আইপি ক্যামেরা নেটওয়ার্কিং বা সেটআপ করার অজানা পদ্ধতি গুলো চলুন জেনে নেয়া যাক

আইপি ক্যামেরা (IP Camera ‍setup) সেটআপ বা নেটওয়ার্কিং করতে প্রয়োজনীয় উপকরনঃ

১. ক্যামেরা

২. এনভিআর

৩. হার্ডডিস্ক

৪. অ্যাডাপ্টার

৫.  আরজে৪৫ কানেক্টর

৬. ক্যাবল

৭. মনিটর

cctv and ip camera networking

ক্যামেরাঃ এটি আইপি ক্যামেরার একটি মূল উপাদান। ক্যামেরা দিয়ে সাধারনত যে সকল জায়গায় নজরদারী করতে হবে ঐ সকল স্থানের ভিডিও ধারন করা হয়। একটি আইপি ক্যামেরা সেটআপে ক্যামেরার সংখ্যা নির্ভর করে আমরা কতগুলো স্থানে নজরদারী করতে চাই তার উপর। অনেকে ক্যামেরার নিরাপত্তা চিন্তা করে বেশি পরিমান ক্যামেরা ব্যবহার করে থাকে। ডিজাইন ও ব্যবহারভেদে ক্যামেরা বিভিন্ন ধরনের হয়ে থাকে। যেমন: বুলেট, ডুম, আইপি ক্যামেরা, মুভঅ্যাবল ক্যামেরা, ৩৬০ ডিগ্রি ক্যামেরা ইত্যাদি।

dvr nvr for cctv and ip camera networking

 এনভিআরঃ এনভিআর বা নেটওয়ার্ক ভিডিও রের্কডার আইপি ক্যামেরার আরেকটি গুরুত্বপূর্ন উপাদান। এর মাধ্যমে ক্যামেরায় ধারনকৃত ভিডিও যেকোন ধরনের স্টোরেজ ডিভাইস যেমন হার্ডডিস্ক, মেমোরি, ফ্লাস ড্রাইভ ইত্যাদিতে সেভ করা যায়। এনভিআর বিভিন্ন ধরনের হয়ে থাকে যেমন ৪ পোর্ট, ৮ পোর্ট, ১৬ পোর্ট, ৩২ পোর্ট বা তারও বেশি । সেটআপে কোন ধরনের  এনভিআর ব্যবহার হবে তা নির্ভর করে ক্যামেরার সংখ্যার উপর । এনভিআর এর পোর্ট সংখ্যা সেটিতে কতগুলো ক্যামেরা যুক্ত করা যাবে তা নির্দেশ করে ।

হার্ডডিস্কঃ আইপি ক্যামেরা সাধারনত ব্যবহার করা হয় নিরাপত্তার কথা চিন্তা করে । অতএব, ভবিষ্যত প্রমান হিসেবে ভিডিও সেইভ করে রাখা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আর সে কারনেই এনভিআর এ হার্ডডিস্ক ব্যবহার জরুরি। একটি ৪ পোর্ট এর এনভিআর এর জন্য কমপক্ষে ১ টেরা  হার্ডডিস্ক জরুরি। তবে আপনি চাইলে আরও বড় হার্ডডিস্কও কিনতে পারেন। কেননা হার্ডডিস্ক যত বড় হবে আপনার রেকর্ড তত বেশি সময় সেইভ থাকবে। ১টি ক্যামেরা দৈনিক সাধারনত  ১০ থেকে ১৫ মেগাবাইট রেকর্ড করে থাকে।

hard disk for IP camera networking
adapter for cctv and ip camera networking

অ্যাডাপটারঃ ক্যামেরায় যে বিদ্যুৎ সংযোগ দেয়া হয় তা অ্যাডাপটার থেকে আসে । ক্যামেরা সাধারনত ১২ ভোল্ট ডিসি তে কাজ করে তাই ২২০ ভোল্ট এসিকে ১২ ভোল্ট ডিসিতে রুপান্তর করার জন্য অ্যাডাপটার ব্যবহার করা হয় । অ্যাডাপটার সংখ্যা ক্যামেরার সংখ্যার সমান হবে ।

আরজে৪৫ঃ আইপি ক্যামেরা সেটআপে আরজে৪৫ কানেক্টর একটি গুরুত্বপূর্ন উপাদান । এর মাধ্যমে ক্যামেরার সাথে ক্যাবলকে এবং ক্যাবলের সাথে এনভিআরকে যুক্ত করা হয় । অরজে৪৫ কানেক্টর এর সংখ্যা ক্যামেরা সংখ্যার দ্বিগুন হবে অর্থাৎ যতগুলো ক্যামেরা তত জোড়া আরজে৪৫ কানেক্টর  লাগবে ।

rj45 connector for ip camera networking

ক্যাবলঃ ক্যাবল এর কাজ হল সংযোগ প্রদান করা । ক্যামেরার সাথে এনভিআরকে সংযুক্ত করার জন্য সাধারনত ক্যাট-৬ ক্যাবল ব্যবহার করা হয়। এছাড়া ক্যামেরা ও এনভিআর এ বিদ্যুৎ সংযোগ দিতে বৈদ্যুতিক ক্যাবল প্রয়োজন। সেটআপে কি পরিমান ক্যাবল লাগবে তা নির্ভর করে এনভিআর থেকে ক্যামেরাগুলোর দূরত্বের উপর ।

cat6 cable for cctv camer networking

মনিটরঃ এটি একটি আউটপুট ডিভাইস। এর মাধ্যমে ক্যামেরাগুলোর ভিডিও আউটপুট দেখা যায় । মনিটর বিভিন্ন কোম্পানি কিংবা বিভিন্ন সাইজের হতে পারে । অনেকে আবার মোবাইল এর মাধ্যমে সরাসরি অনলাইনে মনিটরিং করে থাকে। এতে মনিটর প্রয়োজন না হলেও এনভিআর এবং মোবাইল অর্থাৎ দু্ই প্রান্তেই ইন্টারনেট কানেকশন প্রয়োজন।

monitor for cctv camer setup

আইপি ক্যামেরা (IP Camera Networking) সেটআপ বা নেটওয়ার্কিং পদ্ধতিঃ

১. প্রথমে আমাদের প্রয়োজনীয় সকল সামগ্রী আছে কিনা তা নিশ্চিত হতে হবে ।

২. এরপর ক্যামেরাগুলোর অবস্থান নিশ্চিত করতে হবে এবং ক্যামেরাগুলো স্থাপন করতে হবে ।

৩. ক্যামেরাগুলোতে বিদ্যুৎ এবং ভিডিও প্রবাহ নিশ্চিত করার জন্য নিরাপদ ওয়ারিং, অ্যাডাপটার এবং আরজে৪৫ কানেক্টর সংযোগ করতে হবে ।

৪. এনভিআর এর মধ্যে হার্ডডিস্ক সেট করতে হবে এবং নিদিষ্ট স্থানে এনভিআরটি রাখতে হবে।

৫. এনভিআর এ বিদ্যুৎ সরবরাহের জন্য অ্যাডাপ্টার এবং ক্যামেরা থেকে আসা আরজে৪৫ কানেক্টরগুলো সঠিকভাবে সংযোগ করতে হবে।

৬. সবশেষে ক্যামেরার ভিডিও দেখার জন্য এনভিআর এর সাথে মনিটর সংযোগ দিতে হবে ।

৭. যদি সবকিছু ঠিক থাকে তবে আপনি অবশ্যই মনিটরে এনভিআর এর ইন্টারফেস দেখতে পাবেন। আর এখন সময় এনভিআর পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় সেটিংস সম্পন্ন করা। মোবাইলের মাধ্যমে অনলাইন মনিটরিং করতে চাইলে সেটির জন্য এনভিআর এ আইপি সেটিংস করে দিতে হবে।

আশা করি  পুরো বিষয়টি এখন আপনার কাছে পরিস্কার। আপনি চাইলে নিজেও ট্রাই করেত পারেন। আর আমাদেরও সিসিটিভি ক্যামেরা বা আইপি ক্যামেরা বিক্রয় এবং নেটওয়ার্কিং দুটো সার্ভিসই চালু আছে। সুলভ মূল্যে ভালো মানের পন্য এবং সঠিকভাবে নেটওয়ার্কিং সুবিধা পেতে চাইলে যোগাযোগ করুন আমাদের সাথে।

মোবাইলঃ 01751678855 , 01919322533 , 01551322533

সিসিটিভি ক্যামেরা & IP ক্যামেরা ক্রয়ের ক্ষেত্রে বিবেচ্য বিষয়সমূহ

বর্তমানে নিরাপত্তার বিষয়টি বিবেচনা করে অফিস, ফ্যাক্টরি, বাসাবাড়িসহ ছোট বড় প্রায় সকল প্রতিষ্ঠানেই সিসিটিভি ক্যামেরা বা আইপি ক্যামেরা ব্যবহারের চাহিদা দিনদিন বেড়েই চলেছে। এক্ষেত্রে অনেকেই সকল বিষয় বিবেচনা না করেই সিদ্ধান্ত গ্রহন করে থাকেন এবং পরবর্তিতে হয়তো বিভিন্ন সমস্যার সম্মুখিন হচ্ছেন। যার ফলে নষ্ট হচ্ছে সময় শ্রম এবং গুনতে হচ্ছে বাড়তি অর্থ। একজন ক্রেতা হিসেবে আপনি কখনই এমনটি কামনা করছেন না। অতএব সিদ্ধান্ত গ্রহনের পূর্বে অবশ্যই আপনার কিছু গুরুত্বপূর্ণ  বিষয় বিবেচনা করতে হবে।

বিবেচ্য বিষয়সমূহঃ
১. আপনি কতটুকু জায়গা ক্যামেরার আওতায় নিতে চান তার জন্য কতগুলো ক্যামেরা প্রয়োজন সেটি ভালেভাবে গননা করুন। যদিও যারা নেটওয়ার্কিং এর কাজ করে তারা ক্যামেরা প্রতি বিল করবে কিন্তু আপনার স্থানটি যদি বিক্রেতার থেকে বেশি দূরে বা রিমোট অঞ্চল হয় তবে সে পরবর্তিতে হয়তো দু একটি ক্যামেরার জন্য যেতে রাজি নাও হতে পারে।

২. যেহেতু নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে ক্যামেরা ব্যবহার করবেন অতএব আপনার ক্যামেরা নিরাপদে আছে কিনা সে দিকটি বিবেচনা করুন। প্রয়োজনে ক্যামেরাকে নিরাপত্তা দিতে আরও কিছু ক্যামেরা ব্যবহার করুন।

৩. আপনি যে রুম বা খোলা এরিয়ায় নজরদারী করতে চান তার সিমানা  বিবেচনা করুন। কেউ ভালো বলছে বিধায় ছোট জায়গায় বেশি দামের ক্যামেরা ব্যবহার যেমন মূল্যহীন তেমনি বড় জায়গায় কমদামের ক্যামেরা ব্যবহার করাও ঠিক হবে না। এক্ষেত্রে ক্যামেরার আইআর এবং ডিগ্রি নিশ্চিত হয়ে নিন।

৪. ক্যামেরার লেন্স কত মেগাপিক্সেল, নাইট ভিশন আছে কিনা, এসি না ডিসি দিয়ে চালাতে হবে, সকল ধরনের ডিভিআর বা এনভিআর সাপোর্ট করে কিনা এবং ওয়্যারেন্টির বিষয়টিও নিশ্চিত হয়ে নেয়া ক্রেতা বিক্রেতা উভয়ের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।

৫. ডিভিআর বা এনভিআর এর বিভিন্ন কোয়ালিটি বাজারে থাকতে পারে সেক্ষেত্রে বিক্রেতার সাথে আলাপ করে দাম একটু বেশি গেলেও ভালো মানেরটি ক্রয় করাই ক্রেতার জন্য ভালো। কখনো কখনো এমন হয়, আমরা লাইভ ভিডিও যেমন দেখি, সেইভ করা ভিডিও কোয়ালিটি তেমন আসছে না।

৬. ক্যামেরা সেট করার জায়গায় বৃষ্টির সম্ভাবনা আছে কিনা সেটি অবশ্যই বিবেচনা করতে হবে কারন ডুম ক্যামেরা দেখতে সুন্দর হলেও বাহিরে ব্যবহারের উপযোগী না। সেক্ষেত্রে অবশ্যই ওয়াটার প্রুফ বুলেট ক্যামেরা ব্যবহার করতে হবে।

৭. ক্যামেরাগুলো কি স্থির থাকবে নাকি মুভ করবে তাও বিবেচনা করতে হবে। কারন মুভিং মটর দিয়ে যেমন মুভ করা যায় আবার এখন কিছু আইপি ক্যামেরা আছে যা দ্বারা সহজেই মুভ করানো যায়। আবার কিছু ৩৬০ ডিগ্রি ক্যামেরা আছে যার একটি ক্যামেরা রুমের মাঝে সেট করলে পুরো রুম দেখা যায়।

৮. দূরবর্তী স্থান থেকে লাইভ ভিউ করতে চাইলে ক্যামেরা এবং মোবাইল বা কম্পিউটার দুটোতেই ইন্টারনেট থাকতে হবে এবং ডিভিআর, এনভিআর মেশিনে সঠিকভাবে আইপি কনফিগার করতে হবে। কিছু আইপি ক্যামেরা আছে যার জন্য এনভিআর মেশিন না থাকলেও শুধুমাত্র সফটওয়্যার দিয়েও মনিটরিং করা যায়।

৯. ভবিষ্যত প্রমান হিসেবে ভিডিও সেইভ রাখতে চাইলে অবশ্যই আপনাকে হার্ডডিস্ক ব্যবহার করতে হবে। বিবেচনা করতে হবে আপনার ক্যামেরার সংখ্যা  এবং  কতদিন ডাটা সংরক্ষন করতে চান। কেননা এর উপর নির্ভর করছে আপনার কত পরিমাপের হার্ডডিস্ক প্রয়োজন।

১০. ক্যামেরা, ডিভিআর বা এনভিআর ইত্যাদি বিভিন্ন দামের হয়ে থাকে। অতএব পুরো প্রজেক্ট সুন্দরভাবে বাস্তবায়ন করতে আপনার বাজেট কত লাগতে পারে এটিও বিবেচ্য বিষয়। এক্ষেত্রে কয়েকটি প্লান তৈরি করে আপনার জন্য সঠিক সিদ্ধান্তটি গ্রহন করুন।

সিসিটিভি ক্যামেরা প্যাকেজ ক্রয়ের সময় উপরোক্ত বিষয়সমূহ বিবেচনা করলে আশা করি আপনি সময়, শ্রম এবং অর্থ সবদিক থেকে লাভবান হতে পারবেন। আমাদেরও ক্যামেরা বিক্রয় এবং সেটআপ দুটো সার্ভিসই চালু আছে। বিশ্বস্থতার সাথে পুরো প্রক্রিয়া সঠিকভাবে বাস্তবায়ন করতে চাইলে যোগাযোগ করুন আমাদের সাথে।

মোবাইলঃ  01751678855 , 01551322533 , 01919322533
একটি ভালো পরামর্শ বাঁচাতে পারে সময় শ্রম এবং অর্থ আর দিতে পারে ক্রয়ের পরে সন্তুষ্টি।

সিসিটিভি ক্যামেরার সমস্যা চিহ্নিত করে সমাধানের পদ্ধতি

একটি সিসিক্যামেরা প্রজেক্টে অনেকগুলো ক্যামেরা থাকতে পারে। আমরা যেহেতু গুরুত্বপূর্ণ জায়গাগুলো বিবেচনা করে ক্যামেরা সেটআপ করি তাই কোন একটি ক্যামেরাও যেন নষ্ট হয়ে পড়ে না থাকে। কেননা ঐ নষ্ট ক্যামেরার স্থানটিও হতে পারে ক্ষতির কারন। অতএব সিসিক্যামেরা সবসময় সচল রাখাই উত্তম।অন্যান্য ইলেকট্রনিক্স পণ্যের মত যেকোন সময় সিসিক্যামেরাতেও সমস্যা হতে পারে। তখন আপনার হয়তো মনে হতে পারে একটি ক্যামেরা ঠিক করতে আবার কতগুলো টাকা লাগবে! আসলে কিন্তু তা নয়, আমাদের অভিজ্ঞতায় দেখেছি ক্যামেরা নষ্ট হয় খুব কম তার ওপর ক্যামেরায় থাকে এক বছরের ওয়ারেন্টি। তারপরেও কিছু বেসিক বিষয় জেনেই যেকোন পণ্য ব্যবহার করা উত্তম।সিসিক্যামেরা নষ্ট হওয়ার কারনসমূহঃ সিসিটিভি ক্যামেরা সাধারনত বিদ্যুৎ আপডাউন এর কারনে বেশি নষ্ট হয়ে থাকে। শুধু ক্যামেরা নয় বিদ্যুৎ আপডাউন হলে যেকোন ইলেকট্রনিক্স পণ্য নষ্ট হতে পারে। তাছাড়া অতিমাত্রায় বজ্রপাত সিসিটিভি ক্যামেরা নষ্টের আরও একটি কারন। ক্যামেরা বসানো হয় সারাক্ষনের নিরাপত্তার জন্য অতএব সবসময় চলবে এটিই স্বাভাবিক। দীর্ঘক্ষন ক্যামেরা চলার কারনেও ক্যামেরা নষ্ট হতে পারে তবে এটি ঘটে ক্যামেরায় যদি কম শক্তিসম্পন্ন সার্কিট ব্যবহার করা হয়। ওয়ারেন্টি মেয়াদ শেষ হলেও অনেক সময় ক্যামেরা নষ্ট হতে পারে তবে সাধারনত ৩ থেকে ৫ বছরে ক্যামেরা নষ্ট হয় না। আর ১ বছরের মধ্যে নষ্ট হলেতো রিটার্ন পাওয়ার সুযোগ আছে। আবার ক্যামেরাটি যদি বিদ্যুৎ আপডাউন এর কারনে সার্কিট পুড়ে যায় কিংবা ক্যামেরাটি পড়ে ভেঙে যায় তবে ওয়ারেন্টি পাওয়া যায় না। সবদিক বিবেচনা করে সতর্কতার সাথেই অন্যান্য ইলেকট্রনিক্স পণ্যের ন্যায় সিসিক্যামেরা ব্যবহার করতে হবে।সিসিক্যামেরার সমস্যাসমূহ ও সমাধানঃপ্রথম সমস্যা ও সমাধানঃ ক্যামেরার সাথে থাকে অ্যাডাপ্টার যেদি এসি বিদ্যুতকে ডিসি করে ক্যামেরায় বিদ্যুৎ সরবরাহ করে। এটি নষ্ট হয় সবচেয়ে বেশি। যার মূল্য মাত্র ১২০ টাকা থেকে ১৫০ টাকা। যদি দেখা যায় অ্যাডাপ্টার নষ্ট হয়েছে তবে দ্রুত পাল্টে নিন। দ্বিতীয় সমস্যা ও সমাধানঃ ভিডিও স্থানান্তরের কাজ করে থাকে ভিডিও বেলুন, এটি নষ্ট হতে পারে কিংবা এর কানেকশন লুজও হতে পারে। যার মূল্য ১ জোড়া ১০০ টাকা থেকে ১৫০ টাকা মাত্র। ক্যামেরার সাথে এবং ডিভিআর মেশিনের সাথে অর্থাৎ একটি ক্যামেরা সেটআপ করতে ভিডিও বেলুন প্রয়োজন ১ জোড়া। বেলুনের যেকোন পাশে সমস্যা হতে পারে। অতএব যে পাশের ভিডিও বেলুন নষ্ট হবে সেটি পাল্টে ফেলুন। তৃতীয় সমস্যা ও সমাধানঃ ভিডিও ক্যাবল কিংবা বিদ্যুৎ প্রবাহের ক্যাবল যেকোনটিতে সমস্যা হতে পারে। ক্যাবল চেক করার ক্ষেত্রে প্রথমেই দেখতে হবে কানেশন এর মাথাগুলোতে মরিচা ধরেছে কিনা? মাথাগুলো ঘষে কিংবা নতুন করে মাথা তৈরি করে দেখা যেতে পারে। আর যদি নিশ্চিত হওয়া যায় ক্যাবল নষ্ট তবে একটি ক্যামেরার জন্য যতটুকু ভিডিও বা বিদ্যুতের ক্যাবল প্রয়োজন ততটুকু পরিবর্তন করে ফেলুন। ক্যাবলের মূল্য সাধারনত ১৩ থেকে ২০ টাকা মিটার।চতুর্থ সমস্যা ও সমাধানঃ বিভিন্ন কারনে ক্যামেরাতেও সমস্যা হতে পারে একটু কষ্ট হলেও ক্যামেরাটি খুলে ভালো একটি লাইনে চেক করে দেখতে হবে। আর যদি নিশ্চিত হয় যে ক্যামেরাতে সমস্যা তবে দ্রুত বদলে ফেলুন। বর্তমানে একটি এইচডি ২ মেগাপিক্সেল এর ক্যামেরা ১৬০০ টাকা থেকে ১৭৫০ টাকায় কিনতে পারবেন। পঞ্চম সমস্যা ও সমাধানঃ সকল ক্যামেরা যে মেশিনটিতে লাগানো আছে তার নাম ডিভিআর। যদি কোন ক্যামেরাই না আসে তবে ডিভিআর চেক করা যেতে পারে। মনিটরের জন্য ভিজিএ বা টিভির জন্য ভিএ কানেকশন উভয়পাশে চেক করা যেতে পারে। আবার ডিভিআর এর দু-একটি পোর্টও খারাপ হতে পারে। তবে এমন সমস্যাগুলো খুব কম হয়। একটি ভালো মানের ৪ পোর্টের ডিভিআর এর মূল্য কোম্পানিভেদে ৩৬০০ থেকে ৪০০০ টাকা। একই ধরনের ডিভিআর আবার ৩০০০ টাকাতেও পাওয়া যায় যেটির ব্যবধান বিক্রেতা বুঝিয়ে না বললে আপনি বুঝতে পারবেন না। অন্যান্য সমস্যা ও সমাধানঃ ডিভিআর মেশিনে পাসওয়ার্ড ভুলে যাওয়া, কিট কিট শব্দ হওয়া, ভিডিও আসেনা, রেকর্ড সেইভ হয়না, অনলাইন এ ভিডিও দেখা যায় না ইত্যাদি সমস্যার সমাধানে আপনার ডিভিআর এর সেটিংস পরীক্ষা করে দেখতে হবে। এখানে কোন এলার্ম সেট করা থাকতে পারে, বিভিন্ন সেটিংস অফ থাকতে পারে, হার্ডডিস্ক অটো ফরমেট বন্ধ থাকতে পারে, কিংবা ভিতরে থাকা হার্ডডিস্ক নষ্টও হতে পারে। এক্ষেত্রে একজন এক্সপার্ট এর সহযোগিতা নিন। একনজরে সিসিক্যামেরার সমস্যা চিহ্নিত করার পদ্ধতিঃ
১. অ্যাডাপ্টার এ লাইন আছে কিনা এবং ক্যামেরায় লাইন সঠিকভাবে আসে কিনা দেখতে হবে।
২. যদি ভালো ক্যামেরা সাথে থাকে নতুন ক্যামেরায় লাইন দিয়ে সমস্যা খুঁজে দেখা যেতে পারে।
৩. পুরাতন ক্যামেরাটি খুলে ভালো ক্যামেরার লাইনে চেক করা যেতে পারে।
আশা করি উপরের তিনটি কাজ করলে সমস্যা বের হয়ে আসবে। এরপরেও না হলে ক্যামেরা ও ডিভিআর এর মাথায় থাকা ভিডিও বেলুন এর কানেকশন চেক করতে হবে।৫. প্রয়োজনে ডিভিআর এর যে পোর্ট এ ক্যামেরাটি ছিল তা থেকে পরিবর্তন করে অন্য পোর্ট এ দিয়ে দেখা যেতে পারে।আশা করি সমস্যা চিহ্নিত করে খুব সহজেই সমাধান করে নিতে পারবেন।আমাদেরও নতুন ক্যামরা সেটআপ এবং পুরাতন ক্যামেরা সমস্যার সমাধান এর সার্ভিস চালু আছে। সুলভ মূল্যে সার্ভিসগুলো পেতে এক্ষুনি যোগাযোগ করুন। মোবাইলঃ 01919322533 , 01819322533, 01551322533একটি ভালো পরামর্শ বাঁচাতে পারে সময় শ্রম এবং অর্থ আর দিতে পারে ক্রয়ের পরে সন্তুষ্টি।

বন্ধ হচ্ছে ‘ছদ্মবেশী’ টুইটার অ্যাকাউন্ট

টুইটারের ‘ছদ্মবেশী’ ও ‘ভুয়া’ অ্যাকাউন্টগুলো স্থায়ীভাবে বন্ধ করে দেওয়া হবে। আর এ জন্য ব্যবহারকারীকে আগাম কোনো বার্তা দেয়া হবে না বলে জানিয়েছেন নতুন মালিক ইলন মাস্ক।

এ বিষয়ে এক টুইটে ইলন মাস্ক লিখেছেন, এর আগে কোনো অ্যাকাউন্ট বন্ধ করার আগে ব্যবহারকারীকে সতর্ক সংকেত পাঠাতো টুইটার। কিন্তু এখন যেহেতু অ্যাকাউন্ট যাচাইকরণ চলছে, সেহেতু কাউকে কোনো আগাম বার্তা দেওয়া হবে না ও এর কোনো ব্যত্যয় ঘটবে না।

তার সাফ বক্তব্য, টুইটার ব্লুতে সাইন আপ করার শর্ত হিসেবে অবশ্যই যাচাইকরণ প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যেতে হবে। এমনকি নিজের নামে সামান্যতম পরিবর্তনও সাময়িকভাবে যাচাইকৃত চিহ্ন (ভেরিফায়েড চেকমার্ক) হারানোর কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে।

এদিকে শনিবার অ্যাপেল স্টোরে আপডেট করা হয়েছে। এর মাধ্যমে টুইটারে ভেরিফিকেশনের নীল চিহ্ন পেতে হলে ব্যবহারকারীদের গুনতে হচ্ছে আট মার্কিন ডলার, বাংলাদেশি টাকায় যা ৮০০ টাকার সামান্য বেশি (এক ডলার= ১০০.৩২ টাকা)। প্রাথমিকভাবে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড ও কানাডায় বসবাসকারী আইফোন ব্যবহারকারীরা পাচ্ছেন এই ব্লুটিক এর সুযোগ। শিগগিরই অন্যান্য দেশে এ সুবিধা পাওয়া যাবে। তবে অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেমে চলা যন্ত্রে কবে নাগাদ এ সুবিধা চালু হবে, সে বিষয়ে সুনির্দিষ্ট কোনো তথ্য জানায়নি সাইটটি।

এরইমধ্যে টেসলা প্রধান জানিয়েছেন, ভিন্ন ভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গির সমন্বয়ে টুআটরের জন্য একটি কনটেন্ট মডারেশন কাউন্সিল গঠন করা হবে। ওই কাউন্সিলের সিদ্ধান্ত ছাড়া কোনো কনটেন্টের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া বা কারও অ্যাকাউন্টের ওপর নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হবে না।

নিষিদ্ধ অ্যাকাউন্টগুলোর বিষয়ে মাস্ক গত সপ্তাহে বলেছিলেন, অ্যাকাউন্টগুলো সচল করার জন্য যথার্থ প্রক্রিয়া না পাওয়া পর্যন্ত বন্ধ করে দেওয়া অ্যাকাউন্ট ফিরিয়ে দেওয়া হবে না। এ ধরনের একটি প্রক্রিয়া তৈরি করতে কমপক্ষে আরও কয়েক সপ্তাহ সময় লাগবে।

আসছে ভাঁজ করা মাউস

ভাঁজযোগ্য স্মার্টফোন, টিভি এসব এখন আর অপরিচিত কিছু নয়। সময়ের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে এর জনপ্রিয়তা বাড়বে বলে মনে করা হচ্ছে। ভাঁজযোগ্য স্মার্টফোনের ধারণাটি বাস্তবায়িত হওয়ার পর অন্য যন্ত্রপাতির মধ্যেও এই প্রযুক্তি ব্যবহার করা যায় কিনা তা নিয়ে চলছে আলোচনা।

যে কোনো প্রয়োজনীয় ডিভাইস বা যন্ত্রাংশ আরও সহজে বহনযোগ্য করতে আগামী দিনগুলোতে ভাঁজযোগ্য প্রযুক্তি বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠবে। সেজন্যই এবার ভাঁজ করা মাউস তৈরির প্রকল্প হাতে নিয়েছে বিশ্বের অন্যতম প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান মাইক্রোসফট। সবকিছু ঠিক থাকলে এক থেকে দুই বছরের মধ্যেই এ ধরনের মাউস বাজারে পাওয়া যেতে পারে।

এক প্রতিবেদনে জানায়, ভাঁজযোগ্য আর্ক মাউস নিয়ে কাজ করছে টেক জায়ান্ট মাইক্রোসফট। এ ধরনের মাউসের জন্য ইতোমধ্যে পেটেন্ট আবেদন করেছে প্রতিষ্ঠানটি। পেটেন্ট আবেদনটি এখনো বিবেচনাধীন রয়েছে। ফলে মাইক্রোসফটের পণ্য তালিকায় এটি যুক্ত হচ্ছে কিনা সে বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানানো হয়নি।

মাইক্রোসফটের আর্ক মাউসের আগের ভার্সনটি বেশ হালকা ও সরু। তবে নতুন আর্ক মাউস আরও নমনীয় হতে পারে এবং এটিকে ভাঁজ করার সুবিধাও থাকতে পারে। ফলে এ মাউস খুব সহজে বহন করা যাবে।

Wifi সিগন্যালে সমস্যা, সেই সমস্যা থেকে কীভাবে মুক্তি পাবেন ?

WiFi Speed : বর্তমান সময়ে WiFi রাউটার অতি গুরুত্বপূর্ণ ডিভাইস। যেহেতু WFH চলছে তাই প্রায় সকলের বাড়িতেই রয়েছে রাউটার। Wifi রাউটারের সুবিধা রয়েছে একাধিক। যেমন একটি ইন্টারনেট কানেকশন থেকে একাধিক ডিভাইস চালানো সম্ভব। ফোন, একাধিক ল্যাপটপ, একাধিক ডেস্কটপ, স্মার্ট টিভি সহ একাধিক ডিভাইস চালানো সম্ভব একটি মাত্র ইন্টারনেট কানেকশনে। কিন্তু এর কয়েকটি সমস্যাও রয়েছে। তা হল সঠিক জায়গায় যদি Wifi রাউটার না বসানো থাকে তাহলে সেক্ষেত্রে সিগন্যাল পেতে সমস্যা হয়। যার ফলে নেট স্পিড কম হয়। খুব সহজে এর থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব। কিন্তু এই সমস্য থেকে মুক্তি কীভাবে? কয়েকটি খুব সাধারণ নিয়ম মেনে চললেই Wifi রাউটারের ক্ষমতা বাড়ানো সম্ভব। জেনে নিন সেই নিয়মগুলি-

Wifi রাউটার সবসময় বাড়ির মাঝামাঝি জায়গায় রাখুন-

wifi-

অনেকের কাছে একটি বিষয় হয়তো অজানা যে, Wifi রাউটার কোনও একটি নির্দিষ্ট দিকে সিগন্যল দেয়না। রাউটারটি যে কোনে থাকে তার চারিদিকে সম দূরতে সিগন্যাল দিতে থাকে। যদি কোনও রাউটারকে বাড়ির কোনও একটি কোনে রাখা হয় তাহলে বাড়ির ঠিক বিপরীত কোনে সিগন্যাল পেতে সমস্যা হতে পারে। তাই সবসময় বাড়ির ঠিক মাঝ অংশে Wifi রাউটার রাখা প্রয়োজনে। কারণ এতে নেটের স্পিড বাড়ির যে কোনও অংশ থেকে সমান পাওয়া সম্ভব।

সিগন্যালে কোনও বাধা যাতে না থাকে সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে-

কোনও দেওয়াল বা কোনও ধাতব পদার্থ থাকলে Wifi রাউটারের সিগন্যাল সঠিকভাবে ছড়াতে পারে না। তাই এমন জায়গায় Wifi রাউটার রাখা উচিত যেখানে কোনও দেওয়াল বা সিলিংয়ে ডাক্ট জাতীয় কিছু না থাকে। এতে সিগন্যাল পেতে সমস্যা .তৈরি হতে পারে। তাই বাড়ির যে অংশে ডাক্ট থাকে সেই অংশে Wifi রাউটার না বসানোই উচিত ।

কোনও ইলেকট্রনিক্স ডিভাইস এবং অ্যাপ্লায়েন্সস থেকে রাউটার দূরে রাখতে হবে-

TV, রেফ্রিজারেটর বা ব্লুটুথ সবসময় অন থাকে এই জাতীয় কোনও ডিভাইস থেকে রাউটারকে দূরে সরিয়ে রাখতে হবে । কারণ এই ডিভাইসগুলির কাছে রাউটার থাকলে তাতে রাউটারের পার্ফমেন্সের উপর প্রভাব পড়তে পারে । কমে যেতে পারে ইন্টারনেট স্পিড ।

অন্য এয়ার ওয়েভ থেকে রাউটার দূরে রাখতে হবে-

অধিকাংশ রাউটারের ক্ষেত্রে 2.4Ghz ওয়ারলেস ব্যান্ড ব্যবহৃত হয়। সেক্ষেত্রে রাউটারের কাছাকাছি যদি কোনও কোনও ব্লুটুথ বা অন্য কোনও ওয়ারলেস ডিভাইস থাকে, তবে তার ফলে Wifi এর পার্ফমেন্সের উপর প্রভাব পড়ার সম্ভাবনা থাকে ।

আয়না থেকে দূরে রাখতে হবে Wifi রাউটার

-wifi-

যে কোনও Wifi রাউটারের ভালো পার্ফমেন্সের জন্য আয়না থেকে দূরে রাখতে হবে ওই ডিভাইস। কারণ, আয়নার মাধ্যমে Wifi সিগন্যাল রিফ্লেক্ট হয়ে যায়। সেকারণে আয়না থেকে Wifi রাউটার দূরে রাখা দরকার।

কোনও উঁচু জায়গায় Wifi রাউটার রাখা দরকার-

-wifi-

যে কোনও Wifi সবসময় উপর থেকে নীচের থেকে সিগন্যল দিতে থাকে। তাই যত উঁচু জায়গায় Wifi রাউটার রাখা যাবে তত ভালো স্পিড পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এবং নীচের দিকে রাউটার রাখলে স্পিড কমতে থাকে ।

Wifi অ্যান্টেনার পজিশন সঠিক রাখা দরকার

wifi-

প্রতিটি রাউটারের অন্তত একটি অ্যান্টেনা থাকে। কোনও কোনও ক্ষেত্রে একাধিক থাকে। যে সব ক্ষেত্রে একাধিক অ্যান্টেনা থাকে সেক্ষেত্রে দুটি অ্যান্টেনা উল্লম্বভাবে রাখা উচিত। এতে ইন্টারনেটের স্পিড বেশি পাওয়া সম্ভব।

ফেসবুক হয়ে গেল ‘মেটা’ বিরাট ঘোষণা মার্ক জুকারবার্গের

Facebook Name Change-:

দীর্ঘ ১৭ বছরের যাত্রার অবসান।  ২০০৪ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি পথচলা শুরু করেছিল ফেসবুক (Facebook)। একে অপরের সঙ্গে ভাব আদানপ্রদানের মাধ্যম হিসাবে শুরু হয়েছিল এই সংস্থা। ধীরে ধীরে তা মানুষের নিত্য জীবনের এক গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ হয়ে ওঠে। ফেসবুক (Facebook) বর্তমানে কর্ম সংস্থানের ক্ষেত্রেও এক গুরুত্বপূর্ণ নাম। এছাড়াও বিপণনের ক্ষেত্রেও ফেসবুক (Facebook) এক অন্যতম মাধ্যম। কেবল চ্যাটিং বা ফটো আপলোডিং-এর (Photo Uploading) মধ্যেই সীমাবদ্ধ নেই ফেসবুক। এছাড়াও আরও নানা ধরনের পরিষেবার দিকে এগিয়ে যেতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ ফেসবুক (Facebook)। সেইসঙ্গে কর্পোরেট সংস্থার কাজের সঙ্গেও বর্তমানে যুক্ত এই ফেসবুক সংস্থা। একটি সাধারণ সোশ্যাল মিডিয়া (Social Media) প্ল্যাটফর্ম হিসাবে যাত্রা শুরু করলে ও বর্তমানে এই সংস্থার অধীনে রয়েছে একাধিক সংস্থাও। বর্তমানে ইনস্টাগ্রাম (Instagram), মেসেঞ্জারের (Messenger)  মতো শাখার পাশাপাশি মেসেজিং অ্যাপ হোয়াটসঅ্যাপ (WhatsApp) ও এই মুহূর্তে ছিল ফেসবুকের অধীনস্থ। সেই কারণেই ফেসবুক সংস্থার নাম বদলের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন মার্ক জুকারবার্গ (Mark Zukerberg)।  যদিও এই বিষয়ে স্পষ্টত কোনো কথা তিনি জানান নি। তবে জল্পনা ওঠে যে ফেসবুক (Facebook) সংস্থার বার্ষিক কনফারেন্সেই নাম বদল করতে পারে ফেসবুক (Facebook)। অবশেষে সকল জল্পনার অবসান ঘটিয়ে নাম বদল করলো ফেসবুক, নতুন নাম হল মেটা (Meta)।

নাম বদলের খবর প্রকাশ্যে এনেছেন খোদ মার্ক জুকারবার্গ (Mark Zukerberg) নিজেই। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ফেসবুকে একটি পোস্ট করে মার্ক লেখেন ‘আমাদের কোম্পানির জন্য সম্পূর্ণ এক নতুন অধ্যায়ে প্রবেশ করতে চলেছি আমরা। বর্তমান সমত্যে প্রযুক্তি মানুষকে শিখিয়েছে কীভাবে আরও নতুন করে নিজেকে বিকশিত করা যায়। আমি যখন ফেসবুকের যাত্রা শুরু করেছিলাম তখন আমাদের অধিকাংশ মানুষই ওয়েবসাইটে (Website) টেক্সট টাইপ করতাম। তবে ধীরে ধীরে প্রযুক্তি উন্নত হয়েছে। আমরা ডেস্কট্রপ (Desktrop) থেকে মোবাইলের (Mobile) দুনিয়ায় এসে পৌঁছেছি। তবে বিস্তারের পথ এখানেই শেষ নয়।’ অর্থাৎ উন্নতকে আরও করে তৈরী করার তাঁর লক্ষ্য। পোস্টের মাধ্যমে মার্ক জানান যে তিনি ক্লাসিকস পড়তে ভালোবাসেন, এবং তাঁর নতুন কোম্পানির নাম ‘মেটা’ শব্দটি এসেছে গ্রিক শব্দ ‘বিয়ন্ড’ (অনন্ত) থেকে। সুতরাং এই শব্দ বেছে নেওয়ার পিছনে কারণ ও ‘আরও অনেক কিছু তৈরি করা বাকি। আমাদেরও পথচলার অনেক নতুন পথ বাকি’। সেই ধারণা থেকেই এই নামকরণ করেছেন মার্ক। 

Ubiquiti UniFi AP AC LR Dual-Radia 1317Mbps Wireless AP

Ubiquiti UAP-AC-LR WiFi 5 Access Point (AC)

Ideal for long-range deployments, the Ubiquiti UAP-AC-LR UniFi AC1317 dual-band WiFi 5 PoE access point offers simultaneous, dual-band operation with 3×3 MIMO in the 2.4 GHz band and 2×2 MIMO in the 5 GHz band. The innovative antenna design provides a long-range, symmetrical-link coverage area, and the antenna gain of this Ubiquiti UAP-AC-LR UniFi AC1317 AP performs better than one-way, high transmit power does for connecting distant clients. It is available in single, triple and five-packs, and can be configured with or without a hassle-free hosted cloud controller.

Key Features

  • Designed for Optimal RF Performance – The newly redesigned UniFi Controller optimises RF performance:
    • Spectral Analysis – Collects feedback on full 5GHz and 2.4GHz WiFi channel interference
    • Band Steering: Pushes connected WiFi clients to faster interference-free 5GHz channels.
    • Airtime Fairness: Minimises problem-client effects on system performance by limiting their airtime access
  • Powerful Hardware– Features the latest in WiFi 802.11AC MIMO technology with WiFi speeds up to 1317Mbps (450Mbps + 867Mbps)
  • Includes UK Power Cable – No need to purchase additional cable for use in the United Kingdom, 1.8m IEC C5 cable included
  • Google Maps Integration – Upload your own custom coverage maps or configure your map using the built-in Google Maps API.
  • L3 Manageability – With L3 manageability, the UniFi Controller software can be run on a different subnet than the UniFi APs it manages, allowing ‘no-touch’ AP provisioning
  • Multi-Site Management – A single UniFi Controller can manage multiple, distributed deployments and multi-tenancy for managed service providers. You can configure settings and administrator accounts specific to each deployment.
  • One UniFied Network – Option to create one large wireless network across multiple APs that lets users move around the network wirelessly.
  • Events and Alerts – UniFi makes it easy to view and set up email delivery of alerts and recent event notifications on your network(s).
  • Access Points (APs) – Easily install, configure, and manage all access points from one location.
  • Guest Portal/Hotspot Support – Easy customisation and advanced options for Guest Portals include authentication, Hotspot setup options, and the ability to run as an external portal server. Take advantage of UniFi’s rate limiting for your Guest Portal and Hotspot package offerings. Apply different bandwidth rates (download/upload), limit total data usage, and limit duration of use.
  • All UniFi AC APs include Hotspot functionality:
    • Built-in support for billing integration using major credit cards via PayPal.
    • Built-in support for voucher-based authentication.
    • Built-in Hotspot Manager for voucher creation, guest management, and payment refund.
    • Full customisation of Hotspot portal pages.

Scalable enterprise WiFi management

UniFi is the revolutionary WiFi system that combines enterprise performance, unlimited scalability, and a central management controller. The Ubiquiti UAP-AC-LR UniFi access points has a refined industrial design and can be easily installed using the included mounting hardware. Easily accessible through any standard web browser, the UniFi Controller software is a powerful software engine ideal for high-density client deployments requiring low latency and high uptime performance. Use the UniFi Controller software to quickly configure and administer an enterprise WiFi network – no special training required. RF map and performance features, real-time status, automatic UAP device detection, and advanced security options are all seamlessly integrated.

The UniFi Controller is packed with features

You can use the UniFi Controller to provision thousands of UniFi APs, map out networks, quickly manage system traffic, and provision additional UniFi APs while using the RF map to monitor and analyse radio frequencies for optimal AP placement, configuration, and troubleshooting. Advanced RF performance and configuration features include spectral analysis, airtime fairness, and band steering.

Wireless Uplink functionality enables wireless connectivity between APs for extended range. One wired UniFi AP uplink supports up to four wireless downlinks on a single operating band, allowing wireless adoption of devices in their default state and real-time changes to network topology. The UniFi Controller also offers configurable reporting and analytics to manage large user populations and expedite troubleshooting.

Guest Portal/Hotspot support

Easy customisation and options for Guest Portals include authentication, Hotspot setup, and the ability to use your own external portal server. Use UniFi’s rate limiting for your Guest Portal/Hotspot package offerings. Apply different bandwidth rates (download/upload), limit total data usage, and limit duration of use.

All UniFi APs include Hotspot functionality:

  • Built-in support for billing integration using major credit cards.
  • Built-in support for voucher-based authentication.
  • Built-in Hotspot Manager for voucher creation, guest management, and payment refund.
  • Full customisation and branding of Hotspot portal pages.

Multi-Site management

A single UniFi Controller running in the cloud can manage multiple sites: multiple, distributed deployments and multi-tenancy for managed service providers. Each site is logically separated and has its own configuration, maps, statistics, guest portal, and administrator read/write and read-only accounts. broadbandbuyer offers a hosted Cloud Controller service that takes the hassle out of managing single or multi-tenancy sites and ensures your data remains secure and readily available to you when you need it. Please use the site search feature, the variations drop down boxes on this page or contact our UniFi Cloud specialists on 01908 760795 (Mon-Fri 9am to 5:30pm) if you require further information.

Power over Ethernet (PoE)

Deploying a Ubiquiti UAP-AC-LR UniFi AP in a remote or difficult locations is made easier with integrated Power over Ethernet (PoE) functionality that allows both power and data to be carried over a single Ethernet cable to the access point. This Access Point includes a UK power supply and PoE injector.

Description

Long range 183 meter or 600 feet, 1317 Mbps high speed, sleek industrial design, simultaneous dual-band wi-fi.

Full Specification

ConnectivityIndoor
Wired Port10/100/1000
Speed1317 Mbps
Range183 Meter
StatusIn Stock

নতুন রূপে আসছে “ম্যাকবুক প্রো”

মার্কিন প্রযুক্তিপণ্য নির্মাতা প্রতিষ্ঠান অ্যাপল চলতি বছরে এইচডিএমআই পোর্ট ও এসডি কার্ড রিডারযুক্ত  নতুন ম্যাকবুক প্রো মডেল বাজারে ছাড়তে পারে। অ্যাপল পণ্যের প্রখ্যাত বিশ্লেষক মিং সি কুয়ো এ তথ্য দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, নতুন ম্যাকবুক প্রোর নকশা অনেকটাই বদলে যাবে। এ ছাড়া যন্ত্রাংশেও পরিবর্তন আসবে।

এর আগে গত মাসে কুয়ো নতুন ম্যাকবুক নিয়ে তাঁর পূর্বাভাসে বলেছিলেন, অ্যাপল ১৪ ইঞ্চি ও ১৬ ইঞ্চি মাপের দুটি সংস্করণের ম্যাকবুক প্রো নিয়ে কাজ করছে। এই ম্যাকবুকের নকশা অনেকটাই আইফোন ১২ মডেলের মতো ফ্ল্যাট হতে পারে।
প্রযুক্তিবিষয়ক ওয়েবসাইট ম্যাকরিউমার বলেছে, এবারের নতুন ম্যাকবুক প্রোর মডেলে বেশ কিছু পরিবর্তন চোখে পড়বে। বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে অ্যাপল এই ল্যাপটপ বাজারে ছাড়তে পারে।  বিজ্ঞাপন

নতুন ম্যাকবুক প্রোতে অ্যাপল তাদের নিজস্ব এম১ বা এম১এক্স প্রসেসর ব্যবহার করতে পারে। তবে এতে ওএলইডি টাচবার বাদ যাবে। এর পরিবর্তে ফিরবে ফিজিক্যাল ফাংশন কি।

নতুন ল্যাপটপে ইউএসবি টাইপ-সি চার্জিং পোর্টের পরিবর্তে ম্যাগসেফ চার্জিং কানেক্টর ব্যবহৃত হবে। অ্যাপলের নতুন ল্যাপটপ নিয়ে গুঞ্জন থাকলেও এ নিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানায়নি প্রতিষ্ঠানটি। এর আগে এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে বলা হয়, অ্যাপলের সিলিকন প্রসেসর চালিত ১৪ ইঞ্চি ও ১৬ ইঞ্চি মডেলের ম্যাকবুক প্রো নিয়ে নানা গুঞ্জন চলছে। শিগগিরই এ ল্যাপটপ বাজারে আসতে পারে।

প্রযুক্তিবিষয়ক ওয়েবসাইট টেকরাডারের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ১৬ ইঞ্চি মাপের ম্যাকবুক প্রো মডেলটি আগের চেয়েও হালকা-পাতলা হতে পারে। গত বছরের নভেম্বরে ১২ কোরের অ্যাপল এমওয়ানএক্স প্রসেসর দিয়ে ১৬ ইঞ্চি ম্যাকবুক প্রো বাজারে আসার গুঞ্জন ওঠে। এর আগে ম্যাকবুক ১৪ নিয়েও গুঞ্জন ওঠে।

পুরনো মেশিন ? ঠিকই ইনস্টল করা যাবে Windows 11; জেনে নিন কী ভাবে

#কলকাতা:  অক্টোবরের ৫ তারিখে লঞ্চ করা হয়েছে Windows 11। কিন্তু অনেকেই নতুন এই আপডেটেড ভার্সন নিয়ে তেমন উৎসাহী নয়। কারণ অনেকের কম্পিউটারেই সাপোর্ট করছে না মাইক্রোসফটের (Microsoft) নতুন অপারেটিং সিস্টেম Windows 11। কারণ মাইক্রোসফটের নতুন অপারেটিং সিস্টেমের জন্য প্রয়োজন উন্নত কিছু ফিচার। এর ফলে পুরনো সিস্টেমে সেই সকল ফিচার না থাকার জন্য ইনস্টল করা যাচ্ছে না Windows 11। নতুন অপারেটিং সিস্টেম Windows 11 এর জন্য দরকার হল ট্রাস্টেড প্ল্যাটফর্ম মডিউল ২.০ ক্রিপ্টো প্রসেসর (Trusted Platform Module 2.0 Crypto Processor), যা সিস্টেমের হার্ডওয়্যার লেভেলকে সুরক্ষিত রাখতে সহায়তা করে। যাদের সিস্টেমে এই ট্রাস্টেড প্ল্যাটফর্ম মডিউল ২.০ ক্রিপ্টো প্রসেসর নেই, তারাও কয়েকটি উপায়ে ব্যবহার করতে পারবে Windows 11।

এক নজরে দেখে নেওয়া যাক পুরনো সিস্টেমে Windows 11 ইনস্টল করার উপায়।

স্টেপ ১ – প্রথমেই ডাউনলোড করতে হবে Windows 11 আইএসও ফাইল (ISO File)। এটি ডাউনলোড করার জন্য অফিসিয়াল Windows 11 এর ডাউনলোড পেজে গিয়ে ক্লিক করতে হবে এই লিঙ্কটিতে- https://www.microsoft.com/en-us/software-download/windows11

স্টেপ ২ – এর পর ডাউনলোড Windows 11 ডিস্ক ইমেজ (Download Windows 11 Disk Image ISO) সেকশনে গিয়ে সিলেক্ট করতে হবে Windows 11

স্টেপ ৩ – এর পর নীল রঙের ডাউনলোড বাটনে ক্লিক করতে হবে। এর আগে অবশ্যই দেখে নিতে হবে যে নিজেদের সিস্টেমে অনেকটা ডেটার জায়গা আছে কি না এবং নেটের স্পিড ঠিকঠাক কি না। কারণ Windows 11 আইএসও ফাইলের সাইজ ৫.১ জিবি। এই Windows 11 আইএসও ফাইল ডাউনলোড হওয়ার পরেই পরবর্তী স্টেপে যাওয়া যাবে।

স্টেপ ৪ – এর পর স্টার্ট আইকন (Start Icon) ক্লিক করতে হবে এবং টাইপ করতে হবে রিগিডিট (Regedit)।

স্টেপ ৫ – এর পর যখন রেজিস্ট্রি এডিটর স্টার্ট মেনু দেখাবে তখন এন্টার প্রেস করে সেই অ্যাপ লঞ্চ করতে হবে।

স্টেপ ৬ – এর পর সেই অ্যাপটি অ্যাডমিনিস্ট্রেটরের সম্মতি চাইবে। তখন ইয়েস (Yes) বাটনে ক্লিক করতে হবে।

স্টেপ ৭ – বাঁদিকের প্যানেলে ফোল্ডার এক্সপেন্ডেবেল করার অপশন দেখা যাবে। সেটি সিলেক্ট করলে অনেকগুলো লেভেল দেখা যাবে। তার মধ্যে থেকে এটি নেভিগেট করতে হবে- Computer > HKEY_LOCAL_MACHINE > SYSTEM > Setup > MoSetup

স্টেপ ৮ – এছাড়াও ওপরেরটি অ্যাড্রেস বারে কপি পেস্ট করা যাবে।

স্টেপ ৯ – ডানদিকের প্যানেলের ডানদিকে ক্লিক করে সিলেক্ট করতে হবে New > DWORD (32-bit) Value।

স্টেপ ১০ – এর পর ভ্যালু নেম (Value Name) ফিল্ডে সেটি লিখতে হবে অথবা কপি পেস্ট করতে হবে।

স্টেপ ১১ – এর পর ওকে (OK) অপশন ক্লিক করে অপেক্ষা করতে হবে সেটি ডাউনলোড হওয়ার।

স্টেপ ১২ – এর পর সেই আইএসও ডাউনলোড হওয়ার পর সেটিতে ডবল ক্লিক করে ওপেন করতে হবে।

স্টেপ ১৩ – এর পর সেট আপ ফাইলে ডবল ক্লিক করলে ইনস্টলেশনের প্রক্রিয়া শুরু হবে।


Post navigation