বন্ধ হয়ে যাবে অতিরিক্ত সিম – সমস্যা এড়াতে করণীয় জানুন এখানে

একজন ব্যক্তি তার এনআইডি কার্ড / স্মার্ট কার্ড দ্বারা কয়টি সিম কিনতে পারবেন তার একটি নির্দিষ্ট সীমা ঠিক করে দিয়েছে বিটিআরসি। একজন ব্যক্তি তার এনআউডি কার্ড দ্বারা সর্বোচ্চ ১৫টি সিম রেজিস্টার করতে পারবেন। আমাদের দেশে সিম অনেক সুলভ মূল্যে পাওয়া যায়। যার ফলে অনেকে খুব একটা চিন্তা না করেও সিম কিনে থাকেন।

বেশ অনেক দিন ধরেই একজন ব্যক্তির নামে কয়টি সিম রেজিস্টার করা আছে সে নিয়ে তেমন ভাবতে হয়নি। তবে সম্প্রতি জানা গেছে এই বছরের অক্টোবর/নভেম্বরের মধ্যে ১৫টির অধিক সিম থাকলে বাড়তি সিমগুলো বন্ধ হয়ে যাবে। তবে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো কোন সিমগুলো চালু থাকবে ও কোনগুলো বন্ধ হয়ে যাবে, তা চেক করার কোনো নির্দিষ্ট তথ্য জানা সম্ভব হয়নি। যার কারণে একই আইডি কার্ডে বাড়তি সিম থাকলে কোন সিমগুলো বন্ধ হবে ও কোনগুলো চালু থাকবে সে সম্পর্কে নিশ্চিত করা যাচ্ছেনা।

এমন অবস্থায় উল্লেখিত তারিখের মধ্যে বাড়তি সিম বন্ধ না করলে ব্যবহারের প্রয়োজনীয় সিমও বন্ধ হয়ে যেতে পারে। এই কারণে ১৫টির অধিক সিম একই ব্যক্তির নামে রেজিস্টার করা থাকলে সেক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে৷ আপনার নামে যদি ১৫টির অধিক সিম থাকে, তাহলে বাড়তি সিমগুলো নিয়ে কি করা যেতে পারে সে সম্পর্কে বিস্তারিত জানবেন এই পোস্টে। 

সমাধান ১

একই এনআইডি কার্ড বা স্মার্ট কার্ড দ্বারা যদি ১৫টির অধিক সিম কার্ড থাকে, তাহলে অপ্রয়োজনীয় বা ব্যবহার না করা সিম ডিরেজিস্টার করতে পারেন। অর্থাৎ আমরা যেভাবে সিম রেজিস্টার করে আমাদের নামে মালিকানায় অন্তর্ভুক্ত করি, একইভাবে সিম ডিরেজিস্টার করে মালিকানা মুছে ফেলার সুযোগ রয়েছে।

সকল অপারেটরের সিম ডিরেজিস্টার এর প্রক্রিয়া প্রায় একই ধরনের। অপারেটর এর কাস্টমার কেয়ার সেন্টারে স্বশরীরে গিয়ে সিম ডিরেজিস্টার করতে হবে। সিম ডিরেজিস্টার করলে উক্ত সিমের মালিকানা আপনার নাম এর সাথে আর সংযুক্ত থাকবেনা। অর্থাৎ ডিরেজিস্টার করার পর আপনি আর উক্ত সিম এর মালিক থাকবেন না।

যেকোনো অপারেটরের সিম ডিরেজিস্টার করতে উক্ত অপারেটরের নিকটস্থ কাস্টমার কেয়ার সেন্টারে যোগাযোগ করুন। কাস্টমার কেয়ারে যাওয়ার সময় অবশ্যই আপনার সিম ও এনআইডি কার্ড / স্মার্ট কার্ড সাথে নিয়ে যান। সিম ডিরেজিস্টার করতে অর্থাৎ সিম এর মালিকানা বাতিল করতে অবশ্যই সিম এর মালিকের উক্ত স্থানে উপস্থিত থাকতে হবে। ১৫টির অধিক সিম থাকলে সেক্ষেত্রে সিম ডিরেজিস্টার করে বাড়তি সিমের মালিকানা মুছে ফেলে কাজের সিমগুলোর মালিকানা রাখতে পারেন।

আইওএস ১৬ এ পাবেন নতুন এই ফিচার, কোন কোন মডেলে পাওয়া যাবে আপডেট ?

প্রতীক্ষার প্রহর শেষ হলো। আইওএস ১৬ অপারেটিং সিস্টেম উন্মুক্ত করেছে মার্কিন প্রযুক্তিপণ্য নির্মাতা প্রতিষ্ঠান অ্যাপল। সোমবার থেকে উন্মুক্ত হওয়া এই নতুন অপারেটিং সিস্টেম ইতিমধ্যেই ব্যবহারকারীদের কাছে পৌছে যেতে শুরু করেছে।

আইওএস ১৬ আপডেটের বৈশিষ্ট্য

আইফোন ব্যবহারকারীরা এখন তাদের গ্যালারি থেকে ফটো ব্যবহার করে তাদের লক স্ক্রিন কাস্টমাইজ করতে পারবেন।
নতুন আপডেটের পর উইজেটগুলিতে স্ক্রিনে আবহাওয়া, সময়, তারিখ, ব্যাটারি, আসন্ন ক্যালেন্ডার ইভেন্ট ও আরও অনেক কিছু রাখতে পারবেন।
আইফোন ব্যবহারকারীরা তাদের প্রিয় ইমোজির উপর ভিত্তি করে একটি প্যাটার্নযুক্ত লক স্ক্রিনও তৈরি করতে পারেন এখানে।

নতুন আপডেটের পর বার্তা পাঠানোর পরে এটি ১৫ মিনিটের মধ্যে ফের এডিট করা যেতে পারে।

ব্যবহারকারীরা যেকোনও বার্তা পাঠানোর দুই মিনিটের মধ্যে আনসেন্ড করতে পারবেন।

ইউজার এই আপডেটে একটি নির্দিষ্ট সময়ে পাঠানো ইমেল শিডিউল করার সুবিধা পাবেন।

এতে পাস-কি রয়েছে যা পাসওয়ার্ড সহজ ও নিরাপদ সাইন-ইন করে।

বিশেষ বিষয় হল iPhone 14 মডেলে ছাড়াও, iOS 16 আজ থেকে পুরনো iPhone মডেলগুলিতেও পাওয়া যাবে। এখানে আমরা সেই সমস্ত আইফোন মডেলগুলির একটি তালিকা দিয়েছি, যা আজ থেকে এই iOS 16 আপডেট পেতে চলেছে।

এই আইফোন মডেলগুলি আইওএস ১৬ আপডেট পাবে
– আইফোন 14

– আইফোন 14 প্লাস

– আইফোন 14 প্রো

– আইফোন 14 প্রো ম্যাক্স

– আইফোন 13

– আইফোন 13 মিনি

– আইফোন 13 প্রো

– আইফোন 13 প্রো ম্যাক্স

– আইফোন 12

– আইফোন 12 মিনি

– আইফোন 12 প্রো

– আইফোন 12 প্রো ম্যাক্স

– আইফোন 11

– আইফোন 11 প্রো

– আইফোন 11 প্রো ম্যাক্স

– আইফোন এক্সএস

– আইফোন এক্সএস ম্যাক্স

– আইফোন এক্সআর

– আইফোন এক্স

– আইফোন 8

– আইফোন 8 প্লাস

– দ্বিতীয় প্রজন্মের আইফোন এসই

আপনি আইওএস ১৬ আপডেট পেয়েছেন কিনা তা কীভাবে জানবেন
আপনি আপনার আইফোনে আইওএস ১৬ আপডেট পেয়েছেন কিনা তা পরীক্ষা করতে এখানে আপনাকে অনুসরণ করতে হবে এই পদক্ষেপগুলি।

প্রথমে আপনার আইফোনে সেটিংস অ্যাপ খুলুন

নিচে স্ক্রোল করুন ও সাধারণ বিকল্পে প্রেস করুন
তারপর Software Update অপশনে ট্যাপ করুন

যদি আপনার iPhone মডেলটি iOS 16 আপডেট পেয়ে থাকে, তাহলে আপনি এটি আপনার iPhone এ ইনস্টল করার বিকল্প পাবেন

আইফোনে আইওএস ১৬ কীভাবে ইনস্টল করবেন ?
আপনি যদি আপনার আইফোনে আইওএস ১৬ আপডেট পেয়ে থাকেন, তাহলে নিচে উল্লেখিত ধাপগুলি অনুসরণ করে আপনি আইফোনে আইওএস ১৬ আপডেট ইনস্টল করতে পারেন।

আপনার আইফোনে সেটিংস অ্যাপ খুলুন

নিচে স্ক্রোল করুন ও সাধারণ বিকল্পে ক্লিক করুন।

সফ্টওয়্যার আপডেট বিকল্পে প্রেস করুন।
এবার ডাউনলোড ও ইনস্টল বিকল্পে ক্লিক করুন।

প্রক্রিয়াটি সম্পূর্ণ করতে অন-স্ক্রিন নির্দেশাবলী অনুসরণ করুন।

—- সুত্র- টেকজুম.টিভি

নেটিসের নতুন ৫ টি মডেলের রাউটার বাজারে

নেটিস ব্রান্ডের নতুন চমকপ্রদ ৫ টি মডেলের রাউটার বাজারে নিয়ে এসেছে স্মার্ট টেকনোলজিস (বিডি) লি:। ২০ অক্টোবর ২০২১ তারিখে মৌলভীবাজারের দুসাই রিসোর্টে আয়োজিত ‘কানেক্টিং ফর সাকসেস’ শীর্ষক জমকালো লঞ্চিং অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে পন্যগুলোকে উন্মুক্ত করা হয়। মডেলগুলো হচ্ছে এন৩, এমডাব্লিউ ৫৩৬০, এন৩ডি, এন৬ এবং মেস এম ৬।

এন৩: এই রাউটারটিতে রয়েছে ডুয়াল ব্যান্ড টেকনোলোজি এবং এর প্রত্যেকটি পোট গিগাবিট হওয়ায় আপনি পাবেন ১০০০ এম্বিপিএস ডেটা ট্রান্সফার স্পিড । এন৩ রাউটারটি দিয়ে বেটার পারফরমেন্স নিশ্চিত করতে এতে ব্যবহার করা হয়েছে ১ গিগাহার্জ এর চিপসেট । ফুল কভারেজ নিশ্চিত করতে রাউটারটিতে ব্যবহার করা হয়েছে সর্বমোট ৪ টি ফিক্সড ৫ ডিবিআই এক্সটারনাল হাই গেইন অ্যান্টনা ।
এমডাব্লিউ ৫৩৬০: যে সব এলাকায় ব্রডব্যান্ড কানেকশন নেই সেই এলাকায় ইন্টারনেট ব্যবহার উপোযোগী নেটিস ব্রান্ডের নতুন ৪জি এলটিই তথা ইউনিভার্সাল সিম সাপোর্টেট রাউটারটির মডেলটি হলো এমডাব্লিউ ৫৩৬০ । এতে ইনবিল্ট ৫ ডিবিআই হাই গেইন ২টি অ্যান্টেনা রয়েছে । সেই সাথে বক্সে রয়েছে আরো ২টি ডিটাচেবল ৪জি অ্যান্টেনা । সিম কার্ড কনফিগার করা ছাড়াই প্লাগ এন্ড প্লে মাধ্যমে আপনি এই রাউটারটি দিয়ে ইন্টরনেট ব্যবহার করতে পারবেন । শুধু কি তাই আপনি চাইলে ব্রডব্যান্ড লাইনও ব্যবহার করতে পারবেন অনায়াসে।

এন৩ডি: ডুয়াল ব্যান্ড টেকনোলোজি সেই সাথে এসি ১২০০ সিরিজের সেটিস ব্রান্ডের নতুন রাউটাটির মডেল এন৩ডি । বেটার পারফরমেন্স নিশ্চিত করতে এতে ব্যবহার করা হয়েছে বিল্ট ইন সিগন্যাল অ্যাম্পিলিফায়ার সেই সাথে ১ গিগাহার্জ এর চিপসেট । সর্বমোট ৪ টি ফিক্সড ৫ ডিবিআই এক্সটারনাল হাই গেইন অ্যান্টনা ব্যবহার করা হয়েছে ফুল কভারেজ নিশ্চিত করার জন্য। রাউটারটিতে সর্বমোট তিনটি ল্যান পোট রয়েছে , ফলে আপনি ডেস্কটপ পিসি , প্রিন্টার সহ নানাবিধ ডিভাইস কানেক্ট করতে পারবেন।

এন৬: নেটিস ব্রান্ডের নতুন এই রাউটারটি এএক্স সিরিজ হওয়ায় এতে ষষ্ঠ প্রজন্মের প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে । ডুয়াল ব্যান্ডের এই রাউটারটি আপনাকে দিবে ৫ গিগাহার্জ এর ক্ষেত্রে ১২০১ এম্বিপিএস এবং ২.৪ গিগাহার্জ এর ক্ষেত্রে ৫৭৪ এম্বিপিএস ব্যান্ডউউথ । ৮৮০ হার্জ এর ডুয়াল কোর চিপসেট, ২৫৬ মেগাবাইট ডিডিআর৩ র্যাম ব্যবহার করায় আপনি পাবেন দূর্দান্ত পারফরমেন্স । এই রাউটারটি মেস নেটওয়ার্ক টেকনোলোজি সমর্থন করে । যার ফলে আপনি খুব সহজেই উচ্চ গতির ওয়্যারলেস নেটওয়ার্ক তৈরি করতে পারেন।

মেস এম ৬: মেস নেটওয়ার্ক সম্বলিত নেটিস ব্রান্ডের নতুন রাউটার মেস এম ৬ । ১৮০০ এম্বিপিএস এর এই রাউটারটিতে রয়েছে গিগাবিট ইথারনেট পোট। এছারা ওয়েভ ২ – মু-মিমো / বিম ফোর্মিং সহ থাকছে নানাবিধ সুবিধা । ডুয়াল ব্রান্ডের এই রাউটারটি দিয়ে ৫ গিগাহার্জে ১২০১ এমবিপিএস এবং ২.৪ গিগাহার্জে পাবেন ৫৭৪ এমবিপিএস ব্যান্ডউউথ ।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন স্মার্ট টেকনোলজিস এর ডিসট্রিবিউশন বিজনেস ডিরেক্টর জাফর আহমেদ, চ্যানেল সেলস ডিরেক্টর মুজাহিদ আলবেরুনী সুজন, নেটিস প্রোডাক্ট ম্যানেজার মাসুদ রানা, ন্যাশনাল সেলস ম্যানেজার একেএম ফাহিম এবং হেড অব কমিউনিকেশনস মাহফুজুর রহমান মুকুল সহ সারাদেশ থেকে আগত পার্টনারবৃন্দ।

‘মোবাইল-নেশা থেকে শিশু কিশোরদের বাঁচাতে হবে’

জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি জাদুঘরের মহাপরিচালক মোহাম্মাদ মুনীর চৌধুরী বলেছেন, “শিশু কিশোরদের জন্য বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি শিক্ষাকে এসব আনন্দদায়ক ও আকর্ষণীয় করতে হবে, যেন তারা মোবাইল ও ইন্টারনেটের ধ্বংসাত্মক নেশা থেকে বাঁচতে পারে। বিজ্ঞান শিক্ষা যেন মুখস্ত নির্ভর কিংবা পাঠ্য বইয়ের মধ্যে আবদ্ধ না থাকে। সরকার বিজ্ঞান শিক্ষার জন্য শত শত কোটি টাকা ব্যয় করলেও তার সুফল আমরা দিতে পারছি না।

তিনি আরো বলেন, শুধু সার্টিফিকেট অর্জন না করে জ্ঞান-বিজ্ঞানকে প্রযুক্তির উৎকর্ষতায় কাজে লাগাতে পারলে তা দিয়ে বাংলাদেশের বহু সমস্যার সমাধান সম্ভব। এক মহৎ উদ্দেশ্যে জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি জাদুঘর প্রতিনিয়ত বিজ্ঞান বক্তৃতা, কুইজ, বৈজ্ঞানিক উদ্ভাবনসহ নানা কর্মসূচির মাধ্যমে শিশু কিশোরদের সুপ্ত প্রতিভাকে বিকশিত করার অবিরাম প্রচেষ্টায় নিয়োজিত। সারা দেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোকে জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি জাদুঘর বিজ্ঞান কর্মসূচিতে সম্পৃক্ত করছে এবং আর্থিক ও বৈষয়িক সাহায্য প্রদান করছে। জীবনের মূল্যবান সময়কে কোনোভাবেই নষ্ট করা যাবেনা। প্রতিটি মুহূর্ত স্রষ্টার সৃষ্টিকে অনুধাবন ও অনুসন্ধান করে বৈজ্ঞানিক উদ্ভাবনের মাধ্যমে পৃথিবীর মানুষের জীবনমান উন্নয়নে এবং সমস্যা সমাধানে কাজে লাগাতে হবে।”

গত ২১ অক্টোবর এবং ২৩ অক্টোবর চট্টগ্রাম সেন্ট প্ল্যাসিডস হাই স্কুল এন্ড কলেজ, শাহ ওয়ালীউল্লাহ ইনস্টিটিউট এবং রিসার্চ ল্যাব চট্টগ্রামের শিক্ষার্থী ও তরুণ বিজ্ঞানীদের সমাবেশে তিনি এ কথা বলেন। এসব অনুষ্ঠানে সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও বিজ্ঞান ক্লাবকে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি উন্নয়ন ট্রাস্ট থেকে বিজ্ঞান সামগ্রী ক্রয় করার জন্য মোট ৩ (তিন) লক্ষ টাকার চেক হস্তান্তর করা হয়। অনুষ্ঠানে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ ও প্রধান শিক্ষক উপস্থিত ছিলেন।

সুত্র- digibanglatech

উইন্ডোজ ১১ এ চলবে না ব্লুস্ট্যাক্স, কী করবেন ইমুলেটর গেমাররা?

উইন্ডোজ ১১ এর ঘোষণা ইতমধ্যেই দিয়ে দিয়েছে মাইক্রোসফট। আর নতুন উইন্ডোজ এ বেশ কিছু ফিচার যুক্ত করা হয়েছে এবং বেশ কিছু ফিচার বাদ দেওয়া হয়েছে। যার অনেকটাই অনেক ক্ষেত্রে ভাল প্রভাব ফেলবে। যেসকল ফিচার বাদ দেওয়া হয়েছে সেগুলোর মধ্যে একটি হলো, ইমুলেটর আর চালানো যাবে না উইন্ডোজ ১১ তে। তবে চলুন জেনে নেই এর কিছু ভাল দিক এবং খারাপ দিক।

সবার আগে চলুন জেনে নেই যে উইন্ডোজ ১১ তে ইমুলেটর ব্যবহার ব্যান করা হয়েছে কেন? এর পেছনে বেশ কিছু কারণ আছে। যেগুলো একে একে আপনাদের সামনে তুলে ধরছি। আমরা যারা ইমুলেটর ব্যবহার করে গেমিং করে থাকি, আমরা গেমিং এর সময় বেশ কিছু সুবিধা পেয়ে থাকি। যেমন আমরা অনেক সময়েই ম্যাক্রো ব্যবহার করে থাকি। আবার আমরা অনেক সময় এক্সটার্নাল ফাইল দিয়ে হ্যাক বা গ্লিচ ফাইল ব্যবহার করে থাকি। যার ফলে যখন আমরা চিট করছি বলে রিপোর্ট করা হয় তখন গেমের কর্পরেশান চেষ্টা করেও আমাদের এই ফাইলগুলো খুজে পায় না। কেননা যখন আমরা ইমুলেটর ব্যবহার করি তখন ইমুলেটর থেকে আমাদের মেইন সিস্টেমের ফাইল দেখা যায় না। যতই সেটা সেই ইমুলেটরের সিস্টেম ফাইল হোক না কেন। আর একারণেই আমাদের ইমুলেটর ব্যবহার করার সুজোগ উইন্ডোজ ১১ তে আর থাকছে না।

যদি আমরা ইমুলেটর ব্যবহার করতে না পারি তাহলে আমাদের সবথেকে বড় সমস্যা যেটা মনে হতে পারে সেটা হলো যে আমরা আর কখনো ফোনের গেম আমাদের কম্পিউটারে খেলতে পারব না। তবে যদি আমরা একটু উইন্ডোজ ১১ এর নতুন ফিচার দেখি তাহলে দেখতে পাব যে আমরা উইন্ডোজ ১১ তে যেকোন অ্যান্ড্রোইড অ্যাপ্লিকেশান ব্যবহার করতে পারব। এতে আমরা বেশ কিছু সুবিধা পাব।

প্রথমত আমাদের ইমুলেটর ব্যবহার করতে হবে না আর আমরা সরাসরি উইন্ডোজ এই গেমগুলো খেলতে পারব তাই এখানে কোন থার্ড পার্টি থাকছে না। তাই আমাদের গেমিং এক্সপেরিয়েন্স ইমুলেটরের চাইতে ভাল হবে কেননা ইমুলেটর অতিরিক্ত মেমরি ও সিপিউ এবং জিপিউ দখল করে থাকে। যখন আমরা ইমুলেটর ব্যবহার করব না তখন ইমুলেটরের দখল করা মেমরি ও কোর আমরা চাইলে আমাদের গেমে বা অন্য কোন অ্যাপ্লিকেশান এ ব্যবহার করতে পারব।

আর সবথেকে বড় যে সুবিধা আমরা পাব সেটা হলো আমরা হয়ত ই-স্পোর্টসে খেলার সুজোগ পেতে পারি। আপনি যদি এই লেখার প্রথম অংশ পড়ে থাকেন তাহলে আপনি জেনেই গেছেন যে আসলে এর কী কী সমস্যা আছে। আর এইসকল খারাপ দিকের কারণে মোবাইল ফোনের যেসকল গেমের ই-স্পোর্টস হয়ে থাকে সেসকল গেম গুলোর ই-স্পোর্টস পিসি প্লেয়ার তথা ইমুলেটর প্লেয়াররা খেলতে পারে না। যখন আমরা সরাসরি অ্যান্ড্রোইডের গেমগুলো আমাদের উইন্ডোজ সিস্টেমে খেলতে পারব তখন আমাদের চিট করার কোন উপায় থাকবে না। তখন হয়ত আমাদেরও ই-স্পোর্ট খেলার সুজোগ থাকবে।

তো এই ছিল ইমুলেটর ব্যান হওয়ার কারণ ও প্রভাব। আপনার যদি লেখাটি ভাল লেগে থাকে তাহলে নিজের ফেসবুক বা অন্য যেকোন সামাজিক প্ল্যাটফর্মে শেয়ার করুন। আর আমাদের সাথেই থাকুন।

ইভ্যালির সদস্যপদ স্থগিত করছে ই-ক্যাব

ই-ক্যাবের চিঠিতে ই-কমার্স ব্যবসার নামে গ্রাহকদের অর্থ আত্মসাত, মার্চেন্টদের কাছ থেকে পাওয়া বিভিন্ন অভিযোগ, বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিদর্শন প্রতিবেদনে উল্লেখিত বিভিন্ন অনিয়ম তুলে ধরে ইভ্যালির বিরুদ্ধে সম্ভাবনাময় ই-কমার্সখাতে অনিয়ম ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির অভিযোগ আনা হয়েছে।

গ্রাহক ও মার্চেন্টদের সঙ্গে প্রতারণার অভিযোগে ইভ্যালি ডট কমের সদস্যপদ স্থগিত করার উদ্যোগ নিয়েছে ই-কমার্স এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ই-ক্যাব)। 

বাংলাদেশ ব্যাংকের ইন্সপেকশন রিপোর্টসহ বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, বিভিন্ন ক্রেতা ও মার্চেন্টদের কাছ থেকে অভিযোগ পাওয়ার প্রেক্ষিতে ‘সদস্যপদ কেন স্থগিত করা হবে না’ তার জবাব চেয়ে বুধবার ইভ্যালির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ রাসেলকে চিঠি পাঠানো হয়েছে বলে দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ডকে জানিয়েছেন ই-ক্যাবের ভাইস প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ শাহাব উদ্দিন। 

তিনি বলেন, ‘বুধবার রেজিস্ট্রি ডাকযোগে পাঠানো চিঠি পাঠিয়েছি। চিঠি পাওয়ার সাত কর্মদিবসের মধ্যে ইভ্যালিকে জবাব দিতে বলা হয়েছে। মূলত ইভ্যালির সদস্যপদ স্থগিত করার জন্য ই-ক্যাবের গঠনতন্ত্রের ৯(ডি) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী শোকজ লেটার পাঠানো হয়েছে।’

চিঠিতে ই-কমার্স ব্যবসার নামে গ্রাহকদের অর্থ আত্মসাত, মার্চেন্টদের কাছ থেকে পাওয়া বিভিন্ন অভিযোগ, বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিদর্শন প্রতিবেদনে উল্লেখিত বিভিন্ন অনিয়ম তুলে ধরে ইভ্যালির বিরুদ্ধে সম্ভাবনাময় ই-কমার্সখাতে অনিয়ম ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির অভিযোগ আনা হয়েছে।

ইভ্যালি ছাড়াও গ্লিটার্স আরএসডি ওয়ার্ল্ড, গ্রীন বাংলা ই-কমার্স লিমিটেড, এ্যানেক্স ওয়ার্ল্ড ওয়াইড লিমিটেড, আমার বাজার লিমিটেড, এক্সিলেন্ট ওয়ার্ল্ড এ্যাগ্রো ফুড এন্ড কনজ্যুমারস লিমিটেডকে শোকজ লেটার পাঠিয়েছে ই-ক্যাব।

আরও বেশকিছু কোম্পানিকে শোকজ লেটার পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে বলে জানা গেছে।

সংগঠনটির গঠনতন্ত্রে সদস্যপদ স্থগিত বা বাতিল করার আগে ব্যাখ্যা চাওয়ার বিধান থাকায় এ চিঠি দেওয়া হয়েছে বলে জানান ই-ক্যাব কর্মকর্তারা।

সাহাব উদ্দিন জানান, ব্র্যাক ব্যাংকসহ বিভিন্ন ব্যাংক যে ১০টি কোম্পানির সঙ্গে তাদের ডেবিট ও ক্রেডিট কার্ডের লেনদেন স্থগিত করেছে, ওই ১০ কোম্পানির মধ্যে যারা ইক্যাবের সদস্য রয়েছে, তাদের সবাইকে শোকজ লেটার পাঠানো হচ্ছে। মূলত ই-কমার্স সেক্টরের সম্ভাবনা কাজে লাগানো ও গ্রাহক আস্থা বাড়াতেই এমএলএম পদ্ধতিতে পরিচালিত কোম্পানিগুলোর সদস্যপদ স্থগিত করা হবে। 

ই-ক্যাবের ঊর্ধ্বতন একজন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার অনুরোধ জানিয়ে বলেন, ‘ইভ্যালিসহ বেশকিছু কোম্পানি যেভাবে নতুন গ্রাহকদের কাছ থেকে টাকা নিয়ে পুরনো গ্রাহকদের পণ্য বা রিফান্ড দিচ্ছে তা কোনমতেই ই-কমার্স বিজনেস নয়।’

তিনি বলেন, ‘ইভ্যালি গ্রাহকদের কাছ থেকে অগ্রিম ২১৫ কোটি টাকা নিয়ে পণ্য দেয়নি, আবার মার্চেন্টদের কাছ থেকে বাকিতে পণ্য এনেছে ১৯০ কোটি টাকার। গ্রাহকদের কাছ থেকে অগ্রিম মূল্য নেওয়ার পরও মার্চেন্টদের কাছে বকেয়া থাকার কথা নয়। এখন তারা গ্রাহক বা মার্চেন্ট কারও পাওনাই পরিশোধে করতে পারছে না। তাহলে এসব অর্থ গেল কোথায়?’

ইভ্যালিসহ বিভিন্ন কোম্পানির এ ধরণের কর্মকান্ডের কারণে সার্বিকভাবে ই-কমার্সখাতের উপর গ্রাহকদের আস্থা কমে গেছে। যারা নিয়ম মেনে ব্যবসা করছেন, তারাও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। ই-ক্যাবের অনেক সদস্যও কোম্পানিগুলোর বিরুদ্ধে সংগঠনের সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকের কাছে অভিযোগ জমা দিয়েছেন। তাই এখাতের ভাবমূর্তি রক্ষায় এমএলএম পদ্ধতিতে ব্যবসারত সদস্য কোম্পানিগুলোর সদস্যপদ স্থগিত ও পরে বাতিল করা হবে।

ই-ক্যাবের সদস্য সংখ্যা প্রায় ১১০০, যার মধ্যে ১৪টি বড় কোম্পানি ই-কমার্সের নামে এমএলএম ব্যবসা পরিচালনা করছে বলে অভিযোগ রয়েছে।

এর মধ্যে ইভ্যালির ব্যাংক হিসাবের তথ্য রয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে। আরও ১১টি কোম্পানি- আলেশা মার্ট, ধামাকা শপ, সিরাজগঞ্জ শপ, আলাদিনের প্রদীপ, বুম বুম, আদিয়ান মার্ট, নিডস, কিউকম, দালাল প্লাস, ইঅরেঞ্জ এবং বাজাজ কালেকশন এর ব্যাংক হিসাব তলব করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।  

ইভ্যালির উপর বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিদর্শন প্রতিবেদনের তথ্য নিয়ে গত ২২ জুন দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড সংবাদ প্রকাশের পর ব্র্যাক ব্যাংক, ব্যাংক এশিয়াসহ বেসরকারিখাতের বিভিন্ন ব্যাংক ইভ্যালি, আলেশা মার্ট, ধামাকা শপ, সিরাজগঞ্জ শপ, আলাদিনের প্রদীপ, বুম বুম, আদিয়ান মার্ট, নিডস, কিউকম ও ইঅরেঞ্জ এর সঙ্গে ডেবিট, ক্রেডিট ও প্রিপেইড কার্ডে লেনদেন স্থগিত করেছে। 

অন্যদিকে, গিফট ভাউচারে পণ্য বিক্রির পর পাওনা টাকা না দেওয়ায় ইভ্যালির গিফট ভাউচার গ্রহণ করা স্থগিতের ঘোষণা দিয়েছে ট্রেন্ডজ, রঙ বাংলাদেশ, আর্টিসান আউটফিটার্স, ফিট এলিগ্যান্স এবং রিও ইন্টারন্যাশনাল সহ বিভিন্ন জনপ্রিয় ব্র্যান্ড। 

ইভ্যালির কার্যালয় বন্ধ, হটলাইনেও সাড়া মিলছে না

সুত্র- প্রথম আলো

ই–কমার্স প্রতিষ্ঠান ইভ্যালির সঙ্গে একে একে সম্পর্ক ছিন্ন করছে পণ্য সরবরাহকারী বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান (মার্চেন্ট)। গত দুই দিনে এসব প্রতিষ্ঠান তাদের গ্রাহকদের খুদে বার্তার মাধ্যমে জানিয়ে দিচ্ছে, ইভ্যালির দেওয়া ভাউচারে তারা আর পণ্য সরবরাহ করবে না। কারণ, তারা ইভ্যালির কাছ থেকে পণ্যের দাম পাচ্ছে না।

রঙ বাংলাদেশের পর পোশাকের ব্র্যান্ড জেন্টল পার্ক, ট্রেন্ডস, আর্টিসানসহ আরও বেশ কিছু প্রতিষ্ঠান ইভ্যালির ভাউচারে পণ্য সরবরাহ না করার কথা তাদের গ্রাহকদের জানিয়েছে। এদিকে পণ্য সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের বকেয়া টাকার জন্য ইভ্যালির কার্যালয়ে ভিড় করছে। পাশাপাশি পণ্য ও অর্থ ফেরত না পাওয়া গ্রাহকেরাও রাজধানীর ধানমন্ডিতে ইভ্যালির কার্যালয়ে ভিড় শুরু করেছেন। তবে ইভ্যালির কার্যালয়টি বন্ধ রয়েছে। হটলাইন নম্বরেও ফোন করে কাউকে পাওয়া যাচ্ছে না বলে অভিযোগ করেছেন গ্রাহকেরা।

এদিকে ইভ্যালিসহ ১৪টি ই–কমার্স প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। প্রতিষ্ঠানগুলোর বিভিন্ন তথ্য সংগ্রহ করছে সিআইডি। এর মধ্যে ধামাকা নামের একটি ই–কমার্স প্রতিষ্ঠানের ব্যাংক হিসাব জব্দের জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকে চিঠি দিয়েছে সংস্থাটি। পর্যায়ক্রমে অন্যগুলোর বিষয়েও একধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

রাজধানীর ধানমন্ডির সোবহানবাগ এলাকায় ইভ্যালির কার্যালয়ে গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে গিয়ে দেখা যায়, কার্যালয়টি বন্ধ। দুটি নোটিশ ঝুলছে। অবশ্য সেগুলোতে কারও স্বাক্ষর ও তারিখ নেই। নোটিশে বলা হয়েছে, ইভ্যালির সশরীর গ্রাহকসেবা প্রদান বন্ধ থাকবে। অনলাইন গ্রাহকসেবা ও পণ্য সরবরাহ চালু থাকবে। কার্যালয়ে দায়িত্ব পালনকারী একজন নিরাপত্তা প্রহরী প্রথম আলোকে বলেন, সরকার বিধিনিষেধ শিথিল করলেও ইভ্যালির কোনো কর্মকর্তা অফিসে আসেননি। সরেজমিনে দেখা গেছে, অনেক গ্রাহক টাকা ও পণ্য না পেয়ে প্রতিষ্ঠানটির কার্যালয়ে এসে ভিড় করছেন। কিন্তু অনেকক্ষণ অপেক্ষা করে তাঁদের ফিরতে হচ্ছে নিরাশ হয়ে।

তাঁদেরই একজন মো. নাজমুল হুদা। তিনি প্রথম আলোকে বলেন, ফেব্রুয়ারি থেকে এপ্রিল মাসের বিভিন্ন সময়ে এসি, মোটরসাইকেল, বৈদ্যুতিক পাখাসহ প্রায় ৫ লাখ টাকার পণ্যের ক্রয়াদেশ দিয়েছিলেন। পণ্য সরবরাহের সময় পেরিয়ে গেছে, কিন্তু এখনো একটি পণ্যও পাননি। ৪৫ কার্যদিবস পার হওয়ার পর ইভ্যালির কার্যালয়ে ষষ্ঠবারের মতো এসেছেন নাজমুল হুদা। তাঁর অভিযোগ, এরই মধ্যে ইভ্যালির কাস্টমার কেয়ারে ফোন করে কয়েক হাজার টাকা খরচ করেছেন। কোনো সমাধান পাচ্ছেন না।

ইভ্যালি কার্যালয়ে আসা গ্রাহকদের অনেকেই অভিযোগ করেছেন, তাঁরা হটলাইনে ফোন করেও কোনো সাড়া পাচ্ছেন না। এমন অভিযোগের পর ইভ্যালির কাস্টমার কেয়ারে (০৯৬৩৮১১১৬৬৬) ফোন করেন এই প্রতিবেদক। ৬ মিনিট অপেক্ষার পরও কাস্টমার কেয়ারের কারও কাছে কলটি দেওয়া হয়নি।

জানতে চাইলে ইভ্যালির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ রাসেল গত রাতে প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমাদের কার্যালয় বন্ধ নেই। কলসেন্টার খোলা সকাল ৮টা থেকে রাত ১১টা পর্যন্ত। পণ্য সরবরাহব্যবস্থাও চালু আছে। তবে করোনার কারণে কর্মীদের একটা অংশ বাসা থেকে কাজ করছেন।’ কল সেন্টারে ফোন করে কোনো সাড়া পাওয়া যাচ্ছে না বলে গ্রাহকদের অভিযোগের বিষয়ে তিনি বলেন, কেউ হয়তো একটা নির্দিষ্ট সময়ে কাউকে পাননি। আর এটাকেই সাধারণ বলে চালিয়ে দেওয়া হচ্ছে। এটা অনুচিত।

গুগল ফটোসের নতুন নীতিমালায় কী আছে

নির্ভাবনায় যারা গুগল ফটোসে ছবি রাখেন, তাদেরকে অনেক আগেই দুঃসংবাদ দিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। কারণ ১ জুন থেকে গুগল ফটোসে আনলিমিটেড স্টোরেজ সুবিধা থাকছে না। ওই দিনটি থেকে ছবি ও ভিডিও রাখার জন্য শুধু ১৫ গিগাবাইট স্টোরেজ বিনামূল্যে পাওয়া যাবে।
সম্প্রতি গ্রাহকদের নোটিফিকেশনের মাধ্যমে পুনরায় মনে করিয়ে দিয়েছে গুগল। এও জানিয়েছে যে, নির্দিষ্ট পরিমাণের বেশি স্টোরিজ ব্যবহার করতে চাইলে বাড়তি ফি গুনতে হবে।

গুগল ফটোজের নতুন নীতিমালায় স্টোরেজ ব্যবস্থাপনা সম্পর্কিত তথ্যগুলো জেনে নেয়া যায়-

* যেসব গ্রাহক জুনের আগেই উচ্চমানের ছবি-ভিডিও ব্যাকআপ নিয়ে রেখেছেন, সেগুলো নতুন নীতিমালার আওতামুক্ত থাকবে।

* ১ জুন থেকে নতুন করে আপলোড দিলে বা ব্যাকআপ নিতে গেলে স্টোরেজ সীমার নীতি প্রযোজ্য হবে।

* আপনি একটা নির্দিষ্ট সময়ে কী পরিমান ছবি-ভিডিও ব্যাকআপ রাখেন, তা জানে গুগল। সেক্ষেত্রে আপনার ৮০ শতাংশ স্টোরেজ পূর্ণ হতে কেমন সময় লাগবে, তা জানা যাবে গুগল ফটোজে।

* আপনার গুগল ফটোসে যখন শুধুমাত্র ২০ শতাংশ স্টোরেজ খালি থাকবে, তখন থেকে নোটিফিকেশন ও জিমেইলে বার্তা পাঠিয়ে জানিয়ে দেয়া হবে।

* গুগল ফটোসকে নতুন ভাবে সাজিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। বড় সাইজ ও অস্পষ্ট ছবিগুলোকে আলাদা করে দেখতে পারবেন এবং প্রয়োজনে মুছেও ফেলা যাবে।

* স্টোরেজ অপশন ব্যবহারকারীদের জন্য সহজ করে দেয়া হয়েছে। ছবির মান ঠিক রেখে ব্যবস্থাপনা ও নিয়ন্ত্রণ আগের চেয়েও কার্যকর করা হয়েছে।

৩৮ লাখ বাংলাদেশির ফেসবুক তথ্য ফাঁস

ফেসবুক জানিয়েছে, ফাঁস হওয়া এসব তথ্যের মাধ্যমে বিপদে পড়তে পারেন ব্যবহারকারীরা

সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে ফেসবুকের ৩৮ লাখের বেশি ব্যবহারকারীর তথ্য ফাঁস হয়েছে। শুধু বাংলাদেশই নয় বিশ্বের অন্তত ১০০টি দেশের প্রায় ৫৩ কোটি ৩০ লাখেরও বেশি গ্রাহকের ফেসবুক তথ্য বেহাত হয়েছে। 

সংবাদমাধ্যম বিজনেস ইনসাইডারের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, বিশ্বের ১০৬টি দেশের ফেসবুক ব্যবহারকারীদের ব্যক্তিগত তথ্য ফাঁস হয়েছে। এর মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের ৩ কোটি ২০ লাখ, যুক্তরাজ্যের ১ কোটি ১০ লাখ এবং ভারতের ৬০ লাখেরও বেশি ফেসবুক ব্যবহারকারী তথ্য ফাঁসের তালিকায় রয়েছে।

অপরদিকে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, আফগানিস্তানের ৫ লাখ ৫০ হাজার, অস্ট্রেলিয়ার ১২ লাখ, বাংলাদেশের ৩৮ লাখ, ব্রাজিলের ৮০ লাখ এবং ভারতের ৬১ লাখ ফেসবুক ব্যবহারকারীর তথ্য ফাঁস হয়েছে।

তথ্যগুলো ফাঁস করা হয়েছে একটি নিম্নমানের সাইবার নিরাপত্তা সংক্রান্ত ফোরামে। তথ্যের মধ্যে আছে ব্যবহারকারীর ফোন নম্বর, ফেসবুক আইডি, পুরো নাম, অবস্থান, জন্মতারিখ এবং জীবনবৃত্তান্ত। এমনকি ব্যবহারকারীদের ই-মেইল আইডি ফাঁস হওয়ার প্রমাণও মিলেছে।  

ফেসবুকের স্বীকারোক্তি, বিবৃতি

এদিকে, বিষয়ে সোমবার (৫ এপ্রিল) এ বিষয়ে একটি বিবৃতিও দিয়েছে ফেসবুক। প্রতিষ্ঠানটির দাবি, ২০১৯ সালে তারা সমস্যাটি শনাক্ত করেছিল এবং তখনই তা সমাধান করা হয়েছে। 

বিবৃতিতে ফেসবুকের একজন মুখপাত্র বলেন, “এটি পুরানো তথ্য, এ সম্পর্কে ২০১৯ সালেই একটি প্রতিবেদন করা হয়েছিল। আমরা ২০১৯ সালের আগস্ট মাসে সমস্যাটি শনাক্ত করেছি এবং সেটি ঠিকও করেছি”, বলেন ফেসবুকের মুখপাত্র।

@dhakatribune.com

দারাজের নামে ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে ম্যালওয়্যার

ই-কমার্স প্ল্যাটফর্ম দারাজের নাম ব্যবহার করে বেশ কয়েকটি মেসেঞ্জার অ্যাপ্লিকেশন জুড়ে বিভ্রান্তি তৈরি করছে “দারেজ” (Darez) নামের “ম্যালওয়্যার” বা ভাইরাসযুক্ত একটি সফটওয়্যার

জনপ্রিয় ই-কমার্স প্ল্যাটফর্ম দারাজের নাম ব্যবহার করে বেশ কয়েকটি মেসেঞ্জার অ্যাপ্লিকেশন জুড়ে বিভ্রান্তি তৈরি করছে “দারেজ” (Darez) নামের “ম্যালওয়্যার” বা ভাইরাসযুক্ত একটিসফটওয়্যার। 

“গিভিং গিফটস টু দারাজ সাপোর্টারস- ফ্রি গিফট ফর এভরিওয়ান” বা “দারেজ সমর্থকদের জন্য বিনামূল্যে উপহার” শিরোনামসহ একটি বিভ্রান্তিকর লিঙ্ক দারাজের প্রকৃত গ্রাহকদের ফেসবুক, ম্যাসেঞ্জার, হোয়াটসঅ্যাপ, ভাইবারসহ অন্যান্য মেসেজিং অ্যাপগুলোর মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।

লিঙ্কটিতে একবার ক্লিক করলেই তা সরাসরি হ্যাকারদের ওই ব্যক্তির ডিভাইসে অনুপ্রবেশ করতে এবং তার ছবি, পরিচিতি এবং ব্যক্তিগত সকল গোপনীয় তথ্য হাতিয়ে নিতে সাহায্য করছে। আর এই পুরো ঘটনাটি ঘটছে “দারাজ” এর পরিবর্তে “দারেজ” ব্র্যান্ডের পরিবর্তিত নাম ব্যবহার করে।

খালিদ আরাফাত নামে একজন হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহারকারী শুক্রবার (১৬ এপ্রিল) ব্র্যান্ডের নাম বা শিরোনামের ভালোভাবে লক্ষ্য না করেই লিঙ্কটিতে ক্লিক করে ফেলেন।

“আমি ভেবেছিলাম এটা দারজের পাঠানো। কিন্তু লিঙ্কটি যখন স্বয়ংক্রিয়ভাবে আমার অন্যান্য পরিচিতি মানুষের ইনবক্সে চলে যায় তখন বুঝতে পারি আমি হ্যাকারদের আমার ফোনে অ্যাক্সেস দিয়ে দিয়েছি।”

ব্যবহারকারীরা কোনো সন্দেহ ছাড়া সঠিক বানান লক্ষ্য না করেই হ্যাকাররা সুযোগ করে দিয়েছে। কারণ গ্রাহকদের বিভ্রান্ত করার জন্য দারাজের বানানের সাথে একটু পরিবর্তন ছাড়া হুবুহু একই লোগো এবং ইউআরএল ব্যবহার করা হয়েছে। 

“ম্যালওয়্যার ভাইরাস” সাধারণত কম্পিউটার বা মোবাইল ফোনের স্বাভাবিক কার্যকলাপ ব্যাহত করতে, গোপনীয় তথ্য সংগ্রহ করতে, সুরক্ষিত কম্পিউটার নেটওয়ার্ক সিস্টেমে অননুমোদিত অনুপ্রবেশ ঘটাতে বা অযাচিত বিজ্ঞাপন প্রদর্শন করতে ব্যবহৃত হয়।

এছাড়াও ব্যক্তিগত তথ্য চুরি করতে বা ব্যবহারকারীর উপর নজর রাখার উদ্দেশ্যেও গোপনে পরিচালনা করা হয় এই ভাইরাসটি।

লিঙ্কটিতে ক্লিক করলেই আইফোন-১২ জিতেছেন বলে জানানো হয় এবং পুরস্কার পাবার জন্য কয়েকটি ধাপ অনুসরণ করতে বলা হয়।

জাহাঙ্গীর আলন নামে একজন ফেসবুক ব্যবহারকারী জানান, তিনি আইফোন-১২ জেতার পর প্রতিটি ধাপ অনুসরণ করেন। পরবর্তীতে দেখতে পান তার ফোন ব্যালেন্স ২০০ টাকার পরিবর্তে শূন্য হয়ে আছে।

আন্তর্জাতিক ইন্টারনেট গেটওয়ে (আইআইজি) কর্মকর্তাদের তথ্যানুযায়ী, দেশে প্রায় সাড়ে তিন কোটিরও বেশি হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহারকারী এবং প্রায় ২ কোটি ভাইবার ব্যবহারকারী রয়েছে।

এখন অবধি ম্যালওয়্যারটি কেবল ম্যাসেঞ্জার, হোয়াটসঅ্যাপ এবং ভাইবারে ছড়ানো হয়েছে। ভাইরাসটি মোবাইল ফোনের পরিচিতি তালিকা, আইপি (ইন্টারনেট প্রোটোকল) ঠিকানা, অবস্থান, ছবি ইত্যাদি নিয়ন্ত্রণ করে যে কোনও ধরণের ক্ষতি করতে পারে বলে জানিয়েছে আইআইজি কর্মকর্তারা।

আইআইজি ফোরামের সভাপতি সরোয়ার আলম সিকদার ঢাকা ট্রিবিউনকে বলেন, এ ধরণের লিঙ্ক সর্বদা হ্যাকারদের মাধ্যমে বিভিন্ন ওটিটি প্ল্যাটফর্মে আসে। যা পরবর্তীতে ব্যক্তিগত তথ্য চুরি করে ব্ল্যাকমেল করার জন্য ব্যবহার করা হয়।

তিনি আরও বলেন, মোবাইল ফোন ব্যবহারকারীদের এ বিষয়ে সচেতন হতে হবে, কেননা একবার হ্যাক করে ফেললে এ বিষয়ে আর কোনো প্রতিকার করা সম্ভব নয়।  

 এ বিষয়ে দারাজ বাংলাদেশ  কর্তৃপক্ষের সাথে কথা বলে জানা যায়, তারা ইতোমধ্যে তাদের ভেরিফাইড ফেসবুক পেজে এই ম্যালওয়্যার ভাইরাস সম্পর্কে গ্রাহকদের সতর্ক করেছে।

এদিকে দারাজ কর্তৃপক্ষ ঘোষণা দিয়েছে, যদি দারাজের নাম ব্যবহার করে এভাবে আরও গ্রাহককে হয়রানি করা হয় তাহলে ম্যালওয়্যার তৈরির জন্য দায়ী হ্যাকার গ্রুপের বিরুদ্ধে আইনী ব্যবস্থা নেবে তারা।

@bangla.dhakatribune.com


Post navigation