বিকাশ প্রিয় নাম্বার সেট করার নিয়ম

বিকাশে সেন্ড মানি ফি প্রযোজ্য হবেনা ৫ টি প্রিয় বিকাশ নাম্বারের ক্ষেত্রে। অর্থাৎ বিকাশ প্রিয় নাম্বার সেট করলে সম্পূর্ণ  বিনামূল্যে বিকাশে সেন্ড মানি করা যাবে। চলুন জেনে নিই, কিভাবে বিকাশ প্রিয় নাম্বার সেট করতে হয়, বিকাশে প্রিয় নাম্বার সেট করার সুবিধা ও শর্তসমুহ।

বিকাশ প্রিয় নাম্বার এর সুবিধা

৫টি বিকাশ প্রিয় নাম্বারে ২৫ হাজার টাকা পর্যন্ত সেন্ড মানি বিনামূল্যে করা যাবে। প্রিয় নাম্বারে বিনামূল্যে সেন্ড মানি এর শর্তসমুহ হলোঃ

  • প্রিয় নাম্বারগুলোতে প্রতি ক্যালেন্ডার মাসে ২৫,০০০ টাকা পর্যন্ত সেন্ড মানি করতে কোনো চার্জ প্রযোজ্য হবে না
  • প্রতি মাসে ২৫,০০০.০১ টাকা থেকে ৫০,০০০ টাকা পর্যন্ত প্রিয় নাম্বারে লেনদেনের ক্ষেত্রে ৫ টাকা চার্জ প্রযোজ্য হবে
  • প্রিয় নাম্বারে মাসিক লেনদেন ৫০,০০০ টাকার বেশি হলে, প্রতি লেনদেনের ক্ষেত্রে  ১০ টাকা চার্জ প্রযোজ্য হবে

অ্যাপ ব্যবহার করে বিকাশ প্রিয় নাম্বার সেট – bKash Priyo Number Add using App

বিকাশ অ্যাপ ব্যবহার করে বিকাশ প্রিয় নাম্বার সেট করতেঃ

  • বিকাশ অ্যাপে প্রবেশ করুন
  • পিন দিয়ে লগিন করুন
  • “সেন্ড মানি” লেখায় ক্লিক করুন
  • “প্রিয় নাম্বারের তালিকা দেখুন” লেখায় ক্লিক করুন
  • প্রদর্শিত পেজে আপনার প্রিয় নাম্বারের তালিকা (যদি থাকে) দেখতে পাবেন
  • বিকাশ প্রিয় নাম্বার সেট করতে নিচের দিকে থাকা “যোগ করুন” এ ক্লিক করুন
  • এরপর যে নাম্বারটি বিকাশ প্রিয় নাম্বার হিসেবে সেট করতে চান, সেটি লিখুন বা সিলেক্ট করুন
  • এরপর বিকাশ একাউন্টের পিন দিয়ে সাবমিট করলেই উক্ত নাম্বার বিকাশ প্রিয় নাম্বার হিসেবে সেট হয়ে যাবে।

ইউএসএসডি ব্যবহার করে বিকাশ প্রিয় নাম্বার সেট – bKash Priyo Number Add using USSD

*২৪৭# ডায়াল করেও বিকাশ প্রিয় নাম্বার সেট করা যাবে। *২৪৭# ডায়াল করে বিকাশ প্রিয় নাম্বার সেট করতেঃ

সর্বশেষ প্রযুক্তি বিষয়ক তথ্য সরাসরি আপনার ইমেইলে পেতে ফ্রি সাবস্ক্রাইব করুন!

সাবস্ক্রাইব

  • *247# ডায়াল করুন
  • My Bkash এ প্রবেশ করতে 8 লিখে রিপ্লাই দিন
  • 4 লিখে রিপ্লাই দিয়ে Priyo Numbers মেন্যুতে প্রবেশ করুন
  • 1 লিখে রিপ্লাই করুন
  • প্রিয় নাম্বার এড করতে 1 লিখে রিপ্লাই করুন
  • এরপর যে নাম্বারটি প্রিয় নাম্বার হিসেবে সেট করতে চান
  • এরপর উক্ত প্রিয় নাম্বারের যে নাম দিতে চান, তা লিখুন
  • এরপর আপনার বিকাশ পিন লিখে রিপ্লাই করলেই প্রিয় নাম্বার এড হয়ে যাবে।

ইন্টারনেট জগত সম্পর্কে ১০ টি আশ্চর্য সত্য

ছবি – Shutter Stock

আজকে আপনাদের সাথে শেয়ার করবো ইন্টারনেট জগত সম্পর্কে ১০ টি আশ্চর্য সত্য যা শুনলে হয়তো আপনি থমকে যাবেন। আমি নিজেও অবাক হয়ে গিয়েছিলাম কথা গুলো শুনে।

১) ইন্টারনেট ব্যবহারকারির সংখ্যাঃ

আমরা অনেকেই ইন্টারনেট ব্যবহার করি এবং জানি যে এটার গুরুত্ব অনেক। কিন্তু কেউ কি জানেন ইন্টারনেট ব্যবহারকারির সংখ্যা কি হারে বাড়ছে?

২০০২ সালে ইন্টারনেট ব্যবহারকারির সংখ্যা ছিল মাত্র ৬০০ মিলিয়ন আর এখন সেটা এসে দাঁড়িয়েছে ২.২ বিলিয়নে। এক দশকে প্রায় ৩৬৭% বেড়েছে।

ভবিষ্যতে কত হবে সেটা ভাবতে পারছেন? এমন একদিন হয়তো আসবে যখন ইন্টারনেট যে ব্যবহার না করবে তাকে পাগল বলবে মানুষ। 😛

২) ফেসবুক সম্পর্কে একটি আশ্চর্য সত্যঃ

আমরা সবাই ফেসবুকে ছবিতে, স্ট্যাটাসে লাইক দেই কিন্তু আমরা কি জানি প্রতিদিন কতটা লাইক হচ্ছে? বর্তমানে ফেসবুকের অ্যাক্টিভ ব্যবহারকারির সংখ্যা হচ্ছে ১.২১ বিলিয়ন। সবাই প্রতিনিয়ত ছবি ভিডিও আপলোড করছে। এখন চলুন সেই আশ্চর্য সত্যটা জানি,

ফেসবুকে প্রতিদিন ৫০০ টেরাবাইট ডাটা আদান প্রদান হয়, প্রতিদিন প্রায় ২.৭ বিলিয়ন লাইক হয় এবং ৩০০ মিলিয়ন ছবি আপলোড হয়।

১০২৪ গিগাবাইটে হয় ১ টেরাবাইট,  প্রতিদিন ৫০০ টেরাবাইট ডাটা আদান প্রদান কি বাড়ির কাছে? আমি নিজেই প্রতিদিন অন্তত ১ এমবি আপলোড করি 😛 (Proud)

৩) স্প্যামিং সম্পর্কে একটি তথ্যঃ

স্প্যামাররা অনেক সচেতন! 😀 সোশাল মিডিয়াতে আমরা যেসব লিঙ্ক দেখি তার অনেক গুলোই স্প্যাম যেখানে ক্লিক করলে আপনার অনেক ক্ষতি হয়ে যেতে পারে।

আমরা ফেসবুক টুইটার সহ অন্যান্য সোশাল মিডিয়াতে যেসব অ্যাকাউন্ট দেখি তার শতকরা ৪০ ভাগ অ্যাকাউন্ট স্প্যামারদের খোলা। সকল মেসেজের মধ্যে শতকরা ৮ ভাগ মেসেজ পাঠানো হয় স্প্যামারদের দ্বারা।

আমি কয়েকদিন পর পর মেসেজ পাই, আফ্রিকান কোন মেয়ের ছবি দেওয়া প্রোফাইল থেকে পাঠায়, এমন সুন্দর করে কথা বলে যেন আমি তার হাজার বছরের পরিচিত। এদের একটা লক্ষন হল আপনার সাথে ফেসবুকে কথা বলবে না বরং মেইল চাইবে। এরকম দেখলেই সাবধান হয়ে যাবেন, অনেকেই আছেন এমনকি একসময় আমি নিজেও এমনটা করতাম, যেকোনো মেয়ে দেখলেই চ্যাট করতে ইচ্ছা করতো 😛 তবে এখন থেকে সতর্ক থাকবেন, বাংলাদেশি মেয়েদের (হয়তো আপনার ভাই-ব্রাদার :D) সাথে চ্যাট করেন কিন্তু আফ্রিকান মেয়েদের সাথে কইরেন না।

৪) গুগল সার্চ সম্পর্কে একটি সত্যঃ

হেহেহেহে! মামার কথা আর কি বলবো, কদিন পর পর শুনি এই কম্পানিকে গুগল কিনে নিয়েছে ঐ কম্পানিকে গুগল কিনে নিয়েছে। সে শুধু বড় হচ্ছেই, এখন পর্যন্ত প্রায় ১৪৫ টার মতো কম্পানি গুগল কিনেছে/মার্জ করেছে। এই গুগল যে একদিন কত বড় হবে তা ভাবলেই আমার মাথা ঘুরে। 😀

প্রতি মাসে গুগল ১০০ বিলিয়ন সার্চ করে তার মানে হল প্রতি সেকেন্ডে প্রায় ৪০, ০০০ সার্চ রেসাল্ট আমাদেরকে দেয়।

যেদিন শুনেছিলাম যে পৃথিবীর প্রথম মোবাইল ফোন তৈরিকারী কম্পানি মটোরোলাকে কিনে নিয়েছে গুগল সেদিন আসলেই অবাক হয়েছিলাম। এত বড় একটা কম্পানি যেটা কিনতে গুগলকে গুনতে হয়েছে ১২.৫ বিলিয়ন ইউএস ডলার। তাছাড়া ব্লগার, অ্যান্ড্রয়েড, ইউটিউব, প্লিঙ্ক, ওয়েয, পিকাসা এসব তো আছেই।

৫) ওয়েবকেম সম্পর্কে একটি মজার তথ্যঃ

প্রযুক্তির যত সব নতুন নতুন আবিষ্কার দেখি তার সবগুলোই কোন না কোন প্রয়োজনবোধ থেকে এসেছে। ওয়েবকেম নিঃসন্দেহে একটি আশ্চর্য আবিষ্কার যদিও এখন আমাদের কাছে তেমন আশ্চর্য মনে হয় না।

কেমব্রীজ ইউনিভার্সিটির কয়েকজন অলস ছাত্ররা ওয়েবকেম আবিষ্কার করেছে, তাদের উদ্দেশ্য ছিল নিজের রোমে বসে কফি রোমের খবর রাখা।

Trojan Room coffee pot একটি কফি রাখার পাত্র ছিল কেমব্রীজ ইউনিভার্সিটিতে। ওয়েবকেমটা বানানো হয়েছিল যেন সেই পাত্রের কফি শেষ হয়ে যাচ্ছে কিনা তা দেখার জন্য যেন বার বার ঐ রোমে না যেতে হয়। ওদের মতো অলস হতে পারলেও ভালো 😛 অলসতার বহিঃপ্রকাশ হল আজকের নিরাপত্তা ব্যাবস্থায় ব্যাবহৃত শক্তিশালী ক্যামেরা।

Dr. Quentin Stafford-Fraser এবং Paul Jardetzky এই দুজন হলেন প্রথম ওয়েবকেমের নির্মাতা।

৬) প্রথম ওয়েবসাইটঃ

স্যার টিম বার্নাস লী লন্ডনে জন্ম নেওয়া একজন পদার্থবিধ। তিনি চিন্তা করেছিলেন এমন একটি হাইপারলিঙ্কের কথা যার দ্বারা পৃথিবীর সবাই যুক্ত থাকবে। সেই মহৎ ব্যক্তির অসাধারন আবিষ্কারকে মানুষ উন্নতির চরম পর্যায়ে নিয়ে গেছে।

info.cern.ch হল বিশ্বের প্রথম ডোমেইন/ওয়েব সার্ভার। ১৯৯১ সালের আগস্ট মাসের ৬ তারিখে এটি পাবলিশ করা হয়।

আপনারা ইচ্ছা করলে এখনি সেই ওয়েবসাইট থেকে ঘুরে আসতে পারেন (নাহ এখন না, টিউনটা শেষ করে নিন :P) সাইটটা এখনো আগের মতোই আছে, সাদামাটা করে রেখে দেওয়া হয়েছে যেন ইতিহাসটা অক্ষুন্ন থাকে।

৭) সবচেয়ে দামি ডোমেইনঃ

সহজ এবং সুন্দর নামের ডোমেইন সবার কাছেই পরিচিত। আমি নিজে Yahoo তেমন ব্যবহার না করলেও Yahoo নামের ডোমেইনটা আমার প্রিয়। এই সুন্দর এবং সহজে মনে রাখার মতো ডোমেইন গুলো বিক্রি হয় অনেক দামে। আসুন দেখি এখন পর্যন্ত পৃথিবীর সবচেয়ে দামি ডোমেইনের নাম গুলো।

সবচেয়ে দামি ডোমেইনের নাম হল insure.com দাম, ১৬ মিলিয়ন ডলার। দ্বিতীয় দামি ডোমেইনের নাম হল sex.com যার দাম ১৪ মিলিয়ন ডলার।

অনেকেই ভাবছেন তাহলে গুগল বা ফেসবুকের ডোমেইনের দাম কত? এখানে যে নাম দুইটা দিলাম সেগুল কোন কম্পানি না, শুধু একটা ওয়েবসাইট অ্যাড্রেস। দ্বিতীয় ডোমেইনটার দাম কেন যে এত বেশি হল সেটা হয়তো সবাই বুঝতে পেরেছেন। প্রথমটার কারন আমি নিজেও বুঝি নাই (insurance একটি ভালো বিজনেস এটা বুঝি :D)

৮) দেশভিত্তিক ইন্টারনেট ব্যবহারকারির সংখ্যাঃ

অন্যান্য দেশের কথা জানার আগে আসুন দেখে নেই আমাদের দেশে ইন্টারনেট ব্যবহারকারির সংখ্যা কত।

  • ২০০৫ সালে বাংলাদেশে ইন্টারনেট ব্যবহারকারির হার ছিল ০.২%
  • ২০০৬ সালে ১%
  • ২০০৭ সালে ১.৮%
  • ২০০৮ সালে ২.৫%
  • ২০০৯ সালে ৩.১%
  • ২০১০ সালে ৩.৭%
  • ২০১১ সালে ৫%
  • ২০১২ সালে ৬.৩%

ভারতে ২০১২ সালে ইন্টারনেট ব্যবহারকারির হার ছিল ১২.৬% এবং একই সালে পাকিস্তানে ছিল ১০%।

এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি ইন্টারনেট ব্যবহারকারির সংখ্যা রয়েছে Iceland-এ ৯৭.৮% ইউএসএ তে ৭৮.৩% চিনে ৩৮.৪% এবং সবচেয়ে কম ইন্টারনেট ব্যবহারকারী দেশ হল উত্তর কোরিয়া যেখানে ০% মানুষ ইন্টারনেট ব্যবহার করে।

আমি সবচেয়ে বেশি আশ্চর্য হয়েছিলাম এই তথ্যটা জেনে,  Iceland ছোট একটা দেশ অনেকে হয়তো এই দেশের নাম শুনেননি অথচ তারাই ইন্টারনেট ব্যবহারে এগিয়ে আছে। সমস্যা নেই আমারাও এগিয়ে জাচ্ছি, আমি তো ফেসবুকের নাম শুনেছিলাম কলেজে এসে কিন্তু এখন ক্লাস সিক্সের পলাপাইনও জানে এবং ফেসবুক ব্যবহার করে। 😀

৯) সবচেয়ে বেশি বই লেখকঃ

Philip M. Parker হলেন INSEAD নামের একটি বিজনেস স্কুলের একজন প্রফেসর। আমরা জানি বই লিখতে একটি টাইটেল লাগে, কি কি টপিক থাকবে তা লাগে,  একটা একক ISBN (International Standard Book Number) লাগে, কভার পেজ লাগে, বেক কভার লাগে আর কি! সবচেয়ে বড় কথা হল বই লিখতে জ্ঞান লাগে।

Philip M. Parker এখন পর্যন্ত প্রায় ২০০০০০ টি বই লিখেছেন। তিনি হলেন পৃথিবীর সবচেয়ে বেশি বইয়ের লেখক।

এই বেক্তির এত কঠিন কাজকে সহজ করেছে কম্পিউটার এবং ইন্টারনেট। ভদ্রলোক গণিত, জীববিজ্ঞান এবং অর্থনীতিতে অনার্স করেছেন (আমারতো একটা নিয়েই টানাটানি :P) বই লিখা সহজ কোন কাজ না, বই হল মানুষের দিক নির্দেশনা আর সেটা যদি ভুল দিকে যায় তাহলে সব শেষ!

১০) ইন্টারনেটের ওজনঃ

ইন্টারনেটেরও আবার ওজন আছে? শুনলে মাথা ঘুরবে না তো কি করবে? তবে কথাটা সত্যি, এই ইন্টারনেট জগতের একটা সত্যিকারের ওজন আছে। আর সেই ইন্টারনেটের ওজনের পরিমাণ শুনলে তো আপনার মাথা আরো ঘুরবে 😛

ইন্টারনেটে যেসব তথ্য আছে তার ওজন 2.0 × 10-7 ounces

গনিতবিদ কোন ভাই থাকলে একটু সাড়া দেন, আমার মাথা লাঠিমের মতো ঘুরতাসে 😛 যাই হোক এই ওজনটা সম্পর্কে একটু ধারনা আমি দিয়ে দেই ১ আউন্স=২৮.৩৪৯৫ গ্রাম। আমার মতো এবারো অনেকেই ওজনের পরিমাণটা বুঝবেন না 😀 আমার মতো অংকে কাচা ব্যক্তিবর্গের জন্য বাংলা হিসাব দিলাম 😛

একটা ক্ষুদ্রতম বালির কণার ওজন যতটুকু হবে ততটুকু ওজন হল ইন্টারনেট নামের এই দৈত্যটার।

উপসংহারঃ

অনেকগুলো আশ্চর্য তথ্য দিলাম, এবার বোনাস হিসেবে আরেকটি আশ্চর্য এবং খুবী দুঃখের খবর জানাতে চাই।

ইন্টারনেটে যেসব সার্চ হয় তার তিন ভাগের একভাগ হল খারাপ ভিডিও/ছবি নিয়ে :(ধারনা করা হয়েছে, ইন্টারনেটে যত ছবি আছে তার ৮০ ভাগ হল উলঙ্গ মেয়েদের ছবি। :'(

@https://www.techtunes.io/tuner/mad-singer-sohag

যে সকল মহান ব্যক্তিদের কারনে আমরা পেয়েছি আজকের এই ফটোশপ এবং ফটোশপ এর ইতিহাস সহ পেছনের কিছু গল্প

গ্রাফিক ডিজাইনারগন মুলত তিনটি প্রোগ্রামেই তাদের ডিজাইন কাজটি করে থাকেন। তার মধ্যে এডবি ফটোশপ হলো ইমেজ এডিটিং এর জন্য পৃথিবীর সেরা প্রোগ্রাম। অন্যদিকে এডবি ইলাষ্ট্রেটর ভেক্টর ভিত্তিক ডিজাইনের জন্য, এডবি ইনডিজাইন প্রিন্টিং ও প্রেসের প্রজেক্টগুলোর কাজে খুব বেশি পরিমানে ব্যবহৃত হয়।

ছবি – Shutter Stock

আজ শুধুই এডবি ফটোশপের আলোচনা। ফটোশপকে আমরা সবাই অনেক ভালোবাসি কারন পেশাদার ডিজাইনার থেকে শুরু করে ফটোগ্রাফার এমনকি শখের বসে যারা ফটো এডিটিং করেন তারাও ফটোশপ দিয়েই তাদের কাজ করেন। ফটোশপের ব্যবহার অনেক সহজ, টুলস গুলো সুন্দরভাবে সাজানো এমনকি একটি ডিজাইনকে চমকপ্রদ করে তুলতে যা যা করা লাগে প্রায় সবকিছুই ফটোশপে রয়েছে। তাই ফটোশপ ডিজাইনার, ফটোগ্রাফারদের কাছে এত জনপ্রিয়।

কিন্তু বলতে কিছুটা খারাপ লাগলেও এটাই সত্য যে আমরা অনেকেই ফটোশপের উৎপত্তি থেকে শুরু করে আজকের অবস্থানে আসার ইতিহাস, কোন কোন মহান ব্যক্তিদের পরিশ্রমের ফসল হিসেবে ফটোশপ পেয়েছি তা জানিনা। আর এই অজানা বিষয়কে জানার জন্য আজকের লেখা। আলোচনার বিষয়টিকে আমরা ঘুরিয়ে এভাবেও বলতে পারি

“যে সকল মহান ব্যক্তিদের কারনে ফটোশপ পেয়েছি আমরা তাদের সম্মন্ধে বিস্তারিত জানব আমরা আজই”

কারা সেই মহান ব্যক্তি আসুন জেনে নেইঃ

Thomas knoll পেশায় একজন সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার। জন্ম আমেরিকার Michigan, গ্রেজুয়েশান শেষ করেন University of Michigan  থেকে। তার ভাই Jhon knoll যিনি পেশায় Visual effects supervisor. তাদের বাবা Glen knoll ছিলেন University of Michigan  এর একজন প্রফেসর।

সময়টা ১৯৮৭ সাল। তখন Thomas knoll একজন Phd student.  তিনি Macintosh Plus  এর জন্য একটি গ্রাফিক এপ্লিকেশন ডেভলপ করেন। এই এপ্লিকেশনটি এক কালারের পর্দায় সাদা-কালো ছবি শো করতে ব্যবহার হত। Knoll  এটির নাম দিয়েছিলেন Display. মূলত এই display এপ্লিকেশনটিকে Father of photoshop বলা যায়্।

Thomas knoll এর ভাই Jhon knoll প্রোগ্রামটি দেখলেন। Jhon knoll ফটোর প্রতি অতিমাত্রায় আগ্রহী ছিলেন। Jhon  তার ভাই Tom কে একটি ফটো এডিটিং প্রোগ্রাম বানানোর জন্য রাজি করালেন। তখন Thomas knoll তার চলমান শিক্ষা জীবন থেকে ৬ মাসের বিরতি নিয়ে তৈরি করেন ফটো এডিটিং প্রোগ্রাম যেটির নাম দিতে চেয়েছিলেন Image pro. কিন্তু কপিরাইট সংক্রান্ত জটিলতার কারনে সে নামের বদলে আমরা পেয়ে যাই ফটোশপের প্রথম ভার্সন ফটোশপ ০.৭। দুই ভাইকে একটু দেখে নেই-

Thomas Knoll

Jhon Knoll

ফটোশপের শুরু দিকের ভার্সনগুলোঃ

ফটোশপ ১.০

সেপ্টেম্বর ১৯৮৯ এডবি কর্পরেশন ফটোশপ প্রোগ্রামটি কিনে নেওয়ার পর এর ফিচার এ ব্যাপক পরিবর্তন আসে। ১ ফেব্রুয়ারী ১৯৯০ ডিজিটাল কালার এডিটিং ও ইমেজ রিটাচিং সহ ফটোশপ ১.০ ভার্সন রিলিজ হয়। SciTex এর মত উচ্চমানের ফ্ল্যাটফরমে ব্যবহারের জন্য এটি চালু হয় এবং সাধারন মানের একটি Photo retouching এর জন্য ৩০০ ডলার ব্যয় করতে হত তখন।

ফটোশপ ২.০

জুন ১, ১৯৯০ আর নতুন ফিচার যুক্ত করে ফটোশপ ভার্সন ২.০ রিলিজ করে। এই ভার্সনে যুক্ত করা হয় adding Paths, CMYK color and the Pen tool এর মত গুরুত্বপূর্ন ফিচারগুলো।

১৯৯০ সালের নভেম্বর মাসে সর্বপ্রথম উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমে চালানোর উপযোগী করে ফটোশপ ২.৫ রিলিজ করা হয়। এই ভার্সনেই ফটোশপে প্যালেট যুক্ত করা হয়।

১৯৯৪ সালে ফটোশপ ৩.০ রিলিজ হয়। এই ভার্সনে ফটোশপের লেয়ার প্যানেল যুক্ত করা হয়। এই লেয়ার যুক্ত হওয়ার ফলে ডিজাইনারদের কাজ অনেক সহজ হয়ে যায়। অনেক জটিল বিষয় সহজ হয়ে যায়। আসলে সবই সম্ভব হয়েছে Thomas Knoll এর জন্য।

ফটোশপ ৪.০

প্রায় দুই বছর পর ফটোশপের পরবর্তী ভার্সন ফটোশপ ৪.০ রিলিজ হয়। এই ভার্সনে যুক্ত করা হয় Adjustment layer ও  macro ফিচারদুটি। এছাড়াও ফটোশপের user interface  যুক্ত করা হয় এই ভার্সনে। একটু ভেবে দেখুন ডেভেলপারদের অক্লান্ত পরিশ্রম না থাকলে এ্কটি ইমেজে ওয়াটারমার্ক দিতে আমাদেরকে কতইনা কষ্ট করতে হত আজও।

ফটোশপ ৫.০

১ মে ১৯৯৮ ফটোশপের ভার্সন ৫.০ রিলিজ করা হয়। Editing type, Undo command, History panel, Magnetic lasso tool প্রভৃতি ফিচার চালু করা হয় এই ভার্সনে। ইমেজ এডিটিং এ কিছু বিষয় কত সহজ হয়ে গিয়েছে এই ভার্সনটি রিলিজ হওয়ার পর। এরপর মাত্র ১ বছর পর ফটোশপ ৫.৫ রিলিজ করা হয়। এই ভার্সনে Save for web  ফিচারটি যুক্ত করা হয়। আর এর সাথে সাথে PNG ফরমেট এ ইমেজ এক্সপোর্ট করার ব্যবস্থাও পেয়ে যায়।

ফটোশপ ৬.০

বিংশ শতাব্দীর একেবারে শেষপ্রান্তে ফটোশপ ৬.০ রিলিজ হয়। ভেক্টর শেপ, টাইপ টুল, ব্লেনডিং অপশান প্রভৃতি ফিচার যুক্ত করা হয় এই ভার্সনে। এই ভার্সনে টাইপ টুল হয়েছে আরও সহজ। চোখ ধাধাঁনো এফেক্ট দেওয়ার জন্য ব্লেনডিং মোড এই ভার্সনেই পরিপূর্নতা পায়।

ফটোশপ ৭.০

ফটোশপ ৬.০ রিলিজ হওয়ার ঠিক ২ বছর পর এ যাবত কালের সবচেয়ে জনপ্রিয় ও বহুল ব্যবহৃত ভার্সন ফটোশপ ৭.০ রিলিজ হয়। খুব সহজে ফাইল ও ফোল্ডার ব্রাউজ করার জন্য ফাইল ব্রাউজার, ব্রাশ ও প্যাচ টুল যুক্ত হয় এই ভার্সনেই। ফটোশপের পূর্ন রুপ বলতে আমরা এই ভার্সনকেই বুঝি। আজও অনেক বড় বড় বিখ্যাত ডিজাইনগন ফটোশপ ৭.০ তে কাজ করেন।

ফটোশপ ‍ক্রিয়েটিভ স্টুডিও (সিএস ৮.০)

যেহেতু ফটোশপের ডেভলপমেন্ট একটি চলমান প্রক্রিয়া হিসেবে চলছে। ডেভেলপারগন অক্লান্ত পরিশ্রম করছে নিত্যনতুন ফিচার যোগ করার কাজে। ২০০৩ সালে ডিজাইনারদের প্রয়োজনীয় সবকিছু, গ্রাফিক ডিজাইনে লে-আউট ফিচার, ফটোগ্রাফির সবকিছু যুক্ত করে ফটোশপ রিলিজ করে ফটোশপ ৮.০ (সিএস)। Script, language, grouping of layer  প্রভৃতি ফিচার যুক্ত করা হয় এতে। যা কিনা এই প্রোগ্রামটির অন্য এক উচ্চতায় নিয়ে যায়।

ফটোশপ সিএস ২

২০০৫ সালে ফটোশপ সিএস ২ ভার্সন রিলিজ হয়। Red-eye removal tool, Vanishing point tool, Smart object এর মত ফিচার নিয়ে আসে এই ভার্সনে যার সাহায্যে ফটোশপের এডিটিং হয়ে উঠে কোন ধরনের Quality লস করা ছাড়াই। সত্যিই ধন্যবাদ দিতে হয় ডেভেলপার টিমের প্রত্যেকটি সদস্যকে।

ফটোশপ সিএস ৩.০

২০০৭ সালে ফটোশপ সিএস ৩.০ রিলিজ হওয়ার পর এই সফটাও্য়্যারে আমরা বৈপ্লবিক পরিবর্ফতন দেখতে পাই। টূলস এ ব্যাপক পরিবর্তন আসে। এর নেভিগেশান প্রক্রিয়া ফটোশপে কাজ করাকে আর দ্রুততর করে তোলে। ক্যামেরা র ও কুইক সিলেকশান টুলের মত চমতকার বিষয়গুলো যুক্ত হয় এই ভার্সনে।

ফটোশপ সিএস ৪

২০০৮ সালে ফটোশপের নতুন ভার্সন সিএস ৪ আসে। Panning, Zooming, Masking, Adjustment panel ফিচারগুলোকে আধুনিক করে ডিজাইনার কাজকে আরও দ্রুতগতির ও আর চমকপ্রদ করার বিভিন্ন কমান্ড আসে এই ভার্সনে।

ফটোশপ সিএস ৫

২০১০ সালে ফটোশপ সিএস ৫ রিলিজ হয়। এই ভার্সনে যুক্ত হয় Puppet Warp Tool, Bristle tips, Mixer Brush and Automatic Lens correction প্রভৃতি ফিচারগুলো। Masking ফিচারটিকে আরও আধুনিক করা হয় এই ভার্সনে।

ফটোশপ সিএস ৬

মে ৭, ২০১২ বহুল প্রতিক্ষিত ফটোশপ সিএস ৬ রিলিজ হয়। এই ভার্সনে সম্পূর্ন নতুন একটি ইউজার ইন্টারফেস আমরা পেলাম। যাতে নিজেদের সুবিধা মত কালার এডজাস্ট করা সম্ভব। Auto saving, patch tool, move tool, blur gallery, vector shape with dash and dotted stroke প্রভৃতি নতুনভাবে সংযোজন করা হয়েছে। অর্থাৎ ফটোশপকে পরিপূর্ন করার যা প্রয়োজন সবই করা হয়েছে এই ভার্সনে। ভিডিও, এনিমেশন তৈরি করা অনেক সহজ হয়েছে এই ভার্সন আসার পর।

ফটোশপ Creative Cloud (সিসি)

ফটোশপ সিএস ৬ এর মজা পুরোপুরি নিতে পারলামনা। ঝড়ের বেগে রিলিজ হয়ে গেল ফটোশপের একেবারে লেটেস্ট ভার্সন Photoshop creative cloud (CC). এটি মূলত আসে সফটওয়্যার পাইরেসি কমানোর লক্ষ্যে যাতে করে এডবি কোম্পানি তাদের খরছটা কমাতে পারে। যে কারনে তারা ব্যবহারকারীদের জন্য কিছু অর্থ এর বিনিময়ে এটি এডবি থেকে ব্যবহার করার সুযোগ/সেবাটি রেখেছে।

Smart sharpen ও Camera sharp reduction এর মত অবিস্বাশ্য কিছু ফিচার যোগ করা হয়েছে এই ভার্সনে।

উপরের আলোচনা থেকে আমরা যদি একটু পিছন ফিরে তাকাই তাহলে দেখব Thomas Knoll ও Jhon Knoll ভাইদ্বয়ের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় Display দিয়ে যা শুরু হয়েছিল তার আধুনিক সংস্করন হলো বর্তমান ফটোশপ সিসি। বর্তমান ভার্সনটি দিয়েই গ্রাফিক ডিজাইন, ওয়েব ডিজাইনের প্রয়োজনীয় কাজ, ভিডিও এডিটিং, সীমিত এনিমেশন প্রভৃতি খুব সহজেই করা সম্ভব। এডবি কোম্পানির ডেভেলপার গন যে ভ্রত নিয়ে  সামনে এগিয়ে যাচ্ছে তাতে আমরা ভবিষ্যতে ফটোশপকে অন্য ভুমিকায় আর অত্যাধুনিক চেহারায় দেখলেও অবাক হওয়ার কিছু থাকবেনা। আমরা সবাই সে অপেক্ষায় থাকি এবং বর্তমান পর্যায়ে যতটুকু পেয়েছি তার সুধা পান করি।

“আমরা সবাই ফটোশপ ভালোবাসি”

আপনার জন্য অনলাইন ফটো এডিটর

আমার মনে হয় সেই দিন আর বেশি দুরে না যখন বেশিরভাগ মানুষই ওয়েব বেসড্ অ্যাপ্লিকেশনের (Web Based Application) ফ্যান হয়ে পরবে। ওয়েব বেসড্ অ্যাপ্লিকেশনের সবচেয়ে বড় সুবিধা হল আপনি যে কোন পিসি থেকে রান করতে পারবেন (সাধারনত ব্রাউজারে)। আর বেশিরভাগ ক্ষেত্রে আপনি আপনার কাজ অনলাইনেও সেভ করতে পারবেন। এড়াতে পারবেন ডেস্কটপ বেসড্ অ্যাপ্লিকেশানের ইন্সটল করার মত ঝামেলাকে এড়াতে পারবেন এবং আবার ওয়েব সার্ভিসের সাথেও ইন্টারকানেক্টেড থাকতে পারবেন। নিচে আপনাদের কাছে কয়েকটি জনপ্রিয় ইমেজ এডিটর কে তুলে ধরালাম –

পিক্সএলআর

এটি খুবই জনপ্রিয় ফ্ল্যাশবেসড্ ইমেজ এডিটর যার জিআইইউ অনেকটা অ্যাডোবির ফটোশপের মতই। Pixlr API যার ডেভেলপিং এখনও চলছে, এর মাধ্যমে আপনার ব্লগের, ওয়েবসাইট অথবা ওয়েব অ্যাপ্লিকেশানের সাথে পিক্সএলআরের এর একটি ইন্টারকানেকশান তৈরী করতে পারবেন। এর স্মার্ট ওয়্যান্ড টুলের সাহায্যে আপনি সহজেই সদৃশ্যমান এবং বৈশাদৃশ্যমান পিক্সেলকে অটোম্যাটিকালি সিলেক্ট করতে পারবেন (ঠিক ফটোশপের ম্যাজিক ওয়্যান্ড টুলের মত)।

pixer.us

আপনি যদি সিম্পল কোন ওয়েব বেসড্ ইমেজ এডটিং টুলের সন্ধানে থেকে থাকেন তাহলে এই টুলটি আপনার জন্যে সুইটেবল হতে পারে। এর ইন্টারফসটি খুবই সিম্পল এবং এতে আছে ইউজফুল ফটো এডিটিং ফিচার যেমন – ক্রপিং, রিসাইজিং এবং রোটেটিং। এর আরো আছে কালার অ্যাডজাস্টমেন্ট অপশন  – স্যাচিউরেশন, ব্রাইটনেস এবং কন্ট্রাস্ট অ্যাডজাষ্টমেন্ট। আপনি চাইলে আপনার কাজ PNG, JPG, GIF, অথবা BMP ফরম্যাটে সেভ করতে পারবেন।

ফটোফ্লেক্সার

ফটোফ্লেক্সার এর ফিচারের ছড়াছড়ি থাকলেও এটা ব্যবহার করা কিন্তু খুবই সিম্পল। আপনি চাইলে ফটোফ্লেক্সার এর ডেমো পজেটি দেখতে পারেন। এতে আপনি ইন্সট্যান্টলি কিছুটা হলেও এই টুলের ব্যাপারে অনেকটা আইডিয়া পাবেন। এতেও আপনি পাচ্ছেন সকল কমন ফটো এডিটিং ফিচার। এটিও ফ্লিকার, পিকাসা, ফটোবাকেট, ফেসবুক, মাইস্পেস এর সাথেও ইন্টিগ্রটেড।

স্যুমো পেইন্ট

এটি আপনাকে ইমেজ ক্রিয়েট এবং এডিটিং এর এনভাইরোমেন্ট করে দিয়েছে। ইউনিক শেপ ড্র করার জন্যে আছে এর শেপ ড্রয়িং টুল। হাই কোয়ালিটির ব্রাশের সেট, স্কেল সেট করার জন্যে ট্রান্সফর্ম টুল এবং আরো কয়েকটি ফিচার।
আশা করি আপনাদের ভালো লাগবে।

গ্রামীণফোন ইন্টারনেট প্যাকেজ ও অ্যাক্টিভেশন কোড সমূহ – ২০২০

নতুন আঙ্গিকে ও হালনাগাদকৃত দামে ইন্টারনেট প্যাকেজ চালু করেছে গ্রামীণফোন। এর সাথে অধিকতর ডেটা ভলিউম সমৃদ্ধ প্যাকেজ সহ ডেটা সার্ভিসে বেশ কিছু উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন আনছে দেশের বৃহত্তম এই মোবাইল অপারেটর কোম্পানি।

বর্তমানে গ্রামীণফোনে মূলত সবই ফোরজি ইন্টারনেট প্যাকেজ পাওয়া যাচ্ছে। এগুলো সবই আপনি টুজি/ থ্রিজি/ফোরজি নেটওয়ার্কে ব্যবহার করতে পারবেন। আর ফ্লেক্সি প্ল্যান তো রয়েছেই

গ্রামীণফোন ইন্টারনেট প্যাকেজ ও অ্যাক্টিভেশন কোড সমূহ ২০২০ সাল

(জুন মাসে এগুলোর দাম বেড়েছে। পোস্টের শেষ ছকে এক্টিভেশন কোড এবং নতুন দাম দেখুন)

১.৫ জিবি (মেয়াদ ৩০ দিন) প্যাকেজের বর্তমান দাম ২৪৭ টাকা। নতুন ১ জিবি ইন্টারনেট প্যাকেজের দাম ১৮৯ টাকা যা কিছুদিন আগে ছিলনা। এটির মেয়াদও ৩০ দিন। আরও আছে ৫ এমবি ২.৬২ টাকা (৩দিন), ২ এমবির প্যাকেজ এখন আর সাইটে দেখাচ্ছেনা, ৩৫০ এমবি ৩৩ টাকা (৩ দিন), ২৬ এমবি হোয়াটসঅ্যাপ ২.৬১ টাকা (৩ দিন), ৫জিবি ৩৯৯ টাকা (৩০ দিন), ১ জিবি ৮৯ টাকা (৭ দিন), ৩জিবি ২৮৯ টাকা (৩০দিন), ২জিবি ৫৪ টাকা (৩ দিন) প্রভৃতি প্যাক।

সকল জিপি ইন্টারনেট প্যাকেজ এখানে তুলে দেয়া হল। শেষের ছকে অ্যাক্টিভেশন কোড দেয়া আছে। বড় করে দেখতে চাইলে ছবির ওপর ক্লিক করুন।

রেগুলার জিপি ইন্টারনেট প্যাকেজ সমূহ (জুন মাসে এগুলোর দাম বেড়েছে। পোস্টের শেষ ছকে এক্টিভেশন কোড এবং নতুন দাম দেখুন)

জিপি ইন্টারনেট অফার প্যাকেজ সমূহ (জুন মাসে এগুলোর দাম বেড়েছে। পোস্টের শেষ ছকে এক্টিভেশন কোড এবং নতুন দাম দেখুন)

জিপি ইন্টারনেট ৪জি স্পেশাল প্যাকেজসমূহ (জুন মাসে এগুলোর দাম বেড়েছে। পোস্টের শেষ ছকে এক্টিভেশন কোড এবং নতুন দাম দেখুন)

জিপি ইন্টারনেট প্যাকেজ অ্যাক্টিভেশন কোড (নতুন দাম – জুন ২০২০)

এছাড়াও যেকোনো সময় যেকোনো প্যাকেজ চালু করার জন্য ডায়াল করুন *১২১*৩#

শর্তাবলীঃ

  • ইন্টারনেট প্যাক USSD, SMS, IVR, MyGP, Easynet, WoW Box, গ্রাহক সেবা, জিপি ওয়েবসাইট এবং অন্য যেকোনো গ্রামীণফোন অনুমোদিত চ্যানেলগুলির মাধ্যমে সক্রিয় করা যেতে পারে ।
  • অটোরিনিউ সুবিধাটি বাই ডিফল্ট OFF থাকে (শুধুমাত্র BS Pre & Post paid গ্রাহক ছাড়া)। তবে গ্রাহকরা চাইলে অটোরিনিউ সুবিধাটি ON করে নিতে পারবে প্যাক একটিভ করার সময়।
  • প্যাক একটিভ করার পরে অটোরিনিউ চালু করতে “ON” লিখে 25000 এ SMS অথবা ডায়াল করতে হবে *121*3042#। এ ছাড়াও কাস্টমার চাইলে অটোরিনিউ বন্ধ করতে পারে “OFF” লিখে 25000 এ SMS করে অথবা *121*3043# ডায়াল করে।
  • ইন্টারনেট ব্যালেন্স চেক করতে ডায়াল করুন *121*1*4#।
  • ইন্টারনেট ভলিউম শেষ হবার পর ইন্টারনেট ব্যবহারে কাস্টমার এর টাকা ১.১৬৫ /MB (SD+VAT+SC সহ) চার্জ প্রযোজ্য হবে সর্বোচ্চ ৫.৮২৫ টাকা(VAT,SD,SC অন্তর্ভুক্ত) পর্যন্ত।ইন্টারনেট প্যাক কিনতে ডায়াল করুন *121*3#
  • মেয়াদ শেষ হবার আগেই যদি কাস্টমার একই প্যাক আবার ক্রয় করে অথবা সফল ভাবে অটোরিনিউ হয় তাহলে অব্যবহৃত ইন্টারনেট ভলিউম পরবর্তী প্যাক এর সাথে যোগ হবে।
  • গ্রাহকের সম্মতিক্রমে চালু করা অটো রিনুয়াল ইন্টারনেট প্যাকগুলোর নবায়ন, ইন্টারনেট ভলিউম অথবা মেয়াদ শেষ হবার উপর ভিত্তি করে নির্ধারিত হবে (ভলিউম অথবা মেয়াদ যেটি আগে শেষ হয়)
  • ইন্টারনেট প্যাক বন্ধ করতে ডায়াল *১২১*৩০৪১#
  • কাস্টমারের ইন্টারনেট ভলিউম কম থাকাকালীন একই সময়ে যদি কাস্টমারের একাধিক এপলিকেশন সচল থাকে তাহলে টাকা ১.১৬৫ /MB (SD+VAT+SC সহ) রেটে চার্জ হতে পারে। অতএব, ইন্টারনেট ভলিউম কম থাকাকালীন একটি এপলিকেশন থেকে আরেকটি ব্যবহার করার সময়ে আগের এপলিকেশনটি বন্ধ করে নিন
  • হাই স্পিড ইন্টারনেট এর জন্য কাষ্টমেরকে 3G ফোন ব্যবহার করতে হবে এবং অবশ্যই 3G নেটওয়ার্ক এর ভিতর থাকতে হবে।
  • হ্যান্ডসেট, ওয়েবসাইট ভিসিট, BTS থেকে দূরত্ব, ব্যবহারের সময় এই সব কিছুর উপরে ইন্টারনেটের অ্যাভারেজ স্পিড নির্ভর করে ।
  • ক্যাম্পেইন প্যাকের ইন্টারনেট ভলিউম রেগুলার ইন্টারনেট প্যাকের ভলিউমের আগে ব্যবহৃত হবে।
  • এই প্যাক গুলো skitto গ্রাহকদের জন্য প্রযোজ্য নয়
  • ইন্টারনেট স্পিড চেক করতে পারবেন https://www.speedcheck.org/ এই লিংক ভিজিট করে।
  • শর্তাবলী ডাউনলোড করুন পিডিএফ ফরম্যাট এ
  • ইন্টারনেট প্যাক বা অফার কেনার সময় আপনি যদি বিকাশ বা কার্ড এর মাধ্যমে টাকা পরিশোধ করতে চান তাহলে মনে রাখবেন প্রিপেইড কাস্টোমারদের জন্য লিমিট হলো ১০ টাকা থেকে ১০০০ টাকা আর পোস্টপেইড কাস্টমারদের জন্য ১০ টাকা থেকে ৫০০০০ টাকা।
  • ইন্টারনেট প্যাক বা অফার কেনার সময় আপনি যদি বিকাশ বা কার্ড এর মাধ্যমে টাকা পরিশোধ করতে চান তাহলে মনে রাখবেন আপনার যদি পূর্ববর্তী কোনো বকেয়া বা ইমার্জেন্সি ব্যালান্স নেয়া থাকে তাহলে সেই বকেয়া টাকা আগে কাটা হবে। সেক্ষেত্রে ইন্টারনেট প্যাক বা অফারটি এক্টিভেট হবে না।

জিপি সোশ্যাল প্যাক

  • যদি মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই কাস্টমারের সোশ্যাল ইন্টারনেট ভলিউম শেষ হয়ে যায় এবং কাস্টমারের অন্য কোনো রেগুলার ইন্টারনেট একাউন্ট এ ভলিউম না থাকে, তাহলে ইন্টারনেট ব্যবহারে কাস্টমার এর টাকা ১.১৬৫ /MB (SD+VAT+SC সহ) চার্জ প্রযোজ্য হবে সর্বোচ্চ ৫.৮২৫ টাকা(VAT,SD,SC অন্তর্ভুক্ত) পর্যন্ত।ইন্টারনেট প্যাক কিনতে ডায়াল করুন *121*3#
  • সোশ্যাল প্যাক চালু থাকা অবস্থায় কাস্টমার ফেইসবুক ছাড়া অন্য যেকোনো সাইট ব্যবহার করলে এবং ঐসময় কাস্টমার এর অন্য রেগুলার ইন্টারনেট একাউন্ট এ কোনো ইন্টারনেট ভলিউম না থাকলে ইন্টারনেট ব্যবহারে কাস্টমারের টাকা ১.১৬৫ /MB (SD+VAT+SC সহ) চার্জ প্রযোজ্য হবে সর্বোচ্চ ৫.৮২৫ টাকা(VAT,SD,SC অন্তর্ভুক্ত) পর্যন্ত।ইন্টারনেট প্যাক কিনতে ডায়াল করুন *121*3#
  • মেসেন্জার থেকে ভয়েস এবং ভিডিও কল এই প্যাক এর অংশ নয়। মেসেন্জার থেকে ভয়েস এবং ভিডিও কল করলে ঐসময় কাস্টমার এর অন্য রেগুলার ইন্টারনেট একাউন্ট এ কোনো ইন্টারনেট ভলিউম না থাকলে কাস্টমারের টাকা ১.১৬৫ /MB (SD+VAT+SC সহ) চার্জ প্রযোজ্য হবে সর্বোচ্চ ৫.৮২৫ টাকা(VAT,SD,SC অন্তর্ভুক্ত) পর্যন্ত।ইন্টারনেট প্যাক কিনতে ডায়াল করুন *121*3#
  • গ্রাহক প্রক্সি ভিত্তিক ব্রাউজার মাধ্যমে উল্লিখিত সাইট ব্রাউজ করতে পারবেন না। গ্রাহকরা শুধুমাত্র ডিফল্ট ওয়েব ব্রাউজার এবং এপ্লিকেশনগুলির সাহায্যে ব্যবহার করতে পারেন ।

জিপি ভিডিও প্যাক

  • এই প্যাক এর সাহায্যে কাস্টমার শুধুমাত্র (http://m.youtube.com/ ; http://m.bongobd.com/ ; http://www.popcornlive.tv/) এই নির্ধারিত সাইট গুলো ব্যবহার করতে পারবে।
  • যদি মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই কাস্টমারের ভিডিও ইন্টারনেট প্যাকের ভলিউম শেষ হয়ে যায় এবং কাস্টমারের অন্য কোনো রেগুলার ইন্টারনেট একাউন্ট এ ভলিউম না থাকে, তাহলে কাস্টমার এর ইন্টারনেট ব্যবহারে টাকা ১.১৬৫/MB (SD+VAT+SC সহ) চার্জ প্রযোজ্য হবে সর্বোচ্চ ৫.৮২৫ টাকা(VAT,SD,SC অন্তর্ভুক্ত) পর্যন্ত।  ইন্টারনেট প্যাক কিনতে ডায়াল করুন *121*3#
  • ভিডিও প্যাক চালু থাকা অবস্থায় কাস্টমার এর যদি অন্য রেগুলার ইন্টারনেট একাউন্ট এ ভলিউম না থাকে এবং কাস্টমার উল্লেখিত সাইট (http://m.youtube.com/ ; http://m.bongobd.com/ ; http://www.popcornlive.tv/) ছাড়া অন্য যেকোনো ইন্টারনেট সাইট ব্যবহার করলে ইন্টারনেট ব্যবহারে কাস্টমারের টাকা ১.১৬৫ /MB (SD+VAT+SC সহ) চার্জ প্রযোজ্য হবে সর্বোচ্চ ৫.৮২৫ টাকা(VAT,SD,SC অন্তর্ভুক্ত) পর্যন্ত।ইন্টারনেট প্যাক কিনতে ডায়াল করুন *121*3#
  • গ্রাহক প্রক্সি ভিত্তিক ব্রাউজার মাধ্যমে উল্লিখিত ভিডিও সাইট ব্রাউজ করতে পারবেন না। গ্রাহকরা শুধুমাত্র ডিফল্ট ওয়েব ব্রাউজার এবং এপ্লিকেশনগুলির সাহায্যে ব্যবহার করতে পারেন ।

সর্বশেষ প্রযুক্তি বিষয়ক তথ্য সরাসরি আপনার ইমেইলে পেতে ফ্রি সাবস্ক্রাইব করুন!

জিপি মেসেজিং প্যাক

  • যদি মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই কাস্টমারের মেসেজিং ইন্টারনেট প্যাকের ভলিউম শেষ হয়ে যায় এবং কাস্টমারের অন্য কোনো রেগুলার ইন্টারনেট একাউন্ট এ ভলিউম না থাকে, তাহলে কাস্টমার এর ইন্টারনেট ব্যবহারে টাকা টাকা ১.১৬৫ /MB (SD+VAT+SC সহ) চার্জ প্রযোজ্য হবে সর্বোচ্চ ৫.৮২৫ টাকা (VAT,SD,SC অন্তর্ভুক্ত) পর্যন্ত।ইন্টারনেট প্যাক কিনতে ডায়াল করুন *121*3#
  • মেসেজিং প্যাক চালু থাকা অবস্থায় কাস্টমার এর যদি অন্য রেগুলার ইন্টারনেট একাউন্ট এ ভলিউম না থাকে এবং কাস্টমার Viber অথবা Whatsapp ছাড়া অন্য যেকোনো ইন্টারনেট সাইট ব্যবহার করলে ইন্টারনেট ব্যবহারে কাস্টমারের টাকা ১.১৬৫ /MB (SD+VAT+SC সহ) চার্জ প্রযোজ্য হবে সর্বোচ্চ ৫.৮২৫ টাকা (VAT,SD,SC অন্তর্ভুক্ত) পর্যন্ত।ইন্টারনেট প্যাক কিনতে ডায়াল করুন *121*3#
  • Viber অথবা Whatsapp থেকে ভয়েস এবং ভিডিও কল এই প্যাক এর অংশ নয়। (Viber or Whatsapp) থেকে ভয়েস এবং ভিডিও কল করলে ঐসময় কাস্টমার এর অন্য রেগুলার ইন্টারনেট একাউন্ট এ কোনো ইন্টারনেট ভলিউম না থাকলে কাস্টমারের টাকা ১.১৬৫ /MB (SD+VAT+SC সহ) চার্জ প্রযোজ্য হবে সর্বোচ্চ সর্বোচ্চ ৫.৮২৫ টাকা(VAT,SD,SC অন্তর্ভুক্ত) পর্যন্ত।ইন্টারনেট প্যাক কিনতে ডায়াল করুন *121*3#
  • গ্রাহক প্রক্সি ভিত্তিক ব্রাউজার মাধ্যমে উল্লিখিত ভিডিও সাইট ব্রাউজ করতে পারবেন না। গ্রাহকরা শুধুমাত্র ডিফল্ট ওয়েব ব্রাউজার এবং এপ্লিকেশনগুলির সাহায্যে ব্যবহার করতে পারেন ।

জিপি স্টার প্যাক

  • স্টার ইন্টারনেট প্যাক কিনে গ্রাহক ৩ মাসের জন্য স্টার স্ট্যাটাস উপভোগ করতে পারবেন
  • প্যাক কেনার পরবর্তী ১১ তারিখে স্টার স্ট্যাটাস দেয়া হবে। অর্থাৎ যদি গ্রাহক ২৫ অক্টোবর বা ৪ নভেম্বর স্টার ইন্টারনেট প্যাক কিনে থাকেন, তাহলে তিনি ১১ নভেম্বর  থেকে একজন জিপি স্টার হিসেবে বিবেচিত হবেন।
  • গ্রাহক যদি স্টার স্ট্যাটাসের উপরের ধাপে থাকেন এবং নিচের ধাপের স্টার স্ট্যাটাস সম্বলিত ডাটা প্যাক কিনেন, গ্রাহকের উপরের ধাপের স্টার স্ট্যাটাস বহাল থাকবে।
  • জিপিপিপি, বিপিও, ইআরএস ও স্কিটো গ্রাহকদের জন্য এই সুযোগ প্রযোজ্য নয়।

উইন্ডোস কম্পিউটারের ১০ টি সেরা টিপস এন্ড ট্রিকস

Top 10 best windows PC tips in Bangla

যদি আপনি উইন্ডোস ৭ বা উইন্ডোস ১০ ব্যবহার করছেন, তাহলে অবশই নিচের টিপস গুলি আপনার জন্য অনেক কাজের প্রমাণিত হবে।

১. কম্পিউটার হ্যাং (Computer hang) হলে কি করবেন

এরকম আমাদের সাথে অনেক সময় হয়েছে এবং হয়। আমরা, নিজের উইন্ডোস কম্পিউটারে কোনো ফাইল বা app বা সফটওয়্যার ওপেন (open) করার পর সেই ফাইল বা সফটওয়্যারটি হ্যাং (hang) হয়ে যায় এবং তার পর আমরা কম্পিউটারে কিছুই করতে পারিনা।

হ্যাং হয়ে হাওয়া ফাইল close করাও সম্ভব হয়ে দাড়ায়না। তাই তো…?

কোনো ফাইলসফটওয়্যার বা প্রোগ্রাম (program) ব্যবহার করার সময় যদি সেই প্রোগ্রাম হ্যাং হয়ে যায়, তাহলে আমরা টাস্ক ম্যানেজার (task manager) ব্যবহার করে সেই program অনেক সহজে close করে কম্পিউটারের হ্যাং হওয়া ঠিক করে দিতে পারি।

এর জন্য, সবচে আগেই, কম্পিউটারের keyboard এ “Alt + Ctrl + Delete” একসাথে দাবিয়ে (press) নিতে হবে।

এতে, আপনি কিছু অপসন দেখতে পাবেন যাদের মধ্যে শেষে “Task manager” এর অপসন আপনারা দেখবেন।

Select hanged program

এখন, ওপরে ছবিতে দেখা মতে আপনারা task ম্যানেজারে সেই সব program বা software গুলি “process tab” এ দেখতে পাবেন, যেগুলি আপনার কম্পিউটার সিস্টেমে এখন চলছে।

দেরি না করেই, আপনার কম্পিউটারে যেই ফাইল বা প্রোগ্রাম হ্যাং হয়ে রয়েছে, টাস্ক ম্যানেজার থেকে সেই প্রোগ্রামে রাইট ক্লিক (right click) করুন।

এখন, প্রোগ্রামে রাইট ক্লিক করার পর আপনি কিছু অপশনস (options) দেখবেন যাদের মধ্যে “End task” অপশনে ক্লিক করতে হবে।

কম্পিউটারের হ্যাং হওয়া দূর করুন

End task অপশনে ক্লিক করার সাথে সাথেই আপনার হ্যাং হয়ে থাকা প্রোগ্রামটি close হয়ে যাবে এবং তার সাথে সাথে আপনার কম্পিউটার হ্যাং হওয়া দূর হয়ে যাবে।

কম্পিউটার হ্যাং হলে টাস্ক ম্যানেজার ব্যবহার কোরে অনেক সহজে আপনারা যেকোনো হ্যাং হয়ে যাওয়া প্রোগ্রামকে close কোরে কম্পিউটারকে হ্যাং মুক্ত করতে পারবেন।

২. Zoom out এবং zoom in এর ব্যবহার

অনেক সময়, যখন আমরা কম্পিউটারে ইন্টারনেট ব্যবহার করি বা এক্সেল এবং ওয়ার্ড ফাইলে (word file) কিছু টাইপ করি বা রিড (Read) করি তখন আমাদের মনে হয়, “যদি স্ক্রিন এবং লেখাগুলি অল্প বরো করা যেত“. তাইতো…….?

তাহলে জেনে রাখুন, আপনার উইন্ডোস কম্পিউটারে আপনি যেকোনো স্ক্রিন (screen) বা desktop icon অনেক সহজে বরো এবং ছোট করতে পারবেন।

তার জন্য, আপনার কেবল keyboard এ “Ctrl” প্রেস করে মাউসের (mouse) মধ্যেখানে থাকা mouse wheel টি ওপরে এবং নিচে স্ক্রল (scroll) কোরে zoom out এবং zoom in করতে হবে।

এতে আপনার কম্পিউটারের যেকোনো স্ক্রিন যেমন, কোনো টেক্সট এডিটর (text editor)ডেস্কটপ আইকন বা ব্রাউসার ট্যাব (browser tab) ছোট এবং অনেক বড়ো করা যেতে পারে।

৩. একটি ফ্রি হলেও এন্টিভাইরাস ব্যবহার করুন

একটি কম্পিউটারে ফ্রি হলেও এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার (antivirus software) ব্যবহার করাটা অনেক জরুরি। এইটা, আমার থেকে আপনাদের জন্য অনেক প্রয়োজনীয় একটি পরামর্শ।

কারণ, আমরা আমাদের কম্পিউটারে ইন্টারনেট অবশই ব্যবহার করি। আর তাই, কম্পিউটারে বিভিন্য রকমের ক্ষতিকারক ভাইরাস ঢুকার সম্ভাবনা অনেক বেশি বেড়েযায়।

জেনেনিন – কম্পিউটার ভাইরাস কি ?

এই ক্ষেত্রে, একটি ফ্রি হলেও, ভালো এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার আপনার কম্পিউটারে ব্যবহার করাটা অনেক জরুরি।

এতে, আপনার কম্পিউটারে, ইন্টারনেট এবং বিভিন্য আলাদা আলাদা জায়গার থেকে ভাইরাস ঢুকতে পারবেনা এবং কম্পিউটার ভাইরাস মুক্ত থাকবে।

আমি নিজেই আভাস্ট (avast) ফ্রি এন্টিভাইরাস আমার কম্পিউটারে ব্যবহার করছি।

৪. মোবাইলের ইন্টারনেট কম্পিউটারে ব্যবহার করুন

আপনাদের মধ্যে হয়তো অনেকেই জানেন, আমরা আমাদের মোবাইলের থেকে ইন্টারনেট কম্পিউটারে ব্যবহার করতে পারি।

মোবাইল থেকে কম্পিউটারে ইন্টারনেট ব্যবহার করার জন্য আপনার হাথে দুটো অপসন থাকছে।

  • ডাটা কেবল (data cable) দ্বারা
  • Wifi hotspot দ্বারা

ডাটা ক্যাবল দ্বারা ইন্টারনেট 

আপনি যদি, data cable ব্যবহার করে মোবাইলের ইন্টারনেট কম্পিউটারে ব্যবহার করতে চান, তাহলে, প্রথমেই data cable টি মোবাইলের এবং CPU (computer) এর USB port এ লাগিয়ে নিন।

এখন, মোবাইল এবং কম্পিউটারে ডাটা ক্যাবল কানেক্ট (connect) করার পর, মোবাইলের settings অপশনে গিয়ে “USB tethering” বা “share network using USB” অপশটি enable করে দিন।

এখন, আপনি আপনার মোবাইলের ইন্টারনেট ব্যবহার কমে কম্পিউটারে ইন্টারনেট কানেক্ট (connect) করতে পারবেন।

Wifi hotspot দ্বারা ইন্টারনেট

মোবাইলের wifi হটস্পট দ্বারা কম্পিউটারে ইন্টারনেট কানেক্ট করার জন্য, সবচে আগেই আপনার মোবাইলের “settings> portable hotspot> Portable wifi hotspot” অপশনটি enable করতে হবে।

মোবাইলে hotspot enable করার পর মোবাইলের ইন্টারনেট এখন যেকোনো অন্য কম্পিউটার বা মোবাইল দ্বারা connect করার জন্য তৈরি।

এখন আপনি আপনার কম্পিউটার বা ল্যাপটপে, desktop এর নিচে থাকা wifi icon এ ক্লিক করুন এবং নিজের মোবাইলের wifi network টি বেঁচে “connect” অপশনে ক্লিক করুন।

Wifi হটস্পট দিয়ে কম্পিউটারে ইন্টারনেট

যদি, আপনার মোবাইলের wifi hotspot setting এ কোনো password set করা আছে, তাহলে সেই পাসওয়ার্ড আপনার কম্পিউটারেও wifi network টি কানেক্ট করার সময় দিতে হবে।

সঠিক পাসওয়ার্ড দেয়ার পর, আপনার কম্পিউটার বা ল্যাপটপে wifi hotspot দ্বারা মোবাইলের ইন্টারনেট কানেক্ট হয়ে যাবে।

এখন আপনি আপনার মোবাইলের ইন্টারনেট দ্বারা কম্পিউটার বা ল্যাপটপে ইন্টারনেট ব্যবহার করতে পারবেন।

Note: আপনার কম্পিউটার বা ল্যাপটপে যদি wifi নেই, তাহলে কেবল Rs.২০০ টাকার মধ্যেই একটি wifi device কিনে নিতে পারবেন। এতে, আপনার কম্পিউটার বা ল্যাপটপেও wifi network ব্যবহার করতে পারবেন।

৫. কম্পিউটারের পাসওয়ার্ড চেঞ্জ করুন পুরোনো পাসওয়ার্ড ছাড়াই

অনেক সময় হয়তো আপনি আপনার কম্পিউটারের পুরোনো পাসওয়ার্ড ভুলে যান আর তাই কম্পিউটারে নতুন পাসওয়ার্ড সেট করাটা সম্ভব হয়না।

কিন্তু, নিচে, আমি এমন একটি ট্রিক (trick) বলবো যেটা ব্যবহার করে আপনারা, পুরোনো উইন্ডোস পাসওয়ার্ড ছাড়াই কম্পিউটারে একটি নতুন পাসওয়ার্ড সেট করতে পারবেন।

Trick –

সবচে আগেই, আপনার কম্পিউটারে Command prompt অপশনে যেতে হবে।

আপনি যদি উইন্ডোস ৭ বা উইন্ডোস ১০ ব্যবহার করছেন, তাহলে নিচে task bar এ command prompt লিখে সার্চ করলেই পেয়ে যাবেন।

চেঞ্জ উইন্ডোস পাসওয়ার্ড

এখন, command prompt পেয়েগেলে তাতে right click করুন এবং Run as administrator অপশনে ক্লিক করুন।

Run as administrator অপশনে ক্লিক করার পর আপনার কম্পিউটারে command prompt ওপেন হয়ে যাবে।

এখন, আপনারা নিচে ছবিতে যা দেখছেন, command prompt বক্সে আপনাদের কিছু কোড (code) টাইপ করতে হবে।

open command prompt

Type codes in command prompt –

সবচে আগেই লিখুন – “net user” এবং লিখেই “keyboard এ enter button” টিপুন। (ওপরে ছবিতে দেখুন আমি কিভাবে লিখেছি).

এখন, নিচে আপনারা আপনার কম্পিউটারের user name বা user accounts দেখতে পাবেন।

আপনি যেই user name বা user account এর password change করতে চান, সেটার পাসওয়ার্ড চেঞ্জ করার জন্য নিচের কোডটি টাইপ করুন।

“net user” “user/account name” “new password”

প্রথমেই, net user লিখুন, তারপর স্পেস দিয়ে user name লিখুন, তারপর স্পেস দিয়ে নতুন পাসওয়ার্ড লিখুন।

এখন সোজা, enter প্রেস করুন।

Congratulations, এখন আপনার উইন্ডোস কম্পিউটারের পাসওয়ার্ড চেঞ্জ (change) হয়ে গেছে পুরোনো পাসওয়ার্ড ছাড়াই।

পুরোনো পাসওয়ার্ড ছাড়া কম্পিউটারে নতুন পাসওয়ার্ড সেট করার এইটা অনেক সোজা এবং কাজের নিয়ম।

৬. কম্পিউটারের কিছু প্রয়োজনীয় শর্টকাট (shortcut) key

আমার কম্পিউটারে কাজ করার সময় কিছু শর্টকাট (shortcut key) ব্যবহার কোরে আমাদের কাজগুলি অনেক সহজে কোরে নিজে পারি।

নিচে দেয়া কম্পিউটারের shortcut key গুলি জানা থাকলে, আপনি অফিসে কাজের সময় ব্যবহার করতে পারবেন, বা কম্পিউটার রিলেটেড চাকরির ইন্টারভিউ দেয়ার সময় দেখিয়ে নিজের অভিজ্ঞতা জানিয়ে দিতে পারবেন।

Important computer shortcut keys in bangla 

  1. Alt+F ব্যবহার করে, যেই প্রোগ্রাম ব্যবহার করছেন, তার file menu option পেয়ে যাবেন।
  2. ALT+E  দ্বারা যেই প্রোগ্রাম ব্যবহার করছেন তার edit option পেয়েযাবেন।
  3. F5 কিবোর্ডে প্রেস কোরে কম্পিউটার রিফ্রেশ (refresh) করতে পারবেন।
  4. যেকনো ফাইল বা ফোল্ডার সিলেক্ট কোরে F2 press করলে, ডাইরেক্ট ফাইল রিনেম (file rename) অপসন এসেযাবে।
  5. Alt+Tab প্রেস কোরে খোলা (open) প্রোগ্রাম গুলির মধ্যে একটা বেচেনিয়ার অপসন পাবেন।
  6. Ctrl+A প্রেস কোরে যেকোনো ফাইলের সব টেক্সট (text) একেবারেই পুরোটা একসাথে সিলেক্ট করতে পারবেন।
  7. CTRL+S প্রেস কোরে যেকোনো ফাইল বা document শর্টকাটে সেভ (save) করতে পারবেন।
  8. Ctrl+C প্রেস কোরে যেকোনো সিলেক্ট করা অংশ কপি (copy) করতে পারবেন।
  9. Ctrl+V যেকোনো কপি করা অংশ সহজে পেস্ট করার জন্য।
  10. Ctrl+P যেকোনো document বা file প্রিন্ট করার শর্টকাট।
  11. Alt+F প্রেস কোরে যেকোনো ওপেন থাকা প্রোগ্রাম সহজে close করুন।
  12. Ctrl+Z ব্যবহার কোরে যেকোনো স্টেপ বা ভুল step আবার ভুল করার আগের অবস্থায় নিয়ে যেতে পারবেন।

তাহলে, আশা করি বন্ধুরা, উইন্ডোস কম্পিউটারের এই প্রয়োজনীয় শর্টকাট কি  গুলি আপনাদের অনেক কাজে আসবে।

৭. কম্পিউটারে যেকোনো ওয়েবসাইট ব্লক করুন (block website)

আপনি যদি, নিজের কম্পিউটার থেকে যেকোনো ওয়েবসাইট ব্লক করে রাখতে চান, তাহলে সেটা অবশই সম্ভব।

সবচে আগেই, আপনার “Win + R” বাটন প্রেস করতে হবে।

এরপর আপনারা RUN dialog box কম্পিউটার স্ক্রিনে দেখতে পাবেন।

কম্পিউটারে ওয়েবসাইট ব্লক

এখন, Run বক্সে কীবোর্ড (keyboard) ব্যবহার কোরে এই শব্দগুলি লিখুন –  %windir%\system32\drivers\etc  (ওপরে ছবিতে দেখুন).

লিখা হয়ে গেলে শেষে “Ok” button এ ক্লিক করুন।

এখন আপনার সামনে, কিছু ফাইল দেখা দিবে।

edit host file in run

যা আপনারা ওপরে দেখছেন, আপনাদের প্রথমে থাকা “Hosts” ফাইলটি কপি করে desktop বা অন্য ফোল্ডারে পেস্ট (past) করতে হবে।

এখন, পেস্ট করা hosts file এ right click করুন এবং Open with অপশনে ক্লিক করুন।

Open with এ ক্লিক করার পর আপনারা notepad অপসন দেখবেন যেখানে আপনাদের ক্লিক করতে হবে।

Hosts ফাইলটি নোটপ্যাড এ ওপেন করার পর আপনারা কিছু লেখা তাতে দেখবেন।

ফাইলটির নিচে, “Localhost name resolution” লেখার নিচের দিকে আপনারা কিছু আইপি (IP) address দেখবেন। যেমন আমার ছবিতে আইপি এড্রেস দেখাচ্ছে “134.0.0.1“.

এখন, আপনাদের এই আইপি (IP) address কপি করে নিয়ে একেবারে শেষে পেস্ট (paste) করতে হবে।

Block website in computer

কপি করা আইপি এড্রেস ফাইলের একদম শেষে পেস্ট কোরে তার পাশে, যেই ওয়েবসাইট ব্লক করতে চান, তার URL address লিখে দিতে হবে।

Block করা ওয়েবসাইটের www. এবং www ছাড়া দুটোই version আপনাদের লিখতে হবে। তাছাড়া, আলাদা আলাদা ওয়েবসাইটের জন্য আপনার আইপি এড্ড্রেসের শেষে ১, ২,৩,৪ এভাবে মিলিয়ে লিখতে হবে।

ভালো করে বুঝার জন্য ওপরের ছবিটি দেখুন।

এখন, hosts file টি save করুন এবং যেখান থেকে কপি করেছিলেন, সেখানেই আবার পেস্ট করুন।

Block করা ওয়েবসাইট যখন আপনি আপনার কম্পিউটারের ব্রাউজারে খোলার চেষ্টা করবেন, তখন সেই ওয়েবসাইট আর আপনার কম্পিউটারে ওপেন হবেনা।

এভাবেই, আপনি নিজের কম্পিউটারে যেকোনো ওয়েবসাইট ব্লক করেদিতে পারবেন।

৮. Personal file এবং folder সুরক্ষিত রাখুন

আপনারা কি জানেন, আপনার কম্পিউটার থেকে যেকোনো জরুরি ফাইল বা ফোল্ডার জেকেও পেনড্রাইভে (pendrive) বা অন্য external storage device ব্যবহার কোরে নিয়ে সেগুলির অপব্যবহার (misuse) করতে পারে ?

তাহোলে, আপনার কম্পিউটার থেকে যাতে কেও কোনো file বা folder নিয়ে সেগুলি দেখতে বা ওপেন (open) করতে বা খুলতে না পারে, তার জন্য আপনি ব্যবহার করতে পারেন “encrypt content function” এর।

যখন, আপনি এই encrypt contents অপশনের ব্যবহার করে যেকোনো file বা folder, encrypt করবেন, তখন সেই encrypt করা file বা folder কেবল আপনার কম্পিউটারেই ওপেন (open) হবে বা খুলবে।

আপনার কম্পিউটার ছাড়া সেই ফাইল বা ফোল্ডার অন্য কোনো কম্পিউটারে বা ল্যাপটপে চলবেনা।

কারণ, এক ধরণের security সেই file বা ফোল্ডারে encrypt content অপশনের দ্বারা এপলাই (apply) কোরে দেয়া হয়।

কিভাবে করবেন encrypt content অপশনের ব্যবহার ?

সবচে আগে, আপনি যেই file বা folder এ encrypt content অপসন enable করতে চান, সেই ফাইল বা ফোল্ডারে right click করুন এবং তারপর নিচে “properties” অপশনে ক্লিক করুন।

Go to folder properties

এখন properties এ ক্লিক করার পর আপনারা “advanced” বলে একটি অপসন দেখবেন।

সোজা, advanced অপশনে ক্লিক করুন

Advanced এ ক্লিক করার পর আপনারা কিছু অপশনস দেখবেন।

enable encryption in folder

দেখা option গুলির মধ্যে, সবচে শেষে নিচের দিকে – “Encrypt contents to secure data” বলে একটি অপসন দেখবেন, যেটাতে select করে বা click করে নিচে “OK” এবং তারপর “Apply” button এ ক্লিক করতে হবে।

settings apply করুন

এই স্টেপ গুলি ভালো ভাবে করলেই, আপনার বেঁচে নেয়া জরুরি ফাইল বা ফোল্ডার secure হয়ে যাবে এবং কেও সেগুলি কপি করে নিলেও, তাদের কম্পিউটারে ওপেন করতে পারবেনা।

৯. কম্পিউটারে যেকোনো ফোল্ডার হাইড (folder hide) করুন

এখন, অনেক সময় আপনার কম্পিউটারে এমন কোনো ফাইল বা ফোল্ডার থাকতেই পারে, যেগুলি আপনারা লুকিয়ে রাখতে চান

বা, সেই file বা folder গুলি আপনারা অন্য কাওকে দেখাতে চাননা।

এই ক্ষেত্রে, আপনারা উইন্ডোস এর একটি বিশেষ ফাঙ্কশন (function) “Hide folder” অপশনের ব্যবহার করতে পারবেন।

উইন্ডোস কম্পিউটারে যেকোনো ফোল্ডার হাইড করার জন্য বা লুকিয়ে রাখার জন্য, আপনার সেই ফোল্ডারে right click কোরে তারপর properties অপশনে ক্লিক করতে হবে।

Hide a folder in computer

এখন, Properties অপশনে ক্লিক করার পর আপনারা “General” ট্যাবে “Hidden” বলে একটি অপসন দেখবেন, যেটাতে ক্লিক কোরে সিলেক্ট করে নিতে হবে।

Click on hidden option

ভালো ভাবে জেনেনেয়ার জন্য ওপরে ছবিতে দেখুন।

শেষে, “Apply” button এ ক্লিক করুন।

এখন আপনার বেঁচে নেয়া folder hide হয়ে যাবে।

১০. কম্পিউটারের হিডেন ফোল্ডার কিভাবে দেখবেন (show hidden folder)

এখন আপনার কম্পিউটারে যদি কোনো ফাইল বা ফোল্ডার হাইড হয়ে থাকে, তাহলে সেটাকে আবার show করার জন্য আপনার কিছু steps follow করতে হবে।

হিডেন ফোল্ডার (hidden folder) show করার জন্য আপনার প্রথমেই সেই drive open করতে হবে যেই ড্রাইভে ফাইল বা ফোল্ডার শো করতে চান।

Click on view option

এখন, যেভাবে আপনি ওপরের ছবিতে দেখছেন আপনি “View” অপসন একটি ওপরের বামদিকে দেখতে পাবেন। সোজা, সেই view অপশনে ক্লিক করুন।

এখন, View অপশনে ক্লিক করার পর, আপনারা ডানদিকে আরো কিছু options দেখবেন দেগুলির মধ্যে “Options” এবং তারপর “change folder and file option” এ ক্লিক করুন।

Go to folder options

ভালো ভাবে জানার জন্য ওপরের ছবি দেখুন।

এখন, আপনারা একটি dialog box দেখবেন, যেখানে file এবং folder এর সাথে জড়িত অনেক options আপনারা দেখবেন।

সোজা, বক্সের ওপরে “view” ট্যাবে ক্লিক করুন এবং নিচে থাকা “show hidden files,folders and drives” অপশনে ক্লিক করুন এবং নিচে “Apply” তে ক্লিক করুন।

show hidden files in computer

এখন, অনেক সহজে আপনার কম্পিউটারের বেচেনিয়া ড্রাইভে থাকা সব hidden files এবং folder show হয়ে যাবে।

ফেসবুক থেকে ফটো ও ভিডিও ব্যাকআপ নেয়ার উপায়

ফেসবুকে আমরা অনেক সময় অনেক ছবি এবং ভিডিও আপলোড করি, যেগুলো আলাদা ভাবে অনলাইনে সংরক্ষণ করা হয়ে ওঠে না। তাই এগুলার কোনো ব্যাকআপ থাকে না। হঠাৎ করে ফেসবুকের সার্ভার ডাউন হয়ে গেলে কিংবা ফেসবুক একাউন্টে কোন সমস্যা হলে ঐ ছবি এবং ভিডিও হারিয়ে যেতে পারে। এছাড়া আপনি চাইতেই পারেন যে ফেসবুকে আপনার আপলোড করা সব ছবি এবং ভিডিওর একটা ব্যাকআপ আপনার নিজের কাছে রেখে দিতে। এতদিন এটা সহজে সম্ভব ছিলনা। এখন থেকে আপনি কয়েক ক্লিকেই এই ব্যাকআপ পেতে পারেন।

ব্যবহারকারীদের আপলোডকৃত ছবি ও ভিডিও গুগল ফটোস এ ট্রান্সফার করার টুল ফেসবুকে গত বছর পরীক্ষামূলকভাবে চালু হয়। এই বছরের শুরুতেই যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, কানাডা, আফ্রিকাসহ কিছু দেশে ফিচারটি চালু করা হয়।

এখন বিশ্বের সকল ফেসবুক ব্যবহারকারীর জন্য ফিচারটি উন্মুক্ত করে দেয়া হয়েছে। ফেসবুকের ডেস্কটপ ভার্সন কিংবা মোবাইল অ্যাপ, উভয় প্ল্যাটফর্মেই ব্যবহার করা যাবে গুগল ফটোস এ ছবি ট্রান্সফার করার ফিচারটি।

ফেসবুক থেকে গুগল ফটোস এ ছবি কপি করার করার নিয়ম

কম্পিউার বা ওয়েব ভার্সন

আপনার কম্পিউটারে ফেসবুক থেকে গুগল ফটোসে ছবি ট্রান্সফার করতে নিচের নিয়ম অনুসরণ করুন।

  • ফেসবুক একাউন্টে লগইন করুন
  • ডান দিকের কর্নার হতে তীর চিহ্নে ক্লিক করে Settings এ প্রবেশ করুন
  • বামদিকে থাকা Your Facebook Information এ প্রবেশ করুন
  • Transfer a Copy of Your Photos or Videos অপশনটি নির্বাচন করুন
  • Destination হিসেবে Google Photos নির্বাচন করুন
  • এরপর আপনার গুগল একাউন্ট এ লগইন করে বাকি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করুন।

মোবাইল অ্যাপে যেভাবে করবেন

মোবাইল অ্যাপ ব্যবহার করে ফেসবুক থেকে গুগল ফটোস এ ছবি ট্রান্সফার করার নিয়ম অনেকটা ডেস্কটপ এর মতই। মোবাইল অ্যাপ দ্বারা ফেসবুক থেকে গুগল ফটোস এ ছবি ট্রান্সফার করতে নিচের নিয়ম অনুসরণ করুন।

  • ফেসবুক অ্যাপ এ লগ ইন করুন
  • হ্যামবার্গার মেন্যু (তিনটি সমান্তরাল দাগ) থেকে Settings এ প্রবেশ করুন
  • নিচের দিকে স্ক্রল করে Your Facebook Information এ প্রবেশ করুন
  • Transfer a Copy of Your Photos or Videos অপশনটি নির্বাচন করুন
  • Destination হিসেবে Google Photos নির্বাচন করুন
  • এরপর আপনার গুগল একাউন্ট এ লগইন করে বাকি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করুন।

উল্লেখ্য যে, টুলটি ব্যবহার করে ছবি ট্রান্সফার করলে আপনার ফেসবুক একাউন্ট এ থাকা সকল ছবি এবং ভিডিওই গুগল ফটোস এ ইমপোর্ট হয়ে যাবে। অর্থাৎ, এখানে আলাদাভাবে ছবি নির্বাচন করা সম্ভব নয়। গুগল ফটোস থেকে কোনো ছবি ডিলিট করলে তা ফেসবুক থেকে ডিলিট হবেনা। ফেসবুকে থাকা ছবি আলাদাভাবে ডিলিট করতে হবে (যদি চান)।

২০১৮ সাল থেকে ফেসবুক, মাইক্রোসফট, গুগল এবং টুইটার, তাদের প্ল্যাটফর্মগুলোকে আরো সহজ আর ইউজার ফ্রেন্ডলি করার লক্ষ্যে একজোট হয়ে কাজ করে আসছে। এরই অংশ হিসেবে ফেসবুক থেকে গুগল ফটোস এ ছবি ট্রান্সফার করার টুলটি জন্ম নিয়েছে।

করোনাভাইরাস ঝুঁকি কমাতে আপনার মোবাইল ফোনটিও পরিষ্কার রাখুন

বিশ্বজুড়ে নভেল করোনাভাইরাস এখন এক বিশাল আতঙ্কের নাম। ইতোমধ্যে বিশ্বের ১৪১টি দেশ ও অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়েছে নতুন এই করোনাভাইরাস। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) এর তথ্যানুযায়ী দেড় লাখের বেশি মানুষ এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন এবং ১৫ই মার্চ পর্যন্ত মৃতের সংখ্যা ৫৭০০ এর বেশি।

আশা করি আপনি করোনাভাইরাসের ব্যাপারে সতর্কতা অবলম্বন করছেন। বার বার হাত ধোয়া এদের মধ্যে অন্যতম। কিন্তু একটা ব্যাপার কি লক্ষ্য করেছেন, যে আপনি আপনার মোবাইল ফোনটি দিনে কতবার হাতে নেন? কথা বলার সময় ফোনটি মুখের কাছেও নিতে হয়। এছাড়া ফোন ব্যবহার করে সেই হাত দিয়েই আমরা অন্য কাজ করি, এমনকি খাবার খাই, চোখ-কান স্পর্শ করি।

সমস্যাটা এখানেই। পরিবেশ থেকে আপনার হাতে বিভিন্ন রকম জীবাণু লাগতে পারে। সেই হাত দিয়ে যখন মোবাইল ফোন ব্যবহার করেন তখন সেই জীবাণু মোবাইল ফোনেও লাগে। এরপর ভাইরাস, ব্যাক্টেরিয়া এসবে ব্যবহারকারীর সংক্রমিত হওয়ার ঝুঁকি বেড়ে যায়। এজন্য আপনার মোবাইল ফোনটিও যথাযথভাবে পরিষ্কার করা দরকার।

মোবাইল ফোন পরিষ্কার রাখার উপায়

মোবাইল ফোন পরিষ্কার করার আগে শুরুতেই সেটটি বন্ধ করে নিন। এটি থেকে বাহ্যিক সরঞ্জাম যেমন হেডফোন, চার্জার প্রভৃতি খুলে নিন। আপনার ফোনটি পানিরোধী হোক বা না হোক, এটি পরিষ্কার করার জন্য আপনাকে ডিভাইসটি ধুতে হবেনা। বরং ৭০% আইসোপ্রোপাইল অ্যালকোহল জাতীয় পরিষ্কারক কিংবা হ্যান্ড স্যানিটাইজার একটা কাপড়ে লাগিয়ে সেই কাপড়টি দিতে ধীরে ধীরে আপনার ফোনটি পরিষ্কার করে নিন।

মোবাইল ফোন পরিষ্কার করার সময় খেয়াল রাখতে হবে যাতে এর পোর্টগুলোরে তরল না জমে যায়। তাহলে ডিভাইসটি ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।

বাজারে এখন অনেক প্রকার স্যানিটাইজার পাওয়া যায় যেগুলো দিয়ে আপনার হাতের পাশাপাশি মোবাইল ফোনের মত ব্যবহার্য জিনিসপত্রও এভাবে পরিচ্ছন্ন রাখতে পারেন।

মনে রাখবেন, আপনি যদি ফোনে কভার ব্যবহার করেন, তাহলে কভার এবং ফোন আলাদাভাবে পরিষ্কার করে নিতে হবে। স্ক্রিন প্রটেক্টর ব্যবহার করলে প্রটেক্টরের চারদিকে ভালভাবে কাপড় ও স্যানিটাইজার দিয়ে পরিষ্কার করে নিন। কেউ কেউ বাথরুমে মোবাইল নিয়ে যায়, যেটা খুবই অস্বাস্থ্যকর অভ্যাস, এটা ত্যাগ করা জরুরী।

জিমেইল অফলাইন – ইন্টারনেট ছাড়াই ব্যবহার করুন জিমেইলের বিভিন্ন সুবিধা!

গত বছর গুগল তাদের জিমেইলের ওয়েব ভার্সনে নতুন ফিচার আপডেট ও টুইকস এর পাশাপাশি এতে ব্র্যান্ড নিউ অফলাইন মোড ফিচার চালু করেছে। এই জিমেইল অফলাইন ফিচার ব্যবহার করে আপনি চাইলে ইন্টারনেট কানেকশন ছাড়াই আপনার পিসি ব্রাউজারে জিমেইলের বিভিন্ন সুবিধা উপভোগ করতে পারবেন।

জিমেইলের এই অফলাইন মোড শুধুমাত্র কম্পিউটারে গুগল ক্রোম ব্রাউজারেই কাজ করবে। তাই অন্য কোনো ব্রাউজার ব্যবহারকারী হলে এই অফলাইন ফিচার ব্যবহার করার জন্য আপনাকে প্রথমেই গুগল ক্রোম ইন্সটল করে নিতে হবে।

তো, জিমেইলে লগইন করে উপরের দিকে ডানপাশে গিয়ার আইকনটিতে ক্লিক করুন। মেন্যু থেকে সেটিংস পেইজে প্রবেশ করুন। এখন সেটিংস পেইজটির হেডার অংশের একদম ডানদিকে থাকা অফলাইন ট্যাবে যান। অথবা পিসিতে (ক্রোমে) জিমেইলে লগইন করে সরাসরি এই লিংক ভিজিট করুনঃ https://mail.google.com/mail/u/0/#settings/offline

সেখান থেকে আপনি অফলাইন মোডকে কাস্টমাইজ করে নিচে সেইভ চেঞ্জেস বাটন চাপলেই অফলাইন মোড অন হয়ে যাবে।

অফলাইন মোড কাস্টমাইজেশনের ক্ষেত্রে আপনি বিভিন্ন আপশন পাবেন। যেমনঃ সর্বশেষ কতদিন পর্যন্ত আপনার ইনবক্স সিঙ্ক করা হবে তা নির্ধারন করে দিতে পারবেন। পাশাপাশি মেসেজগুলো কি এটাচমেন্ট সহ নাকি এটাচমেন্ট ছাড়া ডাউনলোড হবে সেটাও আপনি বাছাই করে দিতে পারেন।

জিমেইল অফলাইন

যেহেতু এক্ষেত্রে আপনার পিসির হার্ড্ড্রাইভে মেসেজ ও এটাচমেন্টগুলো ডাউনলোড হবে তাই আপনি স্টোরেজ বাঁচাতে চাইলে সর্বোচ্চ এক সপ্তাহের ইমেইল স্টোর করাই যুক্তিযুক্ত হবে।

এখানে আপনি সিকিউরিটি রিলেটেড একটা অপশনও পাবেন। আপনি যদি আপনার একাউন্ট থেকে লগআউট করেন তাহলে এটি কি আপনার পিসিতে ডাউনলোড করা ডেটা মুছে ফেলবে নাকি রেখে দিবে সেটা নির্ধারন করার ক্ষমতাও আপনার হাতেই থাকছে।

অফলাইন সেটআপ হয়ে গেলে ইন্টারনেট ছাড়া জিমেইল ব্যবহার করার জন্য কম্পিউটারের গুগল ক্রোম ব্রাউজারে mail.google.com লিংক ভিজিট করুন। এই লিংকটি বুকমার্ক করে রাখলে ভালো হয়।

অফলাইন অবস্থায় আপনি নতুন ইমেইল রিসিভ করতে পারবেন না। তবে সেন্ড করতে চাইলে ইমেইল লিখে সেন্ড অপশন বাছাই করলে সেটি আউটবক্সে জমা হবে, এবং নেট সংযোগ পেলে তখন মেইলটি ডেলিভারি হবে।

জিমেইল অফলাইন ফিচার বন্ধ করতে চাইলে প্রথমেই আপনি আপনার জিমেইল সেটিংস (https://mail.google.com/#settings/offline) থেকে এটি বন্ধ (আনচেক) করুন। এরপর ক্রোম ব্রাউজারের সেটিংস থেকে “অল কুকিজ অ্যান্ড সাইট ডেটা” রিমুভ করে দিন।

সব মিলিয়ে জিমেইলের এই অফলাইন ফিচার খুব কাজে দিবে আশা করা যাচ্ছে। বিশেষ করে যারা ব্যবসায়িক বা অফিশিয়াল কাজে লম্বা ভ্রমণ করেন তারা চাইলে চলতি পথে প্রয়োজনীয় ইমেইল লেখা ও ইনবক্স চেক করার বিষয়টা ইন্টারনেট ছাড়াই মিটিয়ে ফেলতে পারবেন।

আর হ্যাঁ, মোবাইলে জিমেইল অ্যাপে সেটিংস থেকে ইমেইল সিঙ্ক্রোনাইজ চালু করে রাখলে সেগুলোও ইন্টারনেট ছাড়া এক্সেস করতে পারবেন।

আপনি কি জিমেইল অফলাইন মোড ব্যবহার করেছেন?

বিভিন্ন মোবাইল অপারেটরে ইন্টারনেট ডাটা গিফট করার পদ্ধতি

একসময় মানুষ তার প্রিয়জন বা বন্ধুবান্ধবকে বই কিংবা অন্যান্য সামগ্রী উপহার হিসেবে দিতো। যুগটাই এখন ডিজিটাল। আর এ কারণেই উপহার দেয়ার ধরনও পাল্টেছে। ইদের সালামী কিংবা ছোটখাট উপহার হিসেবে কাউকে মোবাইল রিচার্জ করে দেয়া কিংবা মোবাইল ডেটা বা টকটাইম উপহার দেয়াটা এখন খুবই স্বাভাবিক বিষয়। এই আর্টিকেলে মূলত বিভিন্ন অপারেটরে কীভাবে আপনি অন্যকে মোবাইল ডেটা উপহার দিতে পারেন সেই পদ্ধতিগুলো জানানো হবে।

শুধু উপহারই নয় বরং বিভিন্ন কারণে অন্য কাউকে অনেকসময় মোবাইল ডেটা একটিভেট করে দেয়া লাগে। আপনার বয়স্ক কোন পরিবারের সদস্য হয়তো মোবাইলে নিয়মিত ভিডিও কলে আপনার সাথে কথা বলে কিন্তু তিনি মোবাইল ডেটা একটিভেট করতে পারেন না। সেক্ষেত্রে এ পদ্ধতিতে আপনি দূরে থেকেই তাকে মোবাইল ডেটা কিনে একটিভেট করে দিতে পারছেন।

গ্রামীণফোন ইন্টারনেট এমবি গিফট

গ্রামীণফোনে আপনি ফ্লেক্সিপ্ল্যান এর মাধ্যমে কাউকে চাইলে মোবাইল ডেটা বা এমবি গিফট করতে পারবেন। মাইজিপি অ্যাপ, ফ্লেক্সিপ্ল্যান অ্যাপ কিংবা গ্রামীনফোনের ওয়েবসাইটে ফ্লেক্সিপ্ল্যান এর ওয়েব অ্যাপ ব্যবহার করে এই সেবা নেয়ে যাবে।

এক্ষেত্রে আপনি অ্যাপ কিংবা ওয়েবসাইটের মাধ্যমে ফ্লেক্সিপ্ল্যান এ প্রবেশ করে ডেটার পরিমাণ ও মেয়াদ সিলেক্ট করে গিফট করতে পারবেন। তবে আপাতত তাদের কিছু নির্ধারিত পরিমাণের মাঝেই আপনাকে বাছাই করতে হবে, নিজের ইচ্ছামত পরিমাণ বাছাই করতে পারবেন না। এরপর আপনার মোবাইল নম্বর দিলে সেখানে একটি ওটিপি আসবে যেটি পরবর্তী পেইজে বসিয়ে যাকে গিফট করতে চান তার নম্বর দিলেই হয়ে যাবে। যদি মাইজিপি অ্যাপ ব্যবহার করেন তাহলে ওটিপি দেয়ার কোন ঝামেলাও থাকছে না।

লিঙ্কসমূহঃ

রবি ইন্টারনেট এমবি গিফট

আপনি রবি ব্যবহারকারী হলে খুব সহজেই ইউএসএসডি ব্যবহার করে কাউকে মোবাইল ডেটা গিফট করতে পারবেন। এজন্য আপনাকে *১২১২# ডায়াল করে পর্যায়ক্রমে ইউএসএসডি মেন্যু থেকে “গিফটিং” এবং “মোবাইল ডেটা” অপশন সিলেক্ট করতে হবে। অতঃপর আপনি নির্দিষ্ট কিছু প্যাকেজ থেকে বাছাই করে কাউকে সেই ডেটা প্যাক গিফট করতে পারবেন।

এছাড়া রবি মাইপ্ল্যান অ্যাপ ব্যবহার করে গ্রামীনফোনের ফ্লেক্সিপ্ল্যান এর মতোই মাই প্ল্যান থেকে ডেটা সিলেক্ট করে সেটি কাউকে গিফট করতে পারবেন। সেজন্য মাইপ্ল্যান থেকে ডেটা সিলেক্ট করার পর “গিফট” অপশনটিতে টিক চিহ্ন দিয়ে যাকে গিফট করতে চান তার নম্বরটি দিয়ে দিন।

লিঙ্কসমূহঃ

এয়ারটেল  ইন্টারনেট এমবি গিফট

বাংলাদেশে রবি এবং এয়ারটেল মূলত একই কোম্পানি হওয়াতে রবির ন্যায় এয়ারটেলেও একই পদ্ধতিতে মোবাইল ডেটা গিফট করতে পারবেন। এয়ারটেলে ইউএসএসডি ব্যবহার করে ডেটা গিফট করার জন্য আপনাকে *১২১২# ডায়াল করে পর্যায়ক্রমে ইউএসএসডি মেন্যু থেকে “মোবাইল ডেটা” অপশন সিলেক্ট করতে হবে। অতঃপর আপনি নির্দিষ্ট কিছু প্যাকেজ থেকে বাছাই করে কাউকে সেই ডেটা প্যাক গিফট করতে পারবেন।

এছাড়া রবির মত এয়ারটেল মাইপ্ল্যান অ্যাপ ব্যবহার করে মাই প্ল্যান থেকে ডেটা সিলেক্ট করে সেটি কাউকে গিফট করতে পারবেন। সেজন্য মাইপ্ল্যান থেকে ডেটা সিলেক্ট করার পর “গিফট” অপশনটিতে টিক চিহ্ন দিয়ে যাকে গিফট করতে চান তার নম্বরটি দিয়ে দিন।

লিঙ্কসমূহঃ

বাংলালিংক ইন্টারনেট এমবি গিফট

বাংলালিংকে আপনি ইউএসএসডি মেন্যু ব্যবহার করে কাউকে মোবাইল ডেটা গিফট করতে পারবেন। সেজন্য *৫০০০*৫৫# ডায়াল করে নির্দিষ্ট কিছু ইন্টারনেট প্যাক থেকে বাছাই করুন। এরপর যাকে পাঠাতে চান তার নম্বর দিলেই তার কাছে ইন্টারনেট চলে যাবে।

ইন্টারনেট এমবি গিফট – সকল অপারেটর

উপরের পদ্ধতিগুলো ঝামেলার মনে হলে একটি সাধারণ পদ্ধতি ব্যবহার করে আপনি যেকোন অপারেটর ব্যবহারকারী কাউকে ইন্টারনেট গিফট করতে পারবেন। তবে এজন্য আপনার একটি বিকাশ একাউন্ট থাকতে হবে। আপনার মোবাইলে বিকাশ অ্যাপ ডাউনলোড করে আপনার একাউন্টে লগইন করে মোবাইল রিচার্জ অপশনে যান। এরপর যাকে গিফট করবেন তার নম্বরটি দিন। এবার টাকার পরিবর্তে অ্যাপ থেকে কোন একটি ডেটা প্যাকেজ সিলেক্ট করে দিলেই তার মোবাইলে সেই প্যাক একটিভেট হয়ে যাবে এবং আপনার বিকাশ একাউন্ট থেকে চার্জ কর্তন করা হবে।


Post navigation