উইন্ডোজ ১১ এ চলবে না ব্লুস্ট্যাক্স, কী করবেন ইমুলেটর গেমাররা?

উইন্ডোজ ১১ এর ঘোষণা ইতমধ্যেই দিয়ে দিয়েছে মাইক্রোসফট। আর নতুন উইন্ডোজ এ বেশ কিছু ফিচার যুক্ত করা হয়েছে এবং বেশ কিছু ফিচার বাদ দেওয়া হয়েছে। যার অনেকটাই অনেক ক্ষেত্রে ভাল প্রভাব ফেলবে। যেসকল ফিচার বাদ দেওয়া হয়েছে সেগুলোর মধ্যে একটি হলো, ইমুলেটর আর চালানো যাবে না উইন্ডোজ ১১ তে। তবে চলুন জেনে নেই এর কিছু ভাল দিক এবং খারাপ দিক।

সবার আগে চলুন জেনে নেই যে উইন্ডোজ ১১ তে ইমুলেটর ব্যবহার ব্যান করা হয়েছে কেন? এর পেছনে বেশ কিছু কারণ আছে। যেগুলো একে একে আপনাদের সামনে তুলে ধরছি। আমরা যারা ইমুলেটর ব্যবহার করে গেমিং করে থাকি, আমরা গেমিং এর সময় বেশ কিছু সুবিধা পেয়ে থাকি। যেমন আমরা অনেক সময়েই ম্যাক্রো ব্যবহার করে থাকি। আবার আমরা অনেক সময় এক্সটার্নাল ফাইল দিয়ে হ্যাক বা গ্লিচ ফাইল ব্যবহার করে থাকি। যার ফলে যখন আমরা চিট করছি বলে রিপোর্ট করা হয় তখন গেমের কর্পরেশান চেষ্টা করেও আমাদের এই ফাইলগুলো খুজে পায় না। কেননা যখন আমরা ইমুলেটর ব্যবহার করি তখন ইমুলেটর থেকে আমাদের মেইন সিস্টেমের ফাইল দেখা যায় না। যতই সেটা সেই ইমুলেটরের সিস্টেম ফাইল হোক না কেন। আর একারণেই আমাদের ইমুলেটর ব্যবহার করার সুজোগ উইন্ডোজ ১১ তে আর থাকছে না।

যদি আমরা ইমুলেটর ব্যবহার করতে না পারি তাহলে আমাদের সবথেকে বড় সমস্যা যেটা মনে হতে পারে সেটা হলো যে আমরা আর কখনো ফোনের গেম আমাদের কম্পিউটারে খেলতে পারব না। তবে যদি আমরা একটু উইন্ডোজ ১১ এর নতুন ফিচার দেখি তাহলে দেখতে পাব যে আমরা উইন্ডোজ ১১ তে যেকোন অ্যান্ড্রোইড অ্যাপ্লিকেশান ব্যবহার করতে পারব। এতে আমরা বেশ কিছু সুবিধা পাব।

প্রথমত আমাদের ইমুলেটর ব্যবহার করতে হবে না আর আমরা সরাসরি উইন্ডোজ এই গেমগুলো খেলতে পারব তাই এখানে কোন থার্ড পার্টি থাকছে না। তাই আমাদের গেমিং এক্সপেরিয়েন্স ইমুলেটরের চাইতে ভাল হবে কেননা ইমুলেটর অতিরিক্ত মেমরি ও সিপিউ এবং জিপিউ দখল করে থাকে। যখন আমরা ইমুলেটর ব্যবহার করব না তখন ইমুলেটরের দখল করা মেমরি ও কোর আমরা চাইলে আমাদের গেমে বা অন্য কোন অ্যাপ্লিকেশান এ ব্যবহার করতে পারব।

আর সবথেকে বড় যে সুবিধা আমরা পাব সেটা হলো আমরা হয়ত ই-স্পোর্টসে খেলার সুজোগ পেতে পারি। আপনি যদি এই লেখার প্রথম অংশ পড়ে থাকেন তাহলে আপনি জেনেই গেছেন যে আসলে এর কী কী সমস্যা আছে। আর এইসকল খারাপ দিকের কারণে মোবাইল ফোনের যেসকল গেমের ই-স্পোর্টস হয়ে থাকে সেসকল গেম গুলোর ই-স্পোর্টস পিসি প্লেয়ার তথা ইমুলেটর প্লেয়াররা খেলতে পারে না। যখন আমরা সরাসরি অ্যান্ড্রোইডের গেমগুলো আমাদের উইন্ডোজ সিস্টেমে খেলতে পারব তখন আমাদের চিট করার কোন উপায় থাকবে না। তখন হয়ত আমাদেরও ই-স্পোর্ট খেলার সুজোগ থাকবে।

তো এই ছিল ইমুলেটর ব্যান হওয়ার কারণ ও প্রভাব। আপনার যদি লেখাটি ভাল লেগে থাকে তাহলে নিজের ফেসবুক বা অন্য যেকোন সামাজিক প্ল্যাটফর্মে শেয়ার করুন। আর আমাদের সাথেই থাকুন।

ইভ্যালির সদস্যপদ স্থগিত করছে ই-ক্যাব

ই-ক্যাবের চিঠিতে ই-কমার্স ব্যবসার নামে গ্রাহকদের অর্থ আত্মসাত, মার্চেন্টদের কাছ থেকে পাওয়া বিভিন্ন অভিযোগ, বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিদর্শন প্রতিবেদনে উল্লেখিত বিভিন্ন অনিয়ম তুলে ধরে ইভ্যালির বিরুদ্ধে সম্ভাবনাময় ই-কমার্সখাতে অনিয়ম ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির অভিযোগ আনা হয়েছে।

গ্রাহক ও মার্চেন্টদের সঙ্গে প্রতারণার অভিযোগে ইভ্যালি ডট কমের সদস্যপদ স্থগিত করার উদ্যোগ নিয়েছে ই-কমার্স এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ই-ক্যাব)। 

বাংলাদেশ ব্যাংকের ইন্সপেকশন রিপোর্টসহ বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, বিভিন্ন ক্রেতা ও মার্চেন্টদের কাছ থেকে অভিযোগ পাওয়ার প্রেক্ষিতে ‘সদস্যপদ কেন স্থগিত করা হবে না’ তার জবাব চেয়ে বুধবার ইভ্যালির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ রাসেলকে চিঠি পাঠানো হয়েছে বলে দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ডকে জানিয়েছেন ই-ক্যাবের ভাইস প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ শাহাব উদ্দিন। 

তিনি বলেন, ‘বুধবার রেজিস্ট্রি ডাকযোগে পাঠানো চিঠি পাঠিয়েছি। চিঠি পাওয়ার সাত কর্মদিবসের মধ্যে ইভ্যালিকে জবাব দিতে বলা হয়েছে। মূলত ইভ্যালির সদস্যপদ স্থগিত করার জন্য ই-ক্যাবের গঠনতন্ত্রের ৯(ডি) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী শোকজ লেটার পাঠানো হয়েছে।’

চিঠিতে ই-কমার্স ব্যবসার নামে গ্রাহকদের অর্থ আত্মসাত, মার্চেন্টদের কাছ থেকে পাওয়া বিভিন্ন অভিযোগ, বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিদর্শন প্রতিবেদনে উল্লেখিত বিভিন্ন অনিয়ম তুলে ধরে ইভ্যালির বিরুদ্ধে সম্ভাবনাময় ই-কমার্সখাতে অনিয়ম ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির অভিযোগ আনা হয়েছে।

ইভ্যালি ছাড়াও গ্লিটার্স আরএসডি ওয়ার্ল্ড, গ্রীন বাংলা ই-কমার্স লিমিটেড, এ্যানেক্স ওয়ার্ল্ড ওয়াইড লিমিটেড, আমার বাজার লিমিটেড, এক্সিলেন্ট ওয়ার্ল্ড এ্যাগ্রো ফুড এন্ড কনজ্যুমারস লিমিটেডকে শোকজ লেটার পাঠিয়েছে ই-ক্যাব।

আরও বেশকিছু কোম্পানিকে শোকজ লেটার পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে বলে জানা গেছে।

সংগঠনটির গঠনতন্ত্রে সদস্যপদ স্থগিত বা বাতিল করার আগে ব্যাখ্যা চাওয়ার বিধান থাকায় এ চিঠি দেওয়া হয়েছে বলে জানান ই-ক্যাব কর্মকর্তারা।

সাহাব উদ্দিন জানান, ব্র্যাক ব্যাংকসহ বিভিন্ন ব্যাংক যে ১০টি কোম্পানির সঙ্গে তাদের ডেবিট ও ক্রেডিট কার্ডের লেনদেন স্থগিত করেছে, ওই ১০ কোম্পানির মধ্যে যারা ইক্যাবের সদস্য রয়েছে, তাদের সবাইকে শোকজ লেটার পাঠানো হচ্ছে। মূলত ই-কমার্স সেক্টরের সম্ভাবনা কাজে লাগানো ও গ্রাহক আস্থা বাড়াতেই এমএলএম পদ্ধতিতে পরিচালিত কোম্পানিগুলোর সদস্যপদ স্থগিত করা হবে। 

ই-ক্যাবের ঊর্ধ্বতন একজন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার অনুরোধ জানিয়ে বলেন, ‘ইভ্যালিসহ বেশকিছু কোম্পানি যেভাবে নতুন গ্রাহকদের কাছ থেকে টাকা নিয়ে পুরনো গ্রাহকদের পণ্য বা রিফান্ড দিচ্ছে তা কোনমতেই ই-কমার্স বিজনেস নয়।’

তিনি বলেন, ‘ইভ্যালি গ্রাহকদের কাছ থেকে অগ্রিম ২১৫ কোটি টাকা নিয়ে পণ্য দেয়নি, আবার মার্চেন্টদের কাছ থেকে বাকিতে পণ্য এনেছে ১৯০ কোটি টাকার। গ্রাহকদের কাছ থেকে অগ্রিম মূল্য নেওয়ার পরও মার্চেন্টদের কাছে বকেয়া থাকার কথা নয়। এখন তারা গ্রাহক বা মার্চেন্ট কারও পাওনাই পরিশোধে করতে পারছে না। তাহলে এসব অর্থ গেল কোথায়?’

ইভ্যালিসহ বিভিন্ন কোম্পানির এ ধরণের কর্মকান্ডের কারণে সার্বিকভাবে ই-কমার্সখাতের উপর গ্রাহকদের আস্থা কমে গেছে। যারা নিয়ম মেনে ব্যবসা করছেন, তারাও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। ই-ক্যাবের অনেক সদস্যও কোম্পানিগুলোর বিরুদ্ধে সংগঠনের সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকের কাছে অভিযোগ জমা দিয়েছেন। তাই এখাতের ভাবমূর্তি রক্ষায় এমএলএম পদ্ধতিতে ব্যবসারত সদস্য কোম্পানিগুলোর সদস্যপদ স্থগিত ও পরে বাতিল করা হবে।

ই-ক্যাবের সদস্য সংখ্যা প্রায় ১১০০, যার মধ্যে ১৪টি বড় কোম্পানি ই-কমার্সের নামে এমএলএম ব্যবসা পরিচালনা করছে বলে অভিযোগ রয়েছে।

এর মধ্যে ইভ্যালির ব্যাংক হিসাবের তথ্য রয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে। আরও ১১টি কোম্পানি- আলেশা মার্ট, ধামাকা শপ, সিরাজগঞ্জ শপ, আলাদিনের প্রদীপ, বুম বুম, আদিয়ান মার্ট, নিডস, কিউকম, দালাল প্লাস, ইঅরেঞ্জ এবং বাজাজ কালেকশন এর ব্যাংক হিসাব তলব করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।  

ইভ্যালির উপর বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিদর্শন প্রতিবেদনের তথ্য নিয়ে গত ২২ জুন দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড সংবাদ প্রকাশের পর ব্র্যাক ব্যাংক, ব্যাংক এশিয়াসহ বেসরকারিখাতের বিভিন্ন ব্যাংক ইভ্যালি, আলেশা মার্ট, ধামাকা শপ, সিরাজগঞ্জ শপ, আলাদিনের প্রদীপ, বুম বুম, আদিয়ান মার্ট, নিডস, কিউকম ও ইঅরেঞ্জ এর সঙ্গে ডেবিট, ক্রেডিট ও প্রিপেইড কার্ডে লেনদেন স্থগিত করেছে। 

অন্যদিকে, গিফট ভাউচারে পণ্য বিক্রির পর পাওনা টাকা না দেওয়ায় ইভ্যালির গিফট ভাউচার গ্রহণ করা স্থগিতের ঘোষণা দিয়েছে ট্রেন্ডজ, রঙ বাংলাদেশ, আর্টিসান আউটফিটার্স, ফিট এলিগ্যান্স এবং রিও ইন্টারন্যাশনাল সহ বিভিন্ন জনপ্রিয় ব্র্যান্ড। 

ইভ্যালির কার্যালয় বন্ধ, হটলাইনেও সাড়া মিলছে না

সুত্র- প্রথম আলো

ই–কমার্স প্রতিষ্ঠান ইভ্যালির সঙ্গে একে একে সম্পর্ক ছিন্ন করছে পণ্য সরবরাহকারী বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান (মার্চেন্ট)। গত দুই দিনে এসব প্রতিষ্ঠান তাদের গ্রাহকদের খুদে বার্তার মাধ্যমে জানিয়ে দিচ্ছে, ইভ্যালির দেওয়া ভাউচারে তারা আর পণ্য সরবরাহ করবে না। কারণ, তারা ইভ্যালির কাছ থেকে পণ্যের দাম পাচ্ছে না।

রঙ বাংলাদেশের পর পোশাকের ব্র্যান্ড জেন্টল পার্ক, ট্রেন্ডস, আর্টিসানসহ আরও বেশ কিছু প্রতিষ্ঠান ইভ্যালির ভাউচারে পণ্য সরবরাহ না করার কথা তাদের গ্রাহকদের জানিয়েছে। এদিকে পণ্য সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের বকেয়া টাকার জন্য ইভ্যালির কার্যালয়ে ভিড় করছে। পাশাপাশি পণ্য ও অর্থ ফেরত না পাওয়া গ্রাহকেরাও রাজধানীর ধানমন্ডিতে ইভ্যালির কার্যালয়ে ভিড় শুরু করেছেন। তবে ইভ্যালির কার্যালয়টি বন্ধ রয়েছে। হটলাইন নম্বরেও ফোন করে কাউকে পাওয়া যাচ্ছে না বলে অভিযোগ করেছেন গ্রাহকেরা।

এদিকে ইভ্যালিসহ ১৪টি ই–কমার্স প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। প্রতিষ্ঠানগুলোর বিভিন্ন তথ্য সংগ্রহ করছে সিআইডি। এর মধ্যে ধামাকা নামের একটি ই–কমার্স প্রতিষ্ঠানের ব্যাংক হিসাব জব্দের জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকে চিঠি দিয়েছে সংস্থাটি। পর্যায়ক্রমে অন্যগুলোর বিষয়েও একধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

রাজধানীর ধানমন্ডির সোবহানবাগ এলাকায় ইভ্যালির কার্যালয়ে গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে গিয়ে দেখা যায়, কার্যালয়টি বন্ধ। দুটি নোটিশ ঝুলছে। অবশ্য সেগুলোতে কারও স্বাক্ষর ও তারিখ নেই। নোটিশে বলা হয়েছে, ইভ্যালির সশরীর গ্রাহকসেবা প্রদান বন্ধ থাকবে। অনলাইন গ্রাহকসেবা ও পণ্য সরবরাহ চালু থাকবে। কার্যালয়ে দায়িত্ব পালনকারী একজন নিরাপত্তা প্রহরী প্রথম আলোকে বলেন, সরকার বিধিনিষেধ শিথিল করলেও ইভ্যালির কোনো কর্মকর্তা অফিসে আসেননি। সরেজমিনে দেখা গেছে, অনেক গ্রাহক টাকা ও পণ্য না পেয়ে প্রতিষ্ঠানটির কার্যালয়ে এসে ভিড় করছেন। কিন্তু অনেকক্ষণ অপেক্ষা করে তাঁদের ফিরতে হচ্ছে নিরাশ হয়ে।

তাঁদেরই একজন মো. নাজমুল হুদা। তিনি প্রথম আলোকে বলেন, ফেব্রুয়ারি থেকে এপ্রিল মাসের বিভিন্ন সময়ে এসি, মোটরসাইকেল, বৈদ্যুতিক পাখাসহ প্রায় ৫ লাখ টাকার পণ্যের ক্রয়াদেশ দিয়েছিলেন। পণ্য সরবরাহের সময় পেরিয়ে গেছে, কিন্তু এখনো একটি পণ্যও পাননি। ৪৫ কার্যদিবস পার হওয়ার পর ইভ্যালির কার্যালয়ে ষষ্ঠবারের মতো এসেছেন নাজমুল হুদা। তাঁর অভিযোগ, এরই মধ্যে ইভ্যালির কাস্টমার কেয়ারে ফোন করে কয়েক হাজার টাকা খরচ করেছেন। কোনো সমাধান পাচ্ছেন না।

ইভ্যালি কার্যালয়ে আসা গ্রাহকদের অনেকেই অভিযোগ করেছেন, তাঁরা হটলাইনে ফোন করেও কোনো সাড়া পাচ্ছেন না। এমন অভিযোগের পর ইভ্যালির কাস্টমার কেয়ারে (০৯৬৩৮১১১৬৬৬) ফোন করেন এই প্রতিবেদক। ৬ মিনিট অপেক্ষার পরও কাস্টমার কেয়ারের কারও কাছে কলটি দেওয়া হয়নি।

জানতে চাইলে ইভ্যালির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ রাসেল গত রাতে প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমাদের কার্যালয় বন্ধ নেই। কলসেন্টার খোলা সকাল ৮টা থেকে রাত ১১টা পর্যন্ত। পণ্য সরবরাহব্যবস্থাও চালু আছে। তবে করোনার কারণে কর্মীদের একটা অংশ বাসা থেকে কাজ করছেন।’ কল সেন্টারে ফোন করে কোনো সাড়া পাওয়া যাচ্ছে না বলে গ্রাহকদের অভিযোগের বিষয়ে তিনি বলেন, কেউ হয়তো একটা নির্দিষ্ট সময়ে কাউকে পাননি। আর এটাকেই সাধারণ বলে চালিয়ে দেওয়া হচ্ছে। এটা অনুচিত।

গুগল ফটোসের নতুন নীতিমালায় কী আছে

নির্ভাবনায় যারা গুগল ফটোসে ছবি রাখেন, তাদেরকে অনেক আগেই দুঃসংবাদ দিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। কারণ ১ জুন থেকে গুগল ফটোসে আনলিমিটেড স্টোরেজ সুবিধা থাকছে না। ওই দিনটি থেকে ছবি ও ভিডিও রাখার জন্য শুধু ১৫ গিগাবাইট স্টোরেজ বিনামূল্যে পাওয়া যাবে।
সম্প্রতি গ্রাহকদের নোটিফিকেশনের মাধ্যমে পুনরায় মনে করিয়ে দিয়েছে গুগল। এও জানিয়েছে যে, নির্দিষ্ট পরিমাণের বেশি স্টোরিজ ব্যবহার করতে চাইলে বাড়তি ফি গুনতে হবে।

গুগল ফটোজের নতুন নীতিমালায় স্টোরেজ ব্যবস্থাপনা সম্পর্কিত তথ্যগুলো জেনে নেয়া যায়-

* যেসব গ্রাহক জুনের আগেই উচ্চমানের ছবি-ভিডিও ব্যাকআপ নিয়ে রেখেছেন, সেগুলো নতুন নীতিমালার আওতামুক্ত থাকবে।

* ১ জুন থেকে নতুন করে আপলোড দিলে বা ব্যাকআপ নিতে গেলে স্টোরেজ সীমার নীতি প্রযোজ্য হবে।

* আপনি একটা নির্দিষ্ট সময়ে কী পরিমান ছবি-ভিডিও ব্যাকআপ রাখেন, তা জানে গুগল। সেক্ষেত্রে আপনার ৮০ শতাংশ স্টোরেজ পূর্ণ হতে কেমন সময় লাগবে, তা জানা যাবে গুগল ফটোজে।

* আপনার গুগল ফটোসে যখন শুধুমাত্র ২০ শতাংশ স্টোরেজ খালি থাকবে, তখন থেকে নোটিফিকেশন ও জিমেইলে বার্তা পাঠিয়ে জানিয়ে দেয়া হবে।

* গুগল ফটোসকে নতুন ভাবে সাজিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। বড় সাইজ ও অস্পষ্ট ছবিগুলোকে আলাদা করে দেখতে পারবেন এবং প্রয়োজনে মুছেও ফেলা যাবে।

* স্টোরেজ অপশন ব্যবহারকারীদের জন্য সহজ করে দেয়া হয়েছে। ছবির মান ঠিক রেখে ব্যবস্থাপনা ও নিয়ন্ত্রণ আগের চেয়েও কার্যকর করা হয়েছে।

৩৮ লাখ বাংলাদেশির ফেসবুক তথ্য ফাঁস

ফেসবুক জানিয়েছে, ফাঁস হওয়া এসব তথ্যের মাধ্যমে বিপদে পড়তে পারেন ব্যবহারকারীরা

সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে ফেসবুকের ৩৮ লাখের বেশি ব্যবহারকারীর তথ্য ফাঁস হয়েছে। শুধু বাংলাদেশই নয় বিশ্বের অন্তত ১০০টি দেশের প্রায় ৫৩ কোটি ৩০ লাখেরও বেশি গ্রাহকের ফেসবুক তথ্য বেহাত হয়েছে। 

সংবাদমাধ্যম বিজনেস ইনসাইডারের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, বিশ্বের ১০৬টি দেশের ফেসবুক ব্যবহারকারীদের ব্যক্তিগত তথ্য ফাঁস হয়েছে। এর মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের ৩ কোটি ২০ লাখ, যুক্তরাজ্যের ১ কোটি ১০ লাখ এবং ভারতের ৬০ লাখেরও বেশি ফেসবুক ব্যবহারকারী তথ্য ফাঁসের তালিকায় রয়েছে।

অপরদিকে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, আফগানিস্তানের ৫ লাখ ৫০ হাজার, অস্ট্রেলিয়ার ১২ লাখ, বাংলাদেশের ৩৮ লাখ, ব্রাজিলের ৮০ লাখ এবং ভারতের ৬১ লাখ ফেসবুক ব্যবহারকারীর তথ্য ফাঁস হয়েছে।

তথ্যগুলো ফাঁস করা হয়েছে একটি নিম্নমানের সাইবার নিরাপত্তা সংক্রান্ত ফোরামে। তথ্যের মধ্যে আছে ব্যবহারকারীর ফোন নম্বর, ফেসবুক আইডি, পুরো নাম, অবস্থান, জন্মতারিখ এবং জীবনবৃত্তান্ত। এমনকি ব্যবহারকারীদের ই-মেইল আইডি ফাঁস হওয়ার প্রমাণও মিলেছে।  

ফেসবুকের স্বীকারোক্তি, বিবৃতি

এদিকে, বিষয়ে সোমবার (৫ এপ্রিল) এ বিষয়ে একটি বিবৃতিও দিয়েছে ফেসবুক। প্রতিষ্ঠানটির দাবি, ২০১৯ সালে তারা সমস্যাটি শনাক্ত করেছিল এবং তখনই তা সমাধান করা হয়েছে। 

বিবৃতিতে ফেসবুকের একজন মুখপাত্র বলেন, “এটি পুরানো তথ্য, এ সম্পর্কে ২০১৯ সালেই একটি প্রতিবেদন করা হয়েছিল। আমরা ২০১৯ সালের আগস্ট মাসে সমস্যাটি শনাক্ত করেছি এবং সেটি ঠিকও করেছি”, বলেন ফেসবুকের মুখপাত্র।

@dhakatribune.com

দারাজের নামে ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে ম্যালওয়্যার

ই-কমার্স প্ল্যাটফর্ম দারাজের নাম ব্যবহার করে বেশ কয়েকটি মেসেঞ্জার অ্যাপ্লিকেশন জুড়ে বিভ্রান্তি তৈরি করছে “দারেজ” (Darez) নামের “ম্যালওয়্যার” বা ভাইরাসযুক্ত একটি সফটওয়্যার

জনপ্রিয় ই-কমার্স প্ল্যাটফর্ম দারাজের নাম ব্যবহার করে বেশ কয়েকটি মেসেঞ্জার অ্যাপ্লিকেশন জুড়ে বিভ্রান্তি তৈরি করছে “দারেজ” (Darez) নামের “ম্যালওয়্যার” বা ভাইরাসযুক্ত একটিসফটওয়্যার। 

“গিভিং গিফটস টু দারাজ সাপোর্টারস- ফ্রি গিফট ফর এভরিওয়ান” বা “দারেজ সমর্থকদের জন্য বিনামূল্যে উপহার” শিরোনামসহ একটি বিভ্রান্তিকর লিঙ্ক দারাজের প্রকৃত গ্রাহকদের ফেসবুক, ম্যাসেঞ্জার, হোয়াটসঅ্যাপ, ভাইবারসহ অন্যান্য মেসেজিং অ্যাপগুলোর মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।

লিঙ্কটিতে একবার ক্লিক করলেই তা সরাসরি হ্যাকারদের ওই ব্যক্তির ডিভাইসে অনুপ্রবেশ করতে এবং তার ছবি, পরিচিতি এবং ব্যক্তিগত সকল গোপনীয় তথ্য হাতিয়ে নিতে সাহায্য করছে। আর এই পুরো ঘটনাটি ঘটছে “দারাজ” এর পরিবর্তে “দারেজ” ব্র্যান্ডের পরিবর্তিত নাম ব্যবহার করে।

খালিদ আরাফাত নামে একজন হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহারকারী শুক্রবার (১৬ এপ্রিল) ব্র্যান্ডের নাম বা শিরোনামের ভালোভাবে লক্ষ্য না করেই লিঙ্কটিতে ক্লিক করে ফেলেন।

“আমি ভেবেছিলাম এটা দারজের পাঠানো। কিন্তু লিঙ্কটি যখন স্বয়ংক্রিয়ভাবে আমার অন্যান্য পরিচিতি মানুষের ইনবক্সে চলে যায় তখন বুঝতে পারি আমি হ্যাকারদের আমার ফোনে অ্যাক্সেস দিয়ে দিয়েছি।”

ব্যবহারকারীরা কোনো সন্দেহ ছাড়া সঠিক বানান লক্ষ্য না করেই হ্যাকাররা সুযোগ করে দিয়েছে। কারণ গ্রাহকদের বিভ্রান্ত করার জন্য দারাজের বানানের সাথে একটু পরিবর্তন ছাড়া হুবুহু একই লোগো এবং ইউআরএল ব্যবহার করা হয়েছে। 

“ম্যালওয়্যার ভাইরাস” সাধারণত কম্পিউটার বা মোবাইল ফোনের স্বাভাবিক কার্যকলাপ ব্যাহত করতে, গোপনীয় তথ্য সংগ্রহ করতে, সুরক্ষিত কম্পিউটার নেটওয়ার্ক সিস্টেমে অননুমোদিত অনুপ্রবেশ ঘটাতে বা অযাচিত বিজ্ঞাপন প্রদর্শন করতে ব্যবহৃত হয়।

এছাড়াও ব্যক্তিগত তথ্য চুরি করতে বা ব্যবহারকারীর উপর নজর রাখার উদ্দেশ্যেও গোপনে পরিচালনা করা হয় এই ভাইরাসটি।

লিঙ্কটিতে ক্লিক করলেই আইফোন-১২ জিতেছেন বলে জানানো হয় এবং পুরস্কার পাবার জন্য কয়েকটি ধাপ অনুসরণ করতে বলা হয়।

জাহাঙ্গীর আলন নামে একজন ফেসবুক ব্যবহারকারী জানান, তিনি আইফোন-১২ জেতার পর প্রতিটি ধাপ অনুসরণ করেন। পরবর্তীতে দেখতে পান তার ফোন ব্যালেন্স ২০০ টাকার পরিবর্তে শূন্য হয়ে আছে।

আন্তর্জাতিক ইন্টারনেট গেটওয়ে (আইআইজি) কর্মকর্তাদের তথ্যানুযায়ী, দেশে প্রায় সাড়ে তিন কোটিরও বেশি হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহারকারী এবং প্রায় ২ কোটি ভাইবার ব্যবহারকারী রয়েছে।

এখন অবধি ম্যালওয়্যারটি কেবল ম্যাসেঞ্জার, হোয়াটসঅ্যাপ এবং ভাইবারে ছড়ানো হয়েছে। ভাইরাসটি মোবাইল ফোনের পরিচিতি তালিকা, আইপি (ইন্টারনেট প্রোটোকল) ঠিকানা, অবস্থান, ছবি ইত্যাদি নিয়ন্ত্রণ করে যে কোনও ধরণের ক্ষতি করতে পারে বলে জানিয়েছে আইআইজি কর্মকর্তারা।

আইআইজি ফোরামের সভাপতি সরোয়ার আলম সিকদার ঢাকা ট্রিবিউনকে বলেন, এ ধরণের লিঙ্ক সর্বদা হ্যাকারদের মাধ্যমে বিভিন্ন ওটিটি প্ল্যাটফর্মে আসে। যা পরবর্তীতে ব্যক্তিগত তথ্য চুরি করে ব্ল্যাকমেল করার জন্য ব্যবহার করা হয়।

তিনি আরও বলেন, মোবাইল ফোন ব্যবহারকারীদের এ বিষয়ে সচেতন হতে হবে, কেননা একবার হ্যাক করে ফেললে এ বিষয়ে আর কোনো প্রতিকার করা সম্ভব নয়।  

 এ বিষয়ে দারাজ বাংলাদেশ  কর্তৃপক্ষের সাথে কথা বলে জানা যায়, তারা ইতোমধ্যে তাদের ভেরিফাইড ফেসবুক পেজে এই ম্যালওয়্যার ভাইরাস সম্পর্কে গ্রাহকদের সতর্ক করেছে।

এদিকে দারাজ কর্তৃপক্ষ ঘোষণা দিয়েছে, যদি দারাজের নাম ব্যবহার করে এভাবে আরও গ্রাহককে হয়রানি করা হয় তাহলে ম্যালওয়্যার তৈরির জন্য দায়ী হ্যাকার গ্রুপের বিরুদ্ধে আইনী ব্যবস্থা নেবে তারা।

@bangla.dhakatribune.com

দুই ডিসপ্লের আসুসের নতুন ল্যাপটপ

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : দেশে আসুস জেনবুক ডুয়ো সিরিজের ফ্ল্যাগশিপ ল্যাপটপ আনলো আসুস।

আসুস জেনবুক ডুয়ো এবং জেনবুক প্রো ডুয়ো সংস্করণের ল্যাপটপ দুটি দেশের বাজারে বিক্রি করবে আসুসের অনুমোদিত পরিবেশক গ্লোবাল ব্র্যান্ড প্রাইভেট লিমিটেড।

ফ্ল্যাগশিপ ল্যাপটপটির অন্যতম প্রধান বৈশিষ্ট্য হচ্ছে প্রিমিয়াম ফিনিশিং এবং ডুয়েল ডিসপ্লে।

সেকেন্ডারি টাচস্ক্রিন ডিসপ্লেটিকে আসুস বলছে, স্ক্রিনপ্যাড প্লাস। সম্পূর্ণ ডিসপ্লেটিই টাচ।  এর যে দ্বিতীয় ডিসপ্লে সেটি রয়েছে ল্যাপটপের কি বোর্ডের উপরের অংশে।

আগামী দিনের ল্যাপটপ স্লোগান দিয়ে আসুস তাদের ডুয়েল ডিসপ্লের ল্যাপটপ বুধবার এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে উন্মোচন করে।

উন্মোচন অনুষ্ঠানে প্রতিষ্ঠানটি তাদের জানায়, তাদের এই ফ্ল্যাগশিপ মানের ল্যাপটপটি কনটেন্ট ক্রিয়েটর, ডিজিটাল আর্টিস্ট, মিউজিক মিক্সার, মাল্টিটাস্কিং, বিভিন্ন ধরনের লাইভ করার করার ক্ষেত্রে আগের ধারণা বদলে দেবে।

টাচ ডিসপ্লে এবং স্টাইলাস পেন থাকায় মাল্টিটাস্কিং, ছবি আকা কিংবা ডিজিটাল আর্ট করা যাবে ল্যাপটপেই।

আসুস জেনবুক প্রো ডুয়ো এবং জেনবুক ডুয়ো দুটি ল্যাপটপের চার ধরনের সংস্করণ রয়েছে।

সর্বোচ্চ মানের জেনবুক প্রো ডুয়ো সংস্করণটিতে আছে ইন্টেল কোর আই নাইন প্রসেসর।

এছাড়া আসুস জেনবুক ডুয়োতে আছে দশম প্রজন্মের ইন্টেল কোর আই সেভেন এবং কোর আই ফাইভ প্রসেসর।

সর্বোচ্চ ৩২ জিবি র‍্যাম ধারণক্ষমতা সমর্থিত ল্যাপটপে অতিরিক্ত জিপিইউ হিসেবে রয়েছে এনভিডিয়া আরটিএক্স ২০৬০ এবং আর সবচেয়ে কমদামী মডেলে আছে এমএক্স২৫০ গ্রাফিক্স প্রসেসিং ইউনিট।

এছাড়া স্টোরেজ হিসেবে রয়েছে এক টেরাবাইট হাই স্পিড পিসিআইই এসএসডি সুবিধা।

১৫.৬ ইঞ্চির ফোর-কে ওএলইডি টাচস্ক্রিন ডিসপ্লে দেওয়া হয়েছে এতে। রয়েছে সর্বোচ্চ পর্যায়ের কুলিং সুবিধা।

অন্যদিকে ১৪ ইঞ্চি এলইডি ফুলএইচডি টাচস্ক্রিন সমর্থিত জেনবুক ডুয়োতে দেয়া হয়েছে অপেক্ষাকৃত কিছুটা পাতলা গড়ন।

আসুসের নতুন এই ল্যাপটপে কানেক্টিভিটির জন্য ইউএসবি টাইপ-সি থান্ডারবোল্ট থ্রি রয়েছে।

সর্বোচ্চ কনফিগারেশনসহ আসুস জেনবুক প্রো ডুয়ো মডেলটির দাম  দুই লাখ ৮০ হাজার টাকা। এছাড়াও আসুসের জেনবুক ডুয়ো সিরিজ শুরু হবে  এক লাখ পাঁচ হাজার টাকা থেকে।

ল্যাপটপের উন্মোচন অনুষ্ঠানে আসুস দক্ষিণ এশিয়া রিজিওনের প্রধান লিওন উ, আসুস বাংলাদেশের বিজনেস ডেভেলপমেন্ট ম্যানেজার আল ফুয়াদ, বাংলাদেশের কান্ট্রি প্রোডাক্ট ম্যানেজার আশিকুজ্জামানসহ গ্লোবাল ব্র্যান্ডের কর্মকর্তারা।

বাংলাদেশ এর সকল ব্লগ এর লিস্ট একবার দেখে নিন | All Bangla Blog Site List

অ্যানিটেক টিউন  টিউনমেলা    সামহোয়্যারইন ব্লগ    সচলায়তন    গণিত পাঠশালা

আমার ব্লগ    প্রথম আলো ব্লগ    চতুর্মাত্রিক    নাগরিকব্লগ    সোনার বাংলাদেশ

নীড়পাতা    প্রজন্ম ফোরাম    বিসর্গ    মৌমাছি    বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি

টিউটোরিয়াল বিডি    টেকটিউনস    টেকটুইটস    প্রতীক    আইটেক বাংলা

আমরা বন্ধু    আমার ঠিকানা    আমাদের কথা    আমাদের প্রযুক্তি    আমার বর্ণমালা

আড্ডা ব্লগ    ওপেস্ট    একুশে ব্লগ    এসিএম সলভার    কফি হাউজের আড্ডা

ক্যাডেট কলেজ ব্লগ    জীবনযাত্রা    টেকনোলজি টুডে ব্লগ    ত্রিভুজ নেটওয়ার্ক    নৃ

নীলঞ্চল বাংলা ব্লগ    পিস ইন ইসলাম    বকলম    বাংলা দুনিয়া    বিজ্ঞানী

বিবর্তন বাংলা    বিডিনিউজ২৪বাংলা ব্লগ    বলতে চাই স্বপ্নের কথা    মুক্তব্লগ

মুক্তমনা বাংলা ব্লগ    মুক্তাঙ্গন: নির্মাণ ব্লগ    রংমহল    লোটাকম্বল    শব্দনীড়

সবুজের কলতান ব্লগ    সদালাপ    সাহিত্য.কম    অন্যদৃষ্টি    প্রযুক্তি নিয়ে খেলা

স্বাস্থ্য বাংলা    ওপেস্ট    সিনেমা পিপলস    অনুকাব্য    অন্তরনামা

আইডি ফোরাম    আইটেক বাংলা    আমরা বন্ধু    আমার ঠিকানা

আমাদের কথা    আমাদের প্রযুক্তি    আমার বর্ণমালা   কৃষি ব্লগ    টেকনোলজি টুডে ব্লগ

টেকনোলজিবেসিক    টিউনারপেজ    ত্রিভুভ নেটওয়ার্ক    নীলাঞ্চল বাংলা ব্লগ    বকলম

ব্লগকরি    ব্লগ বাংলা    ব্লগবন্ধু    বলতে চাই স্বপ্নের কথা    বাংলা দুনিয়া    বাংলাআই ব্লগ

বিজ্ঞানী    বিবর্তন বাংলা    সবকিছু    সাতকানিয়া ব্লগ.কম    স্বপ্নবাজ ব্লগ

সরল পথ   সদালাপ    বিজ্ঞানসকুল