার একটি নির্দিষ্ট সীমা ঠিক করে দিয়েছে বিটিআরসি। একজন ব্যক্তি তার এনআউডি কার্ড দ্বারা সর্বোচ্চ ১৫টি সিম রেজিস্টার করতে পারবেন। আমাদের দেশে সিম অনেক সুলভ মূল্যে পাওয়া যায়। যার ফলে অনেকে খুব একটা চিন্তা না করেও সিম কিনে থাকেন।

বেশ অনেক দিন ধরেই একজন ব্যক্তির নামে কয়টি সিম রেজিস্টার করা আছে সে নিয়ে তেমন ভাবতে হয়নি। তবে সম্প্রতি জানা গেছে এই বছরের অক্টোবর/নভেম্বরের মধ্যে ১৫টির অধিক সিম থাকলে বাড়তি সিমগুলো বন্ধ হয়ে যাবে। তবে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো কোন সিমগুলো চালু থাকবে ও কোনগুলো বন্ধ হয়ে যাবে, তা চেক করার কোনো নির্দিষ্ট তথ্য জানা সম্ভব হয়নি। যার কারণে একই আইডি কার্ডে বাড়তি সিম থাকলে কোন সিমগুলো বন্ধ হবে ও কোনগুলো চালু থাকবে সে সম্পর্কে নিশ্চিত করা যাচ্ছেনা।

এমন অবস্থায় উল্লেখিত তারিখের মধ্যে বাড়তি সিম বন্ধ না করলে ব্যবহারের প্রয়োজনীয় সিমও বন্ধ হয়ে যেতে পারে। এই কারণে ১৫টির অধিক সিম একই ব্যক্তির নামে রেজিস্টার করা থাকলে সেক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে৷ আপনার নামে যদি ১৫টির অধিক সিম থাকে, তাহলে বাড়তি সিমগুলো নিয়ে কি করা যেতে পারে সে সম্পর্কে বিস্তারিত জানবেন এই পোস্টে। 

সমাধান ১

একই এনআইডি কার্ড বা স্মার্ট কার্ড দ্বারা যদি ১৫টির অধিক সিম কার্ড থাকে, তাহলে অপ্রয়োজনীয় বা ব্যবহার না করা সিম ডিরেজিস্টার করতে পারেন। অর্থাৎ আমরা যেভাবে সিম রেজিস্টার করে আমাদের নামে মালিকানায় অন্তর্ভুক্ত করি, একইভাবে সিম ডিরেজিস্টার করে মালিকানা মুছে ফেলার সুযোগ রয়েছে।

সকল অপারেটরের সিম ডিরেজিস্টার এর প্রক্রিয়া প্রায় একই ধরনের। অপারেটর এর কাস্টমার কেয়ার সেন্টারে স্বশরীরে গিয়ে সিম ডিরেজিস্টার করতে হবে। সিম ডিরেজিস্টার করলে উক্ত সিমের মালিকানা আপনার নাম এর সাথে আর সংযুক্ত থাকবেনা। অর্থাৎ ডিরেজিস্টার করার পর আপনি আর উক্ত সিম এর মালিক থাকবেন না।

যেকোনো অপারেটরের সিম ডিরেজিস্টার করতে উক্ত অপারেটরের নিকটস্থ কাস্টমার কেয়ার সেন্টারে যোগাযোগ করুন। কাস্টমার কেয়ারে যাওয়ার সময় অবশ্যই আপনার সিম ও এনআইডি কার্ড / স্মার্ট কার্ড সাথে নিয়ে যান। সিম ডিরেজিস্টার করতে অর্থাৎ সিম এর মালিকানা বাতিল করতে অবশ্যই সিম এর মালিকের উক্ত স্থানে উপস্থিত থাকতে হবে। ১৫টির অধিক সিম থাকলে সেক্ষেত্রে সিম ডিরেজিস্টার করে বাড়তি সিমের মালিকানা মুছে ফেলে কাজের সিমগুলোর মালিকানা রাখতে পারেন।


Post navigation